কর্পোরেট সংবাদ
ব্র্যাক ব্যাংকের ‘আমরাই তারা’ প্রশিক্ষণ পেলেন চট্টগ্রামের ৩০ জন নারী উদ্যোক্তা
দেশের নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নে ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ‘আমরাই তারা’ আয়োজন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে অংশ নেন ৩০ জন সম্ভাবনাময় নারী উদ্যোক্তা।
গত ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তারা ব্যবসায় পরিচালনা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে হাতে-কলমে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। পাশাপাশি তাঁরা নেটওয়ার্কিং এবং ব্যবসায়িক পরামর্শ অর্জনেরও সুযোগ পান, যা তাঁদের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
আয়োজনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট মুনীর হাসান এবং ব্র্যাকব্যাংক এসএমই ব্যাংকিংয়ের স্মল বিজনেস টেরিটরি ম্যানেজার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
ব্র্যাক ব্যাংকের এমন উদ্যোগ সম্পর্কে ব্যাংকটির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নারী উদ্যোক্তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। একজন নারী উদ্যোক্তা সফল হলে তাঁর পরিবার, সমাজ ও দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হয়। ‘আমরাই তারা’ কর্মসূচির মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক তাঁদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও সুবিধা দিয়ে সক্ষম করে তুলছে, যাতে তাঁরা টেকসইভাবে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পারেন।
‘আমরাই তারা’ হলো নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের একটি বিশেষ ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ, যা গেটস ফাউন্ডেশন-এর সহযোগিতায় পরিচালিত। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো, নারী নেতৃত্বাধীন ব্যবসায়ের জন্য এমন একটি টেকসই পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাজার ও অর্থায়নে প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হয়।
উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংক ২০টি জেলায় ৩,০০০-এরও বেশি নারী উদ্যোক্তাকে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ভবিষ্যতে ‘আমরাই তারা’ কর্মসূচিটি দেশের সব জেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে ব্যাংকটির। এভাবে দেশের আরও বেশি নারী উদ্যোক্তাদের এই সুযোগের আওতায় আনতে ব্যাংকটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পরিষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. জুবায়দুর রহমান।
সভায় এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ব্যাংকের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. জুবায়দুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, এফসিএ, এফসিএস ও শরীআহ সুপারভাইজরি কাউন্সিলের চেয়ারম্যন মুফতি শামসুদ্দিন জিয়া।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন। সম্মেলনে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসিমসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, ১৬টি জোনের প্রধান এবং ৪০০টি শাখার ব্যবস্থাপকগণ অংশ নেন।
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রম উদ্বোধন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নতুন কলেবরে শুরু হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর প্রধান অতিথি হিসেবে দেশের প্রথম ইসলামিক মোবাইল ব্যাংকিং ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আরিফ হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন। ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও ব্যাংকের সকল জোনপ্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ইসলামী ব্যাংকের একটি শক্তিশালী গ্রাহক ভিত্তি রয়েছে। ৩ কোটির অধিক গ্রাহক এ ব্যাংকের সাথে সম্পৃক্ত। ইসলামী ব্যাংকের ৪০০টি শাখা, ২৭১টি উপশাখা, প্রায় ২৮০০টি এজেন্ট আউটলেট-এর বৃহৎ নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে এমক্যাশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স প্রবাহেও এমক্যাশকে কাজে লাগাতে হবে। ক্যাশলেস সোসাইটি গঠনে এমক্যাশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, এমক্যাশকে শক্তিশালী করতে হলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন এবং গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করতে হবে। গ্রাহকদের প্রণোদনা ও ক্যাশব্যাক দিয়ে উৎসাহিত করতে হবে। এমক্যাশকে রিটেইল মার্কেট ও এসএমই সেক্টরে ফোকাস করে তাদেরকে কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনে অন্তুর্ভুক্ত করার চেষ্টা করতে হবে। ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউটের পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেনের জন্য সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে। ডিজিটাল লেনদেন হলে দেশে দুর্নীতি কমে আসবে, ২ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনীতিতে স্বচ্ছলতা আসবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস-এর মার্কেটটা এককেন্দ্রিক না থেকে আরও প্রসারিত হোক। যা দেশের অর্থনীতি ও গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক।’ তিনি এমক্যাশের পুনর্যাত্রার সাফল্য কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ৩ কোটি গ্রাহক নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে। তিনি এমক্যাশ লেনদেনে সবাইকে উৎসাহিত করার আহবান জানান। তিনি এমক্যাশের রিব্র্যান্ডিংয়ে গভর্নর মহোদয়ের উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ জানান।
এমক্যাশের সুবিধাসমূহ:
প্রযুক্তি এবং আধুনিক ব্যাংকিংয়ের সমন্বয়ে ‘এমক্যাশ’ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে নিরাপদ, দ্রুত এবং সহজ করেছে। এমক্যাশ থেকে এমক্যাশ-এ সেন্ডমানির ক্ষেত্রে কোন ফি নেই এবং ক্যাশআউট চার্জ প্রতি হাজারে মাত্র ১৩.৯০ টাকা। ইসলামী ব্যাংকের যেকোন শাখা, উপ-শাখা ও এটিএম থেকে উত্তোলনের ক্ষেত্রে ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে মাত্র ৭ টাকা। বিদেশ থেকে রেমিট্যান্সের টাকা সরাসরি এমক্যাশে সরাসরি পাঠানো যায় যা সাথে সাথে জমা হয়ে যায়। রেমিট্যান্সের ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে মাত্র ৭ টাকা। যেকোন ভিসা/মাস্টারকার্ড থেকে হাজারে মাত্র ৫ টাকা খরচে অ্যাড মানি করা যায়।
এছাড়াও এমক্যাশের মাধ্যমে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিলসহ বিভিন্ন বিল ও মেট্রোরেলের র্যাপিড পাসের রিফিল করা যায়। এমক্যাশের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন ভাতা যেমন বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, শিক্ষা উপবৃত্তি ও বিধাব ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা গ্রহণ করা যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এমক্যাশের মাধ্যমে সরাসরি পৌঁছে দিচ্ছে। গ্রাহকরা দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এমক্যাশ এজেন্ট পয়েন্ট, ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা, উপ-শাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ব্যাংকের নিজস্ব এটিএম ও সিআরএম বুথ থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টাকা জমা ও উত্তোলন করতে পারছেন।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়
কঠোর অভিবাসন নীতি ও বাড়তি ভিসা প্রত্যাখ্যানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একাধিক ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, নতুন ভিসা নিয়মে উচ্চ প্রত্যাখ্যানের হার থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্পনসর লাইসেন্স ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এর ফলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা এড়াতে কিছু প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে শিক্ষার্থী নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত বা সীমিত করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নয়, বরং হোম অফিসের কঠোর কমপ্লায়েন্স ও নজরদারির কারণে এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে তারা। তবে শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জোগান দিয়ে থাকেন। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ভিসানীতির এই কঠোরতা দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাজ্যের বৈশ্বিক শিক্ষাগন্তব্য হিসেবে সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার বলছে, শিক্ষার্থী ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতেই এই সংস্কার। সরকারের দাবি, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হচ্ছে।
কর্পোরেট সংবাদ
দু’দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং কনফারেন্সের উদ্বোধন
সেন্ট্রাল শরী’আহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট এর উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং কনফারেন্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে এটি উদ্বোধন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, পিএইচডি, সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনী সেশনে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কবির হাসান ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিযাল ইনস্টিটিউশনস (আআওফি) এর বোর্ড অব গভরন্যান্স অ্যান্ড এথিকসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফররুখ রেজা।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ. এম. মোশাররফ হোসেন ও সেন্ট্রাল শরী’আহ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংকস অব বাংলাদেশ এর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ বাকী আন-নাদভী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের শরীআহ অ্যাডভাইজরি বোডের্র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু বকর রফিক, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। এছাড়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্কলার মুফতি মুহাম্মদ ত¦কী উসমানী, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনসের (আআওফি) সেক্রেটারি জেনারেল ওমর মোস্থফা আনসারি ভিডিও বার্তা প্রদান করেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সম্মেলনের কনভেনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক ড. মো. সাকিদুল ইসলাম।
সম্মেলনের প্রথম দিনে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক স্কলারদের একাধিক কী-নোট সেশন অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি “বাংলাদেশে ইসলামী ফাইন্যান্স শিক্ষা” শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনায় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন, গবেষণা ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
“টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ইসলামিক ফাইন্যান্স” এই প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে ব্যাংক নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ইসলামিক ফাইন্যান্স পেশাজীবী, শরী’আহ বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টা, নীতিনির্ধারক, আর্থিক উদ্ভাবক এবং দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা গবেষক ও শিক্ষাবিদরা অংশগ্রহণ করেছেন।
সম্মেলনের ২য় দিনে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।



