পুঁজিবাজার
এফএএস ফাইন্যান্সের সর্বোচ্চ দরপতন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে এফএএস ফাইন্যান্স ও ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (৮ ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ার দর ০৭ পয়সা বা ৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৮.৩৩ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা বিডি থাইয়ের শেয়ার দর ৭.৩১ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- নিউলাইন ক্লোথিং, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, তাল্লু স্পিনিং এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
এসএম
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯ কোম্পানির মধ্যে ৩৩৯টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ডিএসইতে সর্বোচ্চ প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৯ টাকা ১ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ২ টাকা ৯ পয়সা বা ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা এবি ব্যাংক পিএলসির দর বেড়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা বা দশমিক ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়্যাল ফান্ডের ৭.৬৯ শতাংশ, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ৭.৪২ শতাংশ, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সকড ইনকাম ফান্ডের ৭.৪০ শতাংশ, এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানের ৭.১৪ শতাংশ, হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের ৭.০৩ শতাংশ, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের ৬.৯০ শতাংশ ও সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের ৬.৫৯ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সিটি ব্যাংক পিএলসি কোম্পানিটি ৩৭ কোটি ১৩ লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। কোম্পানিটির ২১ কোটি ৭৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ২০ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- রবি আজিয়াটা পিএলসি, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক পিএলসি, ইনটেক লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া পিএলসি, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম এবং উত্তরা ব্যাংক পিএলসি।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচকের উত্থানে লেনদেন ৫৯৩ কোটি টাকা
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৩৯টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান বেড়ে ৫৯৩ কোটি ৭৩ লক্ষ ৯ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ১৪৮ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৮৯ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ২৩ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ১০৫৮ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৬২ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে ২০৩৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৫৯৩ কোটি ৭৩ লক্ষ ৯ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৪১৬ কোটি ৪ লাখ ৯১ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৩৯টি কোম্পানির, বিপরীতে ১৩টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচক ঊর্ধ্বমুখী, এক ঘণ্টায় বেড়েছে ৩৪৫টির শেয়ারদর
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম এক ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৪৫টির শেয়ারদর বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টা ৮ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ সূচক ১০৯ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৫১ পয়েন্টে।
অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ‘ডিএসইএস’ সূচক ১৭ দশমিক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫২ পয়েন্টে অবস্থান করছে এবং ‘ডিএস৩০’ সূচক ৪৯ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এসময় টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১৯৮ কোটি ৫৫ লাখ ২৫ হাজার টাকার।
এসময়ে ডিএসই লেনদেন হওয়া অংশ নেওয়া ৩৮৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৪৫ টি, পাশাপাশি দর কমেছে ১০টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টি কোম্পানির শেয়ারের।
এমএন
পুঁজিবাজার
এম ক্যাশে ২৪৫ কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ নিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক
মোবাইল আর্থিক সেবা সম্প্রসারণে বড় ধরনের বিনিয়োগ নিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। ব্যাংকটির মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ‘এম ক্যাশ’–এ কৌশলগত বিনিয়োগ হিসেবে প্রায় ২৪৫ কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান এই বিনিয়োগ করবে।
সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)-এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের এ তথ্য জানিয়েছে ইসলামী ব্যাংক।
যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ‘বি১০০ হোল্ডিংস এলএলসি’ এই অর্থ বিনিয়োগ করবে। এজন্য আগের দিন রোববার ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের সভায় এ বিনিয়োগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এর মাধ্যমে সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান এম ক্যাশ এর মূলধন ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ৫১ শতাংশ মালিকানা বাণিজ্যিক ব্যাংকের থাকতে হবে।
সেই পরিমাণ শেয়ার রেখে অবশিষ্টের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা বিদেশি প্রতিষ্ঠানটিকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইসলামী ব্যাংক।
এ হিসাবে মোট ২৪৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ করতে পারবে ‘বি১০০ হোল্ডিংস এলএলসি ইউএসএ’।
নতুন এ বিনিয়োগ ব্যাংকটির মোবাইল ব্যাংকিং সেবার পরিধি ও তারল্য পরিস্থিতি শক্তিশালী করবে বলে মনে করে ইসলামী ব্যাংক।
এম ক্যাশের পরিচালক পর্ষদ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিদেশি বিনিয়োগ গ্রহণের কথা জানিয়েছে ব্যাংকটি।
এর আগে, ২০১২ সালের ডিসেম্বরে এম ক্যাশ সেবা চালু করে ইসলামী ব্যাংক। ২০২৫ সাল পর্যন্ত সরাসরি ইসলামী ব্যাংক নিজস্ব অবকাঠামো ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালিয়ে আসছিল।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ব্যাংকটি পৃথক সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান গড়ে এম ক্যাশ চালানো শুরু করে।
এক হাজার কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধনের প্রতিষ্ঠানটির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা। এখন সেখান থেকে ৪৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা ২৪৫ কোটি টাকায় দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
এমএন




