স্বাস্থ্য
ডেঙ্গুতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৪১
দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছেই না। প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু খবর আসছে। প্রতিদিন শত শত ডেঙ্গুরোগী ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে। সারাদেশে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পাঁচজন মারা গেছেন। এসময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৪১ জন ডেঙ্গুরোগী।
এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৮ জন এবং শনাক্ত রোগী বেড়ে ৫৬ হাজার ২৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০৬ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২১৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১২৮ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৯ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৭ জন ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩ জন রয়েছেন।
ডেঙ্গুতে একদিনে মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে চারজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং অপরজন ময়মনসিংহের বাসিন্দা।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৯৩ জন ডেঙ্গুরোগী। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৩৫৪ জন।
২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে মারা যান সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০৫ জন এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
স্বাস্থ্য
ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই জন মারা গেছে। এ সময় ৭০৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ২৪৮ জন এবং বাকিরা ঢাকা সিটির বাইরের।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯০ হাজার ৯৬৯ জন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৮ হাজার ২৫৮ জন। মারা গেছেন ৩৬৬ জন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সব জায়গায় প্রচার চালাতে হবে। একইসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেতনতা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।
এমকে
স্বাস্থ্য
ডেঙ্গুতে আজও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭৮
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে ৭৭৮ জন ডেঙ্গুরোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি, অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৮১ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৯ জন, সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাত জন রয়েছেন।
২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ১১১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ৮৭ হাজার ৪৪২ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
চলতি বছরের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৯০ হাজার ২৬৪ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক তিন শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক সাত শতাংশ নারী রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ৩৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
স্বাস্থ্য
ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৯৩
গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ডেঙ্গু। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত এডিস মশাবাহিত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ৩৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সবশেষ এ আপডেটে শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত হিসাব ধরা হয়েছে। সবশেষ মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুইজনই বরিশাল বিভাগের। একই সময়ে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৯৩ জন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৯০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৮৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২১১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৭৮ জন ও খুলনা বিভাগে ২৯ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে)।
এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ৬২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৩৩১ জন।
এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৯ হাজার ৪৮৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৫৬ জনের।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৭৫ জন। এর আগে ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
স্বাস্থ্য
প্যানিক অ্যাটাকের সময় যা করবেন
যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায় আঘাত হানতে পারে প্যানিক অ্যাটাক। সদ্য টিনএজে পা রাখা কিশোর–কিশোরী থেকে বৃদ্ধ, যে কেউ হতে পারে এর শিকার। প্যানিক অ্যাটাক বিরল কোনো অবস্থা নয়। কিন্তু নিয়মিত এই ঘটনাই হয়ে উঠতে পারে প্রাণঘাতী।
কেউ আবার প্যানিক অ্যাটাককে ‘পাগল’ বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও চিকিৎসকরা বলছেন প্যানিক অ্যাটাক হওয়া মানে পাগল হয়ে যাওয়া বা মানসিক কোনো সমস্যা নয়। এটি মনের ভেতরের নির্দিষ্ট কোনো আবেগজনিত সমস্যার জন্য হতেই পারে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, প্যানিক অ্যাটাকের ক্ষেত্রে শরীরের সিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম অত্যধিক সক্রিয় হয়ে যায়। সাধারণত প্যানিক অ্যাটাকের স্থায়িত্ব হয় ১০ মিনিট। এরপর শারীরিক প্রতিক্রিয়া কমতে থাকে।
চিকিৎসকরা জানান, প্যানিক অ্যাটাককে ভয়াবহ মনে হলেও শরীরের ক্ষতি হয় না। তবে প্যানিক অ্যাটাকের শিকার হলে খুব দ্রুত তা থামানোর চেষ্টা করতে হবে। হঠাৎ প্যানিক অ্যাটাক হলে তা থামানার জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। এগুলো-
* প্রথমেই নিজেকে শান্ত করতে জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারেন। এতে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।
* যে মুহূর্তে এ ধরনের ভয় ধাওয়া করবে তখনই নিজের যে কাজটা সবচেয়ে ভালো লাগে সেটাই করা উচিত। হতে পারে সেটা গান গাওয়া বা স্রেফ টিভি দেখা ইত্যাদি।
* দিনে কিছু সময় নিয়মিত মেডিটেশন করুন। এতে উপকার পাবেন। সেই সঙ্গে মানসিক প্রশান্তির জন্য নিয়মিত যোগাসন করার অভ্যাস করতে পারেন।
* দুঃখজনক হলেও সত্যি দিনের মধ্যে বেশিরভাগ সময় আমরা অকার্যকরী চিন্তা করে কাটাই। যা আমাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলে। তাই যতটা সম্ভব দুশ্চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
* শরীর ও মনকে ভালো রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করার অভ্যাস করতে পারেন। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিটের শরীরচর্চা মানসিক স্ট্রেস অনেকটাই কমিয়ে আনে।
* যার সঙ্গে কথা বলে আরাম পান তার সঙ্গেই কথা বলুন। চারপাশে এমন কিছু মানুষ থাকেই যাদের কথা বলার কোনো মাপকাঠি থাকে না। ভালো না লাগলে তাদের এড়িয়ে চলুন।
* প্যানিক অ্যাটাক ঠেকাতে একটি চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। পায়ের পাতা মাটিতে চেপে রাখুন। এভাবে পাঁচ মিনিট বসে দীর্ঘ নিশ্বাস নিন। এ ছাড়া নিজেকে ভালো করে হাইড্রেটেড রেখেও অনেক সময় এই অবস্থার মোকাবিলা করা যায়।
স্বাস্থ্য
এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামে পালিত হলো বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
বন্দরনগরীর সর্ববৃহৎ হাসপাতাল, এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম-এ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস,২০২৫ উপলক্ষ্যে হেলথ টকস ও পেশেন্ট ফোরাম আয়োজন করেছে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, সঠিক সময়ে শনাক্তকরণ, পুষ্টি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোই ছিল আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং রোগীরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম-এর মেডিকেল সার্ভিসেস বিভাগের ডিরেক্টর ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির, এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ডায়াবেটোলজি বিভাগের অ্যাটেন্ডিং কনসালটেন্ট ডা. এমরান উর রশিদ চৌধুরী, এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ডায়াবেটোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. শায়লা কবির, এবং ডায়েটেটিকস অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের চিফ ডায়েটিশিয়ান আহাসফি মোহাম্মদ।
স্বাগত বক্তব্যে ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির বলেন, বাংলাদেশে ডায়াবেটিসের ক্রমবর্ধমান হার নিঃসন্দেহে উদ্বেগের, তবে তার চেয়েও বেশি উদ্বেগের জনমনে প্রাথমিক সচেতনতার অভাব। ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয় সঠিক শিক্ষা থেকে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে আমরা মানুষকে সেই শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করতে চাই।
ডা. শায়লা কবির বলেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উন্নত চিকিৎসা, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং আধুনিক থেরাপির ভূমিকা ব্যাপক। একইসাথে মানসিক ও শারীরিকভাবে লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনতে পারলে রোগীরা দীর্ঘমেয়াদি জটিলতার ঝুঁকি এড়িয়ে চলতে পারবেন।
ডা. এমরান উর রশীদ চৌধুরী বলেন, ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ, ঝুঁকি ও শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে জানতে হবে। ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি হল দ্রুত শনাক্তকরণ ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ। রোগী সচেতন হলে এবং সময়মতো সঠিক সহায়তা পেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন কিছুই নয়।
অনুষ্ঠানে পুষ্টিবিষয়ক সেশন পরিচালনা করেন আহাসফি মোহাম্মদ। সেসময় তিনি বলেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পুষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রোগীরা যখন তাদের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হন, তখন তারা স্বাস্থ্যের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে পারেন। তাই শারীরিক পরিশ্রম, দুশ্চিন্তামুক্তির পাশাপাশি কি খাবেন আর কি খাওয়া যাবে না, সেসব বিষয়ে বাড়তি নজর দিতে হবে।
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষ্যে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের এই আয়োজন সচেতনতা বৃদ্ধি, রোগীদের সম্পৃক্ততা ও দীর্ঘমেয়াদি ডায়াবেটিস চিকিৎসায় হাসপাতালের প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ় করেছে।



