রাজধানী
ঢাকায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের দগ্ধ ৬
ঢাকার আগারগাঁওয়ে একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের ছয় জন দগ্ধ হয়েছেন।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে আগারগাঁওয়ের পাকা মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেছে।
দগ্ধরা হলেন- মো. জলিল মিয়া (৫০), আনেজা বেগম (৪০), আসিফ মিয়া (১৯), সাকিব মিয়া (১৬), মনিরা আক্তার (১৭) ও ইভা (৬)।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এনে ভর্তি করা হয়।
তাদের জাতীয় বার্নে নিয়ে আসা আরফান মিয়া জানান, ভোরের দিকে আগারগাঁওয়ের পাকা মার্কেট ইসলামি ফাউন্ডেশনের পাশে ২০৪/এফ নম্বর বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুন লেগে যায়। পরে আমরা সবাইকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্নে নিয়ে আসি।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আগারগাঁও থেকে নারী ও শিশুসহ ৬জন দগ্ধ হয়ে আমাদের এখানে এসেছেন। তাদের ড্রেসিংয়ের কাজ চলছে। এখনো বলা যাচ্ছে না তাদের কত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বিস্তারিত আমরা একটু পরে জানাচ্ছি।
এমকে
রাজধানী
নিয়োগপত্রের দাবিতে উত্তাল শাহবাগ, মুখোমুখি শিক্ষক ও পুলিশ
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা নিয়োগপত্রের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। এ সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের মুখোমুখি অবস্থান সৃষ্টি হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে মিছিল শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। পরে তারা শাহবাগ মোড়ে সড়কে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর তারা জাদুঘরের সামনেই অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন। সেখানে লেখা ছিল- “প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়ন চাই”, “শ্রেণিকক্ষে যেতে চাই, শিক্ষার্থীরা অপেক্ষায়”, “দেরির বোঝা বইব না, নিয়োগ ছাড়া ফিরব না” ইত্যাদি স্লোগান।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, আড়াই মাস আগে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও এখনো তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট তথ্যও জানানো হয়নি বলে দাবি তাদের।
তারা আরও জানান, নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
এমএন
রাজধানী
হকারদের জন্য সুখবর
ঢাকার হকারদের সুখবর দিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি জানান, ঢাকার ফুটপাতের হকারদের পুনর্বাসনে ৬টি খোলা মাঠে অস্থায়ী মার্কেট গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসক জানান, নির্ধারিত এসব স্থানে হকারদের নিবন্ধনের মাধ্যমে বসানো হবে এবং একটি নির্দিষ্ট ফি আদায়ের মাধ্যমে স্থানগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে গুলশানের একটি হোটেলে ‘ঢাকা কি মৃত নগরী হতে যাচ্ছে? সমাধানে করণীয়’ শীর্ষক এক নগর সংলাপের প্রধান অতিথির বক্ত্যবে তিনি এসব কথা বলেন।
নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ আয়োজিত এ নগর সংলাপে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহ।
ঢাকা উত্তরের প্রশাসক বলেন, ‘ফুটপাতে আগে যেখানে ২০০ হকার ছিল, এখন তা বেড়ে প্রায় দুই হাজারে দাঁড়িয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এমনকি হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দুই শতাংশ মানুষের কারণে ৯৮ শতাংশ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে। এই কয়েকজন হকারের জন্য পুরো ঢাকাবাসীর ভোগান্তি হোক সেটা কোনভাবেই চাই না। নির্দিষ্ট জায়গায়ই তাদের বসতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পরে দোকান সরিয়ে নিয়ে যেতে হব। দোকানগুলো ট্রলির আদলে তৈরি হতে হবে, কোনভাবে স্থায়ী বা অস্থায়ী স্থাপনা করা যাবে না।’
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘নগরের ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমরা যা করি, তার অধিকাংশই সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।’ ওয়াসা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে একটি কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিধন এবং খালগুলো পরিষ্কারের ক্ষেত্র জনগনের সম্পৃক্তা থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মিরপুরের প্যারিস খাল গত দুই মাসে ৭ বার পরিষ্কার করলেও তা আবার নোংরা করে ফেলে। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে খালের পাড়ের যারা বর্জ্য ফেলে তাদেরকে জরিমানার আওতায় আনা যায় কিনা সেটা নিয়ে ভাবছি।’
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাসান ইমনের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নগর অধিকার কর্মী ও গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত।
সুপ্রিম কোর্টের এই সিনিয়র আইনজীবী বলেন, “ঢাকা শহর বর্তমানে এক ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি, যা একে একটি ‘মৃত নগরীর’ দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বুড়িগঙ্গাসহ চারপাশের নদীগুলো দখল ও দূষণে কার্যত মৃত হওয়ায় ঢাকা এখন পানির জন্য দূরবর্তী মেঘনা নদীর ওপর নির্ভরশীল, যা দীর্ঘমেয়াদে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই সংকট থেকে উত্তরণে একটি ‘সমন্বিত নগর শাসন কাঠামো’ এবং ‘আইনের কঠোর প্রয়োগ’ নিশ্চিত করা জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, বায়ুদূষণ এখানে সহনীয় মাত্রার চেয়ে ১০-১৫ গুণ বেশি এবং শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য এক ‘নীরব ঘাতক’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেবল অবকাঠামো উন্নয়ন নয় বরং নেতৃত্বের সক্ষমতা, জবাবদিহিতা এবং ডেটা-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমেই ঢাকাকে বাঁচানো সম্ভব। ঢাকাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হলে এখনই রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও পেশাদারিত্বের সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় এই মেগাসিটি অদূর ভবিষ্যতে পুরোপুরি অচল হয়ে পড়বে।
সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘নগর সেবাগুলোকে এক ছাতার নিচে আনা গেলে সমন্বয়হীনতা কমবে এবং সেবার মান বাড়বে। তথ্যের ঘাটতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত হচ্ছে।’
কড়াইল বস্তি নিয়ে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘কড়াইলে বহুতল ভবন নয়, বস্তি বহাল রেখেই নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী কড়াইল বস্তির বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করছেন, এজন্য রাজউকের পক্ষ থেকে আমরা সেখানে বারবার গিয়েছি; বস্তিবাসী সেখানে বহুতল ভবন চান না বলেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাজধানীর যানজট নিরসনে পার্কিং স্পেস উদ্ধারে কাজ চলছে। যেসব ভবন পার্কিংয়ের স্থানে অবকাঠামো করে রেখেছেন তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে। এ সময় তিনি গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পূর্বাচল প্রকল্পকে সক্রিয় করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ বলেন, ‘নগরীর বিভিন্ন স্থানে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণাধীন থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে। দেখা গেছে একই প্রকল্প পাঁচ বছরে শেষ করার কথা থাকলেও সেটি ১২ বছর লেগে যায়। এতে করে কোন কাজ সময় মতো করতে পারছি না। আমরা মেঘনা, শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা থেকে পানি আনছি। প্রায় ৫১ কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে ১৫০ কিলোমিটার করা হবে। বাধ্য হলে বঙ্গোপসাগর থেকে পানি আনার ব্যবস্থা করতে হবে।’
স্থপতি সুজাউল ইসলাম খান বলেন, ‘শুধু কাগজে পরিকল্পনা থাকলে হবে না, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। রাজধানীর অধিকাংশ সুবিধা গুলশান-বনানীর মতো অভিজাত ৫ শতাংশ মানুষের জন্য সীমাবদ্ধ, অথচ কড়াইল বস্তির মতো এলাকায় সেই সুবিধা পৌঁছায়নি। আমরা শুধু পরিকল্পনাই করছি কিন্তু কোন বাস্তবায়ন নাই।’
ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্লানার ধ্রুব আলম বলেন, ‘ঢাকা মহানগরী গণপরিবনের জন্য ২০ বছরের একটি পরিকল্পনার কাজ চলমান রয়েছে। বিভিন্ন বাস মালিক সংগঠনগুলোর সাথে আমরা সমন্বয় করে ঢাকার ৪২টি রুট থেকে কমিয়ে ৩২টিতে আনার চেষ্টা করছি। একটি রুটে এক কম্পানিরই বাস চলবে। এভাবে বাস চলাচল হলে ঢাকার গণপরিবহন শৃঙ্খলা হবে। এ বছরের মধ্যেই এই পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস রুটে নামানো হবে।’
অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) নির্বাহী পরিচালক নগর পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান, পরিবেশবিদ আইনজীবী সৈয়দ মাহবুবুল আলমসহ আরও অনেকে।
রাজধানী
শুক্রবার সকাল থেকে টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
দেশের কয়েকটি এলাকায় আগামীকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকাল থেকে টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
এতে বলা হয়, আগামী শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টা পর্যন্ত আশুলিয়া টিবিএস থেকে বাইপাইল পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশের এলাকা, ঢাকা ইপিজেড, মালঞ্চ পাওয়ার প্ল্যান্ট, বক্সিমকো ডিআরএস (বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স), কাশিমপুর, সারদাগঞ্জ, হাজী মার্কেট, শ্রীপুর, চন্দ্রা, নবীনগর, সাভার টাউন এলাকা, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, ডলাইল, ব্যাংক টাউন, সাভার রেডিও কলোনী, কলমা, দোসাইদ, কুমকুমারী, আক্রান, চারাবাগ, বড় আশুলিয়া, টঙ্গাবাড়ি, কাঠগড়া, জিরাবো, গাজীরচট, নয়াপাড়া, দেওয়ান ইদ্রিস সড়কের উভয় পাশের এলাকা, নয়ারহাট, বলিভদ্রপুর, পল্লীবিদ্যুত, ডেন্ডারবর, ভাদাইল, লতিফপুর, মানিকগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যমান সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এ ছাড়া এর আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী
শনিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট
প্রতিদিনই কেনাকাটা করতে আমরা কোথাও না কোথাও গিয়ে থাকি। অনেক ভোগান্তি শেষে কোথাও গিয়ে দেখলেন, সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তখন কাজ তো হলোই না বরং সময় নষ্ট।
তাই বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চানখাঁরপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, ধোলাইপাড়, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ ও শাঁখারী বাজার।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
নয়াবাজার, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, আজিমপুর সুপার মার্কেট, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার ও শরিফ ম্যানসন।
রাজধানী
উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ বৈশাখী শোভাযাত্রা
উৎসব, বর্ণিল আয়োজন ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখী শোভাযাত্রা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শোভাযাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, দোয়েল চত্বর ও বেগম রোকেয়া হল এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার চারুকলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
এতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য ড. আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিদ্দিকুর রহমান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য লুৎফর রহমানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং নগরবাসী।
ইউনেসকো স্বীকৃত এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে অংশ নিতে সকাল থেকেই চারুকলা এলাকায় ভিড় করেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনেককে দেখা যায় সাদা-লাল রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিতে।
শোভাযাত্রার শুরুতে ছিল মহানগর পুলিশের ১০টি ঘোড়সওয়ার দল। তাদের পেছনে জাতীয় পতাকা বহন করে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীর একটি দল অংশ নেয়।
এরপর মূল ব্যানারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষকবৃন্দ, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংসদ, কবিতা পরিষদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রার আকর্ষণ হিসেবে ছিল পাঁচটি বড় মোটিফ-মোরগ, বেহালা, শান্তির পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। এ ছাড়া প্রায় ৪০ জন শিল্পীর বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনা এবং প্রায় ১৫০ ফুট দীর্ঘ পটচিত্রের স্ক্রল পেইন্টিং শোভাযাত্রায় বিশেষ মাত্রা যোগ করে। এতে অংশ নেয় দেশের ১০টি ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরাও, যা আয়োজনটিকে বহুসাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে।



