রাজনীতি
তাহাজ্জুদ পড়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) হবিগঞ্জের জনসভায় মঞ্চে মাগরিবের নামাজ আদায় করে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান হবিগঞ্জের চারটি আসনের এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে জনগণকে বলেন, আপনারা তাদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে এই চারজনের মাধ্যমে এলাকায় সকল উন্নয়ন হবে ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, একটি দল স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধিতা করে অসংখ্য মানুষ হত্যা করেছে। সেই একই দল এখন আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে তথাকথিত ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রি করছে, এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের বিকাশ নাম্বার সংগ্রহ করছে। আপনাদের তাদের বয়কট করুন।
সাবেক এমপি শাম্মী আক্তারের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- হবিগঞ্জ- ৩ আসনের এমপি প্রার্থী জি কে গউছ, হবিগঞ্জ- ৪ আসনের এমপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল, হবিগঞ্জ-১ আসনের এমপি প্রার্থী রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ আসনের এমপি প্রার্থী ডা. জীবন, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা আহমেদ আলী মুকিব, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আব্দুর রব ইউসুফী প্রমুখ।
রাজনীতি
জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে খেলাফত মজলিসের গণসমাবেশ
গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসমাবেশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেন।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) জুমার নামাজের পর সমাবেশ শুরু হয়।
সমাবেশে অংশ নিতে ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে শুরু করেন। বাস, লঞ্চ ও ট্রেনে করে তীব্র গরম উপেক্ষা করে কর্মসূচিতে যোগ দেন নেতাকর্মীরা।
গণসমাবেশে দলটির শীর্ষ নেতারা ছাড়াও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য দেন৷
গণসমাবেশ সর্বাত্মকভাবে সফল করার লক্ষ্যে বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পল্টনস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা৷
সভায় বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে গণসমাবেশকে গণআন্দোলনে রূপ দিতে হবে। গণসমাবেশে যোগ দিতে দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান নেতারা৷
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সমাবেশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দেয়া হয়। আয়োজকদের দাবি গণসমাবেশে যোগ দিতে সারা দেশ থেকে কয়েক লক্ষ লোক জড়ো হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
এমএন
রাজনীতি
সালাউদ্দিন আম্মারকে সতর্ক করে যা বললেন ছাত্রদল সভাপতি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারকে সর্তক করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি বলেন, ‘সালাউদ্দিন আম্মারকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি— ছাত্রদল শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়/রাজশাহী জেলা, মহানগর ইউনিটে সমৃদ্ধ নয়, আম্মারের জন্মস্থান যেখানে তার শ্রদ্ধেয় পিতা-মাতাসহ পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন, সেখানে যেমন ছাত্রদল রয়েছে, ঠিক তেমনি বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, জেলা, মহানগর, উপজেলায় ছাত্রদলের লাখ লাখ নেতাকর্মী রয়েছে।’
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ৫ আগস্টের পর এই সালাউদ্দিন আম্মারদের আবির্ভাব, কিন্তু ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রামে উত্তীর্ণ। তারা মজলুম, তারা নির্যাতিত, তারা নিপীড়িত। অথচ সেই মজলুমদের নিয়েই ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে আবির্ভাব সালাউদ্দিন আম্মার আজ এ ধরনের অশ্রাব্য ভাষায় প্রতিনিয়ত গালি দিয়ে যাচ্ছে, চরিত্র হনন করে যাচ্ছে।
তিনি আরও লেখেন, আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীসহ ছাত্র সমাজের কাছে নিবেদন রাখলাম, সেই সঙ্গে যে ছাত্রসংগঠন আম্মারকে বি টিম হিসেবে প্রতিনিয়ত ব্যবহার করছে, তাদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সালাউদ্দিন আম্মারকে বলছি, কোনো মানসিক বিকারগ্রস্তকে রক্ষার দায়িত্ব ছাত্রদল নেয়নি।
ছাত্রদল সভাপতি লেখেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে প্রতিনিয়ত সেই পরিস্থিতি তৈরি করছে। আজ উদ্ভূত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার মুহূর্তে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাউদ্দিন আম্মার আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় উসকানিমূলক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছে। বিগত সময়ে বিকৃত মানসিকতার সালাউদ্দিন আম্মার জিয়া পরিবারকে নিয়ে বিভিন্ন অশ্লীল, নোংরা স্ট্যাটাসই শুধু নয়, আজ ছাত্রদলকে…….ভাষায় গালি দিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে।
এদিকে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করে সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, উপরে আল্লাহ আর নিচে আমি। এর মাঝে আর বিন্দুপরিমাণ ভয় নাই রাকিব সাহেব। আল্লাহর জিনিস আল্লাহ সময় মতো নিয়ে যাবে। আপনারও বয়স হইছে, এই বয়সে এসে জালিমের খাতায় নাম না উঠুক। আল্লাহ সবাইরে ভালো চিন্তা করার তাওফিক দিক।
এমএন
রাজনীতি
এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। মনিরা শারমিনের আইনজীবী নাজমুস সাকিব গণমাধ্যমে জানান, মনিরা শারমিনের আপিল করার সুযোগ আছে।
সংরক্ষিত আসনের মনোনয়নের বিষয়ে ইসিতে আপিল দায়েরের তারিখ ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। ১২ মে হবে ভোট।
বিরোধীদলীয় জোট মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখে নির্বাচন কমিশন।
মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্রে রিটার্ন দাখিলের নথিতে সরকারি পে-স্কেলে বেতন উত্তোলনের তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু বিস্তারিত তথ্য—কবে, কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন তার তথ্য না থাকায় তার মনোনয়নপত্র স্থগিত রেখে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এসব নথি দাখিলের সময় দেওয়া হয়েছিল।
রাজনীতি
প্রবাসীদের পাসপোর্ট জটিলতা দ্রুত সমাধানের আহ্বান ডা. শফিকুর রহমানের
প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে বিভিন্ন দেশে ধীরগতি ও জটিলতা দূর করতে সরকারের প্রতি জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে ডা. শফিকুর রহমান এই আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে নানা দেশে ধীরগতি ও জটিলতার বিষয়ে অনেকেই প্রতিকার চেয়ে যোগাযোগ করেছেন। তিনি সরকারকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের এই জরুরি সমস্যার দিকে দ্রুত নজর দিয়ে আশু সমাধান করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আর প্রবাসীরা কষ্টে থাকলে দেশও ঝুঁকিতে পড়বে। প্রবাসী ভাই-বোনদের প্রতি দোয়া, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল।’
ডা. শফিকুর রহমানের এই স্ট্যাটাসের নিচে মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, ‘পুরানো পাসপোর্ট দিয়ে যেনো নতুন পাসপোর্ট করা যাই এমন একটা ব্যবস্থা করলে পাসপোর্ট এর সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো।’
অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনার কথার সাথে একমত। প্রবাসীরা আসলেই দেশের রেমিট্যান্সযোদ্ধা। পাসপোর্ট নবায়ন নিয়ে হয়রানি হলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েন তারাই। ভিসা, আকামা, কাজ, চিকিৎসা, এমনকি দেশে আসা-যাওয়া সবকিছু আটকে যায় একটা পাসপোর্টের জন্য। অথচ তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সেই দেশের রিজার্ভ সচল থাকে। অনেক দেশে দূতাবাসে লোকবল কম, সার্ভার ডাউন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে মাসের পর মাস লাগে। মালয়েশিয়া, সৌদি, দুবাই, ইতালি থেকে প্রায়ই এই অভিযোগ আসে।
একটা জরুরি সেবা এভাবে ধীরগতি হলে পরিবারগুলোও দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। সরকারের উচিত ই-পাসপোর্ট সেবা আরও বিকেন্দ্রীকরণ করা, জনবল বাড়ানো, আর জরুরি কেসের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক চালু করা। ডিজিটাল সিস্টেম করেও যদি মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট পায়, তাহলে লাভ কী। প্রবাসী ভাই-বোনদের কষ্ট মানে দেশের অর্থনীতির চাকা স্লো হয়ে যাওয়া। তারা ভালো থাকলেই দেশ ভালো থাকবে, এটা ১০০% সত্যি। আপনার মতো করে সবাই আওয়াজ তুললে হয়তো নজর পড়বে। দোয়া রইল সকল প্রবাসীর জন্য, যেন দ্রুত এই জটিলতা কাটে।’
এমএন
রাজনীতি
জামায়াত আমিরের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বিরোধীদলীয় নেতার সংসদীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক আগ্রহের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে জার্মান দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও প্রেস অফিসার শারলিনা নুজহাত কবির উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, এমপি; ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম, এমপি; এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে সংসদীয় গণতন্ত্র সুসংহত করা, জুলাই সনদ এবং গণভোট ইস্যুতে মতবিনিময় হয়। জার্মানি বাংলাদেশে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।
বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ ও গণরায়ের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশে টেকসই পরিবর্তন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে একদলীয় শাসনব্যবস্থা ফিরে না আসে।
এছাড়া গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা এবং টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



