আন্তর্জাতিক
ইরানে যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র হারিয়েছে ১৬ এয়ারক্রাফট
দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এ যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে পা দিয়েছে। এরমধ্যে ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে মার্কিন ও ইসরায়েলিরা।
তবে যুক্তরাষ্ট্রও এ যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম ব্লুমাবার্গ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৬টি এয়ারক্রাফট হারিয়েছে। যার মধ্যে ১০টি হলো অত্যন্ত দামি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। আর বাকি ছয়টি বিমান। যারমধ্যে যুদ্ধবিমান ছাড়াও রিফুয়েলিং বিমান আছে।
ব্লুমবার্গ বলেছে, সবচেয়ে বড় ক্ষতিটি হয়েছে কুয়েতে। সেখানে একসঙ্গে তাদের তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। যেগুলো ভুলক্রমে মাটিতে নামিয়ে আনে কুয়েতি সেনারাই।
এর কয়েকদিন পর ইরাকের আকাশসীমায় বিধ্বস্ত হয় কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান। এতে ওই বিমানে থাকা ছয় মার্কিন সেনাই নিহত হন।
এছাড়া সৌদি আরবের একটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ইরান একসঙ্গে পাঁচটি রিফুয়েলিং বিমান ধ্বংস করে দেয়।
এরমধ্যে গতকাল ইরান মার্কিনিদের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ বিমানে হিট করে। যদিও বিমানটির পাইলট এটি দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে নিয়ে এসে জরুরি অবতরণ করান। কিন্তু এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যা নির্দেশ করছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো সক্রিয় রয়েছে।
মার্কিন সেনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো ইরানে তাদের বিমানবাহিনী কর্তৃত্ব স্থাপন করতে পারেনি। এখন পর্যন্ত তেহরানের স্থানীয় কিছু জায়গায় তারা কর্তৃত্ব স্থাপন করেছে। যেখানে গিয়ে তারা হামলা চালাতে পারে।
সূত্র: ব্লুমবার্গ
আন্তর্জাতিক
ইরানের প্রধান গ্যাস ফিল্ডে ইসরায়েল আর হামলা চালাবে না
ইরানের প্রধান গ্যাস ফিল্ড সাউথ পার্স লক্ষ্য করে ইসরায়েল আর হামলা চালাবে না বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরশুদিন ইরানের গ্যাস ফিল্ডে একক সিদ্ধান্তে তারা হামলা চালিয়েছেন বলেও জানান নেতানিয়াহু।
এছাড়া ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন এ দখলদার। কিন্তু এটি কাজে দেবে না।
নেতানিয়াহু গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “ইরানের শাসকগোষ্ঠী হরমুজ প্রণালীর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথ বন্ধ করে দিয়ে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাদের এই চেষ্টা সফল হবে না।”
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েল এ যুদ্ধে টেনে আনেনি বলে দাবি করেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ট্রাম্পই তাকে এক বছর আগে বলেছিলেন ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে সেটি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।
সূত্র: আলজাজিরা
আন্তর্জাতিক
কাতারের গ্যাসক্ষেত্রে হামলার পর বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি
ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামোতে ইরানের হামলার পর বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম প্রতি ব্যারেল ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে; যা গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে গ্যাসের দামও ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে জ্বালানির দাম আরও ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
তেল বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভান্দা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হরি আল জাজিরাকে বলেন, ওমান ও দুবাইয়ের মতো মধ্যপ্রাচ্যের বেঞ্চমার্ক অপরিশোধিত তেলের দাম এরই মধ্যে ১৫০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। ফলে ব্রেন্ট এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের ক্ষেত্রে না হলেও, অন্যান্য তেলের দাম ২০০ ডলার হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তিনি বলেন, অশোধিত তেলের দাম এখান থেকে আর কতটুকু বাড়বে, তা প্রায় সম্পূর্ণ নির্ভর করছে হরমুজ প্রণাণি আর কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর।
মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামো ও কাতারের প্রধান গ্যাসক্ষেত্রে নতুন করে হামলার ঘটনায় ইউরোপে গ্যাসের দাম ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইরানের হামলার পর বৃহস্পতিবার ইউরোপের বাজারে গ্যাসের দামে ওই উল্লম্ফন দেখা গেছে।
ইউরোপীয় বেঞ্চমার্ক হিসেবে বিবেচিত ডাচ টিটিএফ প্রাকৃতিক গ্যাসের চুক্তিমূল্য বৃহস্পতিবার একপর্যায়ে লাফিয়ে ৭৪ ইউরোতে গিয়ে ঠেকেছে। যদিও পরবর্তীতে এই দাম কিছুটা কমেছে।
ইরানের দুই দফা হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ক্ষেত্র কাতারের রাস লাফানের ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। এ ঘটনার ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্র: এএফপি, আল জাজিরা
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরানি রাষ্ট্রনেতাদের হত্যা এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অগ্রহণযোগ্য : চীন
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানির নিহত হওয়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে চীন। আজ বৃহস্পতিবার চীন এ ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যা দিয়েছে। বেইজিং ইরানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হলেও মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে তেহরানের হামলারও সমালোচনা করেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের নিহত হওয়ার পর থেকে লারিজানিই ছিলেন নিহত হওয়া সবচেয়ে হাই প্রোফাইল ইরানি নেতা।
লারিজানির মৃত্যু সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সম্পর্কে সবসময় শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করে এসেছি। ইরানি রাষ্ট্রনেতাদের হত্যা এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা আরো বেশি অগ্রহণযোগ্য।’
লিন বলেন, ‘চীন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানাচ্ছে।’ বেইজিং এই যুদ্ধে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত তাদের বিশেষ দূত ঝাই জুন এই মাসে অঞ্চলটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
লিন বলেন, ‘ঝাই তার সফরকালে জোর দিয়ে বলেছেন, অসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করা উচিত নয় এবং নৌপথের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা উচিত নয়।’ চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জানিয়েছে, বেইজিং ইরান, লেবানন, জর্দান এবং ইরাককে মানবিক সহায়তা প্রদান করবে।
সূত্র : আলঅ্যারাবিয়া।
আন্তর্জাতিক
ইরানকে কড়া সতর্কবার্তা সৌদির
সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ ইরানকে সতর্ক করেছে। তিনি তার দেশ এবং প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর তাদের হামলা সহ্য করবেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি তেহরানকে অবিলম্বে তাদের কৌশল ফের বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ভোরে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানকে সতর্ক করে বলেন, সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোর উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা ও সামর্থ্য রয়েছে। তারা ইচ্ছা করলে তা কাজে লাগাতে পারে।
সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলার জন্য ইরান তাদের কৌশল আগে থেকেই সতর্কভাবে পরিকল্পনা করেছিল, যদিও তেহরানের কূটনীতিকরা তা অস্বীকার করে আসছেন।
প্রিন্স ফয়সাল বলেন, কিছু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের নিখুঁততা দেখে বোঝা যায়, এটি আগে থেকেই ভালোভাবে পরিকল্পনা করা ছিল এবং এতে শুধু প্রতিবেশী দেশ নয়, সৌদি আরবও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তিনি আরো বলেন, ‘সৌদি আরব কিভাবে আত্মরক্ষা করবে, তা আমি এখন বলতে চাই না। কারণ ইরানকে আগাম বার্তা দেওয়া ঠিক হবে না। কিন্তু আমি মনে করি, ইরানিদের এটা বোঝা জরুরি যে সৌদি আরব এবং আক্রান্ত দেশগুলোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা ও সামর্থ্য রয়েছে। তারা চাইলে কাজে তা লাগাতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘যে ধৈর্য প্রদর্শন করা হচ্ছে তা অসীম নয়। ইরানিদের হাতে এক দিন, দুই দিন, নাকি এক সপ্তাহ সময় আছে? আমি সেই ইঙ্গিত দিতে যাচ্ছি না। আমি আশা করব, তারা আজকের বৈঠকের বার্তাটি বুঝবে এবং দ্রুত নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে প্রতিবেশীদের ওপর হামলা বন্ধ করবে। কিন্তু তাদের সেই ইচ্ছা আছে কি না, সে বিষয়ে আমি সন্দিহান।’
সৌদি রাজধানীতে দিনের শুরুতে আরব ও ইসলামী দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকের পর যুবরাজ ফয়সাল এই সতর্কবার্তা দেন। এই বৈঠকে অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে বুধবার উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে ইরান হামলা চালায়। এর মধ্যে কাতারের রাস লাফান গ্যাস স্থাপনাও রয়েছে। সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাবশান গ্যাস স্থাপনাও রয়েছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাস লাফান শিল্প শহরকে লক্ষ্য করে চালানো ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছে। কাতারের রাজধানী দোহা থেকে ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই শিল্প শহরটি বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন কেন্দ্র। বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ উৎপাদন করে এটি।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর আগে সতর্ক করেছিল, ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটির বিশাল অফশোর সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত স্থাপনাগুলো হামলার শিকার হয়েছে। এই গ্যাসক্ষেত্রটি দক্ষিণ ইরানের বুশেহর প্রদেশের উপকূলে অবস্থিত।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও বুধবার জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোড়া চারটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলের দিকে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৭টি ড্রোন মোকাবেলা করেছে।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, যদিও যুদ্ধ একদিন শেষ হবে তবে, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করতে আরো অনেক বেশি সময় লাগবে। কারণ তেহরানের প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কৌশলের কারণে বিশ্বাস সম্পূর্ণরূপে ভেঙে গেছে।
তিনি বলেন, ‘এটি কোনো হঠাৎ পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া নয়। ইরান আগে থেকেই তাদের যুদ্ধ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্য করছে, যাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ওপর চাপ তৈরি করা যায়।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই যুদ্ধ শেষ হলেও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে অনেক সময় লাগবে। আর যদি ইরান এখনই এসব বন্ধ না করে, তাহলে সেই বিশ্বাস আবার গড়ে তোলা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে।’
সূত্র : আলজাজিরা।
আন্তর্জাতিক
মার্কিন হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরব আমিরাতের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের
ইরানের ওপর মার্কিন হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান। এ বিষয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি, জাতিসংঘের মহাসচিবকে একটি চিঠি লিখে এই ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন।
ইরানের নুরনিউজের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, চিঠিতে ইরাভানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জন্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ‘একটি আন্তর্জাতিকভাবে অন্যায় কাজ করেছে, যার জন্য তাদের রাষ্ট্র দায়ী’।
তিনি আরও দাবি করেন যে, হামলার ঘটনায় সংঘটিত সকল বস্তুগত ও নৈতিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণসহ প্রতিকার প্রদানের আন্তর্জাতিক দায়িত্ব সংযুক্ত আরব আমিরাতের রয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানে একযোগে হামলা চালায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। এতে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ শতাধিক মানুষ নিহত হন।
এরপর থেকে বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় রাষ্ট্রে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলের স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের প্রতিশোধমূলক হামলা অব্যাহত রয়েছে। এই হামলাগুলোর প্রধান শিকার হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।




