ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পর প্রথমবারের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ নির্বাচনের ভোট দিতে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করছে ভোটাররা। সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা যায় সকাল ভোর থেকেই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাইরে ভোট দিতে অপেক্ষা করছেন।
সকাল ৮টায় বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টরা মূল ফটক দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন। এরপর ৮.৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও বক্স পাঠানো হয়। এরপর সকাল ৮.৩৫ মিনিটে ভোটারদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। ভোট গ্রহণ শুরু হয় সকাল ৯টা থেকে। চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোস্তফা হাসান বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর আগে সোমবার রাতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়।
জানা গেছে, ১৯৮৭ সালে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কলেজটি ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হওয়ার পর এটিই প্রথম ছাত্র সংসদ নির্বাচন। অর্থাৎ ২০ বছর পর প্রতিষ্ঠানটিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। জকসু নির্বাচনে মোট ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ৩৮টি এবং হল সংসদের জন্য ১টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ১০০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একটি করে ভোটগ্রহণ বুথ থাকবে। ভোটগ্রহণ শেষে ৬টি ডিজিটাল ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনা করা হবে।
এদিকে সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. শেখ গিয়াস উদ্দিনের সই করা পৃথক তিনটি বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে মোট আটটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো :
১. ভোট প্রদানের উদ্দেশ্যে শিক্ষার্থীরা কেবলমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেইট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবেন।
২. ভোট প্রদান শেষে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ ও ৩ নম্বর গেইট দিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করবেন।
৩. শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ের আগেই শুধুমাত্র ২ নম্বর গেইট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবেন।
৪. কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আইডি কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে হবে এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভোট চলাকালীন সময়ে ক্যাম্পাসের বাইরে যাতায়াত করতে পারবেন না।
৫. বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংক গেট ও পোগোজ স্কুল গেইট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।
৬. ক্যাম্পাসে বসবাসরত কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের ভোটগ্রহণ চলাকালীন সময়ে ক্যাম্পাসে ঘোরাফেরা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
৭. মেডিক্যাল টিম ভোটগ্রহণ শুরু থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত ক্যাম্পাসের ভেতর অবস্থান করবে।
৮. নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত নন, এমন সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে।
তিন দফা স্থগিতের পর আজ ৬ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
জকসু ও হল সংসদ নির্বাচন এর আগে দুই দফা পিছিয়ে যায়। সর্বশেষ গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও ভোটগ্রহণ শুরুর ঠিক আগে ভোর ৬টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে জরুরি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে আরেকটি জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে আজ ৬ জানুয়ারি নির্বাচনের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসু নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়েছে: ভিপি প্রার্থী রাকিব
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব। তিনি নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বলে অভিহিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাকিব বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রার্থী হিসেবে আমি হেরে গেলেও, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে বুক ফুলিয়ে বলতে পারি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জগন্নাথেও ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, এটাই আমার গর্ব।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করা। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।
এ সময় তিনি বিজয়ী প্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জকসু নির্বাচনে জয়ী সব প্রার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল থেকে ৫,৫৫৮ ভোট পেয়ে ভিপি নির্বাচিত হন রিয়াজুল ইসলাম। অন্যদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৪,৬৮৮ ভোট।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
‘স্থায়ী বহিষ্কার’ হচ্ছেন ঢাবির আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষক
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। অভিযুক্ত চার শিক্ষককেএক সপ্তাহের মধ্যেকারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ।
অভিযুক্ত চার শিক্ষক হলেন- অধ্যাপক জিনাত হুদা, অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক সাদেকা হালিম ও অধ্যাপক মশিউর রহমান।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএস পদে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১১ টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড . কানিজ ফাতিমা কাকলী ।
৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ৫৫৬৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করে। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কেএম রাকিব পেয়েছেন ৪৬৮৮ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮৮০ টি।
সাধারন সাধারন (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫৪৭০ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২২০৩ ভোট। ছাত্রদলের জিএস থেকে ৩২৬৭ ভোট বেশি পেয়েছে শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী।
এজিএস পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫০০২ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের এজিএস প্রার্থী বিএম আতিকুর তানজিল পেয়েছেন ৩৮৬৮ ভোট।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসু নির্বাচন: ২৬ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা, এগিয়ে ছাত্রশিবির
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ২৬টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের এ কে এম রাকিবের চেয়ে ৩৫১ ভোটে এগিয়ে আছেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে শিবির সমর্থিত রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৩৬৪ ভোট। অন্যদিকে ছাত্রদল সমর্থিত একে এম রাকিব পেয়েছেন ৩০১৩ ভোট।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জকসুর ৩৯ কেন্দ্রের মধ্যে ২৬ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ।
এদিকে জিএস এবং এজিএস পদে মোট ভোটে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। জিএস পদে ছাত্রশিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ ৩৪৮৯ এবং ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা ১৩৭৯ ভোট পেয়েছেন।
এজিএস পদে শিবিরের মাসুদ রানা ৩১০৬ এবং ছাত্রদলের বি এম আতিকুর রহমান তানজিল ২৬৭৭ ভোট পেয়েছেন।
জকসু নির্বাচনের শুরু থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। আগের ২২ কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে এগিয়ে ছিলেন ছাত্রদলের রাকিব। তবে পরবর্তী কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে ব্যবধান কমিয়ে লিড নেন রিয়াজুল।
নির্বাচন কমিশন সূত্রমতে, হল সংসদে ৭৫ শতাংশ এবং কেন্দ্রীয় সংসদে ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভোট গণনা শুরু হলেও প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর টেকনিক্যাল কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে আবারও শুরু হয় গণনা।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
এসএসসি পরীক্ষার ১৭ কেন্দ্র বাতিল, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার আওতাধীন চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে প্রশাসনিক কারণে মোট ১৭টি পরীক্ষা কেন্দ্র এবং ২২১টি ভেন্যু কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। ফলে এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০৭টি, যার মধ্যে বিদেশে অবস্থিত ৭টি কেন্দ্রও রয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বোর্ডের ওয়েবসাইটে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে ৫ জানুয়ারি তারিখে জারি করা পৃথক এক আদেশে প্রশাসনিক কারণ ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে ২০২৬ সাল থেকে কয়েকটি এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিল করার সিদ্ধান্ত জানায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বাতিল হওয়া কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে— ঢাকা-৬৯ (হাজি এম. এ. গফুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়), ঢাকা-৭৮ (হাজি বিল্লাত আলী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়), শিবালয়-২ (রাওয়ান ইনে রমজান স্কুল অ্যান্ড কলেজ), জয়ানগর (জয়ানগর জুলমত আলী উচ্চ বিদ্যালয়), কামারখালী (কামারখালী উচ্চ বিদ্যালয়) ও মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ।
এ ছাড়া বাতিল হওয়া অন্যান্য কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে— করটিয়া এইচ. এম. ইনস্টিটিউশন, তালমা নাজিমুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়, নগরকান্দা-২ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, ডামুড্যা-২ কনেশ্বর এস সি এডওয়ার্ড ইনস্টিটিউশন, রাড়ী কান্দি হাজী বাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, চরভাগা বঙ্গবন্ধু আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং ঢাকা-৩০ আনোয়ারা বেগম মুসলিম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়।
বালিয়াকান্দি-২ কেন্দ্রের অধীন লিয়াকত আলী স্মৃতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশে অবস্থিত এ্যাথেন্স (গ্রীস) কেন্দ্রের বাংলাদেশ দোয়েল একাডেমি কেন্দ্রটি স্থগিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কেবল কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর অধ্যুষিত নিকলী ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ৪টি ভেন্যু কেন্দ্র বহাল রাখা হয়েছে।
বাতিলসংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, বিদ্যালয় পরিদর্শক, বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




