প্রবাস
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: ৫৯ বাংলাদেশি উদ্ধার
ভূমধ্যসাগরে মাল্টা উপকূলের কাছে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৫৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মাল্টার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নৌকাটি লিবিয়া উপকূল থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। গত শুক্রবার সকালে যাত্রাপথে মাল্টার সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ জোনে পৌঁছালে নৌকাটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় এবং একপর্যায়ে সেটি ডুবে যায়।
খবর পেয়ে মাল্টার কোস্ট গার্ড ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো দ্রুত অভিযান চালিয়ে ৫৯ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৬১ অভিবাসীকে উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে ছয় জন হাইপোথারমিয়ায় (শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যাওয়া) ভুগছিলেন। অসুস্থ থাকায় তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন-বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইনফোমাইগ্রেন্টস জানিয়েছে, শুক্রবারের এই উদ্ধার অভিযান ছিল মাল্টায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনিয়মিত অভিবাসী আগমনের প্রথম বড় ঘটনা। ২০২০ সালে দেশটিতে মোট দুই হাজার ২০০ জন অভিবাসী এসেছিলেন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার কারণে অনিয়মিত অভিবাসীদের সংখ্যা কমাতে পেরেছে দেশটি। গত বছর মাল্টায় আসা আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২৩৮ জন।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের গত সপ্তাহ পর্যন্ত মাল্টায় আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা মাত্র ১৮৫ জন। অথচ এ বছর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছেছেন এক লাখ ৩৬ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী। তাদের মধ্যে ইতালিতে পৌঁছেছেন অন্তত ৬৪ হাজার এবং গ্রিসে পৌঁছেছেন ৪৪ হাজার।
মাল্টায় বাংলাদেশ দূতাবাস না থাকায় গ্রিসের এথেন্সের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সেবা গ্রহণ করেন মাল্টা প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এ বিষয়ে এথেন্সের বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য তাদের জানা নেই।
প্রবাস
প্রবাসীদের সুখবর দিল আরব আমিরাত সরকার
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া প্রবাসী ও পর্যটকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির খবর দিয়েছে দেশটির সরকার। ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে যারা নির্দিষ্ট সময়ে আরব আমিরাত ছাড়তে পারেননি অথবা যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের জন্য ৩০ দিনের বিশেষ বর্ধিত সময় ও জরিমানা মওকুফের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি’ (আইসিপি) নিশ্চিত করেছে যে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ওভারস্টে বা অতিরিক্ত সময় অবস্থান করা পর্যটক ও প্রবাসীদের কোনো প্রকার জরিমানা দিতে হবে না।
জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার ফলে ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় অনেক প্রবাসী বড় ধরনের সংকটে পড়েছিলেন। বিশেষ করে যাদের রেসিডেন্সি ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাদের পুনরায় প্রবেশের বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যারা ভিজিট ভিসায় আমিরাতে এসে আটকা পড়েছেন এবং যাদের ভিসার মেয়াদ এই সংকটের সময় শেষ হয়েছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বা বিশেষ সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। আমিরাত প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে একটি বিশেষ মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কয়েক হাজার আটকা পড়া বিদেশি নাগরিকের দুশ্চিন্তা লাঘব করবে।
আটকে পড়া বিদেশি নাগরিকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন বিনামূল্যে এক্সিট পারমিট বা দেশত্যাগের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে রুট পুনরায় চালু হওয়া মাত্রই তারা কোনো জটিলতা ছাড়াই নিজ দেশে ফিরতে পারবেন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ বিঘ্নিত হওয়ার কারণে কোনো বিদেশি নাগরিকের ফ্লাইট যদি জরুরি ভিত্তিতে আমিরাতে অবতরণ করতে বাধ্য হয়, তবে তাদেরও বিনামূল্যে টেম্পোরারি ল্যান্ডিং পারমিট বা সাময়িক অবতরণ অনুমতি প্রদান করা হবে।
কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই বিশেষ পরিস্থিতিতে ভিসার মেয়াদ বাড়ানো বা এক্সিট পারমিটের জন্য সময়মতো আবেদন করতে না পারাকে অভিবাসন আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে না।
এই সুবিধা মূলত সেই সব ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য হবে যারা পরিস্থিতির শিকার হয়ে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন অবস্থান করছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ডিপারচার পারমিটধারী, ভিজিট ও ট্যুরিস্ট ভিসা ধারী এবং যাদের রেসিডেন্সি পারমিট সম্প্রতি বাতিল হয়েছে।
আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য যাত্রীদের বৈধ পাসপোর্ট, বর্তমান ভিসার কপি এবং পরবর্তী যাত্রার প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। দুবাইসহ আমিরাতের বিভিন্ন শহরে অবস্থানরত প্রবাসীরা এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন সাপেক্ষে ভ্রমণকারীদের নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে বর্তমান নির্দেশিকা পুনরায় নিশ্চিত করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পর্যটন
ভিজিটর ভিসা নিয়ে যে বার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস
ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কাজ করার অনুমোদন নেই বলে এক বার্তায় এ কথা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দূতাবাস এ কথা জানিয়েছে।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, বি১/বি২ ভিসা, মনে রাখুন ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কিছু ব্যবসায়িক কার্যক্রম করা যায়, যেমন চুক্তি নিয়ে আলোচনা/দরকষাকষি করা এবং সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে থেকে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তার জন্য কাজ করা অনুমোদিত নয়।
প্রবাস
বাংলাদেশিসহ পাঁচ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিল স্পেন
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অন্য দেশগুলো যখন সীমান্তে দেয়াল তুলছে, তখন স্পেন হাঁটছে ভিন্ন পথে। যখন আশপাশের দেশগুলো অভিবাসী বহিষ্কার নিয়ে আলোচনা করছে, তখন স্পেন অন্তর্ভুক্তির পথ বেছে নিয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) স্পেন সরকার প্রায় পাঁচ লাখ অনিয়মিত অভিবাসীকে বৈধ করার ঘোষণা দিয়েছে। এতে স্পষ্ট হলো, যাদের এত দিন ‘অদৃশ্য’ বলা হতো, তারাই স্পেনের উন্নয়নের বড় চলনশক্তি।
এই প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকার ‘রাজকীয় ডিক্রি’ বা বিশেষ নির্বাহী আদেশ জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরপরই কোনো দীর্ঘ সংসদীয় বিতর্ক ছাড়াই এটি কার্যকর হবে।
এই সিদ্ধান্ত শুধু নীতিগত পরিবর্তন নয়, বরং ইউরোপের কোনো একক দেশে নেওয়া সবচেয়ে বড় মানবিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগগুলোর একটি। এর মাধ্যমে স্পেন নিজেকে অভিবাসীবান্ধব দেশ হিসেবে আরও স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত করল।
একবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপের আর কোনো দেশ এত বড় পরিসরে অভিবাসীদের বৈধতার সুযোগ দেয়নি। আগে ইতালি বা গ্রিস সীমিত আকারে কিছু খাতে অভিবাসী নিয়মিতকরণ করলেও, স্পেনের এই ডিক্রি গৃহস্থালি কাজ থেকে শুরু করে হাই-টেক স্টার্টআপ—সব খাতের জন্য উন্মুক্ত। এমনকি ২০০৫ সালের বহুল আলোচিত ‘সাপাতেরো নিয়মিতকরণ’ কর্মসূচিকেও এটি ছাড়িয়ে গেছে।
বার্সেলোনা, মাদ্রিদ ও ভালেন্সিয়ার মতো শহরে বসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি পরিবারের জন্য এই ডিক্রি বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
বর্তমানে স্পেনে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হয়। তাদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় কঠিন জীবন কাটাচ্ছিলেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আইনের ফলে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার বাংলাদেশি সরাসরি উপকৃত হতে পারেন। পর্যটন, কৃষি ও খুচরা ব্যবসা খাতে কাজ করা এসব প্রবাসী এখন বৈধ শ্রম চুক্তি করতে পারবেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পাবেন এবং নির্বিঘ্নে দেশে পরিবারের কাছে যাতায়াত করতে পারবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ ‘ছায়া শ্রমিক’ সুরক্ষিত নাগরিক জীবনে প্রবেশ করবেন।
স্পেন সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে অর্থনৈতিক বাস্তবতা। দেশটির কল্যাণ রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখতে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক প্রয়োজন। পাঁচ লাখ মানুষকে বৈধ করলে বছরে প্রায় দুই বিলিয়ন ইউরো কর ও সামাজিক নিরাপত্তা অনুদান সরকারি কোষাগারে যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই ডিক্রি বিশেষভাবে নির্মাণ শিল্প, বয়স্কদের যত্ন ও সেবা খাতের শ্রম সংকট কমাতে সহায়ক হবে। যেখানে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীরা আগে থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।
প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ও পদেমোস দলের এই ‘রাজকীয় ডিক্রি’কে অনেকেই রাজনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছেন। সংসদীয় ভোট এড়িয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিরোধীদের বাধা দেওয়ার সুযোগ কমে গেছে। ফলে অনিশ্চয়তায় থাকা পাঁচ লাখ মানুষের জন্য বৈধতার পথ প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই খুলে যাচ্ছে।
এমকে
পর্যটন
২১ জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ‘ভিসা বন্ড’ দিতে হবে
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
বার্তায় জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের (বি১/বি২) ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত একটি ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। তবে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
বার্তায় আরও জানানো হয়, সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করবেন না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট প্রতারণামূলক হতে পারে। সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
প্রবাস
কাতারে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস
কাতারে বাংলাদেশি প্রবাসীদের ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে অভিবাসনের জন্য প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণে অর্থ আত্মসাৎ করছে দেশটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা। এমন অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দোহায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
এই বিষয়ে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে কাতারের দোহায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইউরোপ ও আমেরিকার স্বপ্নীল উন্নত জীবনের আশ্বাস দিয়ে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশিদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করছে। পরবর্তী সময়ে এ প্রলোভনের বশবর্তী হয়ে অনেক কাতার প্রবাসী বাংলাদেশি বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে প্রতারিত ও সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। ইতোমধ্যে অনেকে বাংলাদেশ দূতাবাসে এ বিষয়ে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
দূতাবাস বলছে, এ প্রেক্ষিতে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে যাবার জন্য লোভের বশবর্তী হয়ে কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে যেকোনও পরিমাণ অর্থ প্রদানে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হলো।
কাফি




