Connect with us

রাজনীতি

১৭ বছর পর ঢাকায় পা রাখলেন তারেক রহমান

Published

on

সিকদার

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ ফ্লাইটটি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে বেলা ১১টা ১২ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে তারেক রহমানকে বহনকারী ফ্লাইট। এরও আগে সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে ফ্লাইটটি সিলেট ওসামানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সিলেটে অবতরণের কিছুক্ষণ আগেই তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে লেখেন—‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!’

১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বাংলাদেশে ফিরলেন তারেক রহমান। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দিনগত রাত সোয়া ১২টা) তারেক রহমান ও তার স্ত্রী-কন্যাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশ্যে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

এদিকে তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও সিলেটে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিশেষ করে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় তার জন্য বিশাল সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি সংবর্ধনা মঞ্চে যোগ দেবেন। এরপর তিনি মায়ের সঙ্গে দেখা করতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখান গুলশানে তার ১৯৬ নম্বর বাসভবনে উঠবেন।

শেয়ার করুন:-

রাজনীতি

তিন বিভাগে জামায়াতের মাস্টারপ্ল্যান: শরিকদের ছাড় সামান্যই

Published

on

সিকদার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উত্তরাঞ্চলকে পাখির চোখ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে নিজেদের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় রাখতে দলটি বিশেষ কৌশল গ্রহণ করেছে। ১১ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিলেও এসব গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে শরিক দলগুলোকে আসন ছাড়ার ক্ষেত্রে বেশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে দলটি।

তথ্যানুযায়ী, রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের মধ্যে মাত্র চারটি ছেড়েছে শরিকদের। আর রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের মধ্যে শরিকদের জন্য ছেড়েছে তিনটি। আরও একটি বিভাগে আসন বণ্টনে জামায়াত ছাড় দেয়নি বললেই চলে। সেটি হলো খুলনা। এ বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে ৩৫টিই নিজেদের প্রার্থীর জন্য রেখেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এছাড়াও সীমান্তবর্তী এলাকার আসনগুলোকে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। যেমন রংপুর বিভাগের ভারত সীমান্তবর্তী ১৭টি আসনের মধ্যে ১৪টি নিজেদের হাতে রেখেছে। রাজশাহী, খুলনা, সিলেটের চিত্রও একই রকম।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ আসনে শরিকদের ছাড় দিয়েছে জামায়াত। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে উত্তর চট্টগ্রাম, বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালীতেও প্রায় অর্ধেক আসন ছেড়েছে।

শরিকদের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোর তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, ৮-১০টি বাদে বাকিগুলোতে অতীতে জামায়াতের শক্ত অবস্থান ছিল না। জামায়াত নেতাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় তাদের জোট এখন বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। জামায়াত, শরিক দল, দোদুল্যমান এবং বিএনপিবিরোধী ভোট যোগ করলে সারাদেশে সংখ্যাটি বেশ বড়। ফলে শরিকদের দুর্বল আসন ছাড়া হয়নি।

জামায়াত নেতারা বলছেন, দাঁড়িপাল্লা এখন শক্তিশালী প্রতীক। এনসিপির শাপলা কলিও তাই। ১৫ বছরের লড়াই-সংগ্রাম এবং ৫ আগস্ট-পরবর্তী ইতিবাচক ভূমিকার কারণে জামায়াত এখন বড় দল। সব আসনেই জামায়াত শক্তিশালী। তাই শরিকদের যেসব আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো দুর্বল নয়।

শুরুর দিকে জামায়াত, এনসিপি, এলডিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দল নির্বাচনি ঐক্য করেছিল। নানা অসন্তুষ্টির কথা জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন জোট ত্যাগ করে। পরে যুক্ত হয় মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি। এনসিপিকে পঞ্চগড়-১, দিনাজপুর-৫, কুড়িগ্রাম-২ এবং রংপুর-৪ আসন ছেড়েছে জামায়াত। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বাকি আট শরিক দলকে রংপুর বিভাগে একটিও আসন ছাড়েনি দাঁড়িপাল্লা।

জামায়াত দলীয়ভাবে যে তিনটি জরিপ করেছে, তাতে দাবি করা হয়েছে, রংপুর বিভাগের ৩৩ আসনে অন্তত ২৫টিতে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীরা জয়ী হবেন। রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় ৩৯টি আসনের ১৮টিতে নিশ্চিত জয় আশা করছে জামায়াত। আর বাকি আসনগুলোতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ধরে রাখছে দলটি।

অন্যদিকে ব্রেইন, ইনোভেশন, ন্যারেটিভসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে জরিপেও জামায়াত রংপুর ও খুলনা বিভাগে এগিয়ে রয়েছে বিএনপির চেয়ে। রাজশাহী বিভাগে অবস্থান প্রায় সমানে সমানে।

জামায়াতে ইসলামী ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ১২ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়ে ১৮ আসন পেয়েছিল। যা দলটির সর্বোচ্চ নির্বাচনি সাফল্য। ২০০১ সালে বিএনপির জোট শরিক হয়ে ১৭ আসন পেয়েছিল। এর সাতটি পেয়েছিল রংপুর থেকে। অন্যান্য বিভাগে আসন পেলেও ১৯৯১ সালে রাজবাড়ী জেলায় একটি আসন ছাড়া কখনো ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে জামায়াত জয়ী হতে পারেনি।

২০১৪ সালে উপজেলা নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিয়ে প্রথম দুই পর্বে ৩০ উপজেলায় জয়ী হয়েছিল জামায়াত। যার অধিকাংশ ছিল রংপুর বিভাগের। পরের তিন ধাপে আরও ছয় উপজেলায় জয়ী হয় জামায়াত।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

ঘাঁটি রক্ষায় বিএনপি, চ্যালেঞ্জ ছুড়ছে জামায়াত

Published

on

সিকদার

সাগর-পাহাড় ঘেরা পর্যটন নগরী কক্সবাজার এখন নির্বাচনী উত্তাপের কেন্দ্রে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জেলার ৪টি আসনেই জমে উঠেছে ভোটের কঠিন সমীকরণ। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি ও জামায়াত এবার একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নামায় পাল্টে গেছে অতীতের সব হিসাব-নিকাশ।

অভিজ্ঞ বনাম নবীন, সংগঠন বনাম জনভিত্তি- শেষ দুই দিনে প্রার্থীদের ব্যস্ততা তাই চূড়ান্ত।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৮ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ১৭ জন দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত, একজন স্বতন্ত্র।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২২ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই মাঠে নেমেছেন সবাই। শেষ সময়ে ‘ডোর-টু-ডোর’ প্রচারণা, পথসভা, গণসংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার- সব মিলিয়ে ভোটার টানার চেষ্টা চলছে জোরেশোরে।

কক্সবাজার–১ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি তারুণ্য:

চকরিয়া–পেকুয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-১ আসনটি এবার জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচিত। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রার্থী হওয়ায় গুরুত্ব বেড়েছে। তার বিপরীতে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর তরুণ প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কাগজে তিনজন থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই দুজনের মধ্যে। অভিজ্ঞ রাজনীতিকের সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক বনাম নবীন প্রার্থীর তৃণমূল সক্রিয়তা- এ লড়াইয়ের ফল ঘিরে কৌতূহল রয়েছে।

কক্সবাজার-২ অর্থনীতির কেন্দ্রে ভোটের লড়াই:

মহেশখালী–কুতুবদিয়া আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচজন। সাবেক এমপি আলমগীর ফরিদ (ধানের শীষ) এবং জামায়াতের ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদকে ঘিরেই মূল লড়াই।

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, ১২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পর্যটন সম্ভাবনা মিলিয়ে এই এলাকা এখন দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক কেন্দ্র। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও স্থানীয় স্বার্থ-এসব প্রশ্নে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা চলছে।

কক্সবাজার-৩ সদর আসনে তীব্র প্রতিযোগিতা:

সদর, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে কক্সবাজার–৩ আসনে প্রার্থী রয়েছেন ছয়জন। বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল ও জামায়াতের শহীদুল আলম বাহাদুরের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখছেন ভোটাররা।

জেলা সদর হওয়ায় আসনটি প্রতীকীভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। বড় সমাবেশ, নারী কর্মীদের অংশগ্রহণ এবং ঘন ঘন গণসংযোগে প্রচারণা পেয়েছে গতি। প্রতিশ্রুতির ঝুলি নিয়েও মাঠে সক্রিয় প্রার্থীরা।

কক্সবাজার-৪ সীমান্ত, রোহিঙ্গা ও ‘লক্ষ্মী আসন’ তত্ত্ব:

উখিয়া–টেকনাফ নিয়ে গঠিত কক্সবাজার–৪ বরাবরই জাতীয় আলোচনায় থাকে। রোহিঙ্গা সংকট, মাদক ও মানবপাচার, সীমান্ত নিরাপত্তা- এসব ইস্যু এই আসনকে আলাদা গুরুত্ব দেয়। রাজনৈতিকভাবে একে ‘লক্ষ্মী আসন’ বলা হয়।

অতীতে এখানে যে দলের প্রার্থী জিতেছেন, সেই দলই সরকার গঠন করেছে- এমন বিশ্বাস স্থানীয়দের মধ্যে প্রচলিত।

এবার বিএনপির প্রার্থী সাবেক চারবারের এমপি শাহজাহান চৌধুরী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জেলা আমির নুর আহমদ আনোয়ারী। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও এলডিপির প্রার্থী। দক্ষিণের এ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারণা তাই বেশ জমজমাট।

বদলে যাওয়া জোট সমীকরণ:

স্বাধীনতার পর থেকে কক্সবাজারকে ‘বিএনপির ঘাঁটি’ বলা হলেও অতীতের জোট নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত একসঙ্গে লড়েছে। এবার দুই দল আলাদা প্রতীকে মাঠে।

ফলে ভোটের সমীকরণে নতুন হিসাব তৈরি হয়েছে। সাংগঠনিক শক্তি ও ভোট স্থানান্তরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে রাজনৈতিক মহলে। চূড়ান্ত ফল জানতে অপেক্ষা ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, চার আসনে মোট ভোটার ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩৫৭ জন। আগের নির্বাচনের তুলনায় বেড়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯৭ জন ভোটার। জেলায় ৫৯৮টি ভোটকেন্দ্রের ৩ হাজার ৬৮৯টি কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে।

দায়িত্বে থাকবেন ১২ হাজার ২৫১ জন কর্মকর্তা। দুটি ব্যালটে ভোট দেবেন ভোটাররা- একটি সংসদ নির্বাচনে, অন্যটি গণভোটে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান জানিয়েছেন, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বডি-অন ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা। আচরণবিধি তদারকিতে প্রতিটি উপজেলায় দুজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত আছেন।

শেষ মুহূর্তের প্রচারণা, জোটভাঙা প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক বাস্তবতায় কক্সবাজারের চার আসনে এখন কেবল অপেক্ষা- ভোটের রায়ে কোন সমীকরণ টিকে থাকে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

নাগরিককে দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে না: তারেক রহমান

Published

on

সিকদার

নাগরিককে দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বিএনপি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সব শহীদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা আমাদের দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তারেক রহমান বলেন, জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করা না গেলে, দেশের ডেমোক্রেসি, ডেভেলপমেন্ট কিংবা ডিসেন্ট্রালাইজেশন কোনো কিছুই টেকসই হবে না।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

প্রচলিত ধারা পরিবর্তন করে সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়ব : জামায়াত আমির

Published

on

সিকদার

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিটিভিতে প্রচারিত এই ভাষণে তিনি প্রচলিত রাজনৈতিক ধারা পরিবর্তন করে ‘ঐক্যের বাংলাদেশ’গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না। এই প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পাঠকদের জন্য জামায়াত আমিরের পুরো বক্তব্যটি দেওয়া হলো—

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম।

সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আশা করি আল্লাহর মেহেরবানিতে আপনারা সবাই ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের সামনে এখানে এসেছি কোনো গতানুগতিক রাজনৈতিক ভাষণ দিতে নয়। আজ আমি একেবারে মনের ভেতরের কিছু কথা বলতে চাই। যে কথাগুলো একজন জেন-জি, একজন যুবক, আর আমাদের প্রজন্ম সবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। একজন মুসলমানের জন্য যেমন, তেমনি আমাদের দেশের অন্য ধর্মের ভাই-বোনদের জন্যও।’

প্রিয় দেশবাসী, আজ আমি এখানে যাদের কারণে কথা বলছি, সেই জুলাইয়ের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদেরও গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে এখনো বহু মানুষ আহত আছেন।

আমি তাদের দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করছি। জুলাই হয়েছিল কারণ আমাদের দেশ এক হয়েছিল। জুলাইতে রাস্তায় নেমেছিল আমার তরুণ বন্ধুরা। রাস্তায় নেমেছিল আমাদের প্রিয় মা-বোন-মেয়েরা। রাস্তায় নেমেছিল শ্রমিক, রিকশাশ্রমিক ভাইয়েরা এবং সব মেহনতি জনতা।

ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তখন এক হয়েছিল। শিক্ষক, প্রকৌশলী, ডাক্তারসহ সব শ্রেণির পেশাজীবী মানুষও রাস্তায় নেমে এসেছিল। দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও সে সময়ে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে। আমরা জুলাই আর চাই না; আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে আর কোনো দিন জনগণকে রাস্তায় নামতে না হয়। আমাদের বুঝতে হবে, জুলাই কেন হয়েছিল। জুলাই হয়েছিল একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য। জুলাই হয়েছিল একটা কালো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তনের জন্য।

যুগের পর যুগ ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল পরিবারতন্ত্রের হাতে, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে। সেখান থেকে মুক্তির জন্য। বিশেষ করে ২০০৯ সাল থেকে জাতির ওপর এমন এক শাসকগোষ্ঠী চেপে বসে যারা মানবাধিকার, ভোটাধিকারসহ সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলে। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, আয়নাঘর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের ওপর নিপীড়ন চালায়। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪-এর পরপর তিনটি জাতীয় নির্বাচনের নামে তামাশার মাধ্যমে আমাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়। এসব নিপীড়ন ও অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্যই এসেছিল রক্তাক্ত জুলাই।

আমাদের তরুণরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়। যে দেশকে তারা গর্ব করে বলতে পারবে নতুন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ২.০। এক কথায় যদি বলি দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর হিম্মত সবার থাকে না। এই হিম্মত দেখিয়েছে আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওসমান হাদী ও তাদের সহযোদ্ধারা। তাদের রক্তের শপথ নিয়ে নতুন প্রজন্মের লাখ লাখ সাহসী সন্তান আজ এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। এই দেশ আমাদের সময়ের এই সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই তরুণরা রচনা করবে। এই তরুণরা পরিশ্রমী। এই তরুণরা সাহসী, এই তরুণরা মেধাবী। এই তরুণরা পরিবর্তনকে ভালোবাসে। এই তরুণরা নতুনকে আলিঙ্গন করে। এই তরুণরা সত্য বলতে দ্বিধা করে না।

এই তরুণরা প্রযুক্তি বোঝে এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে জানে। তারাই পারবে নতুন বাংলাদেশ গড়তে। আমরা তোমাদের হাত ধরতে চাই। জুলাইয়ের মতো—কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে সঙ্গী হতে চাই। প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। দেশটা বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকুক, মানুষের জীবনে শান্তি ফিরুক। এই আমাদের চাওয়া। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে। এমন বাংলাদেশ যেখানে কেবল পারিবারিক পরিচয়ে কেউ দেশের চালকের আসনে বসতে পারবে না। এমন বাংলাদেশ যেখানে রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের।

প্রিয় দেশবাসী, জনগণ চায় একটু নিরাপত্তা সুশাসন ও ইনসাফ। তাই আগামীর বাংলাদেশকে এসব অঙ্গীকার ও মূল্যবোধের আলোকে সাজাতে চাই। রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার পরিকল্পনা গ্রহণ করে; কিন্তু এসব পরিকল্পনার সবগুলো যেমন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি তেমনি অনেকগুলো একদমই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত সংস্কার এখন সময়ের দাবি এবং এ সংস্কার প্রক্রিয়াকে জারি রাখাসহ সংস্কার নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এ গণভোট জনগণের সাধারণ ইচ্ছা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট চাই।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

নাহিদের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ, প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে রিট

Published

on

সিকদার

ঢাকা-১১ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ওই আসনের জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শামীম আহমেদ, দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে এই আবেদনটি করেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সর্বোচ্চ আদালতে এ রিট করা হয়। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব, রিটার্নিং অফিসার ও নাহিদ ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আবেদনে বলা হয়, নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র ডোমিনিকার নাগরিকত্ব নেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গুলশান এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ এবং সবুজবাগ এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন।

আর তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন ভোটার রয়েছেন। প্রার্থী হয়েছেন- বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, স্বতন্ত্র কোহিনূর আক্তার বীথি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের মো. আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস্‌ পার্টির মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

সিকদার সিকদার
পুঁজিবাজার45 minutes ago

সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।...

সিকদার সিকদার
পুঁজিবাজার50 minutes ago

গোল্ডেন সনের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির গোল্ডেন সন লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র...

সিকদার সিকদার
পুঁজিবাজার55 minutes ago

সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি পিএলসির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।...

সিকদার সিকদার
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৩টায়...

সিকদার সিকদার
পুঁজিবাজার1 hour ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ২৮৩ শেয়ারদর

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দেড় ঘণ্টায়...

সিকদার সিকদার
পুঁজিবাজার21 hours ago

ব্লক মার্কেটে ২২ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৭টি কোম্পানির ২২ কোটি ৬৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকার শেয়ার...

সিকদার সিকদার
পুঁজিবাজার21 hours ago

দরপতনের শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
সিকদার
রাজনীতি2 minutes ago

তিন বিভাগে জামায়াতের মাস্টারপ্ল্যান: শরিকদের ছাড় সামান্যই

সিকদার
রাজনীতি14 minutes ago

ঘাঁটি রক্ষায় বিএনপি, চ্যালেঞ্জ ছুড়ছে জামায়াত

সিকদার
জাতীয়27 minutes ago

নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক: ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক

সিকদার
আইন-আদালত36 minutes ago

নির্বাচন করতে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

সিকদার
পুঁজিবাজার45 minutes ago

সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সিকদার
পুঁজিবাজার50 minutes ago

গোল্ডেন সনের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সিকদার
পুঁজিবাজার55 minutes ago

সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সিকদার
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স

সিকদার
পুঁজিবাজার1 hour ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ২৮৩ শেয়ারদর

সিকদার
সারাদেশ1 hour ago

ভোটের টানে বাড়ি ফেরার হিড়িক, বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

সিকদার
রাজনীতি2 minutes ago

তিন বিভাগে জামায়াতের মাস্টারপ্ল্যান: শরিকদের ছাড় সামান্যই

সিকদার
রাজনীতি14 minutes ago

ঘাঁটি রক্ষায় বিএনপি, চ্যালেঞ্জ ছুড়ছে জামায়াত

সিকদার
জাতীয়27 minutes ago

নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক: ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক

সিকদার
আইন-আদালত36 minutes ago

নির্বাচন করতে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

সিকদার
পুঁজিবাজার45 minutes ago

সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সিকদার
পুঁজিবাজার50 minutes ago

গোল্ডেন সনের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সিকদার
পুঁজিবাজার55 minutes ago

সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সিকদার
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স

সিকদার
পুঁজিবাজার1 hour ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ২৮৩ শেয়ারদর

সিকদার
সারাদেশ1 hour ago

ভোটের টানে বাড়ি ফেরার হিড়িক, বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

সিকদার
রাজনীতি2 minutes ago

তিন বিভাগে জামায়াতের মাস্টারপ্ল্যান: শরিকদের ছাড় সামান্যই

সিকদার
রাজনীতি14 minutes ago

ঘাঁটি রক্ষায় বিএনপি, চ্যালেঞ্জ ছুড়ছে জামায়াত

সিকদার
জাতীয়27 minutes ago

নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক: ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক

সিকদার
আইন-আদালত36 minutes ago

নির্বাচন করতে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

সিকদার
পুঁজিবাজার45 minutes ago

সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সিকদার
পুঁজিবাজার50 minutes ago

গোল্ডেন সনের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সিকদার
পুঁজিবাজার55 minutes ago

সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সিকদার
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স

সিকদার
পুঁজিবাজার1 hour ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ২৮৩ শেয়ারদর

সিকদার
সারাদেশ1 hour ago

ভোটের টানে বাড়ি ফেরার হিড়িক, বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ