ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
বিবৃবিতিদাতা ‘১০০১’ শিক্ষকের চাকরিচ্যুত করতে ১০ দিনের আল্টিমেটাম
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত খুনি শেখ হাসিনার পক্ষে অবস্থান নেওয়া দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০১ জন বিবৃতিদাতা শিক্ষককে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। আজ মঙ্গলবার (১৮নভেম্বর) বিকেলে চার ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে স্বৈরাচারী খুনি শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঐতিহাসিক রায়ের প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ সন্তোষ প্রকাশ করছে। এই রায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত রায় অনুযায়ী, খুনি হাসিনা ড্রোন ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের অবস্থান নির্ণয়, হেলিকপ্টার ও লেথাল উইপন ব্যবহার করে ছাত্র-জনতাকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অধীনস্থদের বাধা না দেওয়ার ফলেই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখাঁরপুলে ও আশুলিয়ায় আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যার মতো ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল। এই জঘন্য অপরাধের নির্দেশদাতা হিসেবে খুনি হাসিনাকে যে সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) প্রদান করা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে ন্যায়সঙ্গত এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মানবতাবিরোধী অপরাধী শেখ হাসিনার পক্ষে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষকবৃন্দ’ নাম ব্যবহার করে বিবৃতি দেওয়ার সংবাদটি জনগণকে স্তম্ভিত ও বিক্ষুব্ধ করেছে। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, এই বিবৃতিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০১ জন শিক্ষক স্বাক্ষরিত বলা হলেও বিবৃতির স্বাক্ষরে ৬৫৯ জন শিক্ষকের নাম রয়েছে। আদালত যাকে মানবতাবিরোধী অপরাধী হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সেই খুনির পক্ষে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এমন পক্ষ নেওয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের প্রতি সরাসরি অবজ্ঞা প্রদর্শন এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের প্রতি চরম অবমাননাকর।
এতে বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী খুনি হাসিনার পক্ষে দেওয়া এই বিবৃতিতে কিছু শিক্ষককে না জানিয়েই তাদের নাম বিবৃতির স্বাক্ষরে যুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে এই বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী শিক্ষকদের চিহ্নিত করার জন্য দ্রুত তদন্ত শুরু করতে হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত খুনির পক্ষে অবস্থান নেওয়া শিক্ষকদের আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।
‘সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি সম্মিলিত ছাত্র সংসদের আহ্বান, যে সকল শিক্ষক মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত খুনি হাসিনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তাদের সকল প্রকার ক্লাস ও পরীক্ষা বয়কট করুন। বিবেকহীন এসব শিক্ষকদের সামাজিক ও একাডেমিক সকল ক্ষেত্র থেকে প্রতিহত করুন। মানবতাবিরোধী অপরাধীর পক্ষ নেওয়া এই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা নিশ্চিতে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে সম্মিলিত ছাত্র সংসদ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।’
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন ড. মিজানুর রহমান আজহারি
আগামী ১৪ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) যাচ্ছেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও জনপ্রিয় বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি। রোববার (১১ জানুয়ারি) জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ড. মিজানুর রহমান আগামী ১৪ জানুয়ারি (বুধবার) সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘আধুনিক যুগে ইসলামিক লাইফস্টাইল’ শীর্ষক একটি সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে অংশ নেবেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রারসহ অনেকেই উপস্থিত থাকবেন।
জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম জানান, মিজানুর রহমান আজহারি বাংলাদেশের একজন খ্যাতিনামা ইসলামিক স্কলার এবং তিনি বাংলাদেশের তরুণ সমাজের কাছে একটি জনপ্রিয় মুখ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার কথা বিবেচনা করে বুদ্ধিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম—পাঠাশালার উদ্যোগে আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং তিনি আসবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
সেমিনারটিতে অংশগ্রহণের জন্য আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় শিগগিরই গুগল ফরমের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আজ, মানতে হবে ৫ নির্দেশনা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষা আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের সব জেলায় একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী। কেন্দ্রে প্রবেশসহ একাধিক বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
প্রবেশের সময়: পরীক্ষা বিকেল ৩টায় শুরু হলেও পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই অন্তত ১ ঘণ্টা আগে (দুপুর ২টার মধ্যে) কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরপর আর কোনো প্রার্থীকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
কান উন্মুক্ত রাখা: ব্লুটুথ বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্ত করতে এবার পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শর্ত দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের উভয় কান উন্মুক্ত রাখতে হবে। তল্লাশির সময় প্রয়োজনে টর্চলাইট দিয়ে কান পরীক্ষা করা হবে।
নিষিদ্ধ সামগ্রী: কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ, যেকোনো ধরনের ঘড়ি, পার্টস বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব সামগ্রী পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রঙিন প্রিন্ট করা প্রবেশপত্র ও মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক। উত্তরপত্র (ওএমআর) পূরণে অবশ্যই কালো কালির বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।
সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। নিয়োগের নামে কোনো অসাধু চক্রের সঙ্গে লেনদেন না করার জন্য প্রার্থীদের সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসু নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়েছে: ভিপি প্রার্থী রাকিব
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব। তিনি নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বলে অভিহিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাকিব বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রার্থী হিসেবে আমি হেরে গেলেও, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে বুক ফুলিয়ে বলতে পারি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জগন্নাথেও ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, এটাই আমার গর্ব।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করা। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।
এ সময় তিনি বিজয়ী প্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জকসু নির্বাচনে জয়ী সব প্রার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল থেকে ৫,৫৫৮ ভোট পেয়ে ভিপি নির্বাচিত হন রিয়াজুল ইসলাম। অন্যদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৪,৬৮৮ ভোট।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
‘স্থায়ী বহিষ্কার’ হচ্ছেন ঢাবির আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষক
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। অভিযুক্ত চার শিক্ষককেএক সপ্তাহের মধ্যেকারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ।
অভিযুক্ত চার শিক্ষক হলেন- অধ্যাপক জিনাত হুদা, অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক সাদেকা হালিম ও অধ্যাপক মশিউর রহমান।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএস পদে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১১ টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড . কানিজ ফাতিমা কাকলী ।
৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ৫৫৬৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করে। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কেএম রাকিব পেয়েছেন ৪৬৮৮ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮৮০ টি।
সাধারন সাধারন (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫৪৭০ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২২০৩ ভোট। ছাত্রদলের জিএস থেকে ৩২৬৭ ভোট বেশি পেয়েছে শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী।
এজিএস পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫০০২ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের এজিএস প্রার্থী বিএম আতিকুর তানজিল পেয়েছেন ৩৮৬৮ ভোট।
এমকে




