কর্পোরেট সংবাদ
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিকে এমপ্লয়ি ব্যাংকিং সেবা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির কর্মকর্তাদের কাস্টমাইজড এমপ্লয়ি ব্যাংকিং সেবা দিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির সাথে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এই চুক্তির আওতায় ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির কর্মকর্তারা ব্র্যাক ব্যাংকের আকর্ষণীয়, ঝামেলাহীন ও সুবিধাজনক ব্যাংকিং সেবা উপভোগ করবেন, যেখানে রয়েছে স্যালারি অ্যাকাউন্ট, মাল্টি-কারেন্সি ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ঋণসুবিধা, ডিপিএস, ফিক্সড ডিপোজিটসহ ব্র্যাক ব্যাংক এমপ্লয়ি ব্যাংকিং প্রপোজিশনের আরও অনেক সুযোগ-সুবিধা।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।
এ সময় ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক শামস রহমান, ট্রেজারার এয়ার কমডর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী, ডিরেক্টর অব ফাইন্যান্স তোহিদুল ইসলাম এফসিএ, রেজিস্ট্রার মাশফিকুর রহমান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক শেখ মোহাম্মদ আশফাক, হেড অব এমপ্লয়ি ব্যাংকিং একেএম শাহাদুল ইসলাম, হেড অব প্রিমিয়াম ব্যাংকিং সৈয়দ মাহিন জুবাইদ, মতিঝিল ব্রাঞ্চের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সৈয়দা মাহজাবিন, হেড অব এমপ্লয়ি ব্যাংকিং প্রপোজিশন অ্যান্ড সিনিয়র রিলেশনশিপ ম্যানেজার জেবুন নাহার ও অ্যন্যান্য কর্মকর্তারা।
এই উদ্যোগটি উদ্ভাবনী ও সুবিধাজনক আর্থিক সেবার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ক্ষমতায়ন করার ব্যাপারে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যক্ত করা প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। ব্যাংকটি আধুনিক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ ও কার্যকর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কর্পোরেট সংবাদ
নগদে রেমিটেন্স নিয়ে স্বর্ণের হার জিতলেন ফরিদপুরের বন্যা খাতুন
প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিটেন্স বৈধপথে দেশে পাঠানোর বিষয়ে উৎসাহিত করতে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনের প্রথম বিজয়ী হয়েছেন ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বন্যা খাতুন। দুবাইপ্রবাসী স্বামী মো. ফরিদের পাঠানো রেমিটেন্স নগদের মাধ্যমে গ্রহণ করে তিনি এই পুরস্কার জিতেছেন।
সম্প্রতি ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্যা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার হাতে পুরস্কার হিসেবে স্বর্ণের হার তুলে দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। এসময় সেখানে নগদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
স্বর্ণের হার উপহার পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা ভিডিও কলের মাধ্যমে যুক্ত হন দুবাই প্রবাসী ফরিদের সঙ্গে। তিনি কথা বলেন অভিনেত্রী টয়ার সঙ্গেও। এসময় ফরিদ বলেন, “নগদে এমন একটা ক্যাম্পেইন চলছে সেটা জানতাম। কিন্তু এই স্বর্ণের হারটা যে আমার ঘরেই যাবে সেটা চিন্তাও করিনি। দুবাই থেকে পরিবারের জন্য নিয়মিত নগদের মাধ্যমেই রেমিটেন্স পাঠাই, কিন্তু এত বড় একটা গিফট পাব সেটা ছিল আমার ভাবনার বাইরে।”
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স দ্রুত ও নিরাপদে দেশের প্রিয়জনদের মোবাইলে পৌঁছে দিতে কাজ করছে নগদ। ঈদুল ফিতরের আগে প্রবাসীদের পরিবারের জন্য বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ্য তৈরি করতেই ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে এই ক্যাম্পেইন চালু করে নগদ। ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রবাসীরা নগদের মাধ্যমে দেশে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেমিটেন্স পাঠালেই দেশে থাকা প্রিয়জনদের জন্য স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন।
এই ক্যাম্পেইন বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশিরা সব সময়ই তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ান, যা আমাদের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের আগে বিদেশ থেকে আসা অর্থের অঙ্ক আরেকটু বড় হয়। আমরা এই পুরো ঘটনাটিকে আরো আনন্দময় করতেই ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইন চালু করি। এই প্রক্রিয়ায় নগদের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠিয়ে যদি স্বর্ণের হার জিতে নেওয়া যায়, তাহলে সেটি হবে ওই প্রবাসী ও তার স্বজনদের জীবনের একটি বিশেষ ঘটনা।’
কর্পোরেট সংবাদ
রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে চুক্তি করল নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংক
দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরও দ্রুত ও সহজে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি। এখন থেকে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্স সরাসরি গ্রাহকের নগদ ওয়ালেটে জমা হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তিতে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এবং নগদের বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির আওতায় প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থ মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি নগদ গ্রাহকদের মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর ফলে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠাতে পারবেন।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ যেকোনো স্থান থেকে উপকারভোগীরা ২৪ ঘণ্টা নগদ ওয়ালেটের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও মো. জাহিদ হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটিও মো. নজমুল হুদা সরকার, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাভেদ তারেক খান ও খন্দকার তৌফিক হোসেন খান প্রমুখ।
এছাড়া নগদের পক্ষ থেকে রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, মিডল্যান্ড ব্যাংক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত অংশীদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে থাকে। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির ফলে প্রবাসী ও তাদের পরিবার আরও দ্রুত ও সহজে রেমিট্যান্স সেবা পাবেন।
এ সময় নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, এই চুক্তির ফলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সঙ্গে তৎক্ষণাৎ প্রাপকের নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে যাবে। গ্রাহকরা চাইলে যেকোনো সময় এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন কিংবা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা নগদের তিন লক্ষাধিক উদ্যোক্তা পয়েন্ট থেকে সহজেই ক্যাশআউট করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ দেশের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করবে এবং বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
কর্পোরেট সংবাদ
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্টার্টআপ ফান্ডে এসবিএসি ব্যাংকের চেক হস্তান্তর
প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের জন্য ইক্যুইটি বিনিয়োগ সহজলভ্য করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি পিএলসিতে অর্থ স্থানান্তরের অংশ হিসেবে চেক হস্তান্তর করেছে এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিচালক নওশাদ মোস্তাফার কাছে এসবিএসি ব্যাংকের বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের চেক হস্তান্তর করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রবিউল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসবিএসি ব্যাংকের ইভিপি ও হেড অব ক্রেডিট মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ব্যুফে ইফতারে বিকাশ পেমেন্টে ‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’, মিলছে ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক
পবিত্র রমজান মাসে ইফতার আয়োজন ও ঈদের ছুটিতে খাওয়া-দাওয়ায় গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় অফার ঘোষণা করেছে বিকাশ। দেশজুড়ে বিভিন্ন প্রিমিয়াম হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, সুইটস ও বেকারিতে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে ‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’সহ নানা অফার এবং সর্বোচ্চ ১,২৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক সুবিধা।
ব্যুফে ইফতারে বিশেষ অফার:
আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত দেশের কয়েকটি প্রিমিয়াম হোটেলে ব্যুফে ইফতার প্যাকেজে বিকাশ পেমেন্টে ‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’, ‘বাই ওয়ান গেট টু’ এবং ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ অফার পাওয়া যাচ্ছে।
‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’ অফার পাওয়া যাবে সিক্স সিজনস হোটেলে।
‘বাই ওয়ান গেট টু’ অফার দিচ্ছে হোটেল বেঙ্গল ব্লুরেরি, হোটেল লেকশোর, এবং দ্য মিডোরি।
এছাড়া ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ অফার রয়েছে, ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস, এশিয়া হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, বেঙ্গল ইন, স্কাই সিটি হোটেল, হোটেল জাবের প্যারাডাইজ, প্লাটিনাম গ্র্যান্ড, ম্যাপল লিফ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ইউনিক রিজেন্সি, অ্যাসকট ঢাকা, এবং হোটেল সারিনা।
রেস্টুরেন্টে ডিসকাউন্ট:
দেশজুড়ে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বিকাশ পেমেন্টে ‘D4’ কুপন কোড ব্যবহার করে ইফতার আয়োজন বা ঈদ আড্ডায় পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ন্যূনতম ৫০০ টাকা পেমেন্টে দিনে একবার ১০% হারে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা পর্যন্ত এবং অফার চলাকালীন মোট পাঁচবারে ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করা যাবে।
এই অফারটি পাওয়া যাচ্ছে, আলফ্রেডো, বার্গার কিং, সিক্রেট রেসিপি, ক্যাফে রিও, ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড, শেফ’স টেবল, ক্রিস্প, গ্রিনস অ্যান্ড সিডস, ইনডালজ্, খাও সান, গিনজা, পিৎজা টাইমস, পিৎজারিয়ান বিডি, দ্যা গ্রিন লাউঞ্জ, উৎসব সহ বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের প্রায় ২,৪০০ আউটলেটে।
ক্যাফে, সুইটস ও বেকারি শপ:
ক্যাফে, সুইটস ও বেকারি শপে ‘D7’ কুপন কোড ব্যবহার করে বিকাশ পেমেন্টে পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ন্যূনতম ৩০০ টাকা পেমেন্টে দিনে একবার ১০% হারে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা এবং অফার চলাকালীন পাঁচবারে মোট ৫০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় মিলবে। এই ক্যাম্পেইন চলবে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত।
অফারটি পাওয়া যাচ্ছে- আমাল ফুড, আজওয়া, অ্যাম্বার বেইক অ্যান্ড পেস্ট্রি, ব্রেড অ্যান্ড বিয়ন্ড, ক্লাউড কেক, কুপার’স, পিউরো বেকারি, কিউ বেকারি, সুমি’স হট কেক, টেস্টি ট্রিট, ওয়েল ফুড, বারকোড ক্যাফে, নর্থ অ্যান্ড ক্রিমসন কাপ, বনফুল, ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার, বস সুইটস, প্রিমিয়াম সুইটস, খাজানা মিঠাই, ফুলকলি, মিনা সুইটস, মিঠাই, রস সুইটস, বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার সহ ২,৫০০-এর বেশি আউটলেটে।
বিকাশ পেমেন্টে ইফতার অর্ডারে অফারগুলো দেখে নেয়া যাবে এই লিংকে-
https://www.bkash.com/campaign/search?category=restaurant,payment-five-star-bogo
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
নগদের মাধ্যমে বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ
পরিবারের নারী প্রধানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও আরো আত্মবিশ্বাসী করতে সরকার যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করেছে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ।
মঙ্গলবার সকালে কড়াইল বস্তি এলাকায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এই কর্মসূচীর আওতায় পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ১৩ জেলার ছয় হাজার ৪৫১টি পরিবার ‘নগদ’এর মাধ্যমে এক কোটি ৬২ লাখ চার হাজার ২৬৫ টাকা পেয়েছেন।
কড়াইল বস্তির মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না এবং প্রকৃত দুস্থরাই এই সুবিধা পাবেন।
ফ্যামিলি কার্ডের মতো সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের অর্থ বিতরণের জন্যে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা নগদকে বেছে নেওয়ার নগদ কর্তৃপক্ষ সরকার এবং বিশেষভাবে সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
নগদের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সরকার ক্ষমতা গ্রহনের মাত্র এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে সাধারণ জনগনের কাছে প্রতিশ্রুতি পূরণের যে অঙ্গীকার পুনব্যক্ত করেছে সেটি আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে। সরকারের এমন একটি প্রকল্পের অংশীদার হওয়ায় আমরা গোটা নগদ পরিবার সরকার প্রধানের প্রতি বিশেষ কর্তৃজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
সরকারের নির্বাচনপূর্ব প্রতিশ্রুত এই কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৩ জেলার সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই নগদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই এবং একই ব্যক্তির একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ রোধ, সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীদের বাদ দেওয়া হয়।
এই প্রকল্পের আওতায় কেবল ‘নারী প্রধান’ পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে সমাজের প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সরকারের এই উদ্যোগটি নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে মনেকরা হচ্ছে।




