অর্থনীতি
এলপি গ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা দুপুরে
চলতি বছরের নভেম্বর মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়বে নাকি কমবে, তা জানা যাবে রোববার (২ নভেম্বর)। এদিন এক মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সৌদি আরামকো ঘোষিত নভেম্বর (২০২৫) মাসের সৌদি সিপি অনুযায়ী এই মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নির্দেশনা রোববার বিকেল ৩টায় ঘোষণা করা হবে।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
আজ এলপিজির পাশাপাশি ঘোষণা করা হবে অটোগ্যাসের দামও।
গত ৭ অক্টোবর সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ১ টাকা ৩৮ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৫৬ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
২০২৪ সালে ৪ দফা কমেছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম, আর বেড়েছে ৭ দফা। এ দফা ছিল অপরিবর্তিত। গত বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর বাড়ানো হয়েছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম। আর দাম কমেছিল এপ্রিল, মে, জুন ও নভেম্বরে। তবে দাম অপরিবর্তিত ছিল ডিসেম্বরে।
অর্থনীতি
৩৬ দিনে ২৪ দফা দাম পরিবর্তন, আজ সোনার ভরি কত?
বছরের শুরু থেকেই চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে সোনার বাজারে। বিশ্ববাজারের উত্থান-পতনের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে গিয়ে দেশের বাজারে ইদানিং ১২ ঘণ্টাও টিকছে না নির্ধারিত দাম; উত্থান-পতন চলছে দিনে রাতে। এমনকি ৫ ঘণ্টার ব্যবধানেও সোনার দামে পরিবর্তন হতে দেখা গেছে। ফলশ্রুতিতে, বছরের প্রথম ৩৬ দিনেই ২৪ দফা সোনার দাম পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনকে (বাজুস)।
সোনার দামের অস্থির উত্থান-পতনের এ খেলায় অবশ্য হঠাৎ একটু স্থিরতার দেখা মিলেছে গতকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি)। আগের দিন মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুই দফায় বড় দুই লাফের পর এখন পর্যন্ত নতুন করে আর দাম পরিবর্তন করেনি বাজুস। ওইদিন সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়ানোর পর বিকেলে আবার ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। এতে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।
বুধবার কার্যকর হওয়া এ রেটেই আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনা।
বাজুসের সবশেষ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন পড়ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুই দফায় কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১ হাজার ৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ওইদিন ৫ ঘণ্টার ব্যাবধানে দুইবার পরিবর্তন হয়েছিল সোনার দাম।
সব মিলিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৪ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৬ দফা; কমানো হয়েছে ৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল সোনার দাম; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
এমএন
অর্থনীতি
আরও ১৭ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক
দুই দিনের ব্যবধানে দেশের ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ (১৭১ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ক্রয় করা এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। ডলার কেনার ক্ষেত্রে কাট-অফ হারও ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সূত্র মতে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত আরও ২১ কোটি ৮৫ লাখ (২১৮.৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এর ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন বা ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
একই দরে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৫ কোটি ৫০ লাখ (৫৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ২০ জানুয়ারি দুই বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি ১০ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, ৬ জানুয়ারি ১৪টি ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আজ আমরা ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১২২.৩০ টাকা কাট-অফ রেটে মোট ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করেছি। এর ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয় দাঁড়াল ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এমএন
অর্থনীতি
২ লাখ ১০ হাজার টন সার কিনছে সরকার
মরক্কো, সৌদি আরব ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ২ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৮০ হাজার টন ডিএপি সার, ৭০ হাজার টন ইউরিয়া এবং ৬০ হাজার টন টিএসপি সার রয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৩৭০ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭৫ টাকা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সূত্র মতে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মরক্কো থেকে এই সার আনতে ব্যয় হবে ৩১৯ কোটি ৫১ লাখ ৮ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৬৫১ মার্কিন ডলার।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে মরক্কোর এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সার আনতে ব্যয় হবে ১৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৫০১ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।
মরক্কোর এই প্রতিষ্ঠান থেকে আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার কেনার প্রস্তাব নিয়ে আসে কৃষি মন্ত্রণালয়। এটিও অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এই সার আনতে ব্যয় হবে ১৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৫০১ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।
এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌদি আরবের মা’আদেন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিএডিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালের প্রথম লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। সৌদি আরব থেকে এই সার আনতে ব্যয় হবে ৩২৩ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৬৬০ মার্কিন ডলার।
এদিকে বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি- নিউট্রিনেটস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সার আনতে ব্যয় হবে ২০৫ কোটি ৩১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৪০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৪১৮ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশ-এর কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কাফকো থেকে এই সার কিনতে ব্যয় হবে ১৫৩ কোটি ৮ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৫ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৪১৫ দশমিক ৮৭৫ মার্কিন ডলার।
এমএন
অর্থনীতি
পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে উৎসে কর থাকছে ৫ শতাংশই
পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর উৎসে কর ১০ শতাংশ নয় বরং ৫ শতাংশ কর কাটা হবে, এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর আগের মতোই কোনো উৎসে কর দিতে হবে না।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এনবিআরের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।
এনবিআরের চিঠিতে বলা হয়, ২০১৯ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ যদি পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম না করে, তবে সেই বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর উৎসে কর কাটার হার হবে ৫ শতাংশ।
পেনশনার সঞ্চয়পত্রে কর ছাড়
চিঠিতে পেনশনার সঞ্চয়পত্রের বিষয়ে বিশেষভাবে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তির কোনো নির্দিষ্ট আয়বর্ষে শুধুমাত্র পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ যদি পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম না করে, তবে তার অর্জিত মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে শূন্য শতাংশ। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে কোনো কর দিতে হবে না।
বিভ্রান্তি দূর করতে স্পষ্টীকরণ
সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিলেন যে, অনেক ক্ষেত্রে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের সুদের ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ দেখা দিলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। মূলত এই বিভ্রান্তি দূর করতেই মঙ্গলবার এনবিআর এই স্পষ্টীকরণ আদেশ জারি করল।
৫ লাখের বেশি বিনিয়োগে কর ১০ শতাংশ
আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ১০৫-এর বরাত দিয়ে এনবিআর জানায়, কোনো ব্যক্তির যদি কোনো একটি আয়বর্ষে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম করে, তবে অর্জিত মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর প্রযোজ্য হবে।
বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো— পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। এর মধ্যে পরিবার সঞ্চয়পত্র শুধু নারীদের জন্য সংরক্ষিত হলেও বাকি তিনটি সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও বিনিয়োগ করতে পারে।
এমএন
অর্থনীতি
নতুন ১০ টাকার নোটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দৃশ্যপট
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে বাজারে আনল বাংলাদেশ ব্যাংক।
নতুন নকশায় স্থান পেয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের দৃশ্যপট; আছে পুরনো নোটের বায়তুল মোকাররম মসজিদের ছবিও।
পুরনো নোটে জাতীয় মসজিদের ছবি পেছনে থাকলেও নতুন নোটে তা সম্মুখভাগে রাখা হয়েছে। মাঝখানে লেখার পৃষ্ঠে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত শাপলার ছবি বসানো আছে। আর নোটের পেছনে আছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ নকশায় ছাপানো হয়েছে নতুন ১০ টাকার নোট।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বঙ্গবন্ধুর ছবি বাদ দিয়ে নতুন নকশায় ১০০০, ৫০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকা মূল্যমানের নোট বাজারে আসে গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে। এর ধারাবাহিকতায় গভর্নর আহসান হাবিব মনসুরের স্বাক্ষরে নতুন নকশার ১০ টাকার নোট এল।
এই নোটের নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, জলছাপ হিসেবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, এর নিচে উজ্জ্বল ইলেক্ট্রোটাইপ জলছাপে ‘10’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম রয়েছে। নোটটিতে রয়েছে গোলাপি রঙের আধিক্য।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোটের সম্মুখভাগে বামপাশে ২ মিমি চওড়া নিরাপত্তা সুতা সংযোজন করা হয়েছে, যাতে খচিত রয়েছে ‘১০ দশ টাকা’ লেখা, যা আলোর বিপরীতে ধরলে চোখে পড়বে।
তাছাড়া নোটটি নাড়াচাড়া করলে নিরাপত্তা সুতার রং লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হয়। গভর্নরের সইয়ের ডানপাশে একটি প্যাটার্ন মুদ্রিত রয়েছে, যা আলোর বিপরীতে ধরলে ‘১০’ লেখা দৃশ্যমান হবে।
এছাড়া নোটের সম্মুখভাগের উপরে বাংলাদেশ ব্যাংক লেখার নিচে সমান্তরালভাবে এবং পেছনভাগের বামদিকের গ্লিউইশ প্যাটার্নের বাইরের অংশে ‘BANGLADESH BANK’ মুদ্রিত রয়েছে।
নতুন নকশা ও বৈশিষ্ট্যের ১০ টাকার নোটের পাশাপাশি বাজারে প্রচলিত কাগুজে সব নোট ও ধাতব মুদ্রা চালু থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমএন



