কর্পোরেট সংবাদ
ব্র্যাক ব্যাংকের মাসব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ শুরু
ব্র্যাক ব্যাংক সিরাজগঞ্জে সম্ভাবনাময় এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় পরিচালিত উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এ প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সহায়তায় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় ব্র্যাক ব্যাংক মাসব্যাপী এই নিবিড় প্রশিক্ষণ দেবে। জেলার ক্ষুদ্র, কুটির, অতি ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ব্যবসা আরও সম্প্রসারণ করতে সহায়তা করাই এ প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য।
‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (এসআইসিআইপি)’–এর আওতায় উদ্যোক্তাদের জন্য এই সক্ষমতা বৃদ্ধি কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়ন করা হবে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ৬ নভেম্বর ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি’-র দ্বিতীয় ব্যাচের প্রশিক্ষণ সিরাজগঞ্জের একটি হোটেলে উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বগুড়া অফিসের নির্বাহী পরিচালক মো. শাখাওয়াত হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই ও স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের যুগ্ম পরিচালক ও ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মো. আয়ুব আলী এবং সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সাইদুর রহমান বাচ্চু।
ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন- হেড অব স্মল বিজনেস (নর্থ) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস; হেড অব এসএমই বিজনেস সাপোর্ট মো. মহসিনুর রহমানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ব্র্যাক ব্যাংকের আয়োজনে এক মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন সিএমএসএমই উদ্যোক্তারা। প্রশিক্ষণে বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করবেন বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংকের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকরা। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করা হবে, যা তাঁদের ব্যবসা সম্প্রসারণ ও টেকসইতা অর্জনে সহায়ক হবে।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-এর অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। এটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের এসআইসিআইপি প্রকল্প এবং বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট।
উদ্যোক্তাবান্ধব ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক সবসময় নতুন উদ্যোক্তাদের সহজে অর্থায়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছে। পাশাপাশি ব্যবসা কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণও আয়োজন করে আসছে। দেশের তৃণমূল উদ্যোক্তা উন্নয়নে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গীকারের দৃঢ় প্রতিফলনই এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এটি উদ্যোক্তাদের ব্যবসা গড়ে তোলার ও সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা দক্ষতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রম উদ্বোধন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নতুন কলেবরে শুরু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর প্রধান অতিথি হিসেবে দেশের প্রথম ইসলামিক মোবাইল ব্যাংকিং ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আরিফ হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন। ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও ব্যাংকের সকল জোনপ্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ইসলামী ব্যাংকের একটি শক্তিশালী গ্রাহক ভিত্তি রয়েছে। ৩ কোটির অধিক গ্রাহক এ ব্যাংকের সাথে সম্পৃক্ত। ইসলামী ব্যাংকের ৪০০টি শাখা, ২৭১টি উপশাখা, প্রায় ২৮০০টি এজেন্ট আউটলেট-এর বৃহৎ নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে এমক্যাশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স প্রবাহেও এমক্যাশকে কাজে লাগাতে হবে। ক্যাশলেস সোসাইটি গঠনে এমক্যাশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, এমক্যাশকে শক্তিশালী করতে হলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন এবং গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করতে হবে। গ্রাহকদের প্রণোদনা ও ক্যাশব্যাক দিয়ে উৎসাহিত করতে হবে। এমক্যাশকে রিটেইল মার্কেট ও এসএমই সেক্টরে ফোকাস করে তাদেরকে কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনে অন্তুর্ভুক্ত করার চেষ্টা করতে হবে। ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটের পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেনের জন্য সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে। ডিজিটাল লেনদেন হলে দেশে দুর্নীতি কমে আসবে, ২ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনীতিতে স্বচ্ছলতা আসবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস-এর মার্কেটটা এককেন্দ্রিক না থেকে আরও প্রসারিত হোক। যা দেশের অর্থনীতি ও গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক।’ তিনি এমক্যাশের পুনর্যাত্রার সাফল্য কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ৩ কোটি গ্রাহক নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে। তিনি এমক্যাশ লেনদেনে সবাইকে উৎসাহিত করার আহবান জানান। তিনি এমক্যাশের রিব্র্যান্ডিংয়ে গভর্নর মহোদয়ের উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ জানান।
এমক্যাশের সুবিধাসমূহ:
প্রযুক্তি এবং আধুনিক ব্যাংকিংয়ের সমন্বয়ে ‘এমক্যাশ’ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে নিরাপদ, দ্রুত এবং সহজ করেছে। এমক্যাশ থেকে এমক্যাশ-এ সেন্ডমানির ক্ষেত্রে কোন ফি নেই এবং ক্যাশআউট চার্জ প্রতি হাজারে মাত্র ১৩.৯০ টাকা। ইসলামী ব্যাংকের যেকোন শাখা, উপ-শাখা ও এটিএম থেকে উত্তোলনের ক্ষেত্রে ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে মাত্র ৭ টাকা। বিদেশ থেকে রেমিট্যান্সের টাকা সরাসরি এমক্যাশে সরাসরি পাঠানো যায় যা সাথে সাথে জমা হয়ে যায়। রেমিট্যান্সের ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে মাত্র ৭ টাকা। যেকোন ভিসা/মাস্টারকার্ড থেকে হাজারে মাত্র ৫ টাকা খরচে অ্যাড মানি করা যায়।
এছাড়াও এমক্যাশের মাধ্যমে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিলসহ বিভিন্ন বিল ও মেট্রোরেলের র্যাপিড পাসের রিফিল করা যায়। এমক্যাশের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন ভাতা যেমন বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, শিক্ষা উপবৃত্তি ও বিধাব ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা গ্রহণ করা যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এমক্যাশের মাধ্যমে সরাসরি পৌঁছে দিচ্ছে। গ্রাহকরা দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এমক্যাশ এজেন্ট পয়েন্ট, ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা, উপ-শাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ব্যাংকের নিজস্ব এটিএম ও সিআরএম বুথ থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টাকা জমা ও উত্তোলন করতে পারছেন।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়
কঠোর অভিবাসন নীতি ও বাড়তি ভিসা প্রত্যাখ্যানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একাধিক ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, নতুন ভিসা নিয়মে উচ্চ প্রত্যাখ্যানের হার থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্পনসর লাইসেন্স ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এর ফলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা এড়াতে কিছু প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে শিক্ষার্থী নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত বা সীমিত করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নয়, বরং হোম অফিসের কঠোর কমপ্লায়েন্স ও নজরদারির কারণে এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে তারা। তবে শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জোগান দিয়ে থাকেন। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ভিসানীতির এই কঠোরতা দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাজ্যের বৈশ্বিক শিক্ষাগন্তব্য হিসেবে সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার বলছে, শিক্ষার্থী ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতেই এই সংস্কার। সরকারের দাবি, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হচ্ছে।
কর্পোরেট সংবাদ
দু’দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং কনফারেন্সের উদ্বোধন
সেন্ট্রাল শরী’আহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট এর উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং কনফারেন্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে এটি উদ্বোধন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, পিএইচডি, সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনী সেশনে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কবির হাসান ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিযাল ইনস্টিটিউশনস (আআওফি) এর বোর্ড অব গভরন্যান্স অ্যান্ড এথিকসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফররুখ রেজা।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ. এম. মোশাররফ হোসেন ও সেন্ট্রাল শরী’আহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশ এর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ বাকী আন-নাদভী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের শরীআহ অ্যাডভাইজরি বোডের্র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু বকর রফিক, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। এছাড়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্কলার মুফতি মুহাম্মদ ত¦কী উসমানী, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনসের (আআওফি) সেক্রেটারি জেনারেল ওমর মোস্থফা আনসারি ভিডিও বার্তা প্রদান করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সম্মেলনের কনভেনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক ড. মো. সাকিদুল ইসলাম।
সম্মেলনের প্রথম দিনে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক স্কলারদের একাধিক কী-নোট সেশন অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি “বাংলাদেশে ইসলামী ফাইন্যান্স শিক্ষা” শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনায় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন, গবেষণা ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
“টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ইসলামিক ফাইন্যান্স” এই প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে ব্যাংক নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ইসলামিক ফাইন্যান্স পেশাজীবী, শরী’আহ বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টা, নীতিনির্ধারক, আর্থিক উদ্ভাবক এবং দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা গবেষক ও শিক্ষাবিদরা অংশগ্রহণ করেছেন।
সম্মেলনের ২য় দিনে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
কর্পোরেট সংবাদ
এনআরবিসি ব্যাংকে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন
ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়ে উদযাপন করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে নববর্ষ উপলক্ষে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া।
এসময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিওও মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খানসহ বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া বলেন, ২০২৫ সালে ব্যাংকের আমানত, ঋণ, খেলাপী ঋণ আদায়, ট্রেজারী কার্যক্রম ও রেমিটেন্স অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত বছরে ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাংক তার নিজস্ব উদ্যোগে ফরেনসিক অডিটসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছে।
এ বছর ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প খাতে অর্থায়নকে আরও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে যা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে, উদ্যোক্তা উন্নয়নে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন মাইলফলক অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, নতুন বছরে নতুন উদ্যোমে সুযোগ ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আরও ভালো ফলাফল বয়ে আনবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
সড়কের পাশে উদ্ধার হওয়া শিশুটির পাশে দাঁড়াল ‘স্বপ্ন’
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় সড়কের পাশ থেকে দুই শিশুকে উদ্ধারের ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উদ্ধার হওয়া শিশু দুটিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যান। তবে দুঃখজনকভাবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই বছর বয়সী ছেলেশিশু মোরশেদ সম্প্রতি মারা যায়।
ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে বাংলাদেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন ‘স্বপ্ন’-এর। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে স্বপ্ন’র পক্ষ থেকে আনোয়ারা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তারের কাছে এক লাখ টাকার একটি নগদ চেক হস্তান্তর করা হয়।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্ন’র ডেপুটি ডিরেক্টর (ক্যাটাগরি, গ্রোথ ও ইএসজি) মো. মাহাদী ফয়সাল, জেনারেল ম্যানেজার (কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স) মুহাম্মদ তামিম খান, উদ্ধার হওয়া চার বছর বয়সী শিশুকন্যা আয়েশা আক্তার এবং সেই সিএনজি চালক তানিম, যিনি প্রথম শিশু দুটিকে অসহায় অবস্থায় সড়কের পাশে দেখতে পান।
উল্লেখ্য, রোববার সন্ধ্যায় আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের মাজারগেট এলাকায় কনকনে শীতের মধ্যে সড়কের পাশে বসে থাকা অবস্থায় স্থানীয় এক সিএনজি চালক শিশু দুটিকে উদ্ধার করেন। শিশুদের ভাষ্যমতে, এক আত্মীয় তাদের সেখানে রেখে চলে যান।
মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে ‘স্বপ্ন’ সবসময় অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে আসছে। এই ঘটনাতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
এমকে




