জাতীয়
তফসিলের পরও নিয়মিত সরকার হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবো: পরিবেশ উপদেষ্টা
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও উপদেষ্টা পরিষদ নিয়মিত সরকার হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, আসন্ন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আজ উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠক ছিল কি না? এ প্রশ্নের জবাবে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তফসিলের আগে উপদেষ্টা পরিষদের শেষ মিটিং—এসব কোনো কথা নেই, আমরা নিয়মিত সরকার হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবো, এটা চলবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
জাতীয়
সংখ্যালঘু-সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ঘটনাই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয় : অন্তর্বর্তী সরকার
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু-সংশ্লিষ্ট যেসব অপরাধের ঘটনা ঘটেছে, তার অধিকাংশই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয় বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পুলিশের নথি পর্যালোচনার ভিত্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে বলা হয়, ২০২৫ সালে সংখ্যালঘু-সংশ্লিষ্ট মোট ৬৪৫টি ঘটনার তথ্য পুলিশের নথিতে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে অধিকাংশ ঘটনাই ধর্মীয় বিদ্বেষ থেকে নয়, বরং সাধারণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত।
পোস্টে বলা হয়, প্রতিটি ঘটনাই উদ্বেগজনক হলেও তথ্য-উপাত্তের প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাত্র ৭১টি ঘটনায় সাম্প্রদায়িক উপাদান পাওয়া গেছে। বাকি ৫৭৪টি ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক নয় বলে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলোর মধ্যে প্রধানত ধর্মীয় উপাসনালয় ও প্রতিমা ভাঙচুর বা অবমাননার ঘটনা ছিল, পাশাপাশি অল্পসংখ্যক অন্যান্য অপরাধও অন্তর্ভুক্ত ছিল। অন্যদিকে, সংখ্যালঘু ব্যক্তি বা সম্পত্তিকে প্রভাবিত করে এমন অধিকাংশ ঘটনাই ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত—যার মধ্যে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ, জমিসংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, চুরি, যৌন সহিংসতা এবং পূর্ববর্তী ব্যক্তিগত শত্রুতাজনিত ঘটনাও রয়েছে।
বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা দ্বারা নির্ধারিত হয় না, বরং এগুলো মোকাবিলার সম্মিলিত প্রচেষ্টার দ্বারা নির্ধারিত হয়। এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেলেও এটি স্পষ্ট যে বাংলাদেশের সব নাগরিকের জন্য- মুসলিম, হিন্দু ও অন্য সবার জন্যই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রতিদিন উন্নতির পথে রয়েছে।
জাতীয়
বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক
ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য অনুমোদিত বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য নতুন শর্ত যোগ হয়েছে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার আমেরিকান ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে।
আজ সোমবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
বার্তায় জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের (বি১/বি২) ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫,০০০ আমেরিকান ডলার পর্যন্ত একটি ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। তবে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
বার্তায় আরও জানানো হয়, সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করবেন না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট প্রতারণামূলক হতে পারে। সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
এমকে
জাতীয়
রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ইসি আনোয়ারুল
নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে একথা জানান তিনি।
এসময় তিনি বলেন, আপিল শুনানিতে মনে হয়েছে, একটি ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে। প্রার্থীরা যেভাবে শুনানিতে নিজেদের বক্তব্য রেখেছেন, ভোটের মাঠেও তারা সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন বলে মনে করে কমিশন।
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, কমিশন কোনো রাজনৈতিক দলের চাপে নেই। সবাই চায় ভালো নির্বাচন, কমিশনও তাই চায়। এ সময় তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।
এমকে
জাতীয়
আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৪০০ জনের বেশি
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে সর্বমোট ৪১৬ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর মধ্যে শেষদিনের শুনানিতে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ২০ জন প্রার্থী। এদিন শুনানিতে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর ও কুমিল্লা-১০ আসনে দলটির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন শুনানিতে কোনো পক্ষপাত হয়নি বলে দাবি করেছেন।
গত রোববার নির্বাচন ভবনে টানা ৯ দিনের শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানিতে কোনো পক্ষপাত করিনি।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের আমরা ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের বিষয়টিও ছেড়ে দিয়েছি। আমরা চাই যে সবাই অংশগ্রহণে একটা সুন্দর নির্বাচন হোক।’ সিইসি বলেন, ‘আপনারা হয়তো আমাদের সমালোচনা করতে পারেন। আপনারা সহযোগিতা না করলে কিন্তু হবে না।’ তিনি বলেন, ‘আমার টিমের তরফ থেকে কোনো পক্ষপাতিত্ব করে কোনো জাজমেন্ট আমরা দেইনি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা কোয়ারি করেছেন, কোয়ারির জবাব দিয়েছেন, আই এম এমাজ টু সিই এট দিস। আপনাদেরকে আমি আন্তরিক মোবারকবাদ জানাই ইসির পক্ষ থেকে। আমি আশা করব, ভবিষ্যতেও আপনাদের কাছ থেকে এ ধরনের সহযোগিতা পাব।’ এ সময় নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা ঋণ খেলাপি যাদেরকে ছাড় দিয়েছি, মনে কষ্ট নিয়ে দিয়েছি। শুধু আইন তাদেরকে পারমিট করেছে বিধায়।’
এর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, জাতীয় পার্টি-জাপা, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ২ হাজার ৯১টি মনোনয়নপত্র জমা দেয়। এছাড়া স্বতন্ত্র থেকে জমা পড়ে ৪৭৮টি মনোনয়নপত্র। এরপর ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা মনোনয়নপত্র বাছাই করে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। বৈধ হয় ১৮৪২ জন। বাতিল ৭২৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ৩৫০ জনের মতো। বাকিগুলো ৫১টি নিবন্ধিত দলের। আবার দলগুলোর মধ্যে বিএনপির ২৭, জামায়াতে ইসলামীর ৯, জাতীয় পার্টির ৫৭ ও ইসলামী আন্দোলনের ৪১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। বিএনপির বাতিল হওয়া ২৭ জনের মধ্যে বেশির ভাগই দলীয় পরিচয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলীয় প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয়ন ছিল না। বিএনপির পরিচয়ে ৩৩১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। দলটি থেকে ২৭৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৬৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪১ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়। বৈধতা পান ২২৭ জন। দলগতভাবে সবচেয়ে বেশি প্রার্থিতা বাতিল হয় জাতীয় পার্টির। দলটির ২২৪ জনের মধ্যে ৫৭ জন বাদ পড়েন। বৈধতা পান ১৬৭ জন।
তপশিল অনুযায়ী, গতকাল রবিবার ইসির আপিল শুনানি শেষ হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর আগামী জাতীয় নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা জানা যাবে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
আপিলে বিএনপির দুই জনের প্রার্থিতা বাতিল :চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর ও কুমিল্লা-১০ আসনে দলটির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রবিবার আলাদা আপিল শুনানি শেষে ইসি এ রায় দেয়। এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে এই দুই জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছিল। ইসি সূত্রে জানা গেছে, ঋণখেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেছে ইসি। এতে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল রাখা হয়েছে। কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়া দ্বৈত নাগরিক বলে আপিলে অভিযোগ করা হয়। এই প্রার্থী আপিল শুনানিতে অনুপস্থিত ছিলেন। ইসি তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে।
আবদুল আউয়াল মিন্টুর প্রার্থিতা বহাল :ফেনী-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর প্রার্থিতা বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল রবিবার শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন। এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগ মিন্টুর প্রার্থিতা বাতিলে আপিল আবেদন জমা পড়ে ইসিতে। তবে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিন ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করায় ও টাকা জমা দেওয়ায় আপিলটি নামঞ্জুর করে ইসি। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে বিএনপির এ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনো বাধা থাকল না।
এমকে
জাতীয়
টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য আজ সোমবার সকাল থেকে টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও বন্দর-পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফিডারের আওতাধীন এলাকাগুলোতে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না
বায়োজিদ এলাকার ক্লিপটন গার্মেন্টস, রেনেস্কো গার্মেন্টস, এম কে স্টীল, খন্দকিয়া বাজার, খন্দকিয়া ট্যাম্পু স্ট্যান্ড, মাজার গেইট, ভুলিয়াপাড়া, বাথুয়া, কেডিএস গার্মেন্টস হতে শেরশাহ, পাহাড়িকা আবাসিক, ভেড়া ফকির, সমবায় আবাসিক, সাংবাদিক সোসাইটি, মোহাম্মদ নগর, শান্তি নগর, রাজামিয়া মার্কেট, শেরশাহ কলোনী, তারা গেইট, আর্মড পুলিশ ব্যাট্যালিয়ান, পদ্মা প্লাষ্টিক, চক্রোশো কানন, ধূপ পোল, কুয়াইশ,ভরা পুকুর, নজুমিয়া হাট, তেতুঁলতলা, মধ্যম বুড়িশ্চর, বুড়িশ্চর বাজার, উত্তর ও দক্ষিণ বুড়িশ্চর, ফকিরের দোকান, রশিদ বাড়ি, খালেকের হাট, আজিজিয়া মাজার ও তার আশে পাশের এলাকাজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, সাময়িকভাবে গ্রাহকদের কিছুটা ভোগান্তি হলেও এই মেরামত ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও স্থিতিশীল, নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
এমকে



