জাতীয়
নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবিরকে হেনস্তা
রাজধানীর ফার্মগেটে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার ভবনের সামনে একদল ব্যক্তির হেনস্তার শিকার হয়েছেন ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবির। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ওই ভবনের সামনে বিক্ষোভ চলাকালে তাকে নাজেহাল করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে একদল বিক্ষোভকারী ডেইলি স্টার ভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করলে ঘটনাস্থলে যান সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি নূরুল কবির। সেখানে গিয়ে হামলাকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করলে তিনি তাদের তোপের মুখে পড়েন।
ঘটনার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, ভিড়ের মধ্যে এক যুবক তাকে ধাক্কা দিচ্ছেন এবং ‘আওয়ামী লীগের দালাল’ বলে গালিগালাজ করা হচ্ছে। ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে একজনকে তার চুল টানতেও দেখা যায়।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ফার্মগেটে ডেইলি স্টার ভবনে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। একপর্যায়ে ভবনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে ওই সময় ভবনের ভেতরে থাকা পত্রিকাটির একাধিক সাংবাদিক আটকা পড়েন।
এই ঘটনার খবর পেয়ে পরিস্থিতি জানতে এবং শান্ত করার উদ্দেশে ঘটনাস্থলে গেলে ভবনের সামনে অবস্থানরত বিক্ষোভকারীদের একটি অংশের বাধার মুখে পড়েন নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবির।
এমকে
জাতীয়
শিক্ষার্থীদের জন্য ইলেকট্রিক বাস চালুর সিদ্ধান্ত
শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যবস্থা নিরাপদ, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে দেশে ইলেকট্রিক বাস চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমানো, অন্যদিকে ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার হ্রাস করাই প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গণপরিবহনে জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়ে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎচালিত পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য ইলেকট্রিক বাস চালু সেই বৃহৎ পরিকল্পনারই অংশ।
তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপে শিক্ষার্থীদের পরিবহনে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো সহজে এ ধরনের বাস সংগ্রহ করতে পারে।
এর আগে, গত ২৭ এপ্রিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অনুরূপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানির ক্ষেত্রে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, মূল্য সংযোজন কর, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অগ্রিম আয়করসহ সব ধরনের কর ও শুল্ক অব্যাহতি দেওয়া হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজে অথবা তাদের পক্ষে কোনো সংস্থা এসব বাস আমদানি করলেও একই সুবিধা পাবে। তবে এসব বাসের রং হলুদ হতে হবে এবং ‘স্কুল’, ‘কলেজ’ অথবা ‘স্টুডেন্ট বাস’ শব্দগুলো স্পষ্টভাবে লেখা থাকতে হবে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয়
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে তিন ধাপে
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নবম পে স্কেল একবারে নয়, তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে গঠিত পুনর্গঠিত কমিটি ইতোমধ্যে সুপারিশ প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। এতে অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোই প্রধান লক্ষ্য।
প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন পে স্কেলের প্রায় ৫০ শতাংশ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে অতিরিক্ত ৩৫ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ আসতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কমিটির প্রথম দফার বৈঠকে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে অংশগ্রহণকারীদের বড় একটি অংশ ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের পক্ষে মত দিয়েছেন।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ রাখা হলেও তা এখনো ব্যবহার হয়নি। আগামী বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ আরও বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
এদিকে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বার্ষিক সভা শেষে অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরলে বিষয়টি নিয়ে পুনর্গঠিত কমিটি আবারও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে পারে বলে জানা গেছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বাজেট ঘাটতির বাস্তবতায় একবারে নয়, বরং ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নই বেশি বাস্তবসম্মত হতে পারে।
জাতীয়
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী বছরের শেষ দিকে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য দেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, উপজেলা পরিষদ বাতিলের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বর্তমান কাঠামো বহাল রেখেই নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যেসব সাংবাদিক কারাগারে রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে কোনো কোনো অভিযোগ অনেক ক্ষেত্রে গুরুতর প্রকৃতির। তবে বর্তমান সরকার অন্যায়ভাবে কোনো সাংবাদিক যেন কারাগারে না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার এ বছর ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। সঠিক পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নাগরিকদের সচেতনতার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
এ ছাড়া তিনি জানান, দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব রয়েছে এবং বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
হাম টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু ইতোমধ্যে টিকা পেয়েছে, যা মোট লক্ষ্যের প্রায় ৮৯ শতাংশ। শিগগিরই শতভাগ শিশু টিকার আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, হাম রোগে শিশুমৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক। বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভবিষ্যতে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে আশ্বাস দেন তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
জাতীয়
নুসরাতকে নির্বাচিত ঘোষণা করে ইসির গেজেট প্রকাশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নতুন সদস্য হিসেবে গেজেটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত ঘোষণা পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর যুগ্ম আহ্বায়ক ও জামায়াত জোটের প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুম।
সোমবার (৪ মে) নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে তার নির্বাচনকে বৈধতা দেয়। এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন এবং কমিশন সেই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে।
সংরক্ষিত নারী আসন মোট ৫০টি হলেও এবার ৪৯ জন সদস্য ইতোমধ্যে শপথ নিয়েছেন। বাকি একটি আসন ঘিরেই এই গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।
জানা যায়, জামায়াত জোটের জন্য বরাদ্দ ১৩টি নারী আসনের বিপরীতে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ে এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়, আর আরেক প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন শুরুতে নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রমের কারণে গ্রহণ করা হয়নি। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হলে বাছাইয়ে তা বৈধতা পায়।
এর ফলে সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এখন সংসদ সচিবালয় তার শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বলে জানা গেছে।
জাতীয়
ইউনিটপ্রতি দেড় টাকা পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
দেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি সর্বোচ্চ দেড় টাকা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এ পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সোমবার (৪ মে) পাঠানো প্রস্তাব অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়তে পারে। আর খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবহারের পরিমাণ অনুযায়ী স্ল্যাবভিত্তিক এই মূল্য সমন্বয় কার্যকর করা হবে। তবে স্বল্প ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের এই বৃদ্ধির আওতামুক্ত রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সাধারণত বিতরণকারী সংস্থাগুলো বিইআরসিতে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়ে থাকে। তবে এবার বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)সহ অন্যান্য বিতরণ সংস্থাগুলো প্রস্তাব তৈরি করছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এসব প্রস্তাব কমিশনে জমা পড়তে পারে। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, প্রস্তাব পেলে আইন অনুসারে পর্যালোচনা ও গণশুনানির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পিডিবির চেয়ারম্যান রেজাউল করিম জানান, তারা প্রস্তাব চূড়ান্ত করার কাজ করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে জুনের শুরুতেই নতুন দাম কার্যকর হতে পারে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান এবং বিপুল ভর্তুকির চাপ মোকাবিলায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতি ইউনিট উৎপাদন খরচ গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করা দামের চেয়ে গড়ে প্রায় ৫ টাকা ৫০ পয়সা বেশি। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিপিডিবির ঘাটতি ৫৬ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রস্তাব অনুসারে, মাসে ৪০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ১.৩৮ টাকা এবং ৭৬ থেকে ৪০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে প্রায় ৭০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে। দেশে মোট প্রায় ৪ কোটি ৯৭ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৩৭ শতাংশ এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব অনুভব করবেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে বিদ্যুতের দাম বাড়লে তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত পণ্য ও সেবার দামে পড়বে, যা জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য গড়ে ৮.৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।




