অর্থনীতি
ভর্তুকি দিয়ে শিল্প চালানো সম্ভব নয় : শিল্প উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিল্প, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ভর্তুকি দিয়ে শিল্প চালানো সম্ভব নয়। আমাদের সময়ে বা আগামী সরকারের সময় ভালো খবর আসবে। দেশি উদ্যোক্তাদের প্রতি আমাদের আগ্রহ বেশি। তারা যেন আমাদের সহযোগী হয়ে আসেন, সেজন্য আমরা আলোচনা করছি।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে নাটোর চিনিকল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করা আপাতত বন্ধ। কারণ আমাদের দেশের চিনিকলগুলোতে উৎপাদিত যে চিনি জমা রয়েছে, সে চিনি আগে টিসিবির মাধ্যমে বিক্রি করছি। এটা চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, চিনিতে লাভ খুব দ্রুত আসে না। আমাদের দেশের চিনিকলগুলো ব্রিটিশ আমলের তৈরি। আমাদের সারা দেশের যে চাহিদা তার ছোট অংশ আমরা দেশীয়ভাবে শোধ করতে পারি। আমাদের সক্ষমতা শুধু চিনির ওপর না থেকে চিনির সঙ্গে অন্য কিছু উৎপাদনের চিন্তা করছে সরকার।
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আকন্দ মোহাম্মদ ফয়সাল উদ্দীন, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাবসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
অর্থনীতি
দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ জ্বালানি তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিশ্ববাজারে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ ডলার ছাড়িয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম; যা সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি। ২০২৩ সালের পর আন্তর্জাতিক বাজারে এটাই অপরিশোধিত তেলের সর্বোচ্চ দাম।
এদিকে কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি সতর্ক করে বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলো আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধ করে দিতে পারে। এই ঘোষণার পরই বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কাতার এনার্জির প্রধান নির্বাহী সাদ আল-কাবি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিকে ধসিয়ে দিতে পারে।
জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বাড়ার এই ধারা অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি পাওয়া ছাড়াও হিটিং, খাদ্যপণ্য এবং আমদানিকৃত পণ্যের দাম বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কাতার এনার্জি জানিয়েছে, তাদের এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্রে সামরিক হামলার কারণে তারা উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। সাদ আল-কাবি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হলে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে।
কাতারের জ্বালানি মন্ত্রীর মতে, যদি এই যুদ্ধ চলতে থাকে, তবে বিশ্বজুড়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি থমকে যাবে। জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হবে এবং কলকারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পণ্যের তীব্র সংকট দেখা দেবে।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে। গত সপ্তাহে ইরান এবং মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে চীন, ভারত ও জাপানের মতো বড় অর্থনীতির দেশগুলো, যারা অপরিশোধিত তেলের জন্য এই রুটের ওপর নির্ভরশীল, তারা চরম সংকটের মুখে পড়েছে।
রাইস্ট্যাড এনার্জির বিশ্লেষক হোর্হে লিওন এই পরিস্থিতিকে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি ‘বাস্তব ঝুঁকি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে বোঝা যাচ্ছে না এটি কি একটি সাময়িক সংকট নাকি এক বিশাল অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শুরু। যদি সরবরাহ ব্যবস্থা দুই সপ্তাহের বেশি বন্ধ থাকে, তবে বিশ্ব সামষ্টিক অর্থনীতিতে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে।’
যুক্তরাজ্যের বাজার তদারকি সংস্থা সিএমএ এবং জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফজেম পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ইতোমধ্যে দেশটিতে পেট্রল ও ডিজেলের দাম ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, যদিও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছে কয়েক সপ্তাহের তেল মজুত রয়েছে, কিন্তু সেই মজুত ফুরিয়ে গেলে এবং উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ববাজার সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের জরুরি তেল মজুত বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করতে পারে, যেমনটি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে করা হয়েছিল।
জ্বালানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এনার্জি আসপেক্টস–এর প্রতিষ্ঠাতা অম্রিতা সেন বলেন, অনেক ব্যবসায়ী শুরুতে মনে করেছিলেন সংঘাত দ্রুত শেষ হবে। এ কারণেই সপ্তাহের শুরুতে তেলের দাম বৃদ্ধির গতি তুলনামূলক কম ছিল।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় তেলের দাম অল্প সময়ের জন্য ১২৮ ডলার পর্যন্ত উঠলেও পরে দ্রুত কমে যায়। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন।
তার ভাষায়, ‘এবার অন্তত প্রতিদিন প্রায় এক কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ সরাসরি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।’
বাজার বিশ্লেষকদের একাংশ এখন মনে করছেন, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম আবার তিন অঙ্কে স্থায়ীভাবে ফিরে যেতে পারে।
একটি বড় জ্বালানি কোম্পানির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, তেলের দাম তিন অঙ্কে পৌঁছানো ততই নিশ্চিত হয়ে উঠবে। আমার মনে হয়, এটা শুধু সম্ভাবনা নয়—শেষ পর্যন্ত অনিবার্য।’
অর্থনীতি
শীর্ষ শোধনাগারগুলোকে ডিজেল–পেট্রল রফতানি স্থগিতের নির্দেশ দিল চীন
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বড় তেল শোধনাগারগুলোকে ডিজেল ও পেট্রল রফতানি সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে চীন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেইজিংয়ের শীর্ষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সংস্থা ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশনের কর্মকর্তারা তেল শোধনাগারগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে পরিশোধিত জ্বালানি পণ্য রফতানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া শোধনাগারগুলোকে নতুন কোনো রফতানি চুক্তি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হওয়া জ্বালানি চালান বাতিলের বিষয়ে আলোচনা করার কথাও বলা হয়েছে।
চীন তেলের নিট আমদানিকারক দেশ। বেইজিংও জ্বালানি সরবরাহের জন্য হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। বাণিজ্যের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার বলছে, গত বছর সমুদ্রপথে চীনের সরাসরি অপরিশোধিত তেল আমদানির ৫৭ শতাংশ এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে।
এমএন
অর্থনীতি
বিশ্ববাজারে বাড়ছে ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি ও স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতি চলছে তখন পিছিয়ে নেই ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারও। সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে বিটকয়েনসহ অন্যান্য ভার্চুয়াল মুদ্রার দামও।
আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান দ্য ট্রেডিং ইকনোমিকস জানিয়েছে, গত সপ্তাহের শুক্রবারে একেকটি বিটকয়েনের দাম ছিল ৬৭ হাজার ৭৬৯ ডলার। তবে আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৯২ ডলারে।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিটকয়েনের দাম বেড়েছে ৩ হাজার ৩২৩ ডলার। মাসের হিসাবেও বেড়েছে প্রায় আড়াই শতাংশের বেশি।
ইথারের দামও সপ্তাহের ব্যবধানে ৮ শতাংশ বেড়ে শুক্রবার সকালে পৌঁছেছে ২ হাজার ৮৪ ডলারে। এক মাসের তুলনায় দাম এখনও কিছুটা কম। একেকটি বাইন্যান্সের দামও ৬৩২ ডলার থেকে এক সপ্তাহে ৭.৮৮ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে ৬৪৮ ডলারের উপরে বিক্রি হচ্ছে।
সোলানার দামও ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বিক্রি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৮৮ ডলারে। এক সপ্তাহে দাম বেড়েছে প্রায় ৮ শতাংশ, আর এক মাসে বেড়েছে প্রায় ১ শতাংশের কাছাকাছি।
এমএন
অর্থনীতি
আরও বাড়ল দেশের রিজার্ভ, এখন কত বিলিয়ন ডলার?
দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে এখন ৩৫ হাজার ৪৮৭ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন বা ৩৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ৫ মার্চ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৭৬৪ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন বা ৩০ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
এর আগে গত ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৫ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার।
উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।
এমএন
অর্থনীতি
আয়কর নির্ধারণে অ্যাসাইকুডা সিস্টেমের তথ্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক
আয়কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং কর ফাঁকি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন থেকে করদাতাদের আমদানিকৃত পণ্যের প্রকৃত মূল্য এবং আমদানি পর্যায়ে পরিশোধিত অগ্রিম আয়করের তথ্য যাচাই করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এজন্য কাস্টমসের ‘অ্যাসাইকুডা সিস্টেমের’ বিজনেস ইন্টেলিজেন্স (বিআই) সার্ভারের তথ্য ব্যবহার করতে হবে।
গত বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) এনবিআরের আয়কর অনুবিভাগের অধীনস্থ কর অঞ্চলগুলোর জন্য এই আদেশ জারি করা হয়েছে।
আদেশে আয়কর কর্মকর্তাদের জন্য অ্যাসাইকুডা সিস্টেমের বিজনেস ইন্টেলিজেন্স সার্ভার ব্যবহারের বিস্তারিত পদ্ধতিও উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, কর মামলা অডিটের জন্য নির্বাচন, আয়কর আইন অনুযায়ী কর মামলা পুনঃউন্মোচনের অনুমোদন প্রদান কিংবা ত্রুটিপূর্ণ করাদেশ সংশোধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শী রেঞ্জ কর্মকর্তারা এই সার্ভার থেকে তথ্য সংগ্রহ করবেন। করদাতা আমদানিকারক হলে তার আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য এবং আমদানি পর্যায়ে পরিশোধিত অগ্রিম আয়করের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করে তা লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট সার্কেল কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।
বর্তমানে কর কমিশনার এবং পরিদর্শী রেঞ্জ কর্মকর্তারা নির্ধারিত কম্পিউটার থেকে এই সার্ভারে লগইন করতে পারবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে কর নির্ধারণী কর্মকর্তাদের সরাসরি এই সুযোগ না দিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংগৃহীত তথ্য নির্দিষ্ট রেজিস্টারে নিয়মিত লিপিবদ্ধ রাখতে হবে।
এনবিআর মনে করছে, এই উদ্যোগের ফলে আয়কর মামলা নিষ্পত্তির সময় করদাতার আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণ, মূল্য এবং অগ্রিম আয়করের প্রকৃত তথ্য সহজেই যাচাই করা সম্ভব হবে। এতে স্বচ্ছ ও নির্ভুল প্রক্রিয়ায় অগ্রিম আয়কর ‘ক্রেডিট’ দেওয়া যাবে। একই সঙ্গে কর ফাঁকি রোধের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং আয়কর ফেরত (রিফান্ড) প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কাস্টমস ও আয়কর বিভাগের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের একটি নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। এই কার্যক্রম সফল হলে কর নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং ব্যবসায়ীদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এমএন




