রাজনীতি
ইনসাফভিত্তিক একটি সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণ করব: হাসনাত আবদুল্লাহ
আমরা ন্যায় এবং ইনসাফভিত্তিক একটি সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণ করব। আগ্রাসনবিরোধী, আধিপত্যবিরোধী শক্তির অবসান ঘটাব। একটি সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করব বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনে জামায়াত জোটের মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ী এলাকায় উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত বলেন, গত দেড় বছরে এনসিপি এবং জামায়াত জোটের নেতাকর্মীরা চাঁদা নিতে এলাকায় আসেনি। কেউ হাট-বাজার দখল করতে আসেনি। সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে চাঁদাবাজি করেনি। এবার রেমিট্যান্স যোদ্ধা, কলকারখানার শ্রমিক এবং মেহনতি মানুষের মধ্য থেকেই নেতা নির্বাচিত হবে।
এলাকার কৃষক-শ্রমিক মেহনতী মানুষ জানে হাসনাত আবদুল্লাহ যদি নির্বাচিত হয় অন্ততপক্ষে চাঁদাবাজি করবে না। তাই এবার তারা অন্য পার্টির মিছিল-মিটিং করবে কিন্তু গোপনে এসে আমাকেই ভোটটা দেবে। তারা ভালো করেই জানে আমার দ্বারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, অনিয়ম-দুর্নীতি কখনো সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে জনগণ ঋণখেলাপি, দুর্নীতিবাজ, জনগণের অর্থ আত্মসাৎকারীদের বর্জন করবে। একটি পরিবর্তনের লক্ষ্যে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে তিনি নিজ নির্বাচনি এলাকায় ভোর থেকেই মাঠে নেমে পড়েন। দেবিদ্বার উপজেলা সদরের নিউমার্কেট এলাকায় তিনি শাপলা কলির পক্ষে স্লোগান দিয়ে প্রচারণা শুরু করেন।
এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম সহিদসহ জামায়াত-শিবির ও এনসিপির নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছিলেন।
এমকে
রাজনীতি
এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি
বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, জনপ্রিয় সোশ্যাল অ্যাকটিভিস্ট মহিউদ্দিন রনি এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা দলটিতে যোগ দেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসহাক সরকারকে এনসিপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। এই লক্ষ্যে বর্তমান আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মোহাম্মদ পদত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে।
ইসহাক সরকার ছাত্রদল ও যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি তিন শতাধিক মামলার আসামি হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকটি মামলায় আদালত থেকে তিনি খালাসও পান।
সবশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন ইসহাক সরকার। তবে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
একই অনুষ্ঠানে এনসিপিতে যোগ দেয়া মহিউদ্দিন রনি রেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। অন্যদিকে নুরুজ্জামান কাফি তার জনপ্রিয় সামাজিক সচেতনতামূলক ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিত মুখ। নতুন রাজনৈতিক এই প্ল্যাটফর্মে তাদের অন্তর্ভুক্তি এনসিপিকে আরও চাঙা করবে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।
রাজনীতি
ছাত্রদলকে ‘হায়েনা’র মতো লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে: গোলাম পরওয়ার
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রদলকে শিক্ষার্থীদের ওপর ‘হায়েনার মতো’ লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার পুরোনো কর্তৃত্ববাদী শাসনের পথে ফিরতে চাইছে, তবে দেশের জনগণ তা আর মেনে নেবে না।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের একটি পার্কের মিলনায়তনে জেলা জামায়াত আয়োজিত ওয়ার্ড সভাপতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের সমালোচনা করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দেশের মানুষ বারবার রক্ত দিয়েছে। আমরা আর রক্ত দিতে চাই না। এই সরকার কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের পথে ফিরে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হায়েনার মতো লেলিয়ে দেয়া হচ্ছে। জনগণ কর্তৃত্ববাদী শাসন আর মেনে নেবে না।’
নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আজকে যারা জামায়াত-শিবিরকে গুপ্ত বলে, ১৭ বছর তারাই বিদেশে লুকিয়ে ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে বিএনপির গুপ্ত উপদেষ্টারা ছিল, যারা এই সরকারের মন্ত্রী হয়েছে। কাজেই জনগণ জানে আসল গুপ্ত কারা।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঝিনাইদহের মাটি শহীদের রক্তে ভেজা জনপদ। বছরের পর বছর এ অঞ্চলের মানুষ কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাড়িতে ঘুমাতে পারেনি। জীবনের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা বিলোপ করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের সামনে নতুন করে কর্তৃত্ববাদী শাসন ফেরার চেষ্টা চলছে। জনগণ আর কখনো সরকারকে কর্তৃত্ববাদী হওয়ার সুযোগ দেবে না।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘বগুড়ায় একটি সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন জামায়াতের ওপর নাকি স্বৈরাচারের আত্মা ভর করেছে। আমরা বলতে চাই, বিএনপি সরকারকে ভূতে ধরেছে। কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদী শাসনের ভূতে ধরেছে এই সরকারকে। যে কারণে সরকার চাইলেও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারছে না। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার এখন ছলচাতুরি শুরু করেছে।’
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের আয়োজনে নির্বাচনের আগে চার মাস ধরে দফায় দফায় সংলাপ হয়েছে। ৩৩টি রাজনৈতিক দল সংবিধান সংস্কারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। দুঃখের বিষয়, বিএনপি সংবিধান সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ দশটি পয়েন্টে নোট অব ডিসেন্ট দেয়। অধিকাংশ দল সংবিধান সংস্কারে ঐকমত্যে পৌঁছালেও বিএনপি তার বিরোধিতা করেছে। এখন তারা গণভোটের রায়কে বাতিল করতে চায়। সংবিধানের দোহাই দিয়ে বিএনপি সরকার ফ্যাসিবাদী শাসন টিকিয়ে রাখার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’
সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বহু রক্ত দিয়েছি, দেশের মানুষ বারবার জীবন দিয়েছে। আমরা আর রক্তের বিনিময়ে পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চাই না। সরকার জনগণের গণভোটের ম্যান্ডেট যদি মূল্যায়ন না করে, জনগণই আবার রাস্তায় নেমে আসবে। আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। রাজপথে কীভাবে আন্দোলন করতে হয় আমরা জানি। দেশের মানুষ জানে। আমাদের রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না।’
ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এই সম্মেলনে কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন, ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মোহাম্মদ আবুবকর, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু তালেবসহ জেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি
শিক্ষিকাকে জুতাপেটার ঘটনায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার
রাজশাহীর দুর্গাপুরে একটি সরকারি কলেজে ইসলামী জলসা ও মসজিদের জন্য অনুদান চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতার সঙ্গে কলেজ শিক্ষিকার হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আকবর আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঘটে যাওয়া এ ঘটনার পর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে প্রবেশ করে ভাঙচুর এবং এক শিক্ষিকার সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে আকবর আলীর বিরুদ্ধে। দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
তবে বহিষ্কারের বিষয়ে আকবর আলী বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না। তার দাবি, ঘটনার দিন এলাকার মুরব্বিরা দাওয়াতপত্র নিয়ে কলেজে গিয়েছিলেন। এ সময় শিক্ষিকা হীরা তাদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, তারা কেন এসেছেন এবং টাকা নিতে এসেছেন কি না। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজটিতে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এতে কলেজের অধ্যক্ষ, এক শিক্ষিকাসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে কলেজ কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
রাজনীতি
জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে খেলাফত মজলিসের গণসমাবেশ
গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসমাবেশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেন।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমার নামাজের পর সমাবেশ শুরু হয়।
সমাবেশে অংশ নিতে ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে শুরু করেন। বাস, লঞ্চ ও ট্রেনে করে তীব্র গরম উপেক্ষা করে কর্মসূচিতে যোগ দেন নেতাকর্মীরা।
গণসমাবেশে দলটির শীর্ষ নেতারা ছাড়াও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য দেন৷
গণসমাবেশ সর্বাত্মকভাবে সফল করার লক্ষ্যে বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পল্টনস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা৷
সভায় বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে গণসমাবেশকে গণআন্দোলনে রূপ দিতে হবে। গণসমাবেশে যোগ দিতে দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান নেতারা৷
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সমাবেশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দেয়া হয়। আয়োজকদের দাবি গণসমাবেশে যোগ দিতে সারা দেশ থেকে কয়েক লক্ষ লোক জড়ো হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
এমএন
রাজনীতি
সালাউদ্দিন আম্মারকে সতর্ক করে যা বললেন ছাত্রদল সভাপতি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারকে সর্তক করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি বলেন, ‘সালাউদ্দিন আম্মারকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি— ছাত্রদল শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়/রাজশাহী জেলা, মহানগর ইউনিটে সমৃদ্ধ নয়, আম্মারের জন্মস্থান যেখানে তার শ্রদ্ধেয় পিতা-মাতাসহ পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন, সেখানে যেমন ছাত্রদল রয়েছে, ঠিক তেমনি বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, জেলা, মহানগর, উপজেলায় ছাত্রদলের লাখ লাখ নেতাকর্মী রয়েছে।’
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ৫ আগস্টের পর এই সালাউদ্দিন আম্মারদের আবির্ভাব, কিন্তু ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রামে উত্তীর্ণ। তারা মজলুম, তারা নির্যাতিত, তারা নিপীড়িত। অথচ সেই মজলুমদের নিয়েই ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে আবির্ভাব সালাউদ্দিন আম্মার আজ এ ধরনের অশ্রাব্য ভাষায় প্রতিনিয়ত গালি দিয়ে যাচ্ছে, চরিত্র হনন করে যাচ্ছে।
তিনি আরও লেখেন, আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীসহ ছাত্র সমাজের কাছে নিবেদন রাখলাম, সেই সঙ্গে যে ছাত্রসংগঠন আম্মারকে বি টিম হিসেবে প্রতিনিয়ত ব্যবহার করছে, তাদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সালাউদ্দিন আম্মারকে বলছি, কোনো মানসিক বিকারগ্রস্তকে রক্ষার দায়িত্ব ছাত্রদল নেয়নি।
ছাত্রদল সভাপতি লেখেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে প্রতিনিয়ত সেই পরিস্থিতি তৈরি করছে। আজ উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার মুহূর্তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাউদ্দিন আম্মার আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় উসকানিমূলক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছে। বিগত সময়ে বিকৃত মানসিকতার সালাউদ্দিন আম্মার জিয়া পরিবারকে নিয়ে বিভিন্ন অশ্লীল, নোংরা স্ট্যাটাসই শুধু নয়, আজ ছাত্রদলকে…….ভাষায় গালি দিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে।
এদিকে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করে সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, উপরে আল্লাহ আর নিচে আমি। এর মাঝে আর বিন্দুপরিমাণ ভয় নাই রাকিব সাহেব। আল্লাহর জিনিস আল্লাহ সময় মতো নিয়ে যাবে। আপনারও বয়স হইছে, এই বয়সে এসে জালিমের খাতায় নাম না উঠুক। আল্লাহ সবাইরে ভালো চিন্তা করার তাওফিক দিক।
এমএন



