পুঁজিবাজার
ডিএসইর নিজস্ব প্রযুক্তিতে চালু ‘এসএসএস’, বাড়াচ্ছে কার্যক্রমের স্বচ্ছতা
পুঁজিবাজারে ডিজিটাল রূপান্তরের পথে আরও এক ধাপ এগিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই)। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে ডিএসই নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ব্যবহার করে “স্মার্ট সাবমিশন সিস্টেম (এসএসএস)” উন্নয়ন করেছে, যা গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সফলভাবে চালু হয়। এ সিস্টেমের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট ও প্রকাশনা দ্রুত, নিরাপদ ও রিয়েল-টাইমে জমা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা বাজারে কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও গতি বাড়িয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) নিকুঞ্জের ডিএসই টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হলে ডিএসইর স্মার্ট সাবমিশন সিস্টেমে “রেগুলেটরি সাবমিশন মডিউল ও সিএসই অনবোর্ডিং” আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়৷
ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন৷ এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ই্ন্সুরেন্স এবং ক্যাপিটাল মার্কেট উইংসের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইদ কুতুব, ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, বিএসইসির প্রধান হিসাব রক্ষক খায়রুল আনাম খান, বিএপিএলসির নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. কায়ছার হামিদ, ডিএসই পরিচালকবৃন্দ, ফিনান্সিয়াল কাউন্সিল রিপোর্টিংয়ের নির্বাহী পরিচালক নাবিল জে আহমেদ, আইসিএবি’র উপ-পরিচালক নাজমুল হুদা, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান রেগুলেটরি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাদি হাসান, ডিএসই’র প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আসাদুর রহমান এবং ডিএসই’র প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ড. মো. আসিফুর রহমান ।
ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আসাদুর রহমান এফসিএস স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের ডিজিটাল সাবমিশন সিস্টেমের ভিত্তি ২০২৪-এর অনেক আগে থেকেই তৈরি হয়েছে। আজ এতে সিএসই’র অনবোর্ডিংয়ের মডিউলসহ নতুন ফিচার সংযোজন করা হয়েছে, যা ডিএসই’র ডিজিটাল সক্ষমতার পরবর্তী ধাপ এবং পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রার ধারাবাহিকতা। চাইনিজ কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর প্রযুক্তিগত সহযোগিতা শুরু হয়, যার ধারাবাহিকতায় এই সিস্টমে তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, এই সিস্টেমের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও বাজার-সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা নিজ নিজ অফিস থেকেই অনলাইনে ডকুমেন্ট সাবমিট করতে পারবেন, কোনো ফিজিক্যাল ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে না। এতে বাজার পরিচালনায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বাড়বে। এই সিস্টেমটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশে (এক্সবিআরএল) চালু করতে সহায়ক হবে। ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যেই ডিএসই’তে ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল সার্ভিসে রূপ দিতে আমরা অভিজ্ঞ কর্মীদের প্রশিক্ষিত করেছি। পাশাপাশি ডিসেম্বরের মধ্যেই ডিএসই’র ওয়েবসাইটের আধুনিক ল্যান্ডিং পেজ উন্মোচনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে, যা শিগগির সবার সামনে উপস্থাপন করা হবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ডিএসইকে রেগুলেটরী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি একটি আধুনিক, সেবাধর্মী ও গ্রাহক-কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ডিএসই’র প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ড. মো. আসিফুর রহমান বলেন, ডিএসই স্মার্ট সাবমিশন সিস্টেমের দ্বিতীয় পর্যায় ডিজিটাল রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। নতুন সিস্টেমটি ডিএসই স্টেকহোল্ডারদের নথি জমা দেওয়ার জন্য একটি একক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার জটিলতা ও ত্রুটি কমাবে। প্রযুক্তিগত দিক থেকে, জাভা মাল্টি-টায়ার আর্কিটেকচার, স্প্রিং বুট, জাভাস্ক্রিপ্ট, পোস্টগ্রেএসকিউএল এবং পাওয়ারবিআই ব্যবহার করে এজাইল স্ক্রাম পদ্ধতিতে সিস্টেমটি বিকাশ করা হয়েছে। সিস্টেমটি ডকুমেন্টেশন প্রক্রিয়া স্ট্রিমলাইন করবে, যোগাযোগ সহজ করবে এবং প্রশাসনিক বোঝা কমাবে। ডিএসই আশা করছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্মার্ট সাবমিশন সিস্টেম আরও ব্যবসায়িক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করবে এবং স্টেকহোল্ডাররা অনলাইনে তাদের প্রয়োজনীয় সব কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।
ডিএসই’র সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. ররিউল ইসলাম এক প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে রেগুলেটরি সাবমিশন মডিউল ও সিএসই অনবোর্ডিং-এর বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
বিএসইসির প্রধান হিসাব রক্ষক খায়রুল আনাম খান, বিএসসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে অ্যাকাউন্টিং সংক্রান্ত বিভিন্ন স্টেটমেন্টের ডিজিটাল সাবমিশন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে, এবং পর্যায়ক্রমে আরও সুবিধা এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হবে। ইস্যুয়ারদের দাপ্তরিক জটিলতা ও দৌড়াদৌড়ি কমানোই এই ডিজিটালাইজেশনের মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করা হয়। কিছু প্রক্রিয়া বর্তমানে মেয়াদোত্তীর্ণ থাকলেও রিভিউ সম্পন্ন হলে সব কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিএপিএলসি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. কায়ছার হামিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ম্যানুয়াল ও দ্বৈত সাবমিশনের (ইমেইল ও হার্ড কপি) সমস্যায় কোম্পানিগুলো ভুগছিল, এবং অবশেষে ডিএসই ও সিএসই যৌথভাবে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করায় এখন সাবমিশন প্রক্রিয়া সময়োপযোগী ও স্বচ্ছ হয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন সিস্টেমে তথ্য প্রদানকারীর নিজের তথ্যই সরাসরি জমা পড়ে, ফলে টাইপো বা ডেটা ভুলের ঝুঁকি কমে যাচ্ছে এবং দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ডিজিটাল সাবমিশন কোম্পানিগুলোর গভারনেন্স কস্ট কমাবে, রিপোর্টিং প্রক্রিয়া সহজ করবে এবং ভবিষ্যতে লিস্টিংয়ে আগ্রহী নতুন কোম্পানিগুলোর জন্যও একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে। তিনি ডিএসই ও সিএসইকে এ উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে আরও উন্নয়ন ও ডিজিটাইজেশন বাজারের সামগ্রিক কার্যকারিতা বাড়াবে।
ডিএসই পরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (অবঃ) বলেন, দেশে অনেক বিশেষজ্ঞ থাকলেও বাস্তবে কাজ শুরু করতে প্রায়ই সফটওয়্যারসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সক্ষমতার অভাব দেখা যায়। কিন্তু ডিএসই ও সিএসই-এর সাম্প্রতিক উদ্যোগ—মাত্র ১৫ দিনের অভিজ্ঞতা অর্জন করে নিজস্ব চেষ্টায় স্মার্ট সাবমিশন সিস্টেম তৈরি—ডিজিটাল সক্ষমতায় একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।
তিনি উল্লেখ করেন, জাতির কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হলে ডিজিটাল উন্নয়ন, রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং ও নিজস্ব উদ্ভাবন অব্যাহত রাখা জরুরি। বক্তা জাপানি ‘Kaizen’ বা ধারাবাহিক উন্নয়নের ধারণা তুলে ধরে বলেন, কম খরচে নিজস্ব উদ্যোগে ডিজিটাল সমাধান তৈরি করতে হবে এবং এই অভিজ্ঞতা সিএসই-এর সাথেও ভাগ করা হবে।
শেষে তিনি সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যারা কঠোর পরিশ্রম করে এমন উন্নয়ন সম্ভব করছেন তাদের যথাযথ স্বীকৃতি ও প্রণোদনা দেওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতেও সবাই উৎসাহ নিয়ে কাজ করতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ই্ন্সুরেন্স এবং ক্যাপিটাল মার্কেট উইংসের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইদ কুতুব বলেন, দেশের পুঁজিবাজার ডিজিটালাইজেশনে এখনও পিছিয়ে থাকলেও আজকের নতুন উদ্যোগ এই পিছিয়ে থাকা দূর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। তিনি উল্লেখ করেন যে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠনে স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রবাহ অপরিহার্য, আর এই ধরনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সেই আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। কমিশন, এক্সচেঞ্জ এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের যৌথ প্রচেষ্টায় পুঁজিবাজার আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। শেষে তিনি বলেন, সকলের উদ্যোগ ও সহযোগিতায় এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাজারের অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে।
ফিনান্সিয়াল কাউন্সিল রিপোর্টিংয়ের নির্বাহী পরিচালক নাবিল জে আহমেদ বলেন, পুঁজিবাজারের ডিজিটাইজেশন বহু বছর ধরে চ্যালেঞ্জের মুখে থাকলেও বর্তমান উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তিনি উল্লেখ করেন, হাজারো ফাইল ম্যানুয়ালি পর্যালোচনা করতে দীর্ঘ সময় লাগে, বিশেষ করে একটি অডিট ফাইল পর্যালোচনায়ই এক সপ্তাহ লেগে যায়—যা ডিজিটাইজেশন জরুরি করে তুলেছে। তিনি জানান, এফআরসি ইতোমধ্যে নিজস্ব এআই ডাটাবেস ও টুলস তৈরি করছে, যা বিশ্লেষণ, ক্রস-চেক ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। একসঙ্গে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম কার্যকর হলে ২০০৮ সালের মতো সমস্যা আর ঘটবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, মাত্র দুই সপ্তাহের চায়না ট্রেনিংয়ের পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আইটি ও অন্যান্য সহযোগী বিভাগ যে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, তা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা এবং চীনের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার সঠিক সিদ্ধান্তের বাস্তব প্রমাণ।
তিনি উল্লেখ করেন যে বিদেশে বসে বিনিয়োগকারীরা ব্লুমবার্গ থেকে বাংলাদেশের কোম্পানির বেশি তথ্য পাচ্ছেন, যা স্থানীয়ভাবে তথ্যপ্রাপ্তির সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্ট করে। নতুন প্ল্যাটফর্ম ডেটা সংগ্রহ ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, তবে ডেটার প্রকৃত মূল্যায়নের জন্য একে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। এ জন্য ডিএসই সদস্য, অ্যাসেট ম্যানেজার, এনালিস্ট, মার্চেন্ট ব্যাংক এবং বিনিয়োগকারীদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি, যাতে সবাই এক প্ল্যাটফর্ম থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ডিএসই বোর্ডের সমর্থন এবং চলমান রূপান্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্ম বাজারে স্বচ্ছতা, তথ্যপ্রবাহ এবং বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে আরও শক্তিশালী করবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএসইসি’র কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন সিএফএ বলেন যে, আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে নতুন ডিজিটাল সাবমিশন প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করা হয়েছে। প্ল্যাটফর্মটির উদ্দেশ্য হলো বাজার–সংশ্লিষ্ট আর্থিক তথ্যের সহজ, স্বচ্ছ ও মানসম্মত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা, যা নিয়ন্ত্রক, অডিটর ও অন্যান্য অংশীজনের তথ্য ব্যবহারের দক্ষতা বাড়াবে।
এই উদ্যোগটি চাইনিজ কনসোর্টিয়ামেরের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শুরু হয়, যেখানে বিপিএম–ভিত্তিক কার্যপ্রবাহ অটোমেশন ধারণা গ্রহণ করা হয়। ডিএসই’র ২ জন কর্মী ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জে এবং সেই অভিজ্ঞতা দেশে এনে ইন–হাউস টিমের সহায়তায় স্থানীয় সিস্টেম উন্নয়নে কাজ করেন। এর ফলে ডিএসই এখন নিজস্ব সক্ষমতায় তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও বিনিয়োগ–সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জন্য একটি কার্যকর ডিজিটাল সাবমিশন ব্যবস্থা তৈরি করতে পেরেছে, যা বাজারে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করবে। প্রকল্পে সমন্বিত সহযোগিতা দিয়েছে সিডিবিএল, বিএসইসি সহ অন্যান্য প্রধান অপারেটিং সংস্থাগুলো।
ভবিষ্যতে আর্থিক তথ্য–জমা শুধু পিডিএফ–এ সীমাবদ্ধ থাকবে না; ডিএসই অগ্রসর হবে এআই–পাঠযোগ্য ও মেশিন–রিডেবল ডেটা ফরম্যাট, এক্সবিআরএল–ভিত্তিক সাবমিশনের দিকে, এটি হবে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তায় –পাঠযোগ্য আর্থিক তথ্য অবকাঠামোর ভিত্তি, যা স্থানীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে বাজার–গবেষণা, বিশ্লেষণ ও ডেটা–ইন্টেলিজেন্স সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে। এই প্রকল্পটি মূলত তথ্য–স্বচ্ছতা, মানসম্মত হিসাব ও প্রযুক্তিনির্ভর বাজার–সংস্কৃতি নির্মাণের দীর্ঘমেয়াদি প্রয়াস, যা একটি আধুনিক পুঁজিবাজার গঠনের নতুন সূচনা নির্দেশ করে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, আজ পুঁজিবাজারের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে ডিজিটাল সংযোগ আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে ডিএসই একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিগত অবকাঠামোতে নেতৃত্ব ধরে রাখলেও এতদিন নথি জমা ও রিপোর্টিংয়ের বড় অংশ ম্যানুয়াল ও হার্ড কপি–নির্ভর ছিল, যা বিনিয়োগ কার্যচক্রকে ধীর ও জটিল করেছে; অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক আগেই অনলাইন রিপোর্টিং চালু করেছে।
এই অভিজ্ঞতার আলোকে, গ্রাহক-কেন্দ্রিক চাহিদাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ডিএসই উন্নয়ন করেছে স্মার্ট সাবমিশন সিস্টেম। আজ থেকে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য, রেগুলেটরি রিপোর্ট, আর্থিক বিবরণী ও প্রয়োজনীয় নথি সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে এবং হার্ড কপি সাবমিশন পদ্ধতি পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।
এ উদ্যোগকে কেন্দ্রীয় ডকুমেন্ট সাবমিশন প্ল্যাটফর্ম ও সিঙ্গেল গেটওয়ে হিসেবে স্বীকৃতি ও সহযোগিতা প্রদানের জন্য ডিএসই’র পক্ষ থেকে বিএসইসি–কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। এর ফলে স্টেকহোল্ডারদের সময়, ব্যয় ও নথি-জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং তথ্য ব্যবস্থাপনা হবে নিরাপদ, দ্রুত ও পরিবেশবান্ধব।
ডিএসই বিশ্বাস করে, বাজার আস্থা ও স্বচ্ছতার মূল ভিত্তি হলো প্রযুক্তি, প্রক্রিয়া ও কমপ্লায়েন্স সক্ষমতা। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ ডিজিটাল যাত্রা পুঁজিবাজার ইকোসিস্টেমকে সিমলেস ইন্টিগ্রেশন, রিয়েল-টাইম লেনদেন ও উন্নত রিস্ক ম্যানেজমেন্টভিত্তিক দক্ষ ট্রানজেকশন প্রক্রিয়ার দিকে এগিয়ে নেবে; একই সঙ্গে লিস্টেড ও নন-লিস্টেড কোম্পানির কমপ্লায়েন্স গ্যাপ কমিয়ে ভবিষ্যতে লিস্টিং ও আইপিও প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করার ভিত্তি তৈরি করবে।
পরে উপ-মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় “স্মার্ট রিপোর্টিং: এনহ্যানসিং ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড গভর্নেন্স ইন কর্পোরেট ডিসক্লোজারেস” -উপর প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ই্ন্সুরেন্স এবং ক্যাপিটাল মার্কেট উইংসের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইদ কুতুব, ফিনান্সিয়াল কাউন্সিল রিপোর্টিংয়ের নির্বাহী পরিচালক নাবিল জে আহমেদ, ডিএসই’র পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, আইসিএবির উপ-পরিচালক নাজমুল হুদা, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান রেগুলেটরি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাদি হাসান।
এমকে
পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজার উন্নয়নে ডিবিএ–জেএসডিএ’র যৌথ উদ্যোগ
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে আরও শক্তিশালী, দক্ষ ও আন্তর্জাতিকভাবে সংযুক্ত করতে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এবং জাপান সিকিউরিটিজ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (জেএসডিএ)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন তাকাশি হিবিনো ও সাইফুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক কোনো স্ব-নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ডিবিএ’র এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সমঝোতা, যা সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সমঝোতা অনুযায়ী, উভয় পক্ষ পুঁজিবাজার উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করবে। এর মধ্যে রয়েছে আইন ও বিধিবিধান বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়, স্ব-নিয়ন্ত্রক সংস্থার শাসনব্যবস্থা ও নীতিমালা উন্নয়ন, তদারকি ও কমপ্লায়েন্স কার্যক্রম জোরদার, আধুনিক আর্থিক লেনদেন পদ্ধতি গড়ে তোলা, নতুন বিনিয়োগ পণ্য উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগকারী শিক্ষার প্রসার।
চুক্তি প্রসঙ্গে ডিবিএ’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, জেএসডিএ’র মতো অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব দেশের পুঁজিবাজারে কাঠামোগত উন্নয়ন, সুশাসন এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে, যা বাজারকে আরও স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব করে তুলবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার আরও সংগঠিত ও গতিশীল হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এর সুফল পাবে।
চুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য জেএসডিএ’র চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দুই সংস্থার মধ্যে আরও কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে ওঠার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, জেএসডিএ পরিচালিত এশিয়া সিকিউরিটিজ ফোরাম এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। ডিবিএ ২০২৩ সাল থেকে এই ফোরামের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও কমেছে
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৬ এপ্রিল) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে। আলোচ্য এ সময়ে ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে ১ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য মতে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ৯.৪৬ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৩৬ পয়েন্টে। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.১ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিএফফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড
বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৬ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে পিএফফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির ইউনিটদর বেড়েছে ৩০.১৯ শতাংশ।
আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ফান্ডটির দর ছিল ৫ টাকা ৩০ পয়সা, যা বিদায়ী সপ্তাহ শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৯০ পয়সায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে দর বেড়েছে ১ টাকা ৬০ পয়সা।
দর বৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মীর আখতার হোসেন। কোম্পানিটির শেয়ারদর ২৮ টাকা থেকে বেড়ে ৩৬ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছেছে, যা ৩০.০০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পিএলএফএসএল। প্রতিষ্ঠানটির দর ২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, অর্থাৎ ২৬.০৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়া সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের দর বেড়েছে ২১.৬৮ শতাংশ (৩০ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৩৭ টাকা ৬০ পয়সা), পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ২০.৪৮ শতাংশ (৪৯ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৬০ টাকা), মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের ১৮.৪৮ শতাংশ (২৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৩২ টাকা ৭০ পয়সা), ডেল্টা স্পিনিংয়ের ১৭.৫৪ শতাংশ (৫ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৬ টাকা ৭০ পয়সা), ফাস ফাইন্যান্সের ১৭.৩৯ শতাংশ (২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৭০ পয়সা), গোল্ডেন সনের ১৫.৬৩ শতাংশ (১২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১৪ টাকা ৮০ পয়সা) এবং এইচএফএলের ১৫.১১ শতাংশ (১৩ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১৬ টাকা)।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং
বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৬ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ দরপতনের শীর্ষে রয়েছে তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ১৩.৮৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে শেয়ারটির মূল্য ছিল ৩ টাকা ৬০ পয়সা, যা বিদায়ী সপ্তাহ শেষে নেমে এসেছে ৩ টাকা ১০ পয়সায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে দর কমেছে ৫০ পয়সা।
দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জিএসপি ফাইন্যান্স। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে কমে ৪ টাকা ৫০ পয়সায় নেমেছে, যা ৬.২৫ শতাংশ হ্রাস নির্দেশ করে।
তৃতীয় স্থানে থাকা আলহাজ টেক্সটাইলের শেয়ারদর কমেছে ৬.২২ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে এর দর ছিল ১২০ টাকা ৫০ পয়সা, যা শেষ কার্যদিবসে দাঁড়িয়েছে ১১৩ টাকায়। এতে দর কমেছে ৭ টাকা ৫০ পয়সা।
এছাড়া সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে হাক্কানি পাল্পের দর কমেছে ৬.১৪ শতাংশ (৮৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৭৮ টাকা), ফ্যামিলি টেক্সের ৬.০৬ শতাংশ (৩ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ১০ পয়সা), নূরানী ডাইংয়ের ৫.৮৮ শতাংশ (৩ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ২০ পয়সা), এপেক্স ট্যানারির ৫.৮৭ শতাংশ (৭৮ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৭৩ টাকা ৮০ পয়সা), রহিম টেক্সটাইলের ৫.৫৪ শতাংশ (২০৯ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১৯৭ টাকা ৬০ পয়সা), আইএফআইসি ব্যাংকের ৫.৪৫ শতাংশ (৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৫ টাকা ২০ পয়সা) এবং এটলাস বাংলাদেশের ৫.০৫ শতাংশ (৭১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৬৭ টাকা ৭০ পয়সা)।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগ
বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৬ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান নিয়েছে খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগ। পুরো সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৩৬ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪.৪৩ শতাংশের সমান। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিটি ব্যাংক। কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩.৪৯ শতাংশ।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে একমি পেস্টিসাইডস। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন দাঁড়িয়েছে ২৫ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩.১১ শতাংশ।
এদিকে শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে লাভেলো আইসক্রিমের দৈনিক গড় লেনদেন ১৮ কোটি ৭১ লাখ ৮০ হাজার টাকা (২.২৯ শতাংশ), ডমিনেজ স্টিলের ১৭ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা (২.১১ শতাংশ), সাপোর্ট লিমিটেডের ১২ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা (১.৫৬ শতাংশ), কেডিএস এক্সেসরিজের ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা (১.৫৫ শতাংশ), গোল্ডেন সনের ১১ কোটি ৮২ লাখ টাকা (১.৪৪ শতাংশ), মীর আখতার হোসাইনের ১১ কোটি ৭৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা (১.৪৪ শতাংশ) এবং পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা (১.৪০ শতাংশ) লেনদেন হয়েছে।



