আন্তর্জাতিক
তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, প্রাণহানি বেড়ে ৩০
যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী তুষারঝড়ে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে টেক্সাস থেকে নিউ ইংল্যান্ড পর্যন্ত বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ভারী তুষারপাত, জমাট বরফ ও তীব্র ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দফতর (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, দেশের পূর্বাংশের বড় একটি অংশে আগামী কয়েক দিন ‘হিমশীতল বাতাস’ ছড়িয়ে পড়বে। অনেক এলাকায় শূন্য ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে এবং রেকর্ড পরিমাণ ঠান্ডা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ফেব্রুয়ারির শুরু পর্যন্ত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম তাপমাত্রা থাকতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
এদিকে, ঝড়ের প্রভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সারা দেশে ৬ লাখ ৭০ হাজারের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন ছিলেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলে।
এ পরিস্থিতিতে ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপি জানিয়েছে, চলমান চরম শীত ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের কারণে অক্সফোর্ড ক্যাম্পাসে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ক্লাস বন্ধ থাকবে।
এছাড়া শীতকালীন ঝড়ে ভ্রমণ ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত হয়েছে। রোববার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সাড়ে ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। সোমবারও প্রায় ৫ হাজার ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল সেন্টকম
মধ্যপ্রাচ্যে একটি মার্কিন জ্বালানিবাহী বিমান বিধ্বস্তে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বিমানটি বিধ্বস্তের ঘটনায় চার ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। পশ্চিম ইরাকে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সেন্টকম জানিয়েছে, প্রতিকূল পরিবেশ বা শত্রুর গোলাগুলির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়নি। এটি একটি মারাত্মক দুর্ঘটনা ছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় চারজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে তারা জানিয়েছে, বিমানটি শত্রুপক্ষের হামলা বা নিজেদের বাহিনীর গুলির কারণে বিধ্বস্ত হয়নি। বিমানে ছয়জন ক্রু ছিলেন।
এর আগে মার্কিন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জিম হাইমস বিবিসির নিউজনাইট অনুষ্ঠানে বলেন, এই ঘটনা কেন ঘটেছে তার কারণ নির্ধারণ এতো দ্রুত করা যাবে না। বিমানে থাকা ক্রুরা নিরাপদ আছেন। সংঘাতের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে। সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীতেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং এখানে সম্ভবত তেমনটাই ঘটেছে। আমরা বিমানের ক্রুদের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করি। তবে একটি দেশ যখন যুদ্ধে জড়ায়, তখন এ ধরনের মূল্য দিতে হয়।
মার্কিন বিমানবাহিনীর এয়ার মোবিলিটি কমান্ডের বহরে প্রায় ৪০০টি রিফুয়েলিং ট্যাংকার বিমান রয়েছে। রিফুয়েলিং ট্যাংকার বিমানগুলো যুদ্ধের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এগুলো যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানকে আকাশে থেকেই জ্বালানি সরবরাহ করে, যাতে তারা দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে পারে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
‘মাত্র তো শুরু’, লেবাননে সেতু উড়িয়ে দিয়ে বললেন ইসরাইলি মন্ত্রী
লেবাননের সরকারকে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ। তিনি বলেছেন, লেবানন সরকার হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র না করলে, ইসরাইল দেশটির বিরুদ্ধে হামলা আরও জোরদার করবে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) লেবাননের লিতানি নদীর ওপর একটি সেতু ইসরাইলি সামরিক হামলায় ধ্বংস হওয়ার পর কাৎজ বলেন, ‘এটা শুধু শুরু মাত্র।’
ইসরাইলের ওয়াইনেট নিউজে প্রকাশিত মন্তব্যে তিনি বলেন, লেবাননের সরকার হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করেছে। হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হলে দেশটির জাতীয় অবকাঠামোর ক্ষতির মাধ্যমে চড়া মূল দিতে হবে।
রয়টার্স জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের যারারিয়াহ এলাকার লিতানি নদীর ওপর অবস্থিত সেতুতে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ঘোষণা দিয়ে নাগরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাল ইসরাইল।
দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সেতুটি উত্তর ও দক্ষিণ লেবাননের মধ্যে চলাচলের জন্য হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পারাপারের পথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, এই সেতুর আশেপাশে হিজবুল্লাহ রকেট লঞ্চার স্থাপন করেছিল এবং ইসরাইলের দিকে হামলা চালিয়েছে। তবে তারা এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তার হুমকি দূর করতে এই সেতুটি ধ্বংস করা প্রয়োজন ছিল।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল, আল জাজিরা
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি ছাড়ল হাজারো মার্কিন সেনা, আত্মগোপন হোটেল-বাসাবাড়িতে
কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরান ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হাজারো মার্কিন সেনা ও কর্মকর্তারা তাদের ঘাঁটি খালি করে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় হোটেল ও ব্যক্তিগত আবাসনে আত্মগোপনে রয়েছেন মার্কিন সেনারা।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আই বলেছে, আবাসিক এলাকায় আশ্রয় বা আত্মগোপনে থাকা মার্কিন সেনাদের অবস্থান জানাতে মধ্যপ্রাচ্যের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গোয়েন্দা শাখা।
আইআরজিসির গোয়েন্দা শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাজার হাজার মার্কিন সেনা হোটেল ও ব্যক্তিগত আবাসনে বা বাসাবাড়িতে অবস্থান করছে। ওয়াশিংটন আমাদের আরব ভাইদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। আমরা বাধ্য হচ্ছি আমেরিকানদের শনাক্ত করতে এবং লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে। তাই হোটেলগুলোতে তাদের আশ্রয় না দেওয়াই ভালো এবং তাদের অবস্থান থেকে অন্যদের দূরে থাকা উচিত। মার্কিন সন্ত্রাসীদের লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলো সঠিকভাবে জানানো আপনার ইমানি দায়িত্ব। সেই তথ্য আমাদের কাছে টেলিগ্রামে পাঠিয়ে দিন।
এদিকে ইরাকের কুর্দিস্তানে হামলায় ফ্রান্সের একজন সেনা নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের অবস্থাও গুরুতর। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এ তথ্য জানিয়েছেন।
সেনা নিহতের তথ্য জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মাখোঁ। তিনি বলেছেন, ইরবিল অঞ্চলে ফরাসি বাহিনীর ওপর হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে ফ্রান্সের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ওই অঞ্চলে ইরাকি অংশীদারদের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী প্রশিক্ষণে নিয়োজিত ছয় ফরাসি সেনা ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন।
এমএন
আন্তর্জাতিক
রুশ তেল ছাড়া বিশ্ব জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল থাকা অসম্ভব: রাশিয়া
বিশ্বের জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে রাশিয়ার তেলের কোনো বিকল্প নেই বলে দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক দূত কিরিল দিমিত্রিভ। তিনি বলেছেন, রুশ তেল ছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার কোনোভাবেই স্থিতিশীল থাকতে পারে না।
টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে দিমিত্রিভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কার্যত একটি রূঢ় সত্যকেই স্বীকার করে নিচ্ছে। আর তা হলো— রুশ তেল ছাড়া বিশ্ব জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষা করা সম্ভব নয়।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সম্প্রতি এক বিশেষ অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে সাগরে ভাসমান জাহাজে থাকা রাশিয়ার তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সাময়িকভাবে কেনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই মার্কিন প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের পরই দিমিত্রিভ এমন মন্তব্য করলেন।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে চার বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, সমুদ্রের মাঝপথে আটকে থাকা রুশ অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার জন্য বিভিন্ন দেশকে ৩০ দিনের বিশেষ লাইসেন্স বা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।
এর আগে ৫ মার্চ, ভারতের জন্য একইভাবে ৩০ দিনের একটি বিশেষ ছাড় দিয়েছিল মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। ফলে সাগরে আটকে থাকা রুশ তেল কেনার সুযোগ পায় নয়াদিল্লি।
সূত্র : বিবিসি।
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরানে ক্ষমতাসীনদের হত্যা করা ‘খুবই সম্মানজনক’ : ট্রাম্প
ইরানে ক্ষমতাসীন সরকারের সদস্য ও কর্মকর্তাদের হত্যা করা ‘খুবই সম্মানজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ মন্তব্য করেছেন তিনি।
শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানের সন্ত্রাসী সরকারকে সামরিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে এবং আরও বিভিন্নভাবে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিচ্ছি। ইরানের নৌবাহিনী ডুবে গেছে, তাদের বিমান বাহিনী বলতে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং অন্যান্য যেসব সমরাস্ত্র আছে— সেসবও শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং এই সরকারের নেতারা একে একে পৃথিবী থেকে বিদায় নিচ্ছেন।”
“আমাদের আছে অতুলনীয় সমরাস্ত্র, সীমাহীন গোলাবারুদ এবং প্রচুর সময়। এই উন্মাদ গোষ্ঠীর কী হয়— আপনারা দেখবেন। গত ৪৭ বছর ধরে তারা নিজেদের দেশ এবং বিশ্বজুড়ে নিরপরাধ লোকজনকে হত্যা করে যাচ্ছে। এখন আমি, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদের হত্যা করছি। এটা অত্যন্ত সম্মানজনক।”
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো এবং সেসব দেশের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
সূত্র : এএফপি
এমএন




