আন্তর্জাতিক
কাতারের সবচেয়ে বড় শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা
ইরানের হামলার কারণে শিল্পাঞ্চলে আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে তারা এক বিবৃতিতে বলেছে, রাস লাফফান শিল্পাঞ্চলে লাগা আগুন নেভাতে কাজ করছে জরুরি পরিষেবা সংস্থার সদস্যরা।
তবে ইরানের এ হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এর আগে কাতার বলেছিল লাস রাফফানের গ্যাস অবকাঠামোতে হামলার ফলে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা পরে দেশটি জানিয়েছে, ওই শিল্পাঞ্চলে আগুন লেগেছে। যা নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।
সূত্র: আলজাজিরা
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধের জন্য ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাজেট চায় পেন্টাগন
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেন্টাগন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ২০০ বিলিয়ন ডলারের (১৫১ বিলিয়ন পাউন্ড) বেশি অর্থায়নের অনুমোদন দিতে হোয়াইট হাউসকে অনুরোধ করেছে। তবে এটি এখনও কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করছে।
ডিসেম্বরে আইনপ্রণেতারা এই বছর মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যয়ের জন্য রেকর্ড ৯০১ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন করেছেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরো বেশি অর্থ চেয়ে আসছেন। ট্রাম্পের ভাষায় অত্যন্ত সংকটময় ও বিপজ্জনক সময় মোকাবেলার জন্য ২০২৭ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে অর্থায়ন অবশ্যই ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে হবে।
জানুয়ারিতে ট্রাম্প বলেছিলেন, এই বৃহত্তর বাজেট যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ‘স্বপ্নের সামরিক বাহিনী’ গড়তে সাহায্য করবে এবং দেশকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখবে। এখন পর্যন্ত এই যুদ্ধের ব্যয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ইরানের ওপর হামলার প্রথম সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।
সূত্র : বিবিসি
আন্তর্জাতিক
বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রে হামলার পর তেলের দাম ১১০ ডলার ছাড়িয়েছে
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের একটি স্থাপনায় বিমান হামলার খবর ইরানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১১০ ডলার (৮২.৭৮ পাউন্ড) ছাড়িয়ে যায়।
ইরান ও কাতারের যৌথ মালিকানাধীন সাউথ পার্স বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র। এটি ইরানের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস এবং কাতারের আন্তর্জাতিক এলএনজি রপ্তানির মূল কেন্দ্র।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোরে তাদের একাধিক এলএনজি স্থাপনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এতে বড় ধরনের আগুন লেগেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এশিয়ার বাজার খোলার শুরুতেই ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের সূচক মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১১২ ডলারে পৌঁছায়, যা মঙ্গলবারের তুলনায় ৫ শতাংশেরও বেশি। তবে পরে দাম কিছুটা কমে আসে। একইভাবে যুক্তরাজ্যের গ্যাসের বেঞ্চমার্ক মূল্যও ৬ শতাংশ বেড়ে ১৪৩.৫৩ পেন্সে উঠেছিল, পরে তা কমে প্রায় ১৪০ পেন্সের কাছাকাছি নেমে আসে। কাঁচামাল বা পণ্যের আন্তর্জাতিক বা স্থানীয় বাজারে আমদানির ক্ষেত্রে বা রপ্তানির সময় বেঞ্চমার্ক মূল্যকে প্রধান বিবেচ্য হিসেবে ধরা হয়।
ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে হামলার খবর প্রকাশের পরই এই মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়। এর কয়েক ঘণ্টা পর কাতার জানায়, ইরানের হুমকির প্রেক্ষিতে রাস লাফান শিল্প এলাকায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে এজে বেল-এর আর্থিক বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান ড্যানি হিউসন বলেছেন, ‘ইরানের হামলা পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত করেছে, ফলে তেলের দাম নতুন করে বেড়েছে।’ তিনি আরা বলেন, ‘হরমুজ প্রণালির অবরোধের কোনো সমাধান এই মুহূর্তে বেশ সুদূরপ্রসারী বলে মনে হচ্ছে এবং যতক্ষণ না এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হচ্ছে, জ্বালানি বাজার সম্ভবত অস্থিতিশীল থাকবে।’
বুধবার হোয়াইট হাউস ক্রমবর্ধমান তেলের দামের প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে, তারা জোনস অ্যাক্ট স্থগিত করছে। এটি ১৯২০ সালের একটি আইন। এই আইনের অধীনে মার্কিন বন্দরগুলোর মধ্যে পণ্য পরিবহনের জন্য শুধুমাত্র আমেরিকায় তৈরি জাহাজ ব্যবহার করা যাবে।
মার্কিন প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেছেন, ‘জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে উৎসাহিত করার উদ্দেশে প্রণীত এই নিয়মের ৬০ দিনের এই শিথিলতা তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, সার এবং কয়লার মতো অত্যাবশ্যকীয় সম্পদের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করবে। কারণ এখন থেকে আমেরিকায় তৈরি নয় এমন জাহাজও ব্যবহার করা যাবে ‘
তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্লেষকরা বলেছে, এর প্রভাব হবে নগণ্য এবং তারা উল্লেখ করেছে, পাম্পে তেলের দাম বাড়ার পেছনে জাহাজীকরণ খরচ নয়, বরং তেলের দাম বৃদ্ধিই দায়ী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দামের চাপ কমাতে বিশ্বনেতাদের আগের প্রচেষ্টাগুলো তেলের দাম কমাতে তেমন কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। যার মধ্যে অভূতপূর্ব পরিমাণে তেলের মজুদ ছাড়াও ছিল।
এদিকে, অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে ইরান ইরাকে গ্যাস সরবরাহ স্থগিত করেছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন ইরাকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের গ্যাস সরবরাহের সিংহভাগ, প্রায় ৯৪ শতাংশ দেশের ভেতরেই ব্যবহৃত হয়।
সূত্র : বিবিসি
আন্তর্জাতিক
ঈদের আগে ইরানের বিরুদ্ধে বড় সিদ্ধান্ত নিল কাতার
কাতারের প্রধান গ্যাস স্থাপনা রাস লাফানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনার পর বেশ ক্ষুব্ধ কাতার। এ ব্যাপারে দোহা বলেছে, ‘এ ধরনের হামলা সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার ওপর আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।’ শুধু তাই নয়, ইরানের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক অবস্থানও কঠোর করেছে কাতার।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটি ইরানের নিরাপত্তা ও সামরিক ‘অ্যাটাশে’দের অবিলম্বে কাতার ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। কূটনৈতিক ভাষায় ‘অ্যাটাশে’ বলতে সাধারণত দূতাবাসে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ বা প্রতিনিধিকে বোঝায়। একে ‘সামরিক বা নিরাপত্তা প্রতিনিধি’ বা ‘সংযুক্ত কর্মকর্তা’ বলা যেতে পারে। অপরদিকে রিয়াদ বলছে, ‘ইরানের প্রতি যে সামান্য আস্থা অবশিষ্ট ছিল, তা সম্পূর্ণ ভেস্তে গেছে।’
এদিকে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি হত্যার পর দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি হামলাকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে দায়ীদের ‘চরম মূল্য’ দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) তিনি এ বিবৃতি দেন। এর আগে গত সোমবার রাতে তেহরানে ইসরায়েলের হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি তার পুত্রসহ নিহত হন। একই দিন পৃথক হামলায় দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী বাসিজের প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হন। এরপর বিভিন্ন পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি এলেও নীরব ছিলেন খামেনি।
ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। তাতে মোজতবা খামেনি বলেন, লারিজানি একজন ‘বুদ্ধিমান ও অঙ্গীকারবদ্ধ ব্যক্তি’। ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোর এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। এই ধরনের একজন ব্যক্তিত্বের হত্যাকাণ্ড থেকে বোঝা যায়, তিনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ইসলামের শত্রুদের কাছে কতটা ঘৃণ্য ছিলেন। প্রতিটি রক্তের মূল্য রয়েছে, যা এই শহীদদের খুনিদের অচিরেই পরিশোধ করতে হবে।
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের অবরোধ থেকে হরমুজ প্রণালি ‘মুক্ত’ করতে বেশি সময় লাগবে। এমনকি ন্যাটোর সদস্যরাষ্ট্ররা যদি এগিয়ে না ও আসে— সেক্ষেত্রেও অল্প সময়ের মধ্যেই হরমুজ প্রণালীকে ইরানের অবরোধ থেকে ‘উদ্ধার করা’ সম্ভব হবে।
গত মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমার বিশ্বাস, খুব বেশি সময় লাগবে না। আমরা উপকূলে প্রচণ্ড হামলা চালাচ্ছি। মূলত উপকূল আর জলভাগ নিয়েই এই হামলা। এবং এতে খুব বেশি সময় লাগবে না।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধার পর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা দেয়— হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদেশগুলোর জাহাজ চলাচল করলে সেসব জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১৭ দিনে হরমুজ ১২টিরও বেশি জাহাজে হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সমুদ্রে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা।
নিরাপত্তা সংকটের কারণে স্বাভাবিকভাবেই হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে গেছে এবং তার প্রভাবে বাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেল-গ্যাসের দাম।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানি অবরোধে অবসানের জন্য সেখানে সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প এবং কয়েক দিন আগে হরমুজে যুদ্ধজাহাজ ও সেনা পাঠানোর জন্য মিত্র দেশগুলোকে আহ্বান জানান। তবে মিত্ররা তার এ আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে।
তবে সিএনএনকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তবে ইউরোপ এবং এশীয় মিত্ররা সাড়া না দিলেও মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলো তার আহ্বানে সাড়া দিয়েছে। এজন্য মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের প্রশংসা করে তিনি বলেছেন, “ উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং ইসরায়েল— তারা অসাধারন। ইতোমধ্যেই তারা আমাদের খুব সহযোগিতা করেছে।”
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো সিদ্ধান্তে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা ইতোমধ্যে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
গতকাল মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালির তীরে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। এতে হরমুজ প্রণালি এলকায় ইরানের বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গেছে।
সূত্র : সিএনএন
আন্তর্জাতিক
ভেনেজুয়েলাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন। তিনি লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
একটি বেসবল ম্যাচে ভেনেজুয়েলার জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তিনি ভেনেজুয়েলার প্রশংসা করে বলেন, দেশটিতে ভালো কিছু ঘটছে এবং প্রশ্ন তোলেন, ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য হলে কেমন হয়?’
সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের খবরে বলা হয়েছে, ওই ম্যাচে ভেনেজুয়েলা ইতালিকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে ট্রাম্প কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড নিয়েও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন, যা নিয়ে সমালোচনা হয়।
এদিকে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। চলতি বছরের শুরুতে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে এক অভিযানে আটক করা হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বাস্তবে এমন কোনো সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা খুবই কম।




