রাজনীতি
যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজার আহ্বান জামায়াত আমিরের
এই মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইরানে সম্প্রতি আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের কারণে এ অঞ্চলে যে ভয়াবহ অবস্থার উদ্ভব ঘটেছে, তা ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলকেই নয়, গোটা বিশ্বকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে। কার্যত এ যুদ্ধাবস্থার কারণে সারা বিশ্বের অর্থনীতি ও জ্বালানিপ্রবাহ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়।’
‘জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই জনজীবনে দারুণ সমস্যা তৈরি হয়েছে। কয়েকদিন ঈদ ও রোজা উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটির পর আগামী ২৯ মার্চ থেকে অফিস-আদালত, কলকারখানাসহ যাবতীয় বিষয় পূর্ণরূপে কার্যকারিতায় আসবে। সেক্ষেত্রে সংকট আরও মারাত্মকভাবে দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি সংগ্রহের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এক বিরক্তিকর ভোগান্তির মুখে পড়েছে জনগণ।’
তিনি লেখেন, ‘জ্বালানি সংকট শুধু যানবাহন চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি কলকারখানা, কৃষি ও উৎপাদনমূলক সকল কাজে প্রভাব ফেলবে। এমনকি বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হলে ইন্টারনেটের গতিপ্রকৃতিও ঝুঁকিতে পড়বে।’
‘এ অবস্থায় আমরা যুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল পক্ষকে এই মুহূর্তে যুদ্ধ বন্ধ করে, কোনো সমস্যা থাকলে তা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানাচ্ছি। মনে রাখবেন, আপনাদের এই যুদ্ধের দাবানল বিশ্বের শতশত কোটি মানুষের যন্ত্রণা ও দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দয়া করে বিশ্ববাসীকে আর কষ্ট দেবেন না।’
রাজনীতি
মহান স্বাধীনতা দিবসে পল্টন থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়োতে ইসলামী পল্টন থানার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে আয়োজিত এ সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. হেলাল উদ্দিন। পল্টন থানা আমীর অ্যাডভোকেট মারুফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমদ খান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা সহকারী সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, পল্টন থানা কর্মপরিষদ সদস্য আ. ফ. ম ইউসুফ, শামীম হাসনাইন, সাইয়েদ মুহাম্মদ জুবায়ের, আব্দুল মতিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড হেলাল উদ্দিন বলেন, যখন শাসক গোষ্ঠী জনগণকে শোষণ করে, জনগণের মতের বিপক্ষে গিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করার চেষ্টা করে তখনই জাতি বিপ্লবের পথ বেছে নেয়, নিতে বাধ্য হয়। তিনি বলেন, স্বাধীনতা মানে কেবল একটি ভূখন্ড নয়, একটি পতাকা নয়, একটি মানচিত্র নয়। কোনো জাতির অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সমস্ত মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হওয়াকেই স্বাধীনতা বলা হয়।
তিনি আরও বলেন, যেই স্বাধীনতার স্বপ্ন বাংলাদেশের জনগণ দেখেছে সেই স্বপ্ন আজও বাস্তবায়ন হয়নি। একাত্তরের চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় চব্বিশের বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনায় জাতি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের শপথ নিয়েছে, স্বপ্ন বুনেছে। জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। জাতিকে রাজনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে না দিয়ে গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ আদেশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
রাজনীতি
২০২৯ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে ‘ডিপ স্টেট’ স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল
অন্তর্বর্তী সরকার যেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারে, ‘ডিপ স্টেট’ তেমন একটা স্ট্র্যাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন অর্ন্তবর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এনসিপি আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা যখন সরকারের দায়িত্বে ছিলাম, শুরুর দিকে আমাদেরকে বিভিন্ন শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন, যাদেরকে আসলে ‘ডিপ স্টেট’ বলা হয়, তাদের কাছ থেকে আমাদের অফার করা হয়েছিল, আপনারা শেখ হাসিনার যে মেয়াদ আছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত, সেটি আপনারা শেষ করুন। আপনারা শেষ করুন, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।
তিনি বলেন, তাদের নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ছিল, কিছু কিছু জায়গায় তাদেরকে ফ্যাসিলিটেট করা। তারা রোড ম্যাপও করে নিয়ে এসেছিল যে, বিএনপির নেতাদের তো সাজা আছে, সাজা থাকলে সাধারণভাবে নির্বাচন দিলেও তারা নির্বাচন করতে পারবে না, তাদের সাজাগুলো ইয়ে না করে (বাতিল না করে) আদালতের মাধ্যমে এগুলো দীর্ঘ করে, আপনারা তো জানেন সেটা কীভাবে করা যায়, আদালতের ডেট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে। তারেক রহমানের নিজের নামে সাজা ছিল। তিনি যদি সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকতেন, নির্বাচন হলেও তিনি বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারতেন না। তারা পুরো স্ট্র্যাটেজি আমাদেরকে সাজিয়ে দিয়েছিল, কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায় তাদের সঙ্গে এক ধরনের নেগোসিয়েশন বা সমঝোতার ভিত্তিতে। আমরা কিন্তু সেটাতে সায় দিইনি।
সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা সবসময় গণতন্ত্রকে সামনে রেখেছি এবং সেটার প্রতি কমিটমেন্ট সরকারের ছিল বলেই নির্বাচনটা হয়েছে। নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেজন্য নিজেরা আগবাড়িয়ে পদত্যাগ করে চলে এসেছি। কিন্তু আমরা দেখলাম, বিগত সরকারের দুজন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি সরকারের মন্ত্রী পদমর্যাদায় আছেন। যদিও এই সরকারি দলই সেই সময় আমাদের পদত্যাগ চেয়েছিল। তখন নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরির এক ধরনের যুক্তি দাঁড় করানো হয়েছিল। কিন্তু তারাই এখন একই কাজ করল। আগের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুজন দায়িত্বশীলকে তাদের সরকারের মন্ত্রী হিসেবে নিলো।
তিনি আরও বলেন, এতে বোঝা যায়, তারা এই নির্বাচনের লেভেল প্লেইং ফিল্ডকে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সুবিধা পাওয়ার জন্য এই মানুষগুলোকে, যাদেরকে তারা এখন পুরস্কৃত করেছে, তাদেরকে ব্যবহার করেছে। এই যে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলা হচ্ছে। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার ন্যারেটিভ তখন আমাদের পক্ষে উৎপাদিত হতো। ডিপ স্টেট, এজেন্সি যদি সঙ্গে থাকত, তাহলে তো সবাই বলতে পারত, সংবিধান অনুযায়ী ২৯ সালে নির্বাচন হওয়া উচিত, তাহলে সরকার থাক ২৯ সাল পর্যন্ত। আমরা সেই সমঝোতা করি নাই।
রাজনীতি
স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের শ্রদ্ধা
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের স্মরণে দোয়া করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন— জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, জামায়াত সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।
রাজনীতি
স্বাধীনতার ৫০ বছরে বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি : জামায়াত আমির
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামি জনতা দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তৎকালীন শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রত্যাশা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। ক্ষুধা-দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসন মুক্ত একটি দেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এবং লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। তবে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
বুধবার (২৫ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেইজে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার জুলাই গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মানুষ মুক্তি লাভ করেছে। দেশে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। দেশবাসীর প্রত্যাশা, এমন পরিস্থিতিতে কেউ আর নতুন করে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার দুঃসাহস দেখাবে না।
দেশের মানুষ ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে চলাফেরা করতে পারবে, কথা বলতে পারবে। মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ ও বৈষম্য থাকবে না। নাগরিকরা জানমাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা ভোগ করবে। দেশে ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত হবে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছে এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ নাগরিক ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না। অবিলম্বে সরকারকে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা মহান স্বাধীনতা দিবসে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে স্মরণ করছি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ঐ সমস্ত জনতাকে যাদের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করেছে। আমরা আরও স্মরণ করছি ২০২৪ এর জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনের সকল শহীদদের এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের। আমরা সকল শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
ড. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধ চলমান। সারা দুনিয়া এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। মানবতা আজ হুমকির সম্মুখীন। এমন সংকটময় মুহূর্তে আমি মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি এবং মহান আল্লাহর কাছে দেশবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।
রাজনীতি
স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরি: চরমোনাই পীর
স্বাধীনতাকে অর্থবহ ও কার্যকর করতে রাষ্ট্রের নীতিগত ও পদ্ধতিগত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।
৫৬তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তন না করে কেবল ব্যক্তি ও শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন হলে স্বাধীনতা কেবল কাগুজে স্বাধীনতায় পরিণত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীকালেও দেশে সংবিধান মেনে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দুঃখজনক দৃষ্টান্ত রয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও হতাহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সেইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধেরসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।
তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার একটি রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই স্বৈরাচারকে উৎখাত করা হয়েছে। তবে স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপ নিশ্চিত করার জন্য রাজনৈতিক দলসমূহের প্রস্তাবিত ও গণভোটের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত সংস্কারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
আজকের এই স্বাধীনতা দিবসে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে গণভোটে অনুমোদিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করুন।



