রাজনীতি
চাঁদপুর-৩ আসনে দাঁড়িপাল্লা পেলেন অ্যাড. শাহজাহান মিয়া
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো: শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লার প্রতীক গ্রহন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ নাজমুল ইসলাম সরকার মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতীক সংগ্রহ উপলক্ষে জেলা রির্টানিং কার্যালয় সামনে সকাল থেকেই চাঁদপুর সদর-হাইমচর এলাকার জামায়াতে ইসলমীর হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত হয়। নির্বাচনী প্রতীক গ্রহন শেষে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এডভোকেট মো: শাহজাহান মিয়া নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে আনন্দ মিছিল বের করেন।
প্রতীক বরাদ্দ গ্রহনকালে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর শহর জামায়াতের আমীর এডভোকেট মো: শাহজাহান খান, সদর আমীর মাওলানা আফসার উদ্দিন মিয়াজী, শহর সেক্রেটারী বেলায়েত হোসেন শেখ, সদর সেক্রেটারী জুবায়ের হোসেন, ইসলামী ছাত্র শিবিরের চাঁদপুর শহর সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, হাইমচর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জসিম উদ্দিন, শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম সবুজ, জামায়াত নেতা এডভোকেট মামুন মিয়াজী, আব্দুল হাই লাভলু।
নির্বাচনী প্রতীক গ্রহণ শেষে এডভোকেট শাহজাহান মিয়া বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে জনগণের কাছে যাব। ইনশাআল্লাহ চাঁদপুরবাসী ন্যায়, ইনসাফ ও সৎ নেতৃত্বের পক্ষে রায় দেবেন।
চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহাজাহান মিয়া, বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ধানের শীষ, গনফোরামের সেলিম আকবর উদীয়মান সুর্য, গণঅধিকার পরিষদের জাকির হোসেন ট্রাক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কমরেড জাহাঙ্গীর হোসেন কাস্তে, ইসলামী আন্দোলন মো: জয়নাল আবেদীন হাতপাখা, ইসলামী ফ্রান্ট আহসান উল্যাহ মোমবাতি প্রতীক সহ সাতজন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ সংগ্রহ করেন।
রাজনীতি
বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. আবু সাঈদ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগদান করেছেন সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, রাকসুর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য প্রফেসর ড. আবু সাঈদ।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন।
রাজনীতি
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে হতাহতদের সঙ্গে দেখা করলেন তারেক রহমান
মাইলস্টোন বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বললেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় তিনি হতাহত শিশুদের পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং হতাহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের হাতে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সম্বলিত একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের সামনের সড়কে তারেক রহমান তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এক আহত শিশুর মা বলেন, আমাদের আহত সন্তানদের চিকিৎসার জন্য ৫ লাখ আর শহীদ শিশুদের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। একটা শহীদ শিশুর জীবনের মূল্য কি ২০ লাখ টাকা? অনেক শিশুদের অপারেশন করতে হচ্ছে। এখন বিমানবাহিনী সব সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে। হাসপাতালে আমাদেরকে বারবার যেতে হচ্ছে। ওখানেও আমরা নিগ্রহের শিকার হচ্ছি।
আরেক আহত শিশুর মা বলেন, আমার বাচ্চার বাবা নেই। মাইলস্টোনে বিমান হামলায় আহত হয়ে এখন ও হাঁটতে পারে না।
তারেক রহমান সবার কথা শোনার পর ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
হতাহত শিশুদের পরিবারের পক্ষে এক বাবা বলেন, আমরা যে দাবিগুলো নিয়ে এসেছি সেগুলো আমরা স্বারকলিপিতেই লিখে দিয়েছি। এতো অল্প সময়ে উনাকে মুখে বলা সম্ভব হয় নাই। মূলত এখানে আমাদের চার পাঁচটা মূল দাবি ছিল। এক নাম্বার দাবি হলো বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিশুদের শহীদ মর্যাদা দিয়ে গ্যাজেট প্রকাশ করা। আহত সন্তানদের আজীবন পুনর্বাসন এবং একটা হেলথ কার্ড করে দেয়া। যেটা সিএমএস থেকে আমাদের চাওয়া। স্মৃতি সংরক্ষণের জন্যে উত্তরাতে একটা মসজিদ বা মাদরাসার মতো কিছু একটা করা।
তিনি আরও বলেন, জয়নুল আবেদিন একটা রিট করেছিলেন সেই রিটের বাস্তবায়নটা চাই আমরা। এই হচ্ছে আমাদের দাবি। আমরা এটা স্মারকলিপি তারেক রহমানকে দিয়েছি। তিনি আমাদেরকে বলেছেন আসলে এখন যে পরিস্থিতি তাতে উনার সময় বের করতে সমস্যা হচ্ছে। হয়তো শিগগিরই উনি আমাদেরকে ডাকবেন এবং আমাদের সঙ্গে কথা বলবেন।
রাজনীতি
এক দিনেই ৭ নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু করবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সিলেট থেকে ঢাকা ফেরার পথে মোট ৭টি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এ তথ্য জানান।
মাহ্দী আমিন জানান, আজ রাত ৮টা ১৫ মিনিটে বিমানযোগে সিলেট পৌঁছাবেন তারেক রহমান। রাতেই তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রথম নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন তিনি।
এরপর সড়কপথে ঢাকা ফেরার পথে তিনি পর্যায়ক্রমে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার শেরপুরের আইনপুর খেলা মাঠে, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার প্রস্তাবিত উপজেলা মাঠে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া খেলার মাঠে, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব স্টেডিয়ামে, নরসিংদীর পৌর এলাকা সংলগ্ন এলাকায় এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার রুপগঞ্জের গাউসিয়ায় সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।
এসব কর্মসূচি শেষে গভীর রাতে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন।
বিএনপি চেয়ারম্যানের সফরসঙ্গী হিসেবে এবার দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ত্যাগী ও তরুণ নেতাদের রাখা হয়েছে।
মাহ্দী আমিন বলেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানে বিএনপি ও প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যারা অনবদ্য ও অভূতপূর্ব ভূমিকা রেখেছেন, তাদের প্রতি ভালোবাসা ও মূল্যায়নের অংশ হিসেবে চেয়ারম্যান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
প্রথম দফার এই সফরে আবদুুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, মামুন হাসান, আবদুল মোনায়েম মুন্না, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, ইয়াসীন ফেরদৌস মুরাদ এবং রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ বেশ কয়েকজন তরুণ নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে থাকছেন।
এদিকে আজ রাত ১২টা ১ মিনিটে (২২ জানুয়ারি প্রথম প্রহর) রাজধানীর লেক শোর হোটেলে বিএনপির নির্বাচনী ‘থিম সং’ উদ্বোধন করবেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী। এ সময় দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ইসমাইল জবিহউল্লাহসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য, নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।
নির্বাচন নিয়ে মাহদী আমিন বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
আমরা বিশ্বাস করি ইতিবাচকভাবে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু এবং গ্রহনযোগ্য নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি রাজনৈতিক দল সর্বোচ্চ সহনশীলতা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করবে। এজন্য বহুল আকাংখিত নির্বাচনে জনগনের আকাংখা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানোর লক্ষ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি পূর্ণাঙ্গভাবে মেনে চলার জন্য সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা ও গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমে এ নির্বাচন একটি অনন্য দৃষ্টি স্থাপন করতে পারবে।’
তিনি জানান, সিলেটের পর পরবর্তি সফর হবে চট্টগ্রামে। তবে এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ জাকারিয়া, জুবায়ের বাবু, মোস্তাকুর রহমান এবং মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবীর খান।
এমকে
রাজনীতি
কাঙ্ক্ষিত হাঁস প্রতীক পেয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি সংসদীয় আসনের ৪৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে তার কাঙ্ক্ষিত হাঁস প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সব মিলিয়ে বৈধ চূড়ান্ত প্রার্থী ৪৮ জন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
কাঙ্ক্ষিত প্রতীক পেয়ে উচ্ছ্বসিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, আমি আমার ভোটার, কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারাই আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। তারা যখন আমাকে দেখে, ছোট-ছোট বাচ্চারা চিৎকার করতে থাকে, আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা। তাই এই মার্কাটা আমার ভোটারদের মার্কা, আমার মার্কা না।
নিজের পালিত হাঁস চুরির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি চোরকে ছেড়ে দিইনি। আমি মামলা করেছি, জেলেও দিয়েছি। আমার এ হাঁস (প্রতীক) যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।
রুমিন ফারহানা বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী। ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, ভোটাররা যা বলবেন, যেভাবে চাইবেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উন্নয়ন সেভাবেই করব।
এমকে
রাজনীতি
ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা
ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে তিনি প্রতীক সংগ্রহ করেন।
ডা. তাসনিম জারা বলেন, আমি গত কয়েকদিন যখন ঢাকা-৯ আসনের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছিলাম, খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা থানায় অনেকের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই কেউ না কেউ জিজ্ঞেস করেছেন যে, নির্বাচনের মার্কাটা কী? কোন মার্কায় তারা ব্যালট পেপারে দেখতে পারবেন, আমাকে যদি সমর্থন করতে চান। সেই প্রশ্নের আজ একদম পরিষ্কার একটা উত্তর আমরা পেয়েছি।
তিনি বলেন, আমি নির্বাচনে ফুটবল মার্কায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। আগামীকাল থেকে নির্বাচনী প্রচারণার ক্যাম্পেইন আমরা শুরু করব। আমরা যেই রাজনীতিটা সামনে দেখতে চাই– স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার রাজনীতি, তার ভিত্তিতেই আমাদের ক্যাম্পেইন চলবে। সবাইকে দোয়া এবং শুভকামনার জন্য অনুরোধ করছি।
এমকে



