Connect with us

টেলিকম ও প্রযুক্তি

ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে শরীরের যেসব ক্ষতি হয়

Published

on

ডিএসই

আজকাল অনেকেই অফিস, ক্লাস বা ব্যক্তিগত কাজের জন্য প্রতিদিন দীর্ঘসময় ধরে ল্যাপটপ ব্যবহার করেন। তবে আপনি জানেন কি, ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে শুধু যন্ত্রপাতির নয়, আপনার শরীরেরও বেশকিছু ক্ষতি হতে পারে?

চলুন জেনে নিই, ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে শরীরে কী ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং কীভাবে নিরাপদ থাকা যায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শরীরের যেসব ক্ষতি হতে পারে

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

– ত্বকে ফুসকুড়ি বা দাগ

– গরম ল্যাপটপ কোলে রেখে ব্যবহারে ত্বকে লালচে দাগ বা ফুসকুড়ি হতে পারে। একে Toasted Skin Syndrome বলা হয়।

– পায়ের চামড়া পুড়ে যেতে পারে

– অতিরিক্ত তাপ থেকে চামড়ায় জ্বালা বা সাময়িক পোড়াভাবও দেখা দিতে পারে।

– মেরুদণ্ড, ঘাড় ও পিঠে ব্যথা

– সোফায় বা বিছানায় কাত হয়ে ল্যাপটপ ব্যবহার করলে শারীরিক ভঙ্গি খারাপ হয়, ফলে ঘাড় ও কোমরের ব্যথা দেখা দেয়।

– পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রজননক্ষমতা হ্রাসের ঝুঁকি (গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘসময় কোলে গরম ল্যাপটপ রাখলে স্পার্ম কাউন্টে প্রভাব পড়তে পারে।)

কীভাবে নিরাপদ থাকবেন

– ল্যাপটপ সবসময় টেবিলে ব্যবহার করুন

– সম্ভব হলে একটি ছোট ল্যাপটপ ডেস্ক বা কুলিং টেবিল ব্যবহার করুন।

– তাপরোধী কুশন ব্যবহার করুন

– কোলে রাখলে নিচে একটি কুশন বা তাপনিরোধক প্যাড রাখুন।

– কুলিং প্যাড ব্যবহার করুন

– অতিরিক্ত তাপ নিয়ন্ত্রণে কুলিং প্যাড অনেক উপকারী।

– শীতলকরণ ব্যবস্থা পরিষ্কার রাখুন

– ল্যাপটপের ভেন্ট বা ফ্যানের ছিদ্রগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করুন যেন বাতাস চলাচলে বাধা না হয়।

– অতিরিক্ত চার্জে ল্যাপটপ চালাবেন না

– প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চার্জ দিয়ে ল্যাপটপ চালালে ব্যাটারি গরম হয়ে যায়।

– অতিরিক্ত গরম হলে বন্ধ করে দিন কিছুক্ষণ

– ল্যাপটপ খুব বেশি গরম হয়ে গেলে একটু বিরতি নিন।

মনে রাখবেন, ল্যাপটপের যত্ন যেমন জরুরি, তেমনি আপনার নিজের স্বাস্থ্যও। তাই ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন। শরীরের আরাম ও ল্যাপটপের আয়ু—দুটোই বাড়বে সঠিক ব্যবহার ও সচেতনতায়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শেয়ার করুন:-

টেলিকম ও প্রযুক্তি

এনইআইআরের মাধ্যমে অবৈধ-নকল মুঠোফোন নিয়ন্ত্রণ চান উৎপাদনকারীরা

Published

on

ডিএসই

দেশে স্মার্টফোনের অবৈধ বাজার বা ‘গ্রে মার্কেট’-এর কারণে সরকার প্রতি বছর আনুমানিক ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মোবাইল ফোন উৎপাদনকারীরা। এই বিশাল ক্ষতি রোধে এবং বিকাশমান দেশীয় মোবাইল শিল্প রক্ষায় অবিলম্বে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বা মোবাইল ফোন নিবন্ধন ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘এনইআইআর-এর মাধ্যমে নিরাপদ বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমআইওবি) এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ও এমআইওবির নির্বাহী সদস্য জিয়াউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রবেশ করা স্মার্টফোনের প্রায় ২০ শতাংশই অবৈধ পথে বা গ্রে মার্কেটের মাধ্যমে আসছে। এর ফলে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসায়িক লেনদেন আনুষ্ঠানিক খাতের বাইরে থেকে যাচ্ছে, যা সরকারকে বিপুল পরিমাণ কর ও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, ৩০ হাজার টাকার বেশি দামের ফোনের অফিশিয়াল বিক্রি কার্যত থমকে গেছে। দেশে উৎপাদন সক্ষমতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও ৪৩ শতাংশ কর ফাঁকি দেওয়া গ্রে মার্কেটের পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব হচ্ছে না। এনইআইআর বাস্তবায়ন হলে স্থানীয় উৎপাদন বাড়বে এবং ফোনের দামও সাধারণের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।

অবৈধ ফোন বন্ধ হলে হাজার হাজার ব্যবসায়ী পথে বসবেন—সম্প্রতি মোবাইল ব্যবসায়ীদের একাংশের এমন দাবির জবাবে জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় (ইনসাইট মেট্রিক্স লিমিটেড পরিচালিত) দেখা গেছে, বাংলাদেশে স্মার্টফোন বিক্রির খুচরা দোকান রয়েছে প্রায় ১৩ হাজার। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ দোকানই বৈধ ও অফিশিয়াল পণ্য বিক্রি করে। মাত্র ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ দোকান একচেটিয়াভাবে ব্যবহৃত বা অননুমোদিত ফোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাই ২০ হাজার দোকান বন্ধ বা ২০ লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবিটি বানোয়াট এবং জনসমর্থন আদায়ের কৌশল মাত্র।’

সরকারের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যকে সমর্থন জানিয়েও আসন্ন বাজেটে স্মার্টফোনের ওপর বিদ্যমান ৪৩ শতাংশ কর পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান জিয়াউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘স্মার্টফোনকে কেবল একবার কর আদায়ের বিলাসদ্রব্য হিসেবে দেখা ঠিক নয়। এটি এমএফএস, ডেটা ব্যবহার এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বারবার রাজস্ব আয়ের একটি মাধ্যম। স্মার্টফোন সহজলভ্য হলে দেশের ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে এমআইওবির সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, ‘অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে যে আমরা কেবল বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ এনে জোড়া দিই বা “প্যাচ আপ” করি। আমাদের সদস্যরা এখন সাধারণ সংযোজন থেকে সরে এসে এসএমটি (সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি) এবং পিসিবিএ (প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অ্যাসেম্বলি)-এর মতো উন্নত উৎপাদন ধাপে চলে গেছেন।’

তিনি জানান, বর্তমানে স্থানীয় উৎপাদনে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজন (ভ্যালু অ্যাডিশন) হচ্ছে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর সমপর্যায়ের। এনইআইআর-এর মাধ্যমে একটি সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে উচ্চমূল্যের ফোনগুলোও দেশে উৎপাদনের মাধ্যমে কম দামে গ্রাহকের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বড় সুখবর দিলেন ইলন মাস্ক

Published

on

ডিএসই

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট বানানো ক্রিয়েটরদের বড় সুখবর শুনিয়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্স এর মালিক ইলন মাস্ক। তার নিয়ন্ত্রণে থাকা এক্স (সাবেক টুইটার) প্লাটফর্মে ক্রিয়েটরদের পারিশ্রমিক বাড়াতে যাচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেটি ইউটিউবের চেয়ে বেশি হতে পারে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মাস্ক একটি প্রস্তাবে সাড়া দেন, যেখানে বলা হয়েছিল—এক্সের উচিত প্রচলিত প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে ক্রিয়েটরদের টানতে আরও বেশি আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া। মাস্ক অমন এক টুইটের জবাবে লেখেন, ‘ঠিক আছে, চলুন এটা করি।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মাস্ক জানিয়েছেন, সঠিক নিয়ম ও স্বচ্ছ মানিটাইজেশন ব্যবস্থা কার্যকর করা গেলে ক্রিয়েটরদের পেমেন্ট উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। এক্স-এর প্রোডাক্ট হেড নিকিতা বিয়েরকে বিষয়টি দেখার নির্দেশও দিয়েছেন। তিনি নিকিতাকে জানান, ‘সিস্টেমে কোনো ধরনের গেমিং যেন কঠোরভাবে দমন করা হয়।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মাস্কের উদ্বেগের জবাবে নিকিতা জানান, সমাধান ইতোমধ্যেই তৈরির পথে। তিনি লেখেন, ‘কাজ চলছে। এক্স টিম এমন একটি ‘নতুন পদ্ধতি’ তৈরি করেছে যা ৯৯% প্রতারণা দূর করতে পারবে। অর্থাৎ নতুন সিস্টেমে কেবল প্রকৃত ও উচ্চমানের এনগেজমেন্টই পুরস্কৃত হবে।

মাস্ক জানিয়েছেন, শুধুমাত্র প্রকৃত ভিউ, আসল দর্শক এবং উচ্চ গুণমান সম্পন্ন কনটেন্টের উপর ভিত্তি করেই আয় নির্ধারিত হবে। এই শর্ত পূরণ হলে এক্স-এ ক্রিয়েটরদের আয় ইউটিউবের থেকেও বেশি হতে পারে বলে দাবি তার।

এর ফলে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য একাধিক সুবিধা তৈরি হতে পারে। এখন দেখার বিষয়, এক্স কবে এবং কীভাবে এই প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দেয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

১ জানুয়ারি থেকে বন্ধ হচ্ছে যেসব সিম কার্ড

Published

on

ডিএসই

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিম ব্যবহারে আরও কঠোর হচ্ছে সরকার। এক ব্যক্তির নামে থাকা মোবাইল সিম কার্ডের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ পাঁচটি নতুন সিম নিবন্ধন করতে পারবেন। বর্তমানে যাদের নামে ছয় থেকে ১০টি সিম রয়েছে, সেগুলোর সংখ্যাও ধাপে ধাপে কমিয়ে পাঁচে নামিয়ে আনা হবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে আগের মতোই আপত্তি জানিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটররা। তবে অনিয়ম ও অপব্যবহার রোধে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিকে সিম ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন নবম। এ তালিকায় বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো দেশ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিটিআরসির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, রাস্তাঘাটে সিম কেনার সময় কিছু অসাধু বিক্রেতা গ্রাহকের অজান্তেই বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ করছে। এসব তথ্য ব্যবহার করে অবৈধভাবে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করা হচ্ছে। পর্যালোচনায় আরও উঠে এসেছে, অনেক ক্ষেত্রে একজন গ্রাহক এক দিনেই দুইটির বেশি সিম কিনছেন, যা স্বাভাবিক নয় বলে মনে করছে সংস্থাটি।

বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবরে দেশে মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৮ কোটি ৫৯ লাখ, রবির ৫ কোটি ৭৫ লাখ, বাংলালিংকের ৩ কোটি ৭৯ লাখ এবং টেলিটকের গ্রাহক ৬৬ লাখ ৭০ হাজার।

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে দেশে সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৯৯ লাখ। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ছিল ১৮ কোটি ৯৬ লাখ, ২০২২ সালে ১৮ কোটি ১৬ লাখ এবং ২০২১ সালে ১৮ কোটি ১৩ লাখ। গত এক দশকে দেশে সিম ব্যবহারকারী বেড়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি। ২০১৫ সালে যেখানে ব্যবহারকারী ছিল ১৩ কোটি ৩৭ লাখ, তা ২০২০ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ কোটিতে।

সিম ব্যবহারের অপব্যবহার ঠেকাতে সরকার ইতোমধ্যে একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত আগস্টে এক ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি সিম থাকলে অতিরিক্ত সিম ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাতিল বা মালিকানা পরিবর্তনের নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। সংস্থার তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে মোট নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ২৬ কোটি ৬৩ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ১৯ কোটি সিম সক্রিয় এবং বাকি সিমগুলো নিবন্ধিত হলেও নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

গত আগস্ট পর্যন্ত এক ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি সক্রিয় সিম ছিল প্রায় ৬৭ লাখ। গত তিন মাসে এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ সিম গ্রাহক স্বেচ্ছায় বাতিল করেছেন। তবে এখনো প্রায় ৫০ থেকে ৫৩ লাখ সিম বাতিল হয়নি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব সিম বাতিল না করায় সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, তিন মাস সময় দেওয়ার পরও যারা ডি-রেজিস্ট্রেশন করেননি, তাদের সক্রিয় সিম পর্যায়ক্রমে বাতিল করা হবে।

অন্যদিকে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এমদাদ উল বারী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পয়লা জানুয়ারি থেকে নতুন করে সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে একজন গ্রাহকের নামে পাঁচটির বেশি সিম রাখার সুযোগ আর থাকবে না।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

ফোন ও ল্যাপটপ রিস্টার্ট করা কেন জরুরি

Published

on

ডিএসই

প্রতিদিন আমরা ফোন ও ল্যাপটপে অসংখ্য কাজ করি সোশ্যাল মিডিয়া, অফিসের কাজ, গেমিং, অনলাইন ক্লাস বা ভিডিও দেখাসহ নানা কিছু। দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করতে করতে ডিভাইসগুলো ধীরে ধীরে অতিরিক্ত লোডের শিকার হয়। অনেকেই ফোন বা ল্যাপটপ একটানা দিন-দুয়েক ব্যবহার করেন, কিন্তু রিস্টার্ট করেন না। অথচ নিয়মিত রিস্টার্ট করা ডিভাইসের পারফরম্যান্স, নিরাপত্তা এবং স্থায়িত্ব বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিচে কেন ফোন ও ল্যাপটপ রিস্টার্ট করা প্রয়োজন তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১) র‍্যাম পরিষ্কার করে ডিভাইস দ্রুত করে
ফোন বা ল্যাপটপে প্রতিবার কোনো অ্যাপ খোলা হলে তা কিছু অস্থায়ী ডাটা র‍্যামে জমা রাখে। একটানা ব্যবহার করলে সেই ডাটাগুলো জমতে জমতে র‍্যাম ভারী হয়ে যায়। ফলে ডিভাইস ধীর হয়ে যায়, অ্যাপ খুলতে সময় নেয় এবং মাঝে মাঝে ফ্রিজ বা হ্যাংয়ের মতো সমস্যাও দেখা দেয়। রিস্টার্ট করলে পুরো র‍্যাম রিফ্রেশ হয়ে যায় এবং ডিভাইস আবার নতুনের মতো দ্রুত কাজ করতে শুরু করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২) ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ও লুকানো প্রসেস বন্ধ হয়
অনেক অ্যাপ সরাসরি বন্ধ করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে থেকে যায়। এগুলো নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, ব্যাটারি খরচ করে এবং ডিভাইসের প্রসেসরের ওপর চাপ বাড়ায়। দীর্ঘক্ষণ এভাবে চলতে থাকলে ডিভাইস গরম হতে শুরু করে ও পারফরম্যান্স কমে যায়। রিস্টার্ট করলে এসব লুকানো প্রসেস সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে ডিভাইস আবার হালকা ও স্মুথ হয়ে ওঠে।

৩) ছোটখাটো বাগ ও গ্লিচ দূর হয়
হঠাৎ ওয়াই-ফাই কানেক্ট না হওয়া, ব্লুটুথ কাজ না করা, স্ক্রিন টাচে সমস্যা, অ্যাপ ক্র্যাশ হওয়া এসব সাধারণ সমস্যার কারণ থাকে সফটওয়্যারের ক্ষুদ্র বাগ। রিস্টার্ট একধরনের সিস্টেম রিফ্রেশ যা এসব ছোট বাগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক করে। ফলে ডিভাইস আগের তুলনায় স্থিতিশীলভাবে কাজ করে।

৪) সিকিউরিটি আপডেট ও সিস্টেম প্যাচ কার্যকর হয়
নতুন সিকিউরিটি আপডেট বা সিস্টেম প্যাচ ডাউনলোড হলেও সেগুলো ডিভাইস রিস্টার্ট না করলে পুরোপুরি সক্রিয় হয় না। এতে নিরাপত্তা দুর্বল হয়ে যায় এবং সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। নিয়মিত রিস্টার্ট করলে আপডেটগুলো ঠিকভাবে কার্যকর হয় এবং ডিভাইস সুরক্ষিত থাকে।

৫) ক্যাশে পরিষ্কার হয়ে স্টোরেজ হালকা লাগে
অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে করতে প্রচুর ক্যাশে জমা হয়, যা সিস্টেমকে ধীর করে দেয়। রিস্টার্টের ফলে অনেক অস্থায়ী ক্যাশ নিজে থেকেই মুছে যায়। ফলে ফোন বা ল্যাপটপ কিছুটা হালকা হয় এবং স্টোরেজ ব্যবহারে স্বস্তি আসে।

৬) প্রসেসরকে রিফ্রেশ করে
ডিভাইস একটানা চালু থাকলে প্রসেসর সবসময় কাজ করে, যা তাকে অতিরিক্ত গরম করে এবং শক্তি খরচ বাড়ায়। এতে ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয় এবং প্রসেসরের আয়ু কমতে থাকে। একটি রিস্টার্ট প্রসেসরকে বিরতি দেয়, তাপমাত্রা ঠিক রাখে এবং ডিভাইসকে দীর্ঘস্থায়ী করে।

৭) নেটওয়ার্ক সমস্যা সমাধান করে
মোবাইল ডেটা ধীর হয়ে যাওয়া, ওয়াই-ফাই সিগন্যাল দুর্বল হওয়া বা কানেকশন ড্রপের মতো সমস্যার মূল কারণ হয় সাময়িক নেটওয়ার্ক গ্লিচ। রিস্টার্ট নেটওয়ার্ক সেটিংস রিফ্রেশ করে এবং ফোন বা ল্যাপটপকে আবার স্থিতিশীল নেটওয়ার্কে ফিরিয়ে আনে।

৮) অ্যাপ ক্র্যাশ বা ফ্রিজ হওয়া কমায়
কিছু অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে আটকে থাকে অথবা সিস্টেমের সঙ্গে সংঘর্ষ তৈরি করে, তখন অ্যাপ বারবার ক্র্যাশ করতে থাকে। রিস্টার্ট করলে সেসব আটকে থাকা প্রসেস মুছে যায়। ফলে অ্যাপগুলো নতুনভাবে লোড হয়ে ঠিকভাবে কাজ করতে পারে।

৯) ডিভাইসের আয়ু বাড়ায়
নিয়মিত রিস্টার্ট করার মাধ্যমে প্রসেসরের চাপ কমে, মেমোরি পরিষ্কার হয়, ব্যাটারি হিটিং কমে এবং সফটওয়্যার ফাইলগুলো সঠিকভাবে কাজ করে। ফলে ফোন বা ল্যাপটপ দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীল থাকে এবং এর আয়ুষ্কাল প্রকৃত অর্থেই বাড়ে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

হোয়াটসঅ্যাপ দিয়েই পাঠানো যাবে টাকা, জেনে নিন পদ্ধতিগুলো

Published

on

ডিএসই

মেসেজ পাঠানোর পাশাপাশি এবার টাকা পাঠানোও যাবে হোয়াটসঅ্যাপ থেকে! জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপে যুক্ত হয়েছে নতুন সুবিধা- হোয়াটসঅ্যাপ পে।

এই ফিচারটি আপনাকে অন্য কোনো অ্যাপ ছাড়াই সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ থেকেই টাকা পাঠানো ও নেওয়ার সুবিধা দেবে। সহজ ভাষায় বললে, আপনার যে কোনো চেনা মানুষকে মেসেজ করার মতো করেই টাকা পাঠাতে পারবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কীভাবে ব্যবহার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ পে?
অ্যাকাউন্ট সেটআপ করুন
– প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে ঢুকে ‘Payments’ অপশনে যান
– আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইউপিআই (UPI) সিস্টেমের মাধ্যমে লিংক করুন
– ইউপিআই আইডি ও পিন সেট করুন

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

টাকা পাঠানো
– যার কাছে টাকা পাঠাতে চান, তার সঙ্গে চ্যাট খুলুন
– Payment অপশনটি চাপুন
– টাকার পরিমাণ লিখে ইউপিআই পিন দিয়ে কনফার্ম করুন

টাকা গ্রহণ করা
– যিনি টাকা পাবেন, তাকেও হোয়াটসঅ্যাপ পে অ্যাকাউন্ট সেটআপ করে রাখতে হবে
– টাকা সরাসরি তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যাবে

নিরাপত্তা কেমন?
হোয়াটসঅ্যাপ পে ব্যবহার করে ইউপিআই পিন, যা শুধু আপনি জানেন। এ ছাড়া পুরো লেনদেনটি এন্ড-টু-এন্ড (End to End) এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত থাকে, যেমনটা আপনার মেসেজে থাকে।

হোয়াটসঅ্যাপের এই সহজ ফিচারটি আপনার দৈনন্দিন লেনদেনকে অনেক মসৃণ করে তুলতে পারে, তাও আবার আপনার সবচেয়ে ব্যবহৃত চ্যাট অ্যাপ থেকেই!

এই সুবিধাটি প্রথম চালু হয়েছিল পরীক্ষামূলকভাবে। আর এই সময়ের মধ্যেই এটি ভারতের ১০ কোটিরও বেশি মানুষ ব্যবহার করেছেন। সম্প্রতি ভারতের ন্যাশনাল পেমেন্ট করপোরেশন (NPCI) হোয়াটসঅ্যাপ পে-র ওপর থাকা সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে নিয়েছে, ফলে এখন এটি আরও বেশি মানুষের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো আরও ৪ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা

দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার22 hours ago

মতিন স্পিনিংয়ের আয় কমেছে ৩৫ শতাংশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মতিন স্পিনিং মিলস পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার22 hours ago

কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার23 hours ago

দেশবন্ধু পলিমারের লোকসান বেড়েছে ৪৭ শতাংশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি দেশবন্ধু পলিমার ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার23 hours ago

রহিমা ফুডের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রহিমা ফুড করপোরেশন লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার23 hours ago

বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের লোকসান বেড়েছে ২৭ শতাংশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার23 hours ago

ফু-ওয়াং সিরামিকের আয় কমেছে ৫৫ শতাংশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফু-ওয়াং সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

ডিএসই
জাতীয়11 minutes ago

সীমান্ত সুরক্ষিত রেখেই নির্বাচনী দায়িত্বে বিজিবির ৩৭ হাজার সদস্য

ডিএসই
জাতীয়32 minutes ago

রাজু ভাস্কর্য থেকে শিবিরের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিলবোর্ড সরালো ছাত্র ইউনিয়ন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

রাশিয়ার পরিবর্তে অন্য দেশ থেকে ভারতকে তেল কেনার প্রস্তাব ট্রাম্পের

ডিএসই
খেলাধুলা1 hour ago

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে বাড়ছে ক্রিকেটারের সংখ্যা, বেতন কি বাড়বে?

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

দূষণে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচে ঢাকা, বায়ুমান খুব অস্বাস্থ্যকর

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

নওগাঁয় ডাম্প ট্রাকের চাপায় ৫ জন নিহত

ডিএসই
অর্থনীতি2 hours ago

দাম কমার পর দেশে আজ সোনার ভরি কত

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মারাত্মক ধসের মুখে জাতিসংঘ, চাঁদা চাইছেন গুতেরেস

ডিএসই
রাজনীতি17 hours ago

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ডিএসই
রাজনীতি18 hours ago

কর্মসংস্থান ও মাদকমুক্ত ঢাকা-৬ গড়ার অঙ্গীকার ইশরাকের

ডিএসই
জাতীয়11 minutes ago

সীমান্ত সুরক্ষিত রেখেই নির্বাচনী দায়িত্বে বিজিবির ৩৭ হাজার সদস্য

ডিএসই
জাতীয়32 minutes ago

রাজু ভাস্কর্য থেকে শিবিরের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিলবোর্ড সরালো ছাত্র ইউনিয়ন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

রাশিয়ার পরিবর্তে অন্য দেশ থেকে ভারতকে তেল কেনার প্রস্তাব ট্রাম্পের

ডিএসই
খেলাধুলা1 hour ago

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে বাড়ছে ক্রিকেটারের সংখ্যা, বেতন কি বাড়বে?

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

দূষণে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচে ঢাকা, বায়ুমান খুব অস্বাস্থ্যকর

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

নওগাঁয় ডাম্প ট্রাকের চাপায় ৫ জন নিহত

ডিএসই
অর্থনীতি2 hours ago

দাম কমার পর দেশে আজ সোনার ভরি কত

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মারাত্মক ধসের মুখে জাতিসংঘ, চাঁদা চাইছেন গুতেরেস

ডিএসই
রাজনীতি17 hours ago

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ডিএসই
রাজনীতি18 hours ago

কর্মসংস্থান ও মাদকমুক্ত ঢাকা-৬ গড়ার অঙ্গীকার ইশরাকের

ডিএসই
জাতীয়11 minutes ago

সীমান্ত সুরক্ষিত রেখেই নির্বাচনী দায়িত্বে বিজিবির ৩৭ হাজার সদস্য

ডিএসই
জাতীয়32 minutes ago

রাজু ভাস্কর্য থেকে শিবিরের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিলবোর্ড সরালো ছাত্র ইউনিয়ন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

রাশিয়ার পরিবর্তে অন্য দেশ থেকে ভারতকে তেল কেনার প্রস্তাব ট্রাম্পের

ডিএসই
খেলাধুলা1 hour ago

বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে বাড়ছে ক্রিকেটারের সংখ্যা, বেতন কি বাড়বে?

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

দূষণে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচে ঢাকা, বায়ুমান খুব অস্বাস্থ্যকর

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

নওগাঁয় ডাম্প ট্রাকের চাপায় ৫ জন নিহত

ডিএসই
অর্থনীতি2 hours ago

দাম কমার পর দেশে আজ সোনার ভরি কত

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মারাত্মক ধসের মুখে জাতিসংঘ, চাঁদা চাইছেন গুতেরেস

ডিএসই
রাজনীতি17 hours ago

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

ডিএসই
রাজনীতি18 hours ago

কর্মসংস্থান ও মাদকমুক্ত ঢাকা-৬ গড়ার অঙ্গীকার ইশরাকের