অর্থনীতি
চট্টগ্রাম বন্দরে বর্ধিত মাশুল ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ঘোষিত বর্ধিত মাশুল (ট্যারিফ) আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হচ্ছে। এক মাসের স্থগিতাদেশ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ তারিখ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর নতুন মাশুল কার্যকরে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছিল। পরে ব্যবসায়ীদের অনুরোধে এটি এক মাস স্থগিত করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
নতুন মাশুলের কারণে বন্দরে গড়ে ৪১ শতাংশ খরচ বাড়বে ব্যবসায়ীদের। সবচেয়ে বেশি বাড়বে কনটেইনার পরিবহনের মাশুল। এতদিন ২০ ফুট লম্বা একটি কনটেইনারে গড়ে মাশুল ছিল ১১ হাজার ৮৪৯ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে তা দিতে হবে ১৬ হাজার ২৪৩ টাকা। নতুন প্রজ্ঞাপনে মাশুলের ক্ষেত্রে ডলারের বিনিময় মূল্য ধরা হয়েছে ১২২ টাকা।
প্রতি একক কনটেইনার জাহাজ থেকে ওঠানো বা নামানোর জন্য আগে মাশুল ছিল ৪৩ দশমিক ৪০ ডলার বা পাঁচ হাজার ২৯৪ টাকা। এখন তা বাড়িয়ে ৬৮ ডলার বা আট হাজার ২৯৬ টাকা করা হয়েছে। কনটেইনার পণ্যে প্রতি কেজিতে আগে গড়ে মাশুল দিতে হতো এক টাকা ২৮ পয়সা। এখন দিতে হবে ৪৭ পয়সা।
বন্দর দিয়ে কনটেইনার ছাড়াও সাধারণ পণ্য পরিবহন করা হয়। সব ধরনের সাধারণ পণ্যে কেজিপ্রতি মাশুল বাড়বে গড়ে ১৪ পয়সা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বন্দর দিয়ে আসা মোট পণ্যের ৬০ শতাংশ ছিল সাধারণ পণ্য, যেগুলো খালাস হয় বহির্নোঙরে।
অর্থনীতি
পিসিএ চূড়ান্ত করতে শেষ দফার আলোচনায় বসছে ঢাকা-ব্রাসেলস
অংশীদারিত্ব ওই সহযোগিতা চুক্তির (পিসিএ) খসড়া চূড়ান্ত করতে শেষ দফা আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ ও ইউরোপের ২৭ দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সব উপাদান থাকা এই চুক্তি নিয়ে দুই দিনব্যাপী বৈঠকের প্রথম দিন বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দিনের বৈঠক হবে সিলেটে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবার ঢাকায় অনুষ্ঠেয় বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) মো. নজরুল ইসলাম। অন্যদিকে, ইইউর পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর পাওলা পামপোলিনি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পিসিএ’র খসড়া চূড়ান্ত করতে শেষ দফা আলোচনায় বসছে ঢাকা-ব্রাসেলস। এই আলোচনা শেষে আগামী জুনের মধ্যে চুক্তিটি সইয়ের দিকে এগোবে উভয় পক্ষ। সেক্ষেত্রে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে যে দল সরকার গঠন করবে, তারাই ব্রাসেলসের এই সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়া শেষ করার কথা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের সম্পর্কের শুরুতে ইইউ ছিল বাংলাদেশের কাছে দাতাগোষ্ঠী (উন্নয়ন অংশীদার), যা পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পর্যায়ে উন্নীত হয়। ২০০১ সালে ইইউর সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি করে বাংলাদেশ। সেই চুক্তিতে অর্থনীতি, উন্নয়ন, সুশাসন কিংবা মানবাধিকারের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। সময়ের ব্যবধানে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশের সক্ষমতা বেড়েছে। অবস্থান আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম দেশ হিসেবে পিসিএ করার আলোচনা শুরু করে ইইউ। প্রায় বছর দেড়েকের আলোচনার পর চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার কথা।
গত বছরের এপ্রিলে ব্রাসেলসে পিসিএর খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য প্রথম দফা আলোচনায় বসেছিল ঢাকা ও ইইউ। এরপর পর্যায়ক্রমে আরও তিনবার আলোচনায় বসে উভয় পক্ষ। এবার শেষ দফার আলোচনায় বসছে ঢাকা-ব্রাসেলস।
বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ ও বিকাশের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর নতুন করে ইইউ–বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। ব্রাসেলসে ওই অনুষ্ঠানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন উপস্থিত ছিলেন।
তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে পিসিএ চুক্তির খসড়া ব্রাসেলস থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এই চুক্তির আইনি কাঠামো নির্ধারণ করা হয় মানবাধিকার-বিষয়ক। চুক্তিতে সংযুক্তি, প্রতিরক্ষা, অন্তর্জাল নিরাপত্তা কাঠামোতে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার মতো উপাদান রয়েছে।
অর্থনীতি
বছরের প্রথম পাঁচদিনে রেমিট্যান্স এলো ৭ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা
চলতি জানুয়ারির প্রথম পাঁচদিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ৬০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) সাত হাজার ৩৬৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
আরিফ হোসেন খান জানান, গত বছরের জানুয়ারি প্রথম পাঁচদিনে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২ শতাংশ। অন্যদিকে, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৮৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত বছরের ১ জুলাই থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এই প্রবাসী আয় এসেছিল এক হাজার ৪১৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
অর্থনীতি
বাড়ি কিনতে মিলবে চার কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ
নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি এবং রিয়েল এস্টেট খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবাসন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করে ভোক্তা ঋণ সংক্রান্ত প্রুডেনশিয়াল রেগুলেশনের ২৩ নম্বর বিধি সংশোধন করেছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, কোনো একক গ্রাহককে ব্যাংক সর্বোচ্চ কত টাকা আবাসন ঋণ দিতে পারবে, তা এখন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিদ্যমান আবাসন ঋণ পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার সক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়- যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত (খেলাপি) আবাসন ঋণ ৫ শতাংশ বা তার কম, তারা সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত আবাসন ঋণ ৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশের মধ্যে, তারা সর্বোচ্চ ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ অনুমোদন করতে পারবে। আর যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত আবাসন ঋণ ১০ শতাংশের বেশি, তারা সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আবাসন ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঋণ-ইক্যুইটি অনুপাত ৭০:৩০ অপরিবর্তিত রেখেছে। পাশাপাশি, ব্যাংকগুলোকে কঠোরভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে-ঋণগ্রহীতার অবশ্যই নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত নিট নগদ আয় থাকতে হবে, তা নিশ্চিত করতে হবে। ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এ নীতিমালা ২০০৪ ও ২০১৯ সালে জারিকৃত পূর্ববর্তী নির্দেশনাগুলোকে প্রতিস্থাপন করবে।
তবে আবাসন ঋণের সীমা সংশোধন করা হলেও ভোক্তা ঋণসংক্রান্ত অন্যান্য বিদ্যমান নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় চাপের মুখে থাকা সম্ভাব্য গৃহমালিকরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণের হার কম রাখতে এ নীতিগত পরিবর্তন ব্যাংকগুলোকেও উৎসাহিত করবে।
অর্থনীতি
রপ্তানি ডকুমেন্ট অনলাইনে জমার অনুমতি দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক
রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে ডকুমেন্টারি কালেকশন ব্যবস্থার আওতায় রপ্তানি ডকুমেন্ট অনলাইনে জমা ও প্রক্রিয়াকরণের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ব্যাংকের মাধ্যমে রপ্তানি সংক্রান্ত কাজগুলো এখন ডিজিটালভাবে সম্পন্ন করা যাবে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, ট্রেড ফাইন্যান্স ব্যবস্থাকে আধুনিক করা এবং রফতানি কার্যক্রমে গতি আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের চলমান ডিজিটাল কার্যক্রমের সঙ্গে রফতানি প্রক্রিয়াকে সমন্বয় করাও এর লক্ষ্য।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো ইউনিফর্ম রুলস ফর কালেকশন (ইউআরসি) এবং এর ইলেকট্রনিক প্রেজেন্টেশন সংক্রান্ত সম্পূরক ই-ইউআরসি অনুসরণ করে ডকুমেন্ট এগেইনস্ট পেমেন্ট (ডিপি) ও ডকুমেন্ট এগেইনস্ট অ্যাকসেপ্টেন্স (ডিএ)—উভয় ক্ষেত্রেই নিরাপদ ব্যাংক-টু-ব্যাংক ইলেকট্রনিক চ্যানেলের মাধ্যমে রফতানি ডকুমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ করতে পারবে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়াকরণ স্থানীয় ও বিদেশি ব্যাংকের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ডকুমেন্টের ফরম্যাট ও উপস্থাপনের স্থান নির্ধারণসহ বিক্রয় চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে যে ডকুমেন্টারি কালেকশন ই-ইউআরসি কাঠামোর আওতায় ইলেকট্রনিকভাবে পরিচালিত হবে।
আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য হলে ইলেকট্রনিক ট্রান্সফারেবল রেকর্ডসের মাধ্যমে সব ডকুমেন্ট ইলেকট্রনিকভাবে উপস্থাপন করা যাবে। তবে যেখানে এ ধরনের রেকর্ডস গ্রহণযোগ্য নয়, সেখানে টাইটেল ও হস্তান্তরযোগ্য ডকুমেন্ট ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাঠাতে হবে; অন্য নথিগুলো ইলেকট্রনিকভাবে পাঠানো যাবে। প্রয়োজনে ব্যাংকগুলো প্রত্যয়িত ইলেকট্রনিক কপিও সরবরাহ করতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক স্বীকৃত ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল স্বাক্ষর, ডিজিটাল সাউন্ড অ্যান্ডোর্সমেন্ট সার্টিফিকেট বা সুইফট বার্তার মাধ্যমে টাইটেল ডকুমেন্টের ডিজিটাল অ্যান্ডোর্সমেন্টেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এডি ব্যাংকগুলোকে নিরাপদ ট্রান্সমিশন, সঠিক রেকর্ড সংরক্ষণ এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
এব্যবস্থা পর্যায়ক্রমিক ও ঝুঁকিভিত্তিক পদ্ধতিতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু করা যাবে। পাইলট কার্যক্রম শুরু হলে তা বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করতে হবে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগ রপ্তানি প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়াবে এবং বাংলাদেশকে আরও ডিজিটাল ও নিরাপদ ট্রেড ফাইন্যান্স ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।
অর্থনীতি
আরো ২২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
দেশের ১৪ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা, যা কাট-অফ হার হিসেবেও প্রযোজ্য হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত) মোট ৩৫৪ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা প্রায় ৩ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারের সমান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, আজ মঙ্গলবার ১৪টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ২২৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন (২২ কোটি ৩৫ লাখ) মার্কিন ডলার ক্রয় করা হয়েছে।
প্রতি ডলারের বিনিময় হার ও কাট-অফ রেট নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২২ দশমিক ৩০ টাকা। এর ফলে নতুন বছরের (২০২৬) জানুয়ারি মাসে মোট ক্রয় দাঁড়িয়েছে ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ক্রয় হয়েছে তিন হাজার ৫৪৬ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।




