পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারের সমস্যা শুনে সমাধানের আশ্বাস তারেক রহমানের
পুঁজিবাজারের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাজারের বিভিন্ন অংশীজন। বৈঠকে তারা শেয়ারবাজারের কাঠামোগত দুর্বলতা, বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা ও উন্নয়নসংক্রান্ত নানা বিষয় তুলে ধরেন। এসব সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনেন তারেক রহমান এবং ভবিষ্যতে দেশ ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বুধবার (২০ জানুয়ারি) গুলশানে তারেক রহমানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)-এর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন ও রিচার্ড ডি’ রোজারিও, ডিবিএর সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং বিএমবিএর সেক্রেটারি সুমিত পোদ্দারসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, পুঁজিবাজারের অংশীজনরা বাজারের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, নীতিগত সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় তারেক রহমান ধৈর্যসহকারে সব বক্তব্য শোনেন এবং বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ বিষয়ে ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের সমস্যাগুলো শুনেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে শেয়ারবাজারের কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং বাজারকে আধুনিক ও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। দেশের আর্থিক খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে পুঁজিবাজারকে সুসংগঠিত করাই ছিল আলোচনার মূল লক্ষ্য।
পুঁজিবাজার
প্রথম কার্যদিবসে সূচকের পতন, লেনদেন ৫৩১ কোটি
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৭১ শেয়ারের দর কমেছে। টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান গত কার্যদিবসের তুলনায় সামান্য বেড়েছে ।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, শনিবার (০৮ মার্চ) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২৩১ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৮ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ৩৫ দশমিক ২৫ পয়েন্ট কমে ১০১৩ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৯১ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট কমে ১৯১৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৫৩১ কোটি ৮৮ লাখ ০৬ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৪৫৯ কোটি ৪২ লাখ ৭ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১০টি কোম্পানির, বিপরীতে ৩৭১ কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচক নিম্নমুখী, এক ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ৩৪৩ কোম্পানির
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শেয়ার দর হারিয়েছে ৩৪৩ কোম্পানির।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, শনিবার(৮ মার্চ) ডিএসইর লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর অর্থাৎ বেলা সাড়ে ১১টা ১২ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ ১৪১ দশমিক ২৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৯৯ পয়েন্টে।
প্রধান সূচকের সঙ্গে শরিয়াহ সূচক বা ‘ডিএসইএস’ ২৩ দশমিক ০৪ পয়েন্ট কমে আর ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৫৬ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১০২৫ ও ১৯৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।
আলোচ্য সময়ে ডিএসইতে মোট ১৯৫ কোটি ৭৮ লাখ ২৮ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
এসময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭টির, কমেছে ৩৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারদর।
এমএন
পুঁজিবাজার
নগদ ৪২০% লভ্যাংশ ঘোষণা ইউনিলিভারের
তালিকাভুক্ত ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেডের সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে নিট মুনাফা বেড়েছে ১৯ শতাংশ।
আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। কোম্পানিটির এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে ইউনিলিভারের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১৬ টাকা ৩০ পয়সায়।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, রাজস্ব বৃদ্ধি, পরিচালন ব্যয়ে দক্ষতা, প্রযুক্তি ও ট্রেডমার্ক রয়্যালটির পূর্ববর্তী দায় পুনর্মূল্যায়ন থেকে এককালীন সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি নগদ অর্থের কার্যকর বিনিয়োগে নিট আর্থিক আয় বেড়েছে। ফলে নিট মুনাফা বেড়েছে। এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৮ মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ এপ্রিল।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২৬ টাকা ৮৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৭ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ২১ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ২৪০ শতাংশ নগদ ও ৬০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৬০ টাকা ৬৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৪৩ টাকা ৮০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৩৯ টাকা ৬০ পয়সায়।
ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত কোম্পানিটির অন্যান্য প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যায়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) বাংলাদেশ লিমিটেডকে ইউনিলিভার কর্তৃক অধিগ্রহণের পর ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে কোম্পানিটির নতুন নাম হয় ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড। বর্তমানে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯ কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২২৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৩১৮। এর ৯২ দশমিক ৮০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৫৮, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে ৬ শতাংশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৬ শতাংশ কমেছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১০.১ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৫৩ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.৭৫ পয়েন্ট বা ৬ শতাংশ।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে রহিমা ফুড
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে রহিমা ফুড লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানির দর কমেছে ২৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১০৮.৯০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর কমেছে ১৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১৯৬.১০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর শেয়ার দর কমেছে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ২২৬.৮০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে–সোনারগাঁও টেক্সটাইলের ১৭.৩০ শতাংশ , উসমানিয়া গ্লাসের ১৫.১০ শতাংশ , সায়হাম টেক্সটাইলের ১৪.৩৫ শতাংশ , বিডি ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডসের ১৪.১৩ শতাংশ, আজিজ পাইপসের ১৩.৯৮ শতাংশ , ওয়াটা কেমিক্যালসের ১৩.০০ শতাংশ এবং অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের ১২.৮৩ শতাংশ দর কমেছে।




