অর্থনীতি
নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে স্মার্টফোন কিনতে ঋণ দিচ্ছে পামপে
দেশের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে স্মার্টফোন কিনতে ঋণ দিচ্ছে নাইজেরিয়া ভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান পামপে লিমিটেড। টেকনো, ইনফিনিক্স ও আইটেল ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন বিক্রিতে ঋণ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। গ্রাহককে সরাসরি টাকা দেবে না। টাকার পরিবর্তে ফোন কিনে দেবে পামপে লিমিটেড।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ জন্য অনুমোদন পেয়েছে পামপে লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিকে এক বছরে ১০ হাজার মুঠোফোন কিনতে ঋণ দেওয়ার লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। পামপে নাইজেরিয়ার সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ব্যাংক। এ ছাড়া একাধিক দেশে তাদের ডিজিটাল ঋণের ব্যবসা রয়েছে।
বাংলাদেশে ২০২৪ সালে কার্যক্রম শুরু করে পামপে লিমিটেড। শুরুতে তারা মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই সেবা দেওয়া শুরু করে। এরপর তারা এই সেবা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করে। সারা দেশে ইতিমধ্যে সাড়ে তিন হাজার মোবাইল বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ঠিক করেছে। যেখান থেকে গ্রাহকদের ফোন কিনতে হবে।
এই ঋণ পেতে জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি একজন গ্যারান্টারের জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে। এরপর তিন ব্র্যান্ডের মধ্য থেকে পছন্দমতো ফোন নিতে পারবেন আগ্রহী নাগরিকেরা। এ ছাড়া অ্যাপের মাধ্যমেও এই ঋণ নেওয়ার সুযোগ আছে।
স্মার্টফোন নিতে শুরুতে গ্রাহককে মোট মূল্যের ১৫ শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। এরপর বাকি অর্থ পরিশোধে ৯ মাস পর্যন্ত সময় পাওয়া যাবে। পামপের ঠিক করে দেওয়া ওই সব স্মার্টফোন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান থেকে ফোন কিনলেই এই সুবিধা মিলবে। এই সময়ের ওপর প্রতি মাসে ২ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। এসব ফোনের কিস্তি শোধ না হলে প্রথমে ফোনে খুদে বার্তা যাবে। এরপর ফোনে বিশেষ বার্তা যাবে। এরপরও শোধ না করলে ফোনটি ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বে।
অনুমোদনপত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আর্থিক সেবা বিস্তারের অন্যতম প্রধান উপাদান স্মার্টফোন। এর ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে পামপে লিমিটেডের প্রস্তাবিত মডেল অনুযায়ী পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেওয়া হলো।
এতে বলা হয়েছে, এই সেবার প্রধান লক্ষ্য সীমিত আয়ের জনসাধারণ, যাঁদের স্মার্টফোন নেই তাঁদের স্বল্পমূল্যে স্মার্টফোন সরবরাহ করা। তবে যেকোনো ব্যক্তি এ ডিভাইসগুলো কিনতে পারবেন। ডিভাইসগুলো এমএফএস অ্যাপ, ব্যাংক অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ (যেমন টিকটক, ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি) নিরবচ্ছিন্নভাবে চলার যোগ্য হতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ সুবিধা অনুসারে ক্যাম্পেইন এলাকা নির্ধারণ করতে পারবে। পাইলট কার্যক্রমের মেয়াদ হবে এক বছর। প্রাথমিকভাবে প্রথম তিন মাসে ১০ হাজার ডিভাইস বিক্রির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট পাইলট ব্যবস্থার সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করবে।
পামপে লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুন জেং ইথান এক লিখিত বার্তায় বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের এই গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদন আমাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। এই যুগান্তকারী পাইলট প্রোগ্রামটি ডিজিটাল বিভাজন কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য স্মার্টফোনকে আরও সহজলভ্য করে ডিজিটাল অর্থনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেবে। আমরা আশাবাদী, এই উদ্যোগ মানুষের যোগাযোগ, লেনদেন ও শেখার ধরনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।’
পামপে নাইজেরিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল ব্যাংক। যেখানে কোটি কোটি মানুষ লেনদেন, সঞ্চয়, ঋণ ও রিওয়ার্ডের জন্য পামপে ব্যবহার করছেন। তানজানিয়ায় স্মার্টফোন ডিভাইসের ফিন্যান্সিং (কিস্তি সুবিধা) শুরু করেছে, যা নতুন ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল অর্থনীতিতে যুক্ত হওয়ার এবং আরও বিস্তৃত আর্থিক সেবা গ্রহণের সুযোগ করে দিচ্ছে। বাংলাদেশেও একই রকম সেবা শুরু করেছে পামপে। আরও একাধিক দেশে সেবা চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
পামপে বলছে, আফ্রিকা ও এশিয়াজুড়ে এক নতুন প্রজন্মের উত্থান ঘটছে, যারা প্রযুক্তি-সচেতন, উচ্চাভিলাষী ও মুঠোফোন ব্যবহারে অভ্যস্ত। তাদের কাছে স্মার্টফোন কেবল একটি যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি একই সঙ্গে একটি স্কুল, একটি বাজার এবং পকেটে থাকা একটি ব্যাংক শাখা।
বর্তমানে পামপে চার কোটি ব্যবহারকারী ও ১০ লাখ মার্চেন্টকে সেবা প্রদান করছে; যার মাধ্যমে প্রতিদিন দেড় কোটির বেশি লেনদেন সম্পন্ন হচ্ছে। ব্যাংকিং ও স্মার্টফোনে অর্থায়নে তাদের লক্ষ্য একটাই, সেটা হলো আর্থিক সেবার পরিধি বাড়ানো, নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা এবং বড় পরিসরে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা।
এমকে
অর্থনীতি
আরও কমলো স্বর্ণ-রুপার দাম, কত দামে বিক্রি হচ্ছে আজ
দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রোববার (১৫ মার্চ) থেকে নতুন এই কার্যকর মূল্যে মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে।
শনিবার সকালে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম হ্রাস পাওয়ায় এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং রুপার দাম ২৯২ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে এর আগে, সবশেষ গত ১৩ মার্চ সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
অর্থনীতি
১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, আরও তিনটি আসছে
পরিশোধিত জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ১৬টি জাহাজ। যা দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। ৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত এসব জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। এর মধ্যে ১১টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস করা হয়েছে। বাকী ৫টি থেকে খালাস করা হচ্ছে। এছাড়া আগামী কয়েক দিনে আরও তিনটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের প্রথম দশ দিনে কাতার থেকে তিনটি এলএনজিবাহী জাহাজ—‘আল জুর’, ‘আল জাসাসিয়া’ ও ‘লুসাইল’—প্রায় ৬২ হাজার টন করে এলএনজি নিয়ে খালাস সম্পন্ন করেছে।
১২ মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছানো ‘আল গালায়েল’ জাহাজ থেকে ২৬,১৬৫ টন এলএনজি ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে খালাস করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, এলপিজিবাহী জাহাজের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল। মালয়েশিয়া ও ওমান থেকে আসা জাহাজগুলো ইতিমধ্যেই মোট ১৯,৩১৬ টন এলপিজি খালাস করেছে। আরও কয়েকটি এলপিজি ট্যাঙ্কারে খালাস প্রক্রিয়া চলছে, যা মার্চের মাঝামাঝি শেষ হবে।
এলএনজি ও এলপিজি ছাড়াও পরিশোধিত জ্বালানি, ফার্নেস অয়েল, গ্যাস অয়েল, ডিজেল এবং বেজ অয়েলসহ শিল্পখাতের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল বন্দরে এসেছে। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি এবং চার হাজার টন বেজ অয়েল দেশে এসেছে।
সম্প্রতি হরমুজ প্রণালির ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা জাহাজ চলাচল ও বিমা খরচকে প্রভাবিত করছে। তবে বন্দরের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মাসে জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পখাত এবং গৃহস্থালির জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরণের বিঘ্নের আশঙ্কা নেই।
অর্থনীতি
রুপার দামে পতন, ভরি কত?
দেশের বাজারে রুপার দাম আরেক দফা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২৯২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৬ হাজার ৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম।
অর্থনীতি
দাম কমার পর আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
আমদানিনির্ভর হওয়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে প্রায়ই ওঠানামা দেখা যায়। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও স্থানীয় পরিস্থিতির কারণে সময় সময় স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সবশেষ ১৩ মার্চ বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে।
সেই সংশোধিত মূল্য অনুযায়ী শনিবার (১৪ মার্চ) দেশের বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা শুরু হয়েছে।
বাজুসের নির্ধারিত সর্বশেষ দামে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা।
১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকায়। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বহুবার সমন্বয় করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর ১৬ দফা কমানো হয়েছে।
অর্থনীতি
দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, কত দামে বিক্রি হচ্ছে আজ
ফের কমানো হয়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে। এতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। শুক্রবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়েছিল।
প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকা এবং প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪২ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ২৬ দফা বাড়ানো হয়েছে। কমানো হয়েছে ১৬ দফা।
এমএন




