জাতীয়
অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন দখলের চেষ্টা
বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনে (বিএএসএ) অস্থিরতা ও পাল্টাপাল্টি কমিটির ঘটনা ঘটেছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র তোয়াক্কা না করে একতরফা কমিটি ঘোষণা এবং মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিয়াম ফাউন্ডেশনে কর্মকর্তাদের নেমপ্লেট পরিবর্তনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বর্তমান কমিটির পক্ষ থেকে এই নতুন কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করা হয়েছে।
গত ২৫ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বর্তমান কমিটির মহাসচিব ও ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি গোষ্ঠী পৃথক বৈঠক করে ৫২ সদস্যের একটি নতুন কমিটি ঘোষণা করে। এতে সংসদ সচিবালয়ের সচিব বেগম কানিজ মওলাকে সভাপতি এবং পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞাকে মহাসচিব হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এই কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বর্তমান সভাপতি ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, ওই সভায় নতুন কমিটি গঠন নিয়ে কোনো এজেন্ডা বা সিদ্ধান্ত ছিল না। সংবাদমাধ্যমে আসা খবরটি সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, বিসিএস ২২ ব্যাচের কর্মকর্তা হাফিজুল্লাহর নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যালয়ে বর্তমান সভাপতি ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের নেমপ্লেট পরিবর্তন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ক্যাডার সার্ভিসের ইতিহাসে নজিরবিহীন হিসেবে দেখছেন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।
সংগঠনের বর্তমান সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কমিটি গঠন হয় দুই বছরের জন্য। যদি বিশেষ প্রয়োজনে নতুন কমিটি করতেই হয়, তবে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হয়। আমাদের মাধ্যমেই যদি ‘চর দখলের’ মতো অনিয়ম হয়, তবে দেশ কীভাবে এগোবে? নির্বাচনের আগে এ ধরনের ফ্যাসিস্ট আচরণে আমরা বিব্রত।”
অভিযোগ উঠেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রভাব বিস্তার করতেই এই তাড়াহুড়ো করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অফিসার্স ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ এম এ খালেকের নেপথ্য নির্দেশনায় ৯ জন সদস্য মিলে এই কমিটি ঘোষণা করেছেন। ৫২ সদস্যের কথা বলা হলেও মূলত ৯ জন মিলেই এই অ্যাডহক কমিটি করেছেন, যার মধ্যে চারজনই বর্তমান কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ২৪ জানুয়ারি সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে বর্তমান কমিটি গঠিত হয়েছিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২০২৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই কমিটির মেয়াদ থাকার কথা।
তবে স্বঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল মিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, “বর্তমান যে কমিটি রয়েছে সেটি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করে হয়নি। তাই সংগঠনের গতিশীলতা ফেরাতে নতুন কমিটি করা হয়েছে।”
ঘোষিত ওই কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে খাদ্য সচিব মো. ফিরোজ সরকার এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে বিসিআইসির চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমানের নাম রয়েছে। এছাড়া যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে একেএম হাফিজুল্লাহ খান লিটন ও নুরজাহান খানমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
বিএএসএ’র সাধারণ সদস্যরা মনে করছেন, আমলাতন্ত্রের ভেতরে এ ধরনের প্রকাশ্য কোন্দল ও নিয়মবহির্ভূত ক্ষমতা দখল প্রশাসনের চেইন অব কমান্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
এমকে
জাতীয়
শ্রমিকরা ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে: তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো চালুর নির্দেশ দিয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব কারখানা চালু করা হবে, যাতে শ্রমিকরা কর্মসংস্থানে ফিরতে পারেন। শ্রমিকরা ভালো থাকলে দেশও উন্নতির পথে এগোবে।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে নানা ধরনের অবিচার করা হয়েছে এবং তাদের জীবন নিয়ে খেলা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য ইতোমধ্যে ১০ হাজার টাকা ঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ড চালুর বিষয়েও কাজ চলছে।
তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন, অথচ অনেক সময় তারা প্রয়োজনীয় পানি ঠিকভাবে পান না। এই সমস্যার সমাধানে খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, শুধু উচ্ছেদ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না, বরং তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
তারেক রহমানের মতে, কৃষক ও শ্রমিকসহ পরিশ্রমী মানুষের জীবনমান উন্নত করা গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জাতীয়
নয়াপল্টনের সমাবেশে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শ্রমিক দলের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১ মে) বিকাল প্রায় সোয়া ৪টার দিকে তিনি সমাবেশস্থলে পৌঁছান।
এর আগে বিকাল ৩টার দিকে সংগঠনের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়। অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং শ্রমিক দলের সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
যদিও সমাবেশ শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল দুপুর আড়াইটা, সকাল থেকেই ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার শিল্পাঞ্চল থেকে শ্রমিকরা দলে দলে উপস্থিত হতে থাকেন। তারা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে শ্রমিক অধিকারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নয়াপল্টন ছাড়িয়ে কাকরাইল, নাইটিঙ্গেল এবং ফকিরেরপুল মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
জাতীয়
মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শ্রদ্ধা
জাতীয়
রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি
বর্তমান সময়ে রেমিট্যান্স যে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে, তার প্রকৃত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এমন মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন এবং বিভিন্ন শ্রমিক সমাবেশে অংশ নিয়ে শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রমনীতি এবং শ্রমখাতের সংস্কার বাংলাদেশের শ্রমকল্যাণ ব্যবস্থাকে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে। তিনি ১৯৭৬ সালে ‘মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার’ প্রতিষ্ঠা করে মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ নেন, যা পরবর্তীতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, দেশনেত্রী ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন এবং শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাসহ শ্রমিকের অধিকার, কর্মসংস্থান ও কল্যাণের পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছিলেন।
সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বর্তমান সরকার দেশের সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ, ন্যায্য পাওনা রক্ষা, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং নিরাপদ ও উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। শ্রমিকরাই দেশের প্রকৃত উন্নয়নের কারিগর। শিল্প-কারখানা, কৃষি, পরিবহন, নির্মাণ ও গৃহকর্মসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আমাদের সমাজ, সভ্যতা এবং অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে।
বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স এবং পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের কষ্টের বিনিময়ে অর্জিত আয় আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতির মূল শক্তি।
তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত সকল কর্মপরিকল্পনা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকল, রেশম ও পাটকলসহ বিভিন্ন শিল্প-কারখানা পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পদক্ষেপ নিয়েছে। এমনকি চলতি বছরের আগামী ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আরও ছয়টি পাটকল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
মালিক ও শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য মালিক ও শ্রমিকের পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। শ্রম খাতে সুষ্ঠু সম্পর্ক বজায় রাখা এবং উভয়ের অধিকার নিশ্চিত করতে ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রমকে উৎসাহ দিতে বর্তমান সরকার সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।
জাতীয়
জামায়াত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি ‘প্রতিষ্ঠিত সত্য’: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, নতুন আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে ‘প্রতিষ্ঠিত সত্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) আইন-২০২৬ সংসদে পাস হওয়ার সময় আইনের ২ নম্বর ধারার ১০ উপধারায় দেওয়া সংজ্ঞা অনুযায়ী জামায়াতকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, দলটির অতীত ভূমিকা নিয়ে অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর জামায়াতে ইসলামী সরাসরি বিরোধিতা করেনি, বরং নীরব থেকেছে। তার ভাষায়, নীরবতা সম্মতির ইঙ্গিত বহন করে।
এ সময় তিনি জানান, জাতীয় নাগরিক পার্টি লিখিতভাবে বিলটির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। একইসঙ্গে আসন্ন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপে বিএনপি অংশ নেবে, তবে গণভোটের একটি অংশে প্রতারণার অভিযোগ থাকায় সেই অংশের সঙ্গে দলটি একমত নয়।
এমএন




