পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (২১ জানুয়ারি) কোম্পানিটির ২৭৬ কোটি ৬৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল স্কয়ার ফার্মা। কোম্পানিটির ১৬ কোটি ৩৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ১৩ কোটি ৬৫ লাখ ১৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো ফার্মা, খান ব্রাদার্স এবং সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড।
এমকে
পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারের উন্নয়নে বিআইসিএমের সঙ্গে কাজ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটের (বিআইসিএম) সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর বিআইসিএম সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল এ আশ্বাস দেয়। বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ওয়াজিদ হাসান শাহর সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন এনরিকো লরেঞ্জোন (টিম লিডার– ইনক্লুসিভ গভর্ন্যান্স), মিরোস্লাভ স্ক্রিয়েচকা (অ্যাটাচি– প্রোগ্রাম অফিসার, ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স, ম্যাক্রোইকোনমি ও পিএফএম) এবং কিশোয়ার আমীন (প্রোগ্রাম ম্যানেজার– ইনক্লুসিভ গভর্ন্যান্স)।
অন্যদিকে বিআইসিএমের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুছ সালেহীন, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আসিফ ইমরান, সহকারী পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহিল ওয়ারিশ এবং নির্বাহী প্রেসিডেন্টের একান্ত সচিব হুমায়রা আলম।
বৈঠকে বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ওয়াজিদ হাসান শাহ বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা এবং ইনস্টিটিউটের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক কার্যক্রম তুলে ধরেন। একই সঙ্গে এসব কার্যক্রমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কীভাবে সম্পৃক্ত হয়ে অবদান রাখতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনা শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নে বিআইসিএমের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তারা এই খাতের উন্নয়নে বিআইসিএমের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার পাশাপাশি আগামী দিনগুলোতে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
পুঁজিবাজার
ডিএসইর ২২ খাতের শ্রেণিবিন্যাস পরিবর্তনের দাবি ডিবিএ সভাপতির
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর খাতভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার দাবি জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানান।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ডিএসই বর্তমানে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে ২২টি খাতে শ্রেণিবদ্ধ করে—যার মধ্যে সরকারি ও কর্পোরেট বন্ড এবং মিউচুয়াল ফান্ডও রয়েছে। তবে এই শ্রেণিবিন্যাস কাঠামো বহু বছর ধরে অপরিবর্তিত থাকায় তা বর্তমান বৈশ্বিক পুঁজিবাজার বাস্তবতার সঙ্গে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ডিবিএ সভাপতি জানান, বিশ্বের অধিকাংশ পুঁজিবাজার এখন গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রি ক্লাসিফিকেশন স্ট্যান্ডার্ড (জিআইসিএস) অথবা ইন্ডাস্ট্রি ক্লাসিফিকেশন বেঞ্চমার্ক (আইসিবি) অনুসরণ করছে। এসব মানদণ্ড খাতভিত্তিক বাজার বিশ্লেষণকে আরও স্বচ্ছ, তুলনাযোগ্য ও কার্যকর করে তোলে।
চিঠিতে বিদ্যমান শ্রেণিবিন্যাসের অসংগতির কিছু উদাহরণও তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড বর্তমানে ‘ফার্মাসিউটিক্যালস অ্যান্ড কেমিক্যালস’ খাতে এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ ‘ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড’ খাতে তালিকাভুক্ত। অথচ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী উভয় প্রতিষ্ঠানই ‘কনজ্যুমার স্ট্যাপলস’ খাতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া যুক্তিযুক্ত। একইভাবে ওয়ালটন, সিঙ্গার, বাটা ও এপেক্সের মতো কোম্পানিগুলোকে ‘কনজ্যুমার ডিসক্রিশনারি’ খাতে শ্রেণিবদ্ধ করলে তাদের প্রকৃত ব্যবসায়িক চরিত্র আরও সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে বলে মত দেয় ডিবিএ।
সংগঠনটির মতে, খাতভিত্তিক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ অর্থনৈতিক প্রবণতা, ভোক্তা আচরণ এবং আয় বৃদ্ধির ধারা বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে পুরোনো ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ শ্রেণিবিন্যাস কাঠামো এই বিশ্লেষণকে দুর্বল করে।
ডিবিএ আরও জানায়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত খাতভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস গ্রহণ করা হলে বাজারের স্বচ্ছতা বাড়বে, বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে তুলনাযোগ্যতা তৈরি হবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি দেশের পুঁজিবাজার একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক সূচক হিসেবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ডিএসইর খাতভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিএসইসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিবিএ। সংগঠনটি আশা প্রকাশ করেছে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের পুঁজিবাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও সুদৃঢ় হবে।
পুঁজিবাজার
মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানি ছাড়া শক্তিশালী পুঁজিবাজার নয়: রাশেদ মাকসুদ
পুঁজিবাজারকে টেকসই ও শক্তিশালী করতে হলে ভালো এবং মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তিনি বলেন, নতুন আইপিও রুলসের মাধ্যমে এখন আরও প্রফেশনাল ও বিশ্বমানের পদ্ধতিতে শেয়ার মূল্য নির্ধারণ বা প্রাইস ডিসকভারির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনের কমিশন সভাকক্ষে বিএসইসি ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বিএসইসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সভার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এবং সিডিবিএলের পক্ষে নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী।
সভায় পুঁজিবাজারের অটোমেশন, কাঠামোগত আধুনিকায়ন, কেওয়াইসি সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট, সার্ভেইল্যান্স ব্যবস্থার যুগোপযোগীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতকরণসহ পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে সিডিবিএলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেওয়াইসি সিস্টেম উন্নয়ন ও সার্ভেইল্যান্স আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সিডিবিএলকে আরও সক্রিয় ও নেতৃত্বমূলক ভূমিকায় দেখতে চায় কমিশন। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সিডিবিএলের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের উন্নয়নে ভবিষ্যতে সিডিবিএলকে কাস্টডিয়ানসহ নতুন দায়িত্বে দেখতে চায় বিএসইসি।
সভায় সিডিবিএলের চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী বলেন, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে আসা উচিত। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সিডিবিএলের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
এ সভায় বিএসইসি কমিশনার মুঃ মোহসিন চৌধুরী, মোঃ আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মোঃ সাইফুদ্দিন, সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবদুল মোতালেব, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার ও কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামসহ বিএসইসি ও সিডিবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারের সমস্যা শুনে সমাধানের আশ্বাস তারেক রহমানের
পুঁজিবাজারের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাজারের বিভিন্ন অংশীজন। বৈঠকে তারা শেয়ারবাজারের কাঠামোগত দুর্বলতা, বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা ও উন্নয়নসংক্রান্ত নানা বিষয় তুলে ধরেন। এসব সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনেন তারেক রহমান এবং ভবিষ্যতে দেশ ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বুধবার (২০ জানুয়ারি) গুলশানে তারেক রহমানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)-এর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন ও রিচার্ড ডি’ রোজারিও, ডিবিএর সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং বিএমবিএর সেক্রেটারি সুমিত পোদ্দারসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, পুঁজিবাজারের অংশীজনরা বাজারের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, নীতিগত সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় তারেক রহমান ধৈর্যসহকারে সব বক্তব্য শোনেন এবং বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ বিষয়ে ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের সমস্যাগুলো শুনেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে শেয়ারবাজারের কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং বাজারকে আধুনিক ও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। দেশের আর্থিক খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে পুঁজিবাজারকে সুসংগঠিত করাই ছিল আলোচনার মূল লক্ষ্য।
পুঁজিবাজার
শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাঠিয়েছে ৫ কোম্পানি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাঁচ কোম্পানি গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি, একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, স্কয়ার ফার্মা, স্কয়ার টেক্সটাইল এবং এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিগুলো নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএন সিস্টেমস মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ইউনিক হোটেলের ১৬ শতাংশ, একমি ল্যাবের ৩৫ শতাংশ, স্কয়ার ফার্মা ১২০ শতাংশ, স্কয়ার টেক্সটাইলের ৩২ শতাংশ, এমজেএল বিডির ৫২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিলো।
এমকে



