স্বাস্থ্য
হাম ও উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জন এবং নিশ্চিত হামে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৩ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন। মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের।
স্বাস্থ্য
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩ জন হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি ৬ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ ছিল।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ৩টি শিশুই ঢাকার। অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে বরিশালে ২ জন, ঢাকায় ২ জন, রাজশাহীতে ১ জন এবং সিলেটে ১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে দেশে মোট ২২৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ল্যাবে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৭৬টি শিশুর শরীরে হামের লক্ষণ দেখা দিয়েছে।
অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৪ হাজার ৬৬২টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৩ হাজার ৩৪৮ জন শিশু। তবে আশার কথা হলো, ১৯ হাজার ৯৯১ জন শিশু ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৮৫৬ শিশুর শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
এমএন
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গণবদলি: বাণিজ্য ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ
দেশের স্বাস্থ্য খাতে সাম্প্রতিক সময়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ধারাবাহিক বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে। গত ২০ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত কয়েক দিনের ব্যবধানে একাধিক প্রজ্ঞাপন জারি করে বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকদের বদলি করা হয়েছে।
অধিদপ্তর সূত্রে এসব বদলিকে নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রম বলা হলেও, একাধিক চিকিৎসক এর নেপথ্যে আর্থিক লেনদেন ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তুলেছেন।
চিকিৎসকদের একটি অংশের দাবি, বিশেষ করে এফসিপিএস (ট্রেইনি) চিকিৎসকদের বদলির ক্ষেত্রে বিদ্যমান নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। সাধারণত চার বছরের প্রশিক্ষণ চলাকালে ট্রেইনি চিকিৎসকদের বদলি করা হয় না। তবে সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপনে অনেককে মাঝপথে সরিয়ে দেওয়ায় তাদের প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চিকিৎসক জানান, এই বদলির ফলে তারা পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং এটি ‘হয়রানি’ হিসেবে দেখছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হাসপাতালে একাধিক চিকিৎসককে নতুন করে পদায়ন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার (স্কালবেস নিউরোসার্জারি) ডা. মো. হাবিবুল্লাহকে রাজশাহীর তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহকারী সার্জন হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একইভাবে ইনডোর মেডিকেল অফিসার ডা. সাদী মাসুদ আল তুরাবকে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, নোয়াখালী থেকে প্যাথলজিস্ট মো. ইমাম হোসেনকে ঢাকা মেডিকেলে রেজিস্ট্রার হিসেবে এবং ওএসডিতে থাকা ডা. দেবজ্যোতি মজুমদারকে ইনডোর মেডিকেল অফিসার হিসেবে পদায়ন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগে নতুন করে রেজিস্ট্রার ও সহকারী রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায়ও বদলি হয়েছে একাধিক চিকিৎসকের। নওগাঁর লেকচারার মো. সোলায়মান আলীকে বগুড়ায়, ডা. নিলয় দাসকে মির্জাপুরে এবং ডা. রফিকুজ্জাহার রেজাকে সিরাজগঞ্জে পদায়ন করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা পর্যায়েও পরিবর্তন এসেছে বিভিন্ন জেলায়।
এদিকে, কিছু চিকিৎসক অভিযোগ করেছেন, পূর্ববর্তী সময়ে ঢাকার বাইরে বদলি হওয়া কয়েকজন চিকিৎসককে আবার গুরুত্বপূর্ণ পদে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, আর অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে পোস্টিং পাওয়া কিছু চিকিৎসককে পুনরায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, এতে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে বৈষম্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ঘন ঘন বদলি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বর্তমানে দেশে হামের প্রকোপ থাকায় টিকাদান ও চিকিৎসা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি।
এদিকে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের সকল ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এমন অবস্থায় চিকিৎসকদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বদলি করায় চিকিৎসাসেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, হামের মতো সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে যখন সরকারকে বাড়তি চাপ সামলাতে হচ্ছে, তখন চিকিৎসকদের স্থিতিশীলভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু চলমান বদলি কার্যক্রমের কারণে মাঠপর্যায়ে চিকিৎসাসেবায় সমন্বয়হীনতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরকারের কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী মনে করছেন, এমন সংবেদনশীল সময়ে বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিত না হলে জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে বদলি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকদের একটি অংশ।
এনডিএফ’রএকাধিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বদলির বিষয়টি সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমরা জুলাই আন্দোলনে একসাথে ফ্যাসিস্ট এর বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করে এদেশ কে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেছি। আমরা আশা করব বদলী বা পদায়নের ক্ষেত্রে আমাদের প্রতি কোন রকম অন্যায় বা বৈষম্য করা হবে না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, ‘ট্রেইনিদের বদলির বিষয়টি আজই (সোমবার) আমার দপ্তরে এসেছে। এসব অর্ডার দু-চারদিনের ভিতরে হয়েছে। আমরাই আদেশগুলোতে স্বাক্ষর করেছি। সমস্যা হলো, এগুলোর অধিকাংশই এফসিপিএস ট্রেইনি। এই পদে যোগদানকারীরা ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে নয় বরং নিয়মিত হিসেবে করে। আদেশগুলো পুনর্বিবেচনার জন্য নথিতে তুলতে বলেছি। যাদের প্রশিক্ষণই সম্পন্ন হয়নি, তাদেরকে অন্যত্র দিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে ট্রেইনি বিবেচনা হবেনা এমন জায়গায় বদলি হলে সেটির বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আর যেখানে হলে সমস্যা হবেনা সেখানে সেভাবেই থাকবে। আমি তো জেনেশুনে কারো ক্যারিয়ার নষ্ট করতে পারিনা।’
তবে রাজনৈতিক বদলির বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। জাহিদ রায়হান বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ পদে হয়তো দু-একটি পদে বদলির ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো বদলি হয়নি।’
এমএন
স্বাস্থ্য
হাম ও হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আর ১ হাজার ৩৫৮ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট বিভাগে একজন করে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে সিলেট বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৯০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরো ১ হাজার ৩৫৮ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে সোমবার পর্যন্ত মোট ৩৩ হাজার ৩৮৬ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।
এমএন
স্বাস্থ্য
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
দেশে হামের প্রকোপ কমছেই না। গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে সাতজন।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, এক দিনে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ৪২১ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হয়েছে ১৪৩ জন রোগী।
হাম পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ২৮ জন এবং হামে আক্রান্ত হয়ে সন্দেহজনক মৃত্যু হয়েছে ২১৬ জনের। এর মধ্যে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা ৪৩।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ঢাকা বিভাগে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। শনাক্তের দিক থেকে ঢাকার পরেই রয়েছে রাজশাহী এবং চট্টগ্রাম।
এমএন
স্বাস্থ্য
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৭০ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ২ জন ছাড়াও চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে ১ জন করে মোট ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে ঢাকা বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১২৫ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরো ১ হাজার ১৭০ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ৩৩৪ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৪ হাজার ৫৯ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১৮ হাজার ৮৪৫ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৫ হাজার ৭২৮ জন শিশু।
এমএন



