জাতীয়
১৩ নভেম্বর সারাদেশে খোলা থাকবে দোকান ও শপিংমল: মালিক সমিতি
আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা সহ বাংলাদেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল যথারীতি খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।
বুধবার (১২ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় আগামী ১৩ নভেম্বর ঢাকাসহ বাংলাদেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল যথারীতি খোলা থাকবে।
এদিকে, ১৩ নভেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সারাদেশে লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এরপর থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক বাস ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। এসব ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জনমনে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দুর্বৃত্তরা যেভাবে নাশকতা চালাচ্ছে, তাতে রাস্তায় চলাচল করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। যে কোনো সময় ককটেল এসে শরীরে লাগতে পারে। এছাড়া পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করাছে কিনা, তা নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কেউ কেউ বলছেন, সম্ভবত প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আওয়ামী লীগ মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেরকমটা হলে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটা নিয়ে আতঙ্কিত মূলত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি ঘিরে জনমনে ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে।
তবে রাজধানীতে শঙ্কার কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। গত কয়েক দিনে রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ঝটিকা মিছিলের সঙ্গে জড়িত ৫৫২ জন গ্রেফতার করেছে ডিএমপি। তবে গ্রেফতারদের অধিকাংশই রাজধানীর বাইরে থেকে আসা। হেলমেট ও মাস্ক পরে হামলা চালানো হচ্ছে। এসব কাজে অপ্রাপ্ত বয়স্কদেরও ব্যবহার করা হচ্ছে।
অপরিচিত কাউকে আশ্রয় না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে রাজধানীবাসীর উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নিজের যানবাহন অন্য কাউকে দেয়ার আগে ও আগন্তুক কাউকে সন্দেহ হলে পুলিশকে জানাবেন। অরক্ষিত বাসেই বেশি আগুন দেয়া হয়েছে। কম প্যাসেঞ্জারবাহী বাসে আগুন দেয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় নাশকতাকারীদের দমনে জনগণের সহযোগিতা চাই। নাশকতাকারীদের প্রতিহত করবে ঢাকাবাসী।
এ বিষয়ে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলমও। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ১৩ নভেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লকডাউন নিয়ে সতর্ক আছে সরকার, আশঙ্কার কারণ নেই। কোনো ধরনের সন্ত্রাস সহ্য করা হবে না। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাবেন।
লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীসহ সারা দেশে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে শুরু হয়েছে সাঁড়াশি অভিযান বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল। বিজিবি বলছে, আগামীকালকে ঘিরে ডাকা লকডাউন কর্মসূচিতে কেউ যাতে কোন নাশকতা করতে না পারে তার প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি কেউ নাশকতা করার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
আর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে ঢাকার রাজপথে কর্মসূচি কঠোরভাবে দমন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এটা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর নয়, এটা জুলাই, চিরকালের জন্য।’
জাতীয়
নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ ছড়ানোদের নজরদারিতে রেখেছে সরকার: প্রেস সচিব
নির্বাচনের বিষয়ে যারা এখনও সন্দেহ ও সংশয় ছড়াচ্ছেন, তাদের সরকার নজরদারিতে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শফিকুল আলম বলেন, দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তিনটি ইভেন্ট হাদির জানাজা, তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং খালেদা জিয়ার জানাজা কোনও ঝামেলা ছাড়া সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে সরকারের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তাই নির্বাচনের বিষয়ে ভিত্তিহীন সন্দেহ ছড়ানো অর্থহীন।
তিনি বলেন, পোস্টাল ব্যালটে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া গেছে। অনলাইনের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৩ জন নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে দেশের ভেতর থেকে ৭ লাখ মানুষ নির্বাচনে সরাসরি ভোট দিতে পারবেন না, কারণ তারা বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রেস সচিব বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো প্রচারণা চালানো হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ। যারা দায়িত্ব পালন করবেন তাদের ৭০ শতাংশের প্রশিক্ষণ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।
জাতীয়
ডিএমপি কমিশনারের নামে ভুয়া বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তা বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে উদ্ধৃতি করে কিছু গণমাধ্যম ভিত্তিহীন ও অসত্য তথ্য প্রকাশ করেছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এ বিষয়ে কোনো গণমাধ্যমকে এমন বক্তব্য দেননি বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য জানান।
মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তা সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীকে উদ্ধৃতি করে কিছু গণমাধ্যম ভিত্তিহীন ও অসত্য তথ্য প্রকাশ করেছে, যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে ডিএমপি কমিশনার ৬ জানুয়ারি কোনো গণমাধ্যমকে এই ধরনের কোনো বক্তব্য প্রদান করেননি। অতএব, ডিএমপি কমিশনারকে উদ্ধৃতি করে প্রচারিত বক্তব্যটি সম্পূর্ণ মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ ধরনের সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বসাধারণকে বিনীত অনুরোধ করা হলো।
জাতীয়
জুলাই সনদ দেশের জন্য ১০০ বছরের রোডম্যাপ: প্রেস সচিব
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশে একটি জাতীয় গণভোট আয়োজন করা হচ্ছে। এ জুলাই সনদকে দেশের জন্য ১০০ বছরের একটি রোডম্যাপ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, গণভোট সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরির জন্য- বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সরকার বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে। সরকারের বহুমুখী কৌশলের এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম জানান, দেশের প্রায় চার লাখ মসজিদ, পাশাপাশি মন্দির ও গির্জার মাধ্যমে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্পৃক্ত করে সাধারণ মানুষের কাছে গণভোট ও জুলাই সনদের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, একসময় দেশে সাক্ষরতার হার কম থাকলেও বর্তমানে তা প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপের মতো প্রত্যন্ত এলাকাতেও ইউটিউব ও টিকটকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক ব্যবহার সচেতনতা কার্যক্রমে কাজে লাগাচ্ছে সরকার।
প্রেস সচিব বলেন, গণভোটের বার্তা আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ প্রচার কাফেলার সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০টিতে উন্নীত করা হচ্ছে। এসব কাফেলা দেশের ৪৯৫টি উপজেলা জুড়ে প্রচার চালাবে, যাতে একজন নাগরিকও তথ্যের বাইরে না থাকেন।
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম- এ দুই ধারার সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে গণভোট প্রচার করা হচ্ছে। এভাবে প্রচারের সরকারি কৌশলের উদ্দেশ্য একটাই- দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে সবচেয়ে সংযুক্ত ডিজিটাল পরিসর পর্যন্ত সর্বত্র জুলাই সনদের বার্তা দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করা।
জাতীয়
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সুপারিশপ্রাপ্তদের সনদ জমা দেওয়ার নির্দেশ
৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মুক্তিযোদ্ধা সনদ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২১ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন থেকে সাময়িকভাবে (প্রোভিশনালি) প্রকাশিত ফলাফলে যেসব প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন করে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন সেসব প্রার্থীকে মুক্তিযোদ্ধা সনদ যাচাইয়ের জন্য ছক পূরণ করে সংশ্লিষ্ট সনদ বা রেকর্ডপত্রসহ আগামী ১২ জানুয়ারির মধ্যে আবশ্যিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ শাখায় ডাকযোগে বা সরাসরি পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।
১২ নভেম্বর ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার পরিবর্ধিত সম্পূরক ফল প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে ১ হাজার ৭১০টি পদের বিপরীতে ১ হাজার ৬৭৬ জনকে চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়।
জাতীয়
উৎপাদন খরচ কমলে মাংসের দামও কমে যাবে: মৎস্য উপদেষ্টা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ‘৪ এফ মডেলের রেপ্লিকা মডেল দিয়ে ঘাস থেকে শুরু করে বায়ু ফুয়েল এবং জৈবসার তৈরির যে প্রক্রিয়া, সেটি খুব কম খরচে ক্ষুদ্র খামারি পর্যায়েও করা যাবে। উৎপাদন খরচ কমে গেলে নিশ্চয় মাংসের দামও কমে যাবে এবং মাংসের সরবরাহ বাড়াতে পারব।’
সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআইতে) ‘৪ এফ মডেল’-এর রেপ্লিকা উদ্বোধন ও সেমিনার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘আমি সব সময় ক্ষুদ্র খামারিদের কথা চিন্তা করি এবং মূল্যায়ন করি। আমার কাছে এটি খুব সম্ভাবনাময় মডেল মনে হচ্ছে এবং এটা আমাদের আমিষের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। আমাদের প্রথম চেষ্টাই হলো উৎপাদনে খরচ কমানো। কারণ উৎপাদনে খরচ কমানো না গেলে পণ্যের দামটাও কমবে না। তাই বিদেশি জাত দিয়ে নিয়ে আমাদের দেশীয় জাতকে আরো বেশিসংখ্যক পালনের মাধ্যমে মাংসের উৎপাদন বাড়াতে পারলে দাম কমানো যাবে।
বর্তমান সরকারের সফলতার বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রথমত নতুনভাবে নতুন ধরনের কাজ করে এবং নানা ধরনের মানুষকে সম্পৃক্ত করে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে এবং নতুন চিন্তা করছে, এটাই আমাদের সরকারের সফলতা।
উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভিন্নভাবে আমাদের যেসব সমস্যা সামনে এসেছে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতের জন্য আমরা অনেকগুলো নীতি পরিবর্তন করে দিচ্ছি, যা পরবর্তীতে যে সরকারই আসুক তাদের রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এগুলো কাজে আসবে।
এর আগে তিনি বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়িত “আইওটি বেইজড ৪ এফ মডেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের খরা-প্রবণ ও উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই জলবায়ু সহিষ্ণু প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সেমিনার ও ‘৪ এফ মডেল’-এর রেপ্লিকা উদ্বোধন করেন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) গাজী মো. ওয়ালি-উল-হক। বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান।
সেমিনারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রাণী ও পোলট্রি উৎপাদন এবং খামার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত বিশেষজ্ঞ, খামারি, উদ্যোক্তা ও সংগঠনের প্রতিনিধি, বিএলআরআইয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ‘৪ এফ মডেলের রেপ্লিকা মডেল দিয়ে ঘাস থেকে শুরু করে বায়ু ফুয়েল এবং জৈবসার তৈরির যে প্রক্রিয়া, সেটি খুব কম খরচে ক্ষুদ্র খামারি পর্যায়েও করা যাবে। উৎপাদন খরচ কমে গেলে নিশ্চয় মাংসের দামও কমে যাবে এবং মাংসের সরবরাহ বাড়াতে পারব।’
সোমবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআইতে) ‘৪ এফ মডেল’-এর রেপ্লিকা উদ্বোধন ও সেমিনার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘আমি সব সময় ক্ষুদ্র খামারিদের কথা চিন্তা করি এবং মূল্যায়ন করি। আমার কাছে এটি খুব সম্ভাবনাময় মডেল মনে হচ্ছে এবং এটা আমাদের আমিষের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। আমাদের প্রথম চেষ্টাই হলো উৎপাদনে খরচ কমানো। কারণ উৎপাদনে খরচ কমানো না গেলে পণ্যের দামটাও কমবে না। তাই বিদেশি জাত দিয়ে নিয়ে আমাদের দেশীয় জাতকে আরো বেশিসংখ্যক পালনের মাধ্যমে মাংসের উৎপাদন বাড়াতে পারলে দাম কমানো যাবে।
বর্তমান সরকারের সফলতার বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রথমত নতুনভাবে নতুন ধরনের কাজ করে এবং নানা ধরনের মানুষকে সম্পৃক্ত করে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে এবং নতুন চিন্তা করছে, এটাই আমাদের সরকারের সফলতা।
উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভিন্নভাবে আমাদের যেসব সমস্যা সামনে এসেছে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতের জন্য আমরা অনেকগুলো নীতি পরিবর্তন করে দিচ্ছি, যা পরবর্তীতে যে সরকারই আসুক তাদের রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এগুলো কাজে আসবে।
এর আগে তিনি বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়িত “আইওটি বেইজড ৪ এফ মডেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের খরা-প্রবণ ও উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই জলবায়ু সহিষ্ণু প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সেমিনার ও ‘৪ এফ মডেল’-এর রেপ্লিকা উদ্বোধন করেন।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) গাজী মো. ওয়ালি-উল-হক। বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান।
সেমিনারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রাণী ও পোলট্রি উৎপাদন এবং খামার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত বিশেষজ্ঞ, খামারি, উদ্যোক্তা ও সংগঠনের প্রতিনিধি, বিএলআরআইয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।




