জাতীয়
চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট স্থগিত, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আল্টিমেটাম
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ এক বিজ্ঞপ্তির ধর্মঘট স্থগিতের বিষয়টি জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজানে পণ্য খালাসের স্বার্থে ধর্মঘট কর্মসূচি সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে বন্দর কর্মচারীদের গ্রেপ্তার, হয়রানিমূলক বদলি, সাময়িক বরখাস্তসহ পাঁচটি সমস্যা সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি আবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ চার দফা দাবিতে টানা ছয়দিন কর্মবিরতি পালন করেন শ্রমিক-কর্মচারিরা। এরপর শুক্র ও শনিবার স্থগিত ছিল কর্মসূচি।
এর মধ্যে ১৫ কর্মচারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পর আবারও কর্মসূচিতে ফিরে আন্দোলনকারীরা। দুদিনের বিরতির পর গতকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আবারও লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দেয় বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। এদিন বন্ধ ছিল বহির্নোঙরের কার্যক্রমও। এতে পুরো বন্দর অচল হয়ে পড়ে।
তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে- এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে লিজ না দেয়ার বিষয়ে সরকার কর্তৃক ঘোষণা দেয়া, বন্দর চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেয়া।
এমএন
জাতীয়
জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে না, নিশ্চিত করলেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে এই মুহূর্তে দাম বাড়ানো কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের। বিশ্বের ৮০টি দেশ জ্বালানি দাম করলেও বাংলাদেশ তা করেনি বলে জানান তিনি। আর এ জন্য প্রতিদিন জ্বালানি খাতে ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) যশোরের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সম্মেলন কক্ষে জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে দুঃস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে এককালীন চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।
ঈদের আগে থেকে জ্বালানির চাহিদা অস্বাভাবিক বেড়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মার্চ মাসে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১২ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা থাকে, সেখানে ঈদের আগে প্রতিদিন ২৪ থেকে ২৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে।
বর্তমানে এপ্রিল মাস পর্যন্ত জ্বালানি চাহিদা নিশ্চিত করা হয়েছে উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, আগামী ৯০ দিনের মজুত নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের অনুমতি পাওয়াকে সরকারের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
আলোচনা শেষে প্রতিমন্ত্রী ১৫৩ জন অসহায় দুঃস্থ মানুষের মাঝে ৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকার চেক বিতরণ করেন।
যশোরের ডিসি মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. হারুন-অর-রশিদ, সহকারী পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুনসহ জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জাতীয়
নিউইয়র্ক বৈঠকে বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস জাতিসংঘ মহাসচিবের
বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের অবিচল সমর্থন ও সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। নিউইয়র্ক সময় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস প্রদান করেন।
বৈঠকে মহাসচিব নবনির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় প্রদানে বাংলাদেশের ধারাবাহিক মানবিক নেতৃত্ব ও উদারতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
বৈঠকে সমসাময়িক বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান বৈশ্বিক তেল সংকটের প্রেক্ষিতে উন্নয়নশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সম্মুখীন চ্যালেঞ্জসমূহ এবং দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর অসম ও বৈষম্যমূলক প্রভাব বিষয়ে আলোকপাত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ড. রহমান মহাসচিবকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। মহাসচিব আমন্ত্রণটি সাদরে গ্রহণ করেন এবং এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
জাতীয়
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব ফাহমিদা আখতার
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফাহমিদা আখতার। বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ফাহমিদা আখতার এর আগে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে এই নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব নাসরীন জাহানকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জাতীয়
জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে জাঁকজমকপূর্ণ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত
দীর্ঘ ১৮ বছর পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকার জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ কুচকাওয়াজ।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দর্শক সারিতে বসে কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা, সশস্ত্র বাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যদের অংশগ্রহণে এই কুচকাওয়াজে জাতীয় ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হয়।
এর আগে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনায় এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশন অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল। কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ও সাভার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এস এম আসাদুল হক। প্যারেড উপ-অধিনায়ক ছিলেন ৭১ মেকানাইজড ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শাফকাত-উল-ইসলাম।
এবারের কুচকাওয়াজে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ২৫টি কন্টিনজেন্ট রাষ্ট্রপতিকে সালাম প্রদান করে। সম্মিলিত যান্ত্রিক বহরের নেতৃত্বে ছিলেন ৯ আর্টিলারি ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনোয়ার উজ জামান। সুসজ্জিত বাহনে চড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রপতিকে সালাম প্রদান এবং সশস্ত্র বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সমরাস্ত্র প্রদর্শনী ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ। এ ছাড়া আর্মি এভিয়েশন, নেভাল এভিয়েশন, বিজিবি এয়ার উইং ও র্যাব ফোর্সেসের ফ্লাইপাস্ট এবং দুঃসাহসিক প্যারা কমান্ডো সদস্যদের ‘ফ্রিফল জাম্প’ কুচকাওয়াজকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
যান্ত্রিক বহরের প্রদর্শনীর পরপরই শুরু হয় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট ও এরোবেটিক ডিসপ্লে, যার নেতৃত্বে ছিলেন এয়ার কমোডর মেহেদী হাসান। কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও সরাসরি সম্প্রচার করে।
মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারসহ রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে স্বাধীনতা দিবসের চেতনা সংবলিত ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়। প্যারেড গ্রাউন্ডে বিভিন্ন বাহিনীর উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ডের ছবিও প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানটি সফল করতে গণপূর্ত অধিদপ্তর, পিডিবি, ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, টিএন্ডটি, ডেসকো, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের বিশেষ সহযোগিতা ছিল।
জাতীয়
বৈশ্বিক দাসত্ব ও শোষণ নির্মূলে জোরালো আহ্বান বাংলাদেশের
দাসত্ব ও নিপীড়ন নির্মূলের জন্য জোরদার বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাস বাণিজ্যের শিকারদের স্মরণে’ আয়োজিত স্মারক সভায় এ আহ্বান জানান।
তিনি দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাস বাণিজ্যের লাখ লাখ শিকারদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করা সাহসী মানুষের অদম্য মানসিকতার প্রশংসা করেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
ড. খলিলুর রহমান জোর দিয়ে বলেন, ট্রান্স-আটলান্টিক দাস বাণিজ্য মানবজাতির ওপর এক স্থায়ী দাগ রেখে গেছে।
দাসত্ব, বর্ণবাদ, গণহত্যা ও সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অটল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের সংবিধান সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ ও বৈষম্য প্রত্যাখ্যান করে এবং শোষিত জনগণের প্রতি দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে।
১৯২৬ সালের দাসত্ব সংক্রান্ত কনভেনশন এবং প্রায় ৮০ বছর আগে গৃহীত মানবাধিকার সনদ দাসত্বকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদিও দাসত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে, এর প্রভাব আজও সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কাঠামোয় বিদ্যমান।
তিনি মানব পাচার প্রতিরোধ, ডিজিটাল ফরেনসিক সমন্বয় এবং দাসত্ব ও দাস বাণিজ্যের মানব ও সভ্যতাগত ক্ষতির বিষয় সম্পর্কে শিক্ষাব্যবস্থা ও সংলাপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একত্রিত হয়ে এমন একটি বিশ্ব গড়ার আহ্বান জানান, যেখানে দাসত্ব, বৈষম্য ও অন্যায়ের কোনো স্থান থাকবে না এবং মানব মর্যাদা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।



