পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারে লেনদেন ছাড়ালো ৬৬৯ কোটি টাকা
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২১০ শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান বেড়ে ৬৬৯ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ১৭ দশমিক ২৬ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ১০৮ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ৭ দশমিক ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ১০৩০ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৫ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৯৭০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৬৬৯ কোটি ৮৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৫৯৩ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৮টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২১০টি কোম্পানির, বিপরীতে ১০৯ কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৬৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে ৬ শতাংশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৬ শতাংশ কমেছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১০.১ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৫৩ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.৭৫ পয়েন্ট বা ৬ শতাংশ।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে রহিমা ফুড
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে রহিমা ফুড লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানির দর কমেছে ২৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১০৮.৯০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর কমেছে ১৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১৯৬.১০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর শেয়ার দর কমেছে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ২২৬.৮০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে–সোনারগাঁও টেক্সটাইলের ১৭.৩০ শতাংশ , উসমানিয়া গ্লাসের ১৫.১০ শতাংশ , সায়হাম টেক্সটাইলের ১৪.৩৫ শতাংশ , বিডি ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডসের ১৪.১৩ শতাংশ, আজিজ পাইপসের ১৩.৯৮ শতাংশ , ওয়াটা কেমিক্যালসের ১৩.০০ শতাংশ এবং অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের ১২.৮৩ শতাংশ দর কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৪১ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫.৮৯ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংকের ৪০ কোটি ৩০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৫.৭৪ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা খান ব্রাদার্সের ২০ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.৯৬ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে-ব্র্যাক ব্যাংকের ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ১০ হাজার টাকা , রবি আজিয়াটার ১৭ কোটি ৭২ লাখ ২০ হাজার টাকা , সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ১৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা , ব্যাংক এশিয়ার ১২ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার টাকা , বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ৯ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা , এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ৯ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইর প্রধান সূচক হারাল ৩৫৯ পয়েন্ট, বাজার মূলধন কমেছে ২০ হাজার ৪১৩ কোটি
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের বড় পতনের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে । এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে ২০ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ বা ২০ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৭ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে কমেছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩৫৯.৪৩ পয়েন্ট বা ৬.৪২ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১৫৭.৯৫ পয়েন্ট বা ৭.২৮ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক কমেছে ৬৭.৪৭ পয়েন্ট বা ৬.০৪ শতাংশ।
ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৪৮২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ৬২৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ১৪১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ২৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বা ৩.৯১ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৭২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৯টি কোম্পানির, কমেছে ৩২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ৪.৯৪ শতাংশ ও ৫.৪৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৮২৫.১৩ পয়েন্টে ও ৯০৬০.৫১ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক কমেছে ৬.০৬ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১৩৪.৩২ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ৭.০১ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ৪.৭৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩১৯৭.০৭ পয়েন্টে ও ৮৮৯.৫৬ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি ২ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৮৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ২১ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৮৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ২১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টির কোম্পানির শেয়ার দর।
নাইম
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ২১ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৬২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৩ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) কোম্পানিগুলোর মোট ৭৩ লাখ ১০ হাজার ৭৪৩টি শেয়ার ৬২ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের ৪ কোটি ৭৮ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার এবং তৃতীয় স্থানে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২ কোটি ৫৭ লাখ ০৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন




