জাতীয়
হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিতে খরচ দেবে মন্ত্রণালয়: অর্থ উপদেষ্টা
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব বাজেট থেকে অর্থ দেওয়া হবে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি ও অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, হাদিকে বাইরে পাঠাবে কালকে যখন আমাদের মেসেজ দিল আমরা বলেছি টাকা পয়সার কোনো ব্যাপার না। এটা ম্যানেজ করবো।
হাদির জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, হাদির জন্য যখন বলেছে বাইরে পাঠানো হবে অবভিয়াসলি টাকা ইনভলভ মন্ত্রণালয়কে আমরা বলেছি যে, যাই লাগে আমরা প্রস্তুত। হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স নিতে হবে। কিন্তু লাকিলি অর্থমন্ত্রালয় তাদের নিজস্ব বাজেট থেকে দিচ্ছে পরে হয়ত অর্থ আমরা হিসাব করব এই ব্যাপারে কোনো দ্বিধা ছিল না। যখন ডিসিশন নিয়েছে বোর্ড; যখন বলেছে ইমিডিয়েটলি সরকার অর্থের মতামত চেয়েছে আমরা বলে দিয়েছি যে কোনো সময় আমরা প্রস্তুত।
গতকাল রোববার ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে জানিয়ে প্রেস উইং বলেছে, গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার দিতে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় মেডিকেল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক দল এবং ভ্রমণসংক্রান্ত সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের অ্যাক্সিডেন্ট ইমার্জেন্সি বিভাগে তার চিকিৎসার সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ওসমান হাদির চিকিৎসাসংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বলেছে, তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত শুক্রবার মতিঝিল এলাকায় গণসংযোগ করে ফেরার পথে বেলা ২টা ২৪ মিনিটে পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট সড়কে চলন্ত ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা অবস্থায় তাকে গুলি করা হয়। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং পরে সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এমকে
জাতীয়
পে স্কেলের বাস্তবায়ন চেয়ে কর্মসূচি ঘোষণা
আসন্ন বাজেট সামনে রেখে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবিতে ঢাকায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি।
শনিবার (২ মে) সংগঠনের আহবায়ক আবদুল মালেক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসন্ন বাজেট সামনে রেখে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবিতে সরকারের নজরে কর্মচারীদের দীর্ঘ দিনের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব সহকারে নেয়ার জন্য গণতান্ত্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ মে মাসকে গুরুত্ব দিয়ে ৮ মে পটুয়াখালী, ৯ই মে খুলনায় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা হবে।
সর্বশেষ ১৬ মে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি।
আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১১ বছরে দুটি পে স্কেল হবার কথা থাকলেও একটি ও পাননি তারা। আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যে দিশেহারা নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা।বেশিরভাগ কর্মচারী ঋণের দায়ে জর্জরিত।
ঋণ কর্তন করে মাসে শেষে যে বেতন হাতে পান, তাতে ১০-১৫ দিন চলতে পারেন না। পরবর্তীতে তারা আরও বেশি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।
এ অবস্থায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ রেখে পে স্কেল বাস্তবায়ন না করলে সরকারের প্রতি কর্মচারীদের অসন্তোষ এবং প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হতে পারে, যা কাম্য নয়।
তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ছাড়া ঋণ করে যদি সব কাজ চলে, তাহলে ২২ লাখ কর্মচারীর ৪৪ লাখ হাত সরকারের উন্নয়নের জন্য কাজ করে, সে মানুষগুলোর যদি ভাগ্য উন্নয়নে আরো কিছুটা ঋণী হয়, তাতে ক্ষতি কি?
আসন্ন বাজেটে বরাদ্দ রেখে সরকার ২২ লাখ পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন বলে প্রত্যাশা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।
জাতীয়
রবিবার থেকে ছয় জেলার ধান-চাল সংগ্রহ শুরু
আকস্মিক জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকার কৃষকদের সহায়তায় ধান-চাল সংগ্রহের সময় এগিয়ে এনেছে সরকার। পূর্বনির্ধারিত ১৫ মের পরিবর্তে আগামীকাল রবিবার (৩ মে) থেকেই হাওর অঞ্চলে সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে।
শুক্রবার (১ মে) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ— এই ছয় জেলার কৃষকদের উৎপাদিত বোরো ধান ও চাল সংরক্ষণ এবং বিক্রয়ে সহায়তা দিতেই এ বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, দেশের অন্যান্য জেলায় পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ৩ মে থেকে ধান এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু হবে। চলতি বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে মোট ১৮ লাখ টন ধান ও চাল সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
এর মধ্যে ৫ লাখ টন ধান, ১২ লাখ টন সিদ্ধ চাল এবং ১ লাখ টন আতপ চাল কেনা হবে। প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং প্রতি কেজি আতপ চালের সংগ্রহ মূল্য ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ধান-চালের পাশাপাশি ৩৬ টাকা দরে ৫০ হাজার টন গমও কেনা হবে। এই সংগ্রহ অভিযান ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
জাতীয়
মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে সিলেটে মাজার জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রী
সিলেটে পৌঁছে সুফিসাধক হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিরার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মাজার জিয়ারত করেন। সিলেটে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি উপেক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
পরে বেলা ১১টার পর সিলেট সার্কিট হাউস–সংলগ্ন সুরমা নদীর পাড়ের চাঁদনিঘাট এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশনের একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে বাংলাদেশ ওভারসিজ সেন্টার সিলেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
একই দিন দুপুর ১২টায় সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করার কথা আছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর বেলা ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিশু ও কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বিকাল ৫টায় দলীয় এক সভায় যোগ দিয়ে তিনি ঢাকায় ফিরবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে তোরণ নির্মাণ, ব্যানার-ফেস্টুন টানানো এবং প্রয়োজনীয় সাজসজ্জার কাজও শেষ।
জাতীয়
প্রশিক্ষণের জন্য পাকিস্তান যাচ্ছেন যে ১২ সরকারি কর্মকর্তা
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন সরকারের ১২ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
আগামী ৪ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত সিভিল সার্ভিসেস একাডেমিতে এই এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণে মনোনীত কর্মকর্তারা হলেন-
১. স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সালমা সিদ্দিকা মাহতাব,
২. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. মোস্তফা জামাল হায়দার,
৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আবু রায়হান মিয়া,
৪. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. ফিরোজ আহমেদ,
৫. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. তৌফিক ইমাম,
৬. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. তৌফিক ইমাম,
৭. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. রায়হান আখতার,
৮. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ.এফ.এম. এহতেশামুল হক,
৯. স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. শামসুল হক,
১০. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম,
১১. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. জিল্লুর রহমান,
১২. বিসিএস প্রশাসন একাডেমির এমডিএস (যুগ্ম সচিব) জিয়া আহমেদ সুমন,
সরকারি আদেশে কিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এই প্রশিক্ষণের যাবতীয় ব্যয় পাকিস্তান সরকার বহন করবে। বাংলাদেশ সরকারকে এই সফরের জন্য কোনও আর্থিক ব্যয়ভার গ্রহণ করতে হবে না। কর্মকর্তারা স্থানীয় মুদ্রায় তাদের বেতন ও ভাতাদি গ্রহণ করবেন এবং যাতায়াতের সময়কাল কর্মকালীন হিসেবে গণ্য হবে।
* কর্মকর্তারা ৪ মে ২০২৬ তারিখের কাছাকাছি সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবেন।
* এই প্রশিক্ষণের সময়কাল এবং যাতায়াতে ব্যয় হওয়া সময় কর্মকালীন (অন ডিউটি) হিসেবে গণ্য হবে।
* তারা তাদের বেতন ও ভাতাদি স্থানীয় মুদ্রায় গ্রহণ করবেন।
* পাকিস্তান সরকার এই প্রশিক্ষণের যাবতীয় ব্যয় বহন করবে।
*এই সফরের সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো খরচের দায়ভার বাংলাদেশ সরকারকে গ্রহণ করতে হবে না।
জাতীয়
শ্রমিকরা ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে: তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো চালুর নির্দেশ দিয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব কারখানা চালু করা হবে, যাতে শ্রমিকরা কর্মসংস্থানে ফিরতে পারেন। শ্রমিকরা ভালো থাকলে দেশও উন্নতির পথে এগোবে।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে নানা ধরনের অবিচার করা হয়েছে এবং তাদের জীবন নিয়ে খেলা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা ঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড চালুর বিষয়েও কাজ চলছে।
তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন, অথচ অনেক সময় তারা প্রয়োজনীয় পানি ঠিকভাবে পান না। এই সমস্যার সমাধানে খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, শুধু উচ্ছেদ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না, বরং তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
তারেক রহমানের মতে, কৃষক ও শ্রমিকসহ পরিশ্রমী মানুষের জীবনমান উন্নত করা গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।




