পুঁজিবাজার
দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে আশানুরূপ সাড়া নেই পুঁজিবাজারে: আমির খসরু
ব্যাংকগুলো স্বল্পমেয়াদী ঋণ নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ দেয়া পরিচালনা করে। অথচ পুঁজিবাজার দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগের ক্ষেত্র হলেও এতে আশানুরূপ সাড়া মেলেনি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকায় হোটেল শেরাটনে চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির (সিএসই) “ ডিসকাশন অন লঞ্চিং কমোডিটি এক্সচেঞ্জ ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এতে বাংলাদেশের প্রথম সারির ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং চেয়ারম্যানগন অংশগ্রহণ করেন।
আমির খসরু বলেন, আমাদের পুঁজিবাজার তার অভীষ্ট গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি। অর্থনৈতিক গতিশীলতার জন্য মার্কেটে প্রোডাক্ট ডাইভারসিফিকেশন আনতে হবে। সেজন্য আমাদের আত্মবিশ্বাসী হতে হবে এবং নতুন নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে হবে। ফ্রন্টিয়ার মার্কেট থেকে এমাজিং মার্কেটে যাওয়ার পথটা সুগম করতে হবে। বন্ড, কমোডিটিসহ নতুন প্রোডাক্ট যত দ্রুত চালু হবে তত দ্রুত অর্থনীতি সুগঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা যারা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে এসেছেন আপানাদেরকেই ভুমিকা নিতে হবে, সিএসইর এই নতুন মার্কেট স্থাপনে আপানদের সক্রিয় অংশগ্রহন করতে হবে, এখানে যে ইনভেস্ট করবেন সেই ইনভেস্টমেন্ট হবে আপনার ব্যালেন্স শিটের একটি নিউ উইন্ডো। দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশি ভাইয়েরা এই দেশে বিনিয়োগ করতে চায়, নতুন যে কোন ভাল উদ্যোগে তারা আসতে আগ্রহী। আমাদের সেজন্য কাজ করতে হবে এবং নতুন ইনভেস্টমেন্ট এর জন্য উদ্যোগী হতে হবে। ডেরিভেটিভস মার্কেট একটি বিশাল সম্ভাবনার বাজার যা অর্থনীতিকে গতিশীল করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। আর পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সিএসইর এই কমোডিটি মার্কেট স্থাপনের উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই এবং আসুন সবাই মিলে একে সফল করি।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএসইর সাবেক প্রেসিডেন্ট, এমকেএম মহিউদ্দিন। এছাড়া সিএসইর চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান, পরিচালক প্রফেসর ড মো. সাইফুল ইসলাম, ড মাহমুদ হাসান, এম জুলফিকার হোসেন, মেজর (অবঃ) এমদাদুল ইসলাম এবং মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য উপস্থাপনা করেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার। এ সময় সিএসইর সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিএসইর চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ধারণা এবং পুঁজিবাজারের জন্য নতুন অ্যাসেট ক্লাস। বাংলাদেশের কমোডিটি ইকোসিস্টেমে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে উন্নত বাজার-ব্যবস্থা গঠন সহজতর হবে। ফলে সুনিয়ন্ত্রিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমোডিটি ডেরিভেটিভস মার্কেট গঠনের মাধ্যমে প্রাইস ডিসকভারি ও হেজিং সুবিধার পাশাপাশি সৃষ্টি হবে নতুন বিনিয়োগ, যা প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সিএসইর দেশে প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা গর্বের বিষয়। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন ।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে মেজর (অবঃ) এমদাদুল ইসলাম সিএসইর প্রতিষ্ঠায় এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়নে আমির খসরুর সাবেক গতিশীল ভূমিকা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আজকের মতবিনিময় সভা এক ধরণের সচেতনতামূলক সভা। সিএসই বাংলাদেশে প্রথমবারের মত কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে এবং আপনাদের সকলের সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা সফল হব বলে আশা করছি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এমকেএম মহিউদ্দিন বলেন, সিএসই টিমের প্রস্তুতি এবং দৃঢ়তা প্রশংসনীয়। অর্থাৎ আজকের উপস্থাপনা এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে রেসপন্স দেখে আমরা বুঝতে পারছি ইতিমধ্যে সিএসই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধরনের প্রস্ততি সম্পন্ন করেছে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস দৃশ্যমান। যেহেতু কমোডিটি এক্সচেঞ্জ ধারনাটি আমাদের সবার কাছে নতুন, তাই সবাইকে অনেক জানতে হবে, শিখতে হবে। সেজন্য শুরু করাটা জরুরী। এখানে উল্লেখ্য, সিএসইর উদ্যোগগুলো সব সময় প্রশংসনীয়। অতীতের মত অটোমেশন, ইন্টারনেট ট্রেড, সেফ, সিডিবিএল ইত্যাদি স্থাপনের মত উদ্যোগ প্রথমে সিএসই নিয়েছে, তেমনি এই কমোডিটি মার্কেট শুরুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আহবান করেন সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষ করে ব্যাংকগুলোকে পিভটাল অংশগ্রহণকারী হিসেবে এগিয়ে আসতে।
তিনি আরও বলেন ,একটি নতুন আসেট ক্লাসকে আরও জানতে হবে, বুঝতে হবে এবং সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে।
আগত ব্যাংকগুলো প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার বলেন, অনেক আগে একবার উদ্যোগ নেয়া হলেও কমোডিটি মার্কেট স্থাপিত হয় নি। আজকে সিএসইর এই সাহসী উদ্যোগকে আমাদের স্বাগত জানাতে হবে এবং সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে। একদিনে আমরা সব বুঝতে পারবো না, শুরু হলে ধীরে ধীরে বিষয়গুলো আমরা সবাই বাস্তবিকভাবে বুঝতে পারবো। সারা বিশ্বজুড়ে এই মার্কেট বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। আশা করছি, আমাদের দেশেও এই নতুন মার্কেট অর্থনীতির সামগ্রিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।
সভায় উপস্থিত অংশীজন ও আলোচকগণ কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জ প্লাটফর্মের সম্ভাব্য ব্যবসায়িক সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন এবং তারা বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা, পরিচালন কাঠামো ও অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরেন। তাঁরা ডেরিভেটিভ মার্কেট গঠনে স্বচ্ছতা, কাঠামোবদ্ধতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। অংশগ্রহণকারীগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মতবিনিময় সভাতে তাঁদে্র মতামত শেয়ার করেন। এছাড়া বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে এই নতুন অ্যাসেট ক্লাসের সাথে, যার মাধ্যমে অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক সূচিত হতে যাচ্ছে তাঁরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের প্রত্যয় এবং শুভ কামনা ব্যক্ত করেন।
সিএসইর পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাংকগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তাদের সাবসিডিয়ারি স্টক ব্রোকারদের সহযোগিতার পাশাপাশি ব্যবসার সম্প্রসারণ ও ডাইভারফিকেশন-এর জন্যও কমোডিটি মার্কেট স্থাপনে ভূমিকা রাখতে হবে।
সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার, জেনারেল ম্যানেজার মো. মেজবাহ উদ্দিন, মো. মর্তুজা আলম এবং এজিএম ফয়সাল হুদা প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশ নেন। এ পর্যায়ে সিএসইর চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে মতবিনিময় সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
অর্থসংবাদ/কাফি
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ২৪ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (০১ মার্চ) কোম্পানিগুলোর মোট ৮২ লাখ ৯০ হাজার ৯৩৬টি শেয়ার ৪৩ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের ৪ কোটি ৬৯ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৭২ হাজার টাকার এবং তৃতীয় স্থানে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ ওয়েলডিং
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ওয়েলডিং ইলেক্ট্রোডস লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, রবিবার (০১ মার্চ) বাংলাদেশ ওয়েলডিং ইলেক্ট্রোডস লিমিটেডের শেয়ার দর ১ টাকা ৪ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের শেয়ারদর ৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো-ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস, এএফসি এগ্রো বায়োটেক, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, নাহি অ্যালুমিনিয়াম কোম্পোসাইট প্যানেল, রিং শাইন টেক্সটাইল লিমিটেড এবংএইচ আর টেক্সটাইল লিমিটেডের দরপতন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধির শীর্ষে শাইনপুকুর সিরামিক্স
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯ কোম্পানির মধ্যে ৩০টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে শাইনপুকুর সিরামিক্স পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (০১ মার্চ) ডিএসইতে সর্বোচ্চ শাইনপুকুর সিরামিক্স পিএলসির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ টাকা ৭ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইনফর্মেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৫ দশমিক ০৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ব্যাংক এশিয়া পিএলসি দর বেড়েছে ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- গ্রামীন ওয়ান ৩.২ শতাংশ, আইসিবি এমপ্লোয়ি প্রোভিডেন্ট মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান ২.০৮ শতাংশ, জি কিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ ১.৫৫ শতাংশ, খান ব্রাদাস্ পি.পি. ১.১ শতাংশ, সিটি ইন্সুরেন্স পিএলসি ১.০৫ শতাংশ এবং ফাইন ফুডস লিমিটেড ০.১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সপ্তাহের প্রথমদিনে লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (০১ মার্চ) সিটি ব্যাংক পিএলসি কোম্পানিটি ৩৯ কোটি ৬৭ লাখ ১৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল খান ব্রাদাস্ পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির ২৭ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ২৫ কোটি ৯৮ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো-রবি আজিয়াটা পিএলসি, ব্যাংক এশিয়া, ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি এবং ঢাকা ব্যাংক পিএলসি।
এমএন
পুঁজিবাজার
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সূচকের পতনে কমেছে লেনদেন
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৫৩ শেয়ারের দর কমেছে। অন্যদিকে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান আগের কার্যদিবসে তুলনায় সামান্য কমেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (০১ মার্চ) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ১৩৮ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৪৬১ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ২৬ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট কমে ১০৮৯ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৫২ দশমিক ০৮ পয়েন্ট কমে ২১১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৭৭৫ কোটি ৫৬ লাখ ৯৯ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৯৪৭ কোটি ২৮ লাখ ২৪ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩০টি কোম্পানির, বিপরীতে ৩৫৩ কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন




