ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসু নির্বাচনে দুই ভিপি প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। এই নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ ও বামপন্থি মওলানা ‘ভাসানী ব্রিগেড’ প্যানেল অংশ নিয়েছে। এ ছাড়া একটি আংশিক প্যানেল ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রয়েছেন।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এরই মধ্যে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সমর্থিত উভয় প্যানেল নির্বাচন কমিশনের দিকে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন।
ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেল থেকে ভিপি প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, তিনি বলেন, জকসু নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে। রাষ্ট্রের এখানে সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। ক্যাম্পাসের ভেতরে বাইরে সমস্যা হচ্ছে। তারা ভোটকেন্দ্রে প্যানেল পরিচিতি নিয়ে যাচ্ছে। তারা ভোটারদের ম্যানিপুলেট করছে। নারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টোকেন ছিনিয়ে নিচ্ছে ও হেনস্তা করছে। গেটের সামনে বিশৃঙ্খলা করছে।
তিনি বলেন, শুরুতে নির্বাচনের সুন্দর পরিবেশ ছিল। শিক্ষার্থীরা আসতে শুরু করলে ছাত্রদলের ভাইয়েরা গেটের সামনে ভিড় করতে শুরু করেন। বিভিন্ন কেন্দ্রের তারা প্যানেল পরিচিতি বই আকারে ভোটারদের দিতে থাকেন। আমাদের প্রার্থীরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা আমাদের প্রার্থী ও ভোটারদের দিকে মারতে আসে। শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সেক্রেটারির সহযোগিতায় এসব পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়। দর্শন, ইংরেজি, রাষ্ট্রবিজ্ঞানসহ যত কেন্দ্রে গেছি সব জায়গায় ছাত্রদল একই কর্মকাণ্ড করছে। তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আমরা শঙ্কিত।
ছাত্রশিবির সমর্থিত এই ভিপি প্রার্থীর আশঙ্কা, নির্বাচনে ভোট গণনার সময়ও তারা বড় কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে পারে। আমরা বিভিন্ন উপায়ে জেনেছি, ক্যাম্পাসের আশপাশে তারা ক্যাডার করেছে। তারা বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। নির্বাচন কমিশনের কাছে এসব বিষয়ে অভিযোগ দিলে তারা বরাবরের মতো জানায়, আমরা এসব বিষয়ে কিছু জানি না। কিন্তু তাৎক্ষণিক এসব সমস্যার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার মতো সময় নেই, এসব সমস্যা তাৎক্ষণিক সমাধান করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ছাত্রদলের সঙ্গে পক্ষপাতিত্বমূলক আলোচনা করছে।
এদিকে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের জিএস প্রার্থী এ কে এম রাকিব অভিযোগ করে বলেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট প্যানেলের টোকেন নম্বর দেখে ভোট নেওয়া হচ্ছে। ওই প্যানেলের টোকেন নম্বর ছাড়া অন্য প্যানেলে টোকেন নম্বর দেখলে দায়িত্বরতরা ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখায়। যদি সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে সবাইকে সুযোগ দিতে হবে, না হলে কাউকে দেওয়া যাবে না। নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে আমরা দ্বিচারিতা আশা করি না।
একেএম রাকিব বলেন, দেখতে পেলাম একটা নির্দিষ্ট প্যানেলের টোকেন কেন্দ্রে ও ক্যাম্পাসে আছে। আমরা নির্বাচন কমিশন ও প্রক্টরের সাথে কথা বললাম তখন আমাদের ব্যালটের বিষয়ে অনুমতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, আমরা এমন কোনো নির্দেশনা দেয়নি যেখানে কেন্দ্রে ব্যালট নাম্বার বা অন্য কিছু নিয়ে যাওয়া যাবে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জরুরি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে জকসু নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুনরায় ৬ জানুয়ারি জকসু নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রার দুই দশক পর প্রথমবারের মত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী (জকসু) সংসদের প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই নির্বাচনের মাধ্যমে সাড়ে ১৬ হাজার ৬৪৫ জন শিক্ষার্থীর ভোটে এক বছরের জন্য কেন্দ্রীয় সংসদ গঠিত হবে।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন ড. মিজানুর রহমান আজহারি
আগামী ১৪ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) যাচ্ছেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও জনপ্রিয় বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি। রোববার (১১ জানুয়ারি) জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ড. মিজানুর রহমান আগামী ১৪ জানুয়ারি (বুধবার) সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘আধুনিক যুগে ইসলামিক লাইফস্টাইল’ শীর্ষক একটি সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে অংশ নেবেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ অনেকেই উপস্থিত থাকবেন।
জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম জানান, মিজানুর রহমান আজহারি বাংলাদেশের একজন খ্যাতিনামা ইসলামিক স্কলার এবং তিনি বাংলাদেশের তরুণ সমাজের কাছে একটি জনপ্রিয় মুখ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার কথা বিবেচনা করে বুদ্ধিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম—পাঠাশালার উদ্যোগে আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং তিনি আসবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
সেমিনারটিতে অংশগ্রহণের জন্য আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় শিগগিরই গুগল ফরমের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আজ, মানতে হবে ৫ নির্দেশনা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষা আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের সব জেলায় একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী। কেন্দ্রে প্রবেশসহ একাধিক বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
প্রবেশের সময়: পরীক্ষা বিকেল ৩টায় শুরু হলেও পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই অন্তত ১ ঘণ্টা আগে (দুপুর ২টার মধ্যে) কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরপর আর কোনো প্রার্থীকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
কান উন্মুক্ত রাখা: ব্লুটুথ বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্ত করতে এবার পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শর্ত দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের উভয় কান উন্মুক্ত রাখতে হবে। তল্লাশির সময় প্রয়োজনে টর্চলাইট দিয়ে কান পরীক্ষা করা হবে।
নিষিদ্ধ সামগ্রী: কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ, যেকোনো ধরনের ঘড়ি, পার্টস বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব সামগ্রী পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রঙিন প্রিন্ট করা প্রবেশপত্র ও মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক। উত্তরপত্র (ওএমআর) পূরণে অবশ্যই কালো কালির বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।
সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। নিয়োগের নামে কোনো অসাধু চক্রের সঙ্গে লেনদেন না করার জন্য প্রার্থীদের সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসু নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়েছে: ভিপি প্রার্থী রাকিব
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব। তিনি নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বলে অভিহিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাকিব বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রার্থী হিসেবে আমি হেরে গেলেও, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে বুক ফুলিয়ে বলতে পারি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জগন্নাথেও ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, এটাই আমার গর্ব।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করা। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।
এ সময় তিনি বিজয়ী প্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জকসু নির্বাচনে জয়ী সব প্রার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল থেকে ৫,৫৫৮ ভোট পেয়ে ভিপি নির্বাচিত হন রিয়াজুল ইসলাম। অন্যদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৪,৬৮৮ ভোট।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
‘স্থায়ী বহিষ্কার’ হচ্ছেন ঢাবির আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষক
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। অভিযুক্ত চার শিক্ষককেএক সপ্তাহের মধ্যেকারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ।
অভিযুক্ত চার শিক্ষক হলেন- অধ্যাপক জিনাত হুদা, অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক সাদেকা হালিম ও অধ্যাপক মশিউর রহমান।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএস পদে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১১ টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড . কানিজ ফাতিমা কাকলী ।
৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ৫৫৬৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করে। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কেএম রাকিব পেয়েছেন ৪৬৮৮ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮৮০ টি।
সাধারন সাধারন (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫৪৭০ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২২০৩ ভোট। ছাত্রদলের জিএস থেকে ৩২৬৭ ভোট বেশি পেয়েছে শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী।
এজিএস পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫০০২ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের এজিএস প্রার্থী বিএম আতিকুর তানজিল পেয়েছেন ৩৮৬৮ ভোট।
এমকে




