আন্তর্জাতিক
মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে ইরানে দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। ইরানের বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ জানায়, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে তাদের দণ্ড কার্যকর করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্তরা মোসাদের কাছ থেকে স্পর্শকাতর স্থাপনা শনাক্ত করা এবং বিস্ফোরক তৈরির বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।
এছাড়া তারা সামরিক ও সরকারি অবকাঠামোতে অগ্নিসংযোগ করে সেগুলোর ভিডিও মোসাদের কাছে পাঠিয়েছেন বলেও অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর বিনিময়ে তারা ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়েছেন।
তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের নতুন করে তেহরানের দুটি সরকারি অফিস এবং সামরিক কেন্দ্রে হামলার মিশন দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তাদের নেটওয়ার্কের ওপর নজরদারি চালানো হয়।
গত ৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ইরান। পরবর্তীতে ওই বিমানে থাকা এক পাইলট ও ক্রুকে বিশাল অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে নিয়ে আসে মার্কিন সেনাবাহিনীর স্পেশাল ইউনিট।
সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল রোববার (১৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে এমন খবর জানার পর নিজের সহযোগীদের ওপর কয়েক ঘণ্টা ক্ষোভে চিৎকার করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এরপর যখন যুদ্ধবিমানের পাইলট ও ক্রুকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয় তখন ট্রাম্পকে ‘সিচুয়েশন রুম’ থেকে বাইরে রাখা হয় বলে সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন একটি সূত্র। কারণ ট্রাম্পের অধৈর্য্যতা উদ্ধার অভিযানে ব্যাঘাত ঘটাবে বলে ধারণা ছিল তাদের।
সূত্র: তাসনিম নিউজ
আন্তর্জাতিক
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননের ৩৯ গ্রামে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে ইসরাইল
গত সপ্তাহে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননের অন্তত ৩৯টি গ্রামে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী এমন অভিযোগ উঠেছে।
হিজবুল্লাহ-ঘনিষ্ঠ লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরির জ্যেষ্ঠ সহযোগী আলী হাসান খলিল এ তথ্য জানিয়েছেন।
আলী হাসান খলিল বলেন, ইসরাইলি বাহিনীর শক্তিশালী বিস্ফোরণে দক্ষিণ লেবাননের অসংখ্য বেসামরিক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। এই কর্মকাণ্ডকে ‘স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে এসব হামলা চালাচ্ছে। যদিও ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি বর্তমানে কার্যকর রয়েছে, তবে এর মধ্যেই ধ্বংসলীলা অব্যাহত থাকায় ওই অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এই পরিস্থিতিকে যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছে।
সূত্র : আল-জাজিরা
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধের কারণে এশিয়ায় মিত্রদের হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
ইরান যুদ্ধের জেরে এশিয়ায় নিজ বলয় হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বলছে, টালমাটাল জ্বালানি পরিস্থিতি সামাল দিতে মার্কিন মিত্ররা ঝুঁকছে তেহরান ও মস্কোর দিকে। সাত বছরে প্রথমবার ইরানের কাছ থেকে তেল কিনেছে ভারত। ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্সের মতো দেশ জ্বালানির চাহিদা মেটাচ্ছে রাশিয়ার কাছ থেকে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতি অনেক মিত্র দেশকে তাদের থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে।
ইরানে মার্কিন হামলার পর থেকে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে নানা দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে তার বেশিরভাগ বার্তাই ছিল অস্পষ্ট। অনেকের দাবি, যুদ্ধক্ষেত্র ও জ্বালানি সংকট নিয়ে ট্রাম্পের দেয়া বক্তব্য কিংবা সামাজিক মাধ্যমে দেয়া পোস্টে আসল চিত্র ফুটে ওঠেনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেয়া বার্তায় ভরসা না পেয়ে এশিয়ার অনেক নেতা নিজ দেশের তেলের চাহিদা মেটাতে ঝুঁকছে ইরান ও রাশিয়ার দিকে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উঠে আসে এমন তথ্য।
গেল সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার এক বিশেষ দূত পারস্য উপসাগরে আটকে পড়া জাহাজগুলোর বিষয়ে আলোচনা করেন ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে। একইদিন তেল কিনতে মস্কো পৌঁছান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।
এছাড়া পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল কিনেছে ফিলিপিন্স। আর, সাত বছরের মধ্যে প্রথমবার ভারতেও আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের অপরিশোধিত তেল পৌঁছেছে।
নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, এই লেনদেন ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের কোনো ইঙ্গিত না দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বিদেরই সহায়তা করছে।
অনেক বিশ্লেষকের মতে, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতি অনেক দেশকে মার্কিন বলয় থেকে দূরে ঠেলে দিয়ে বিকল্প খুঁজতে বাধ্য করছে। আর এই সংকটে নতুন করে সামনে এসেছে রাশিয়ার ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব।
গত বছর পর্যন্তও এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ও কৌশলগত সহযোগী দেশগুলো পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা মেনে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা এড়িয়ে চলত। জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ আরেক দেশ ইরানের সঙ্গেও তাদের যোগাযোগ ছিল খুব সামান্য। তবে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা বদলে দিয়েছে পুরো দৃশ্যপট।
আন্তর্জাতিক
জ্বালানি সংকট: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোন দেশ কী পদক্ষেপ নিচ্ছে
ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালী ঘিরে অচলাবস্থার জেরে তীব্র জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে বিশ্ব। তেলের দাম বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে দেশগুলো।
বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের ২০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ইরান যুদ্ধের জেরে এই রুটটি কার্যত অচল হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ইন্টারন্যাশনাল অ্যানার্জি এজেন্সি বা আইইএ এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সরবরাহ বিপর্যয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
এই ধাক্কা সামলাতে বিভিন্ন দেশ এ পর্যন্ত নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।
যুক্তরাজ্যে বিদ্যুতের বেশিরভাগই প্রাকৃতিক গ্যাস ও নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদিত হলেও, বৈশ্বিক তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশটিতে পেট্রোলের দাম বেড়েছে। পেট্রোল বিক্রেতারা এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা করলে সরকার ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আয়ারল্যান্ড সরকার ৫০৫ মিলিয়ন ইউরোর সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
জ্বালানি সাশ্রয়ে কার্যকর কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে এশিয়ার দেশগুলো।
থাইল্যান্ডে এসির ব্যবহার কমাতে সরকারি কর্মকর্তাদের জ্যাকেট খুলে অফিস করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি বাঁচাতে বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে ফিলিপিন্স ও মিশর যাতায়াতে চাপ কমাতে কর্মীদের জন্য সপ্তাহে চার দিন অফিস বা বাসা থেকে কাজ করার নীতি গ্রহণ করেছে।
মিয়ানমার ও স্লোভেনিয়ায় ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য জ্বালানি তেলের রেশন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে অনেক দেশ গণপরিবহনকে প্রাধান্য দিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার দুই রাজ্যে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমাতে ট্রেন, বাস ও ফেরিতে চলাচল সম্পূর্ণ বিনামূল্য ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ চীন তাদের বিশাল মজুদ থেকে চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তেল রফতানি আপাতত বন্ধ রেখেছে বেইজিং।
এমএন
আন্তর্জাতিক
জাপানে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প, আঘাত হানতে পারে সুনামি
জাপানের উত্তর উপকূলে আঘাত হেনেছে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। এরপর জাপানের আবহাওয়া সংস্থা সুনামি সতর্কতা জারি করেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) স্থানীয় সময় ৪টা ৫৩ মিনিটে দেশটির উত্তরাঞ্চলের সানকিরু উপকূলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এটি সমুদ্রের তলদেশের ১০ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়।
জাপানি সংবাদমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে অল্প সময়ের মধ্যে ৩ মিটারের বেশি উঁচু সুনামি আঘাত হানতে পারে।
ভূমিকম্পটি এতটাই শক্তিশালী যে এটি কয়েকশ কিলোমিটার দূরে রাজধানী টোকিওতেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের কারণে সেখানকার ওনাগাওয়া পারমাণবিক প্ল্যান্টে কোনো অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে কি না সেটি পরীক্ষা করা হচ্ছে।
যেসব অঞ্চলে সুনামির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে
দেশটির আবহাওয়া সংস্থা উত্তরাঞ্চলের বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে সুনামির সতর্কতা দিয়েছে। যারমধ্যে বিশেষভাবে হোকাইদো এবং ইওয়াতে জেলার কিছু অংশকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এদিকে প্রাথমিক অবস্থায় আবহাওয়া সংস্থা ভূমিকম্পটি ৭ দশমিক ৯ মাত্রার বলে জানিয়েছিল। পরে এটি কমিয়ে ৭ দশমিক ৪ করা হয়।
এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য জানা যায়নি। তবে বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের চেয়ে সম্ভাব্য সুনামির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
তেহরান-ওয়াশিংটন সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন, অগ্রগতি সত্ত্বেও ‘অধরা’ শান্তি
ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে।
ইরানের এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ও দেশটির সংসদ মজলিসে শূরার স্পিকার বাকের কালিবাফ জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হলেও একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে দু’দেশ এখনো ‘অনেক দূরে’ অবস্থান করছে। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে অত্যন্ত গঠনমূলক আলোচনার কথা স্বীকার করলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী নিয়ে তিনি তেহরানকে কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করার সুযোগ দেবেন না।
ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে।
তেহরানের দৃষ্টিতে এই অবরোধ হলো যুদ্ধবিরতির শর্তের সরাসরি লঙ্ঘন। তবে পরিস্থিতির মোড় ঘুরাতে ওয়াশিংটন কিছু নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যা বর্তমানে ইরান সক্রিয়ভাবে পর্যালোচনা করছে।
এই টানাপোড়েন আসলে বিশ্ব রাজনীতির এক জটিল দাবার চাল। হরমুজ প্রণালী হলো আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের ফুসফুস, যা বন্ধ থাকলে পুরো পৃথিবীর তেলের বাজারে ধস নামতে পারে। ইরান এই ভৌগোলিক শক্তিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মার্কিন অবরোধ ভাঙতে চাইছে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন আলোচনার জানালা খোলা রাখার বার্তা দিচ্ছে, কিন্তু একইসাথে তারা তেহরানের ওপর থেকে চাপ কমাতেও নারাজ।
ওয়াশিংটনের নতুন প্রস্তাবগুলো যদি ইরানের অর্থনৈতিক অবরোধের গেরো খুলতে না পারে, তবে আলোচনার এই টেবিলে বসা কেবল কালক্ষেপণ ছাড়া আর কিছু হবে না।
আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন তেহরানের পর্যালোচনার ওপর। শান্তি আলোচনার এই ধীরগতি প্রমাণ করে যে দু’দেশের দীর্ঘদিনের অবিশ্বাসের দেয়াল এখনো কতটা শক্ত। একদিকে সামরিক উত্তজনা আর অন্যদিকে কূটনৈতিক দরকষাকষি- এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে বিশ্ববাসী এখন শান্তির আশায় থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতি বলছে দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য হয়তো আমাদের আরো অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। দু’পক্ষই নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে অনড় থাকায় সামনের দিনগুলোতে এই কূটনৈতিক লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, তাই এখন দেখার বিষয়।



