Connect with us

আন্তর্জাতিক

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ভয়ঙ্কর হামলা, নিহত ৪০

Published

on

ডিএসই

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে না হতেই আবারও আফগানিস্তানে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। দেশটির কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক শহরে চালানো এ হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪০ জন। সেইসঙ্গে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৭০ জন।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) আফগান সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

স্পিন বোলদাক শহরটির অবস্থান আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হতাহতদের সবাই বেসমারিক এবং একটি বড় অংশই নারী ও শিশু।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত ৯ অক্টোবর আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে হামলা চালিয়ে তেহরিক-ই তালেবানের (টিটিপি) শীর্ষ নেতা নূর ওয়ালি মেহসুদকে হত্যা করে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। হামলার দু’দিন পর ১১ অক্টোবর আফগানিস্তানের সঙ্গে লাগোয়া খাইবার পাখতুনখোয়ার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে তীব্র সংঘাত শুরু হয় পাক-আফগান সেনাবাহিনীর মধ্যে।

চার দিন সংঘাত চলার পর ১৫ অক্টোবর ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি হয় পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে। সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়েছে আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১ টায়। কিন্তু, যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হামলা চালায় পাকিস্তান।

হামলার শিকার এবং আহত হাজি বাহরাম নামের এক ব্যক্তি তোলো নিউজকে বলেন, আমি ইতিহাসে এমন অবিচার দেখিনি। একটি দেশ, যারা নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করে- তারা এখানে নারী, শিশু ও বেসামরিক লোকজনের ওপরে হামলা করল।

বিমান বাহিনীর অভিযানের পাশপাশি স্পিন বোলদাক শহরের নোকলি, হাজি হাসান কেলাই, ওয়ার্দাক, কুচিয়ান, শহীদ ও শোরবাকে একের পর এক আর্টিলারি গোলা নিক্ষেপ করেছে পাকিস্তানি স্থলবাহিনী। এতে বেশ কিছু বাড়িঘর, দোকান ধ্বংস হয়ে গেছে। হতাহতও হয়েছেন অনেকে।

প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘাতের মূলে রয়েছে পাকিস্তানের তালেবানপন্থি সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান (টিটিপি)। বেশ কয়েক বছর আগে পাকিস্তানের সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হওয়া এই গোষ্ঠীটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে দেশটির জন্য। আফগাস্তানের সীমান্তবর্তী পাকিস্তানি প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়া টিটিপির প্রধান ঘাঁটি। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর গোষ্ঠীটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

পাকিস্তানের অভিযোগ, টিটিপির পেছনে প্রকাশ্য মদদ আছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের। তবে, কাবুল বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

Published

on

ডিএসই

ভেনেজুয়েলার তেল বেচা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটা পুরোনো খবর। এই খবরের পরবর্তী অধ্যায় হচ্ছে, এই তেল বিক্রির অর্থ কাতারের ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা হচ্ছে।

সিএনএনের সংবাদে বলা হচ্ছে, হতে পারে, এই অর্থ দ্রুত ও ঝামেলাহীনভাবে ভেনেজুয়েলায় নিয়ে যাওয়ার জন্য তা কাতারের ব্যাংকে রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে আবার প্রশ্ন ওঠে, এভাবে কাতারের ব্যাংকে টাকা রাখা কতটা নৈতিক।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে তুলে আনার কারণ যে দেশটির তেলসম্পদের অধিকার নেওয়া, তা নিয়ে রাখঢাক নেই যুক্তরাষ্ট্রের। একাধিকবার ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার তেল যুক্তরাষ্ট্রের অধীন থাকবে। ইতিমধ্যে ৫০ কোটি ডলারের তেল যুক্তরাষ্ট্র বিক্রিও করেছে। সেই তেল বিক্রির অর্থ কাতারের ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটা তো কেবল শুরু, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি করে আরও অনেক অর্থ আসবে। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। যদিও তেল কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা চাইছে। তা না পেলে তারা ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিএনএন–এ বলেন, এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকে রাখা হয়নি বা সরাসরি ভেনেজুয়েলাতেও পাঠানো হয়নি; বরং সেগুলো কাতারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট নিউজম্যাক্সকে বলেন, তেল বিক্রির নগদ অর্থ গত বৃহস্পতিবার থেকেই ভেনেজুয়েলায় পাঠানো শুরু হবে। ভেনেজুয়েলার আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত দুই সূত্রের ভাষ্য, দেশটির ব্যাংকগুলো ইতিমধ্যে নগদ অর্থের বিজ্ঞাপন দিতে শুরু করেছে। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, তেল বিক্রির আয় দেশে পৌঁছেছে।

ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন পশ্চিমা সরকারের নিষেধাজ্ঞার মুখে আছে। ফলে দেশটি কার্যত বৈশ্বিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ছিটকে পড়েছে। গত কয়েক দশকে দেশটির বিভিন্ন সরকার বিদেশি তেল কোম্পানি জব্দ করেছে—যার ক্ষতিপূরণ দাবি করে আসছে বিদেশি জ্বালানি কোম্পানিগুলো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের তেলসম্পদ ‘চুরি’ করছে। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, তেল বিক্রির অর্থ যেন সরাসরি ভেনেজুয়েলার উপকারে আসে। তিনি যেটা নিশ্চিত করতে চাইছেন, সেটি হলো ভেনেজুয়েলার তেল আয়ের ওপর যাদের দাবি আছে, তারা যেন এই অর্থের নাগাল না পায়।

এই লক্ষ্যে ট্রাম্প শুক্রবার নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। আদেশে বলা হয়, ওই অর্থের ওপর কোনো ধরনের লিয়েন বা অন্য কোনো আইনি দাবি আরোপের চেষ্টা করা হলে তা অবরুদ্ধ থাকবে। আদেশে আরও সতর্ক করে বলা হয়, যদি এসব অর্থ আইনি জটিলতা থেকে মুক্ত না থাকে, তাহলে তা ভেনেজুয়েলায় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় গুরুতর বাধা সৃষ্টি করবে।

এই পরিপ্রেক্ষিতে তেল বিক্রির অর্থ পশ্চিমা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পাওনাদারদের নাগালের বাইরে রাখতেই কাতারের ব্যাংক হিসাবে রাখা হচ্ছে।

ভেনেজুয়েলার পাওনাদারেরা এই অর্থপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, তা যেমন দেশটির জন্য সমস্যাজনক হবে, তেমনি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভেনেজুয়েলা ও পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক এক বিশেষজ্ঞ সিএনএনকে বলেন, এটা প্রকৃতই বড় সমস্যা; ভেনেজুয়েলার কাছে সবারই টাকা পাওনা।

সেই বিশেষজ্ঞ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা সরকারের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার দীর্ঘদিন ধরেই ভূমিকা পালন করে আসছে। নিকোলা মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর কাতারের ভূমিকা আরও বেড়েছে। বাস্তবতা হলো কাতার তারও অনেক আগে থেকে দুই দেশের মধ্যকার যোগাযোগে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

অন্যান্য বিশেষজ্ঞ সিএনএনকে বলেন, বাইডেন প্রশাসনের সময়ও কাতারের ব্যাংকগুলো একই ধরনের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে। সে সময় ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করা হলে তেল বিক্রির কিছু অর্থ ইরানে পাঠাতে দেওয়া হয়।

লাতিন আমেরিকার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইকোঅ্যানালিটিকার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলেহান্দ্রো গ্রিসান্তির মতে, কাতারের যে ব্যাংকগুলোতে এই অর্থ রাখা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার ব্যাংকগুলোর কাছে সেই অর্থ নিলামের মাধ্যমে ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে খাদ্য, ওষুধ ও ছোট ব্যবসাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

গ্রিসান্তি আরও বলেন, এই অর্থ ভেনেজুয়েলার কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংগ্রহ করবে এবং যুক্তরাষ্ট্র যে শর্ত নির্ধারণ করে দেবে, সে অনুযায়ী বণ্টন করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট নিউজম্যাক্সকে বলেন, এই অর্থ ভেনেজুয়েলা সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রম, নিরাপত্তা ও খাদ্য সরবরাহে ব্যয় করা হবে।

ভেনেজুয়েলায় পাঠানোর আগে কাতারের ব্যাংকে কেন অর্থ রাখা হচ্ছে—এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস সরাসরি মন্তব্য করতে চায়নি।

মার্কিন এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, ‘মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, ভেনেজুয়েলা অনেক বছর ধরে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে প্রশাসন দ্রুত কাজ করছে। সেই সঙ্গে আমরা বিদ্যমান আইনি কাঠামো ও সীমাবদ্ধতা পর্যালোচনা করে দেখছি।’

স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ
সেই বিশেষজ্ঞের মতে, ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের ফলে পাওনাদারদের পক্ষে ভেনেজুয়েলায় প্রয়োজনীয় অর্থপ্রবাহে বাধা দেওয়া সম্ভব ছিল না। বিষয়টি হলো অর্থ কাতারে রাখা হলে তা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের আইনি চ্যালেঞ্জের আওতার আরও বাইরে চলে যায় না; বরং অর্থ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বচ্ছতাও কমে যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘যদি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রকাশ্যে জানা না যায়, যেখানে বলা থাকবে, এই অর্থের তহবিল কীভাবে পরিচালিত হবে, কারা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, কী ধরনের দুর্নীতিবিরোধী ও অর্থ পাচার রোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাহলে পুরো ব্যবস্থা কার্যত “গোপন তহবিলের” মতো হয়ে যাচ্ছে। এটা খুবই উদ্বেগজনক।’

বিশেষজ্ঞের মত, এই অর্থ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে পারে, এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে বাস্তব উদ্বেগ আছে। সেটি হলো ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এই অর্থ ব্যবহার করে সরকারের দুর্নীতিগ্রস্ত অংশ, আধা সামরিক গোষ্ঠী ও মাদক কার্টেলকে তোষণ করে যেতে পারেন।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু সমালোচক প্রশ্ন তুলছেন—এই অর্থ কাতারে পাঠানোর পেছনে ট্রাম্পের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী।

ম্যাসাচুসেটসের ডেমোক্রেটিক পার্টির সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন, ‘মার্কিন সামরিক বাহিনীর জব্দ করা সম্পদ বিক্রি করে প্রেসিডেন্ট নিজের নিয়ন্ত্রণে অফশোর হিসাব খুলবেন, এর আইনি ভিত্তি নেই। এ ধরনের সিদ্ধান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকদের আকৃষ্ট করার মতো।’

কেন ভেনেজুয়েলার তেল
একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক—এই ক্ষেত্রে অন্য সবার চেয়ে তারা অনেকটাই এগিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র যে তেল উৎপাদন করে, তা মূলত হালকা ও অপরিশোধিত ধরনের; কিন্তু তাদের বেশির ভাগ তেল পরিশোধনাগারের যে সক্ষমতা, তাতে তাদের ভারী ও অপরিশোধিত তেল প্রয়োজন।

অন্য কথায়, নিজের দেশের চাহিদা মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রকে এই থিকথিকে ও ভারী অপরিশোধিত তেলের ওপর নির্ভর করতে হবে। খবর স্কাই নিউজ

এটিই হচ্ছে বাস্তবতা। এ থেকে বেরিয়ে আসতে হলে মার্কিন পরিশোধনাগারগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। সে জন্য প্রয়োজন হবে হাজার হাজার কোটি ডলার। এ কারণে নিকট–ভবিষ্যতে কেউই তা করতে বিশেষ আগ্রহী নয়।

কাগজে-কলমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ভূখণ্ড থেকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করে ঠিক; কিন্তু ভারী তেলের চাহিদা মেটাতে দেশটিকে এখনো পুরোপুরি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে হালকা অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়, তার সিংহভাগ বিদেশে রপ্তানি করা হয়। অথচ টেক্সাস ও লুইজিয়ানার পরিশোধনাগারগুলো চালু রাখতে তাদের প্রতিদিন ছয় হাজার ব্যারেলের বেশি ভারী তেল আমদানি করতে হয়।

এ বাস্তবতা মাথায় রাখলেই সমীকরণ মেলানো সম্ভব। এ সমীকরণ অনিবার্যভাবে ভেনেজুয়েলার দিকেই নিয়ে যায়। কেননা, কানাডা ও রাশিয়ার পাশাপাশি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভারী তেলের মজুত ভেনেজুয়েলায়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিককে ধাওয়া

Published

on

ডিএসই

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বেলডাঙার বাসিন্দা জনৈক আলাউদ্দিন শেখের লাশ ঝাড়খণ্ড রাজ্যে উদ্ধার হওয়ার খবর পাওয়া যায়। সেখানে কাজে গিয়েছিলেন ওই পরিযায়ী শ্রমিক।

পরিবারের দাবি, ‘নৃশংস ভাবে’ আলাউদ্দিনকে খুন করা হয়েছে। এই খবরের ফলে বেলডাঙ্গায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পড়েন রিপাবলিক বাংলার সংবাদকর্মী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জানা যায়, ঝাড়খণ্ডে ফেরিওয়ালার কাজ করতেন আলাউদ্দিন। ভাড়াবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, যুবককে পিটিয়ে খুন করার পর তার দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের শ্রমিক হওয়ার কারণেই যুবকের এই পরিণতি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আলাউদ্দিনের মৃত্যুর খবরে শোরগোল পড়ে যায় মুর্শিদাবাদে। শুক্রবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়ায় বেলডাঙায়। বিক্ষোভে পথে নামেন স্থানীয়েরা। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক এবং রেল অবরোধ করা হয়।

অবরোধের খবর সংগ্রহ করতে যান কলকাতার স্যাটেলাইট টেলিভিশন রিপাবলিক বাংলার রিপোর্টার। এ সময় মহাসড়কে তোপের মুখে পড়েন ওই সংবাদকর্মী। তার মাইক্রোফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে সেখান থেকে ধাওয়া দিয়ে বের করে দেওয়ায়।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বলছিলেন, রিপাবলিক বাংলা টেলিভিশন দাঙ্গা বাঁধাইয়।

তারা কথাকে ভুলভাবে প্রচার করে। সাক্ষাৎকার নেয় একটু, আর সেটাকে প্রচারের সময়য় ভুলভাল ব্যাখ্যা দিয়ে প্রচার করা হয়।

প্রসঙ্গত, প্রায় সাড়ে ঘণ্টা অবরোধ চলে। অবরোধের কারণে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চরম ভোগান্তির শিকার হন হাজার হাজার যাত্রী। ভাঙচুর চলে বেলডাঙার রাস্তায় থাকা ট্রাফিক কিয়স্কে। ভাঙা হয় পুলিশের গাড়ি। ছোড়া ইটের ঘায়ে অন্তত ১২ জন আহত হন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

Published

on

ডিএসই

সৌদি আরব চারটি ভিন্ন স্থানে মোট ৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি ‘মাদেন’ এই সোনার সন্ধান পেয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা খনি এবং নতুন ও পুরোনো বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক খনন কার্যক্রম চালানোর পরই এই সাফল্য এসেছে।

গত ১২ জানুয়ারি এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। মাদেন জানিয়েছে, কোনো একটি দেশের ভেতরে চালানো খনিজ অনুসন্ধান কার্যক্রমগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বৃহত্তম প্রচেষ্টা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক খননকাজে ৯০ লাখ (৯ মিলিয়ন) আউন্সের বেশি সোনার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তবে খনন ব্যয়, পণ্যের দামসহ বার্ষিক সাধারণ হিসাব-নিকাশ সমন্বয়ের পর প্রকৃত নতুন সোনার মজুতের পরিমাণ নির্ধারিত হয়েছে ৭৮ লাখ আউন্স।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সবচেয়ে বেশি সোনা পাওয়া গেছে মাদেনের প্রধান প্রকল্প ‘মানসুরা মাসারাহ’ থেকে। গত এক বছরে এই প্রকল্পে নতুন করে ৩০ লাখ আউন্স সোনা যোগ হয়েছে। এ ছাড়া ‘উরুক ২০/২১’ ও ‘উম আস সালাম’ এলাকা থেকে মোট ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স সোনার সন্ধান পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ‘ওয়াদি আল জাও’ এলাকায় প্রথমবারের মতো আনুমানিক ৩৮ লাখ আউন্স খনিজ সম্পদের খোঁজ মিলেছে।

মাদেন জানিয়েছে, ‘সেন্ট্রাল অ্যারাবিয়ান গোল্ড রিজিওন’-এ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খননকাজ চালানোর ফলে বেশ কয়েকটি নতুন খনিজ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া ঐতিহাসিক ‘মাহদ’ স্বর্ণখনির আশপাশে অনুসন্ধান চালিয়েও নতুন খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর ফলে খনিটির কার্যকাল আরও বাড়ানো সম্ভব কি না, তা যাচাই করা হবে।

মাদেনের প্রধান নির্বাহী বব উইল্ট জানিয়েছেন, এসব ফলাফল কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি অনুসন্ধান কৌশল যে সঠিক পথে রয়েছে, তা প্রমাণ করে। তিনি বলেন, ‘চারটি এলাকায় ৭০ লাখ আউন্সেরও বেশি সোনা যুক্ত হওয়া আমাদের স্বর্ণভাণ্ডারের বিশালতা ও সম্ভাবনাকেই তুলে ধরে।’

তিনি আরও বলেন, এই প্রবৃদ্ধি ভবিষ্যতে কোম্পানির আয় বাড়াতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এটি দেখায় যে ‘অ্যারাবিয়ান শিল্ড’-এ স্বর্ণের যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে কোম্পানি এখনো প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে।

সোনার পাশাপাশি অন্যান্য খনিজের ক্ষেত্রেও অগ্রগতির কথা জানিয়েছে মাদেন। ‘জাবাল শায়বান’ ও ‘জাবাল আল ওয়াকিল’ এলাকায় প্রাথমিক খননকাজে তামা, নিকেল এবং প্ল্যাটিনাম গ্রুপের ধাতুর সন্ধান পাওয়া গেছে।

মানসুরা মাসারাহ প্রকল্পে বর্তমানে মোট খনিজ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৬০ লাখ টন। এখানে প্রতি টনে গড়ে ২ দশমিক ৮ গ্রাম সোনা রয়েছে, যার মোট পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ (১০.৪ মিলিয়ন) আউন্স।

মাদেন জানিয়েছে, গভীর স্তরে আরও খনিজ সম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সেখানে খননকাজ চালানো হবে।

এই আবিষ্কারকে সৌদি আরবের খনি খাতের জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে খনি খাতকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪

Published

on

ডিএসই

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সরগোধায় ঘন কুয়াশায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক উল্টে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির উদ্ধারকারী সংস্থার কর্মকর্তারা। খবর জিও টিভির।

কর্মকর্তারা জানান, ট্রাকের আরোহীরা একটি জানাজায় অংশ নিতে যাচ্ছিলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শনিবার ভোরে সরগোধা শহরের কোট মোমিন এলাকার ঘালাপুর বাংলা খালের পাশে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি খাদে পড়ে যায়। এসময় ট্রাকটিতে মোট ২৩ জন যাত্রী ছিলেন। ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই ৭ জনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে উদ্ধারকারীরা।
হতাহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী টিএইচকিউ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো ৭ জন মারা যান।
উল্লেখ্য, পুরো পাঞ্জাব প্রদেশ এখন ঘন কুয়াশায় ছেয়ে আছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে কুয়াশার কারণে খাইবার পাখতুনখোয়ার ডেরা ইসমাইল খানেও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। সেখানে ইন্দাস মহাসড়কের তাউন্সা শরিফ সীমান্তবর্তী বাস্তি দাওয়ানা এলাকায় চিনিবাহী একটি ট্রেইলার ও যাত্রীবাহী ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং অন্তত ১৪ জন আহত হন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×
শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলেই নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

Published

on

ডিএসই

গ্রিনল্যান্ড দখলের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনায় যারা বাধা দেবে, সেই দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত না হলে তিনি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারেন।’ গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের শাসনাধীন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে কোন কোন দেশের ওপর এই নতুন শুল্কারোপ করা হতে পারে অথবা নিজের লক্ষ্য অর্জনে আমদানির ওপর এমন কর বসাতে কোন আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু বলেননি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড ছাড়াও আরও অনেক দেশ ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে। এমনকি খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও অনেকে এই অধিগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প যখন এই মন্তব্য করছিলেন, তখন মার্কিন কংগ্রেসের একটি দ্বিদলীয় প্রতিনিধি দল গ্রিনল্যান্ড সফরে ছিলেন। মূলত অঞ্চলটির প্রতি সংহতি জানাতেই তাদের এই সফর।

১১ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলে রিপাবলিকান সদস্যরাও ছিলেন। জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে প্রেসিডেন্টের আহ্বানে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সফরকালে তারা গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) ছাড়াও ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেন ও গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিনিধি দলের নেতা ও ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস কুনস জানান, তাদের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয়দের কথা শোনা এবং তাদের মতামত ওয়াশিংটনে পৌঁছে দিয়ে বিদ্যমান ‘উত্তেজনা প্রশমন’ করা।

ট্রাম্পের দাবি, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটন অঞ্চলটি হয় ‘সহজ উপায়ে’ নাহয় ‘কঠিন উপায়ে’ দখল করবে। তার এই মন্তব্যকে দ্বীপটি কিনে নেওয়া অথবা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দখলের স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘দেশগুলো যদি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে না আসে, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি; কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড আমাদের প্রয়োজন।’

গ্রিনল্যান্ডে জনবসতি খুব কম হলেও দ্বীপটি প্রাকৃতিক সম্পদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মাঝামাঝি ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অঞ্চলটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কবার্তা প্রদান এবং এই অঞ্চলের জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারির জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকেই গ্রিনল্যান্ডে ১০০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক নামক একটি ক্ষেপণাস্ত্র পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে মার্কিন বাহিনী।

ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে গ্রিনল্যান্ডে যেকোনো সংখ্যক সেনা মোতায়েন করতে পারে। কিন্তু ট্রাম্প মনে করেন, রাশিয়া বা চীনের সম্ভাব্য হামলা থেকে অঞ্চলটিকে যথাযথভাবে রক্ষা করতে হলে এর ‘মালিকানা’ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা প্রয়োজন।

ডেনমার্ক অবশ্য হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যেকোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ হবে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটোর অবসানের সংকেত। উল্লেখ্য, ন্যাটো জোটে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে প্রভাবশালী অংশীদার।

ন্যাটোর মূল নীতি হলো, কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে অন্য মিত্ররা তাকে সহায়তা করবে। কিন্তু কোনো সদস্য রাষ্ট্র যদি অন্য কোনো সদস্যের বিরুদ্ধেই শক্তি প্রয়োগ করে, তবে কী হবে—সে বিষয়ে জোটে কোনো নজির নেই।

ইতিমধ্যেই ডেনমার্কের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলো। তারা বলেছে, আর্কটিক অঞ্চল তাদের কাছেও সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং এর নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব ন্যাটোর যৌথভাবে নেওয়া উচিত, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রেরও অংশগ্রহণ থাকবে।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ গ্রিনল্যান্ডে একটি বিশেষ অনুসন্ধানী মিশনে ক্ষুদ্র আকারের একটি সামরিক দল পাঠিয়েছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডে শীঘ্রই ‘স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথের সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠানো হবে।

ট্রাম্পকে তার এই পরিকল্পনা থেকে বিরত রাখতে ওয়াশিংটনে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কয়েকদিন পরই মার্কিন কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল গ্রিনল্যান্ড সফরে যায়। এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ন্যাটোর কট্টর সমর্থক মার্কিন সিনেটর ও হাউস অভ রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্যরা।

প্রতিনিধি দলের প্রধান ক্রিস কুনস ও অধিকাংশ সদস্য ট্রাম্পের ঘোর বিরোধী ডেমোক্র্যাট হলেও, এই দলে থম টিলিস ও লিসা মুরকোস্কির মতো মধ্যপন্থি রিপাবলিকান সিনেটররাও রয়েছেন।

গ্রিনল্যান্ডের এমপি আয়া চেমনিৎজ বলেন, মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে এই বৈঠক তাকে ‘আশাবাদী’ করেছে। তিনি বিবিসিকে বলেন, ‘আমাদের বন্ধু প্রয়োজন, আমাদের মিত্র প্রয়োজন।’

হোয়াইট হাউসের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের অবস্থানের বিশাল পার্থক্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি একটি ম্যারাথন, কোনো স্বল্প দূরত্বের দৌড় নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০১৯ সাল থেকেই আমরা মার্কিন পক্ষের এই চাপ দেখে আসছি। সবকিছু এখনই শেষ হয়ে গেছে—এমনটা ভাবা বোকামি হবে। পরিস্থিতি প্রায় প্রতি ঘণ্টায় বদলাচ্ছে। তাই আমরা যত বেশি সমর্থন পাব, ততই ভালো।’

লিসা মুরকোস্কি গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের যেকোনো প্রচেষ্টা রুখে দেওয়ার লক্ষ্যে আনা একটি দ্বিদলীয় বিলের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। অন্যদিকে একজন রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য এই দ্বীপ অধিগ্রহণের সমর্থনে পাল্টা বিল উত্থাপন করেছেন।

গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি গত শুক্রবার ফক্স নিউজকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ডেনমার্কের সঙ্গে নয়, বরং গ্রিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা।

তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। আমার মনে হয় তিনি তার লক্ষ্য পরিষ্কার করে দিয়েছেন।’

গত বুধবার হোয়াইট হাউসে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ বৈঠকের বিষয়ে একজন ডেনিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিবিসিকে জানান, মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট এমন একটি ‘মধ্যপন্থা’ খোঁজার প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে ট্রাম্প, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সব পক্ষই সন্তুষ্ট থাকে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, হোয়াইট হাউসের বৈঠকে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রসঙ্গ ওঠেনি।

তা সত্ত্বেও গ্রিনল্যান্ড দখলের ব্যাপারে ট্রাম্পের প্রকাশ্য ঘোষণাকে ডেনমার্ক অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে বলে জানান ওই ডেনিশ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে সব মূল্য সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে পিপলস...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ফাইন ফুডস

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ফাইন ফুডস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা দুই বছরের মধ্যে টাকা পাবেন: গভর্নর

অবলুপ্ত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা আগামী দুই বছরের মধ্যে টাকা ফিরে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

বিএসইসি জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৯ সাংবাদিক

পুঁজিবাজারভিত্তিক সাংবাদিকতায় উল্লেখযোগ্য অবদান ও পেশাদারত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএসইসি ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস পেয়েছেন ৯ জন সাংবাদিক। এদের মধ্যে তিনটি...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

ব্লক মার্কেটে ২৭ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৪ টি কোম্পানির ২৭ কোটি ৭২ লাখ ৮৩ হাজার টাকার...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
ডিএসই
রাজনীতি31 minutes ago

তারেক রহমানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

‘ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সমঝোতার আর সুযোগ নেই’

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

ডিসি-ইউএনও-নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আলী রীয়াজের বিশেষ আহ্বান

ডিএসই
রাজনীতি3 hours ago

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ ছিল ‘নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ’: নয়াদিল্লি

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী

ডিএসই
জাতীয়4 hours ago

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক5 hours ago

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

ডিএসই
রাজনীতি31 minutes ago

তারেক রহমানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

‘ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সমঝোতার আর সুযোগ নেই’

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

ডিসি-ইউএনও-নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আলী রীয়াজের বিশেষ আহ্বান

ডিএসই
রাজনীতি3 hours ago

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ ছিল ‘নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ’: নয়াদিল্লি

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী

ডিএসই
জাতীয়4 hours ago

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক5 hours ago

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

ডিএসই
রাজনীতি31 minutes ago

তারেক রহমানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

ডিএসই
রাজনীতি2 hours ago

‘ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সমঝোতার আর সুযোগ নেই’

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
জাতীয়3 hours ago

ডিসি-ইউএনও-নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আলী রীয়াজের বিশেষ আহ্বান

ডিএসই
রাজনীতি3 hours ago

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ ছিল ‘নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ’: নয়াদিল্লি

ডিএসই
রাজনীতি4 hours ago

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী

ডিএসই
জাতীয়4 hours ago

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক5 hours ago

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে