আন্তর্জাতিক
রাশিয়ার পরিবর্তে অন্য দেশ থেকে ভারতকে তেল কেনার প্রস্তাব ট্রাম্পের
রাশিয়ার কাছ থেকে খনিজ তেল কেনার জেরে ভারতের ওপর আরোপিত চড়া শুল্ক কমাতে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আমদানির আহ্বান জানিয়েছেন।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নয়াদিল্লি এই প্রস্তাবে রাজি হলে ভারতীয় পণ্যের ওপর থেকে মার্কিন শুল্ক কমতে পারে এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তিও চূড়ান্ত হতে পারে।
২০২৫ সালে ভেনেজুয়েলা ও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে দুই দফায় ২৫ শতাংশ করে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক ভারতের ওপর আরোপ করে আমেরিকা। এই চড়া শুল্কের প্রভাবে দুই দেশের বাণিজ্যিক লেনদেন দীর্ঘ দিন ধরে তলানিতে ঠেকেছে। মূলত রাশিয়ার তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা কমিয়ে মস্কোর রাজস্ব আয়ে ধাক্কা দেওয়াই ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য, যাতে ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিন অর্থায়ন করতে না পারেন।
যে ভেনেজুয়েলার তেল কেনার কারণে এক সময় শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, এখন সেই দেশ থেকেই তেল কেনার প্রস্তাব দিচ্ছে ওয়াশিংটন। এর নেপথ্যে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। গত ৩ জানুয়ারি মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহণ করার পর দেশটির বিশাল তৈলভান্ডার এখন আমেরিকার পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে। ফলে আমেরিকা এখন চাইছে ভারত রাশিয়ার বদলে তাদের নিয়ন্ত্রিত ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সংগ্রহ করুক।
সূত্র মতে, আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতার পথ প্রশস্ত করতে ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমাতে শুরু করেছে। জানুয়ারি মাসে প্রতিদিন ১২ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল কিনলেও ফেব্রুয়ারি মাসে তা ১০ লক্ষ্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি আগামীতে এই আমদানির পরিমাণ প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ লক্ষ ব্যারেলে নামিয়ে আনা হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে।
যদিও এই কৌশলগত পরিবর্তন বা বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
এমএন
আন্তর্জাতিক
মারাত্মক ধসের মুখে জাতিসংঘ, চাঁদা চাইছেন গুতেরেস
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বকেয়া বার্ষিক চাঁদা ও বিদ্যমান অর্থনৈতিক কাঠামোর কারণে ‘মারাত্মক আর্থিক ধসের’ মুখে পড়েছে জাতিসংঘ। সদ্য বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে পাঠানো এক চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই গুরুতর সংকটের কথা তুলে ধরেছেন।
চিঠিতে গুতেরেস জাতিসংঘের আর্থিক নিয়ম সংস্কারে সম্মত হতে অথবা সময়মতো ও পূর্ণাঙ্গভাবে চাঁদা পরিশোধ করার আহ্বান জানিয়েছেন সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে। চাঁদা না পেলে সংস্থার কার্যক্রম চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে চিঠিতে জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক। খবর আল জাজিরার।
তিনি বলেছেন, চাঁদা দেওয়ার বিষয়টি ‘এখনই নয়তো কখনোই নয়’-এই অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে।
যদিও গুতেরেস কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করেননি তবে বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থায়ন কমানোর কারণে এ সংকট আরও তীব্র হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে জাতিসংঘসহ ৬৬টি সংস্থা থেকে সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে এবং ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন উদ্যোগ চালু করেছে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, সদস্য দেশগুলোর জিডিপি ও অন্যান্য সূচকের ভিত্তিতে বার্ষিক চাঁদা নির্ধারণ করে জাতিসংঘ। মূল বাজেটের ২২ শতাংশ দেয় যুক্তরাষ্ট্র, আর ২০ শতাংশ দেয় চীন। তবে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ রেকর্ড ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার চাঁদা বকেয়া ছিল।
চলতি মাসের শুরুতে জাতিসংঘ ২০২৬ সালের জন্য ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন করে, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ কম। তবুও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে জুলাইয়ের মধ্যেই সংস্থার নগদ অর্থ শেষ হয়ে যেতে পারে।
জাতিসংঘের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে মাত্র ৩৬টি দেশ ২০২৬ সালের নিয়মিত চাঁদা পুরোপুরি পরিশোধ করেছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
নির্বাচন ঘিরে বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ সময় রাজনৈতিক সহিংসতা বা উগ্রপন্থিদের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে জনসমাবেশ, ভোটকেন্দ্র এবং মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে মার্কিন নাগরিকদের রাজনৈতিক বিক্ষোভ ও বড় ধরনের সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতেও যেকোনো সময় সংঘাত বা সহিংসতা দেখা দিতে পারে।
দূতাবাস আরও জানায়, নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে কনস্যুলার সেবা সীমিত থাকবে।
মার্কিন নাগরিকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, বড় ধরনের ভিড় ও বিক্ষোভের স্থান এড়িয়ে চলা, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা, আশপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকা, বাইরে বের হওয়া সীমিত রাখা, জরুরি যোগাযোগের জন্য সবসময় চার্জ দেওয়া মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা এবং যাতায়াতের জন্য বিকল্প রুট নির্ধারণ করে রাখা।
এমএন
আন্তর্জাতিক
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস
আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েই চলেছে স্বর্ণের দাম। এতে একের পর এক সৃষ্টি হচ্ছে নতুন রেকর্ড। দফায় দফায় দাম বেড়ে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বাজারে এক আউন্স সোনার দাম প্রথমবারের মতো ৫ হাজার ৫০০ ডলারে ছাড়িয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারেও। ফলে দেশের বাজারেও হচ্ছে একের পর এক রেকর্ড। এমনকি একদিনেরও কম সময়ের মধ্যে নতুন রেকর্ড হয়েছে সোনার দামে।
সর্বশেষ গত ২৮ জানুয়ারি সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৭ হাজার ৩৪৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৭৮৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ৯৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ৭ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৭৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৩২ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৫ টাকা। দেশের বাজারে এটিই এখনো পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ দামে। বর্তমানে এই দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে।
তবে শিগগির এই রেকর্ড ভেঙে সোনার দামে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে বাজুসের এক সদস্য বলেন, বাংলাদেশে সোনার দাম নির্ধারণের পর বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্সে ৩০০ ডলারের ওপরে বেড়েছে। সুতরাং আবার দেশের বাজারে দাম বাড়াবে এটাই স্বাভাবিক।
এদিকে বিশ্ববাজারের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ২৭ মিনিটের দিকে প্রতি আউন্স সোনার দাম ১০২ দশমিক ৩৫ ডলার বেড়ে ৫ হাজার ৫২২ দশমিক ১৮ ডলারে উঠে এসেছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ১৯৮০ সালে এক আউন্স সোনার দাম ৮৫০ ডলার ছিল। এরপর ২০০৮ সালে এক আউন্স সোনার দাম ৮৬৫ ডলারে ওঠে। তারপর ২০১১ সালে নতুন রেকর্ড গড়ে এক আউন্স সোনার দাম ১ হাজার ৯১৩ ডলার পর্যন্ত উঠে। কয়েক দফায় দাম বেড়ে ২০২৫ সালারের মার্চে এক আউন্স সোনার দাম প্রথমবার ৩ হাজার ডলার স্পর্শ করে।
অবশ্য এই রেকর্ড গড়ে থেমে থাকেনি সোনা। ২০২৫ সালে কয়েক দফায় সোনার সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে প্রতি আউন্স সোনা ৩ হাজার ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ৫০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। অক্টোবর মাসে প্রথমবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে। ২০২৫ সালের শেষদিকে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৫৫০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে।
আর নতুন বছর ২০২৬ সালের শুর থেকেই সোনার দামে ব্যাপক চাঙ্গাভাব দেখা যাচ্ছে। সোনার আউন্স ৪ হাজার ৬০০, ৪ হাজার ৭০০, ৪ হাজার ৮০০, ৪ হাজার ৯০০, ৫ হাজার ডলারের রেকর্ড ভেঙে এখন সাড়ে ৫ হাজার ডলারের ওপরে উঠলো।
এমকে
আন্তর্জাতিক
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের সংসদে শোক প্রস্তাব
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেছে ভারতের রাজ্যসভা।
বুধবার দেশটির সংসদে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। একই প্রস্তাবে রাজ্যসভার সাবেক দুই সদস্য এল গানেসেন ও সুরেশ কালনাদির মৃত্যুতেও শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে।
খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানান ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তাঁর এই অবদান সব সময় স্মরণ করা হবে। নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক বইতে তিনি এ বার্তা লেখেন ও স্বাক্ষর করেন।
রাজনাথ সিং লিখেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানাই। ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদারে তার উল্লেখযোগ্য অবদান সব সময় স্মরণ করা হবে।
এমকে
আন্তর্জাতিক
বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীসহ নিহত ৬
ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারকে বহনকারী একটি বিমান বারামতি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের সময় বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুর্ঘটনায় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ মোট ছয়জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছে পাইলট এবং পাওয়ারের নিরাপত্তা কর্মী।
বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
বিমানটি মুম্বাই থেকে প্রায় এক ঘণ্টা আগে উড্ডয়ন করেছিল এবং বারামতিতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ জনসভায় অংশগ্রহণের জন্য আসছিলেন অজিত পাওয়ার। দুর্ঘটনার সময় বিমানের ধ্বংসাবশেষে আগুন ও ধোঁয়া দেখা গেছে, যা নেভাতে উদ্ধারকর্মীরা তৎপর ছিল। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
জরুরি অবতরণের কারণ এখনো স্পষ্ট নয়, কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে। ৬৬ বছর বয়সী অজিত পাওয়ার ছিলেন একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) সদস্য। তিনি শরদ পাওয়ারের ভাগ্নে এবং লোকসভার সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের চাচাতো ভাই। সংসদের বাজেট অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য শরদ পাওয়ার ও সুপ্রিয়া সুল বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন এবং শীঘ্রই পুনেতে যাওয়ার কথা রয়েছে। এই শোকসন্দেশ মহারাষ্ট্র রাজ্যের রাজনীতিতে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এমকে



