পুঁজিবাজার
শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাঠিয়েছে ৫ কোম্পানি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাঁচ কোম্পানি গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি, একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, স্কয়ার ফার্মা, স্কয়ার টেক্সটাইল এবং এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিগুলো নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএন সিস্টেমস মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ইউনিক হোটেলের ১৬ শতাংশ, একমি ল্যাবের ৩৫ শতাংশ, স্কয়ার ফার্মা ১২০ শতাংশ, স্কয়ার টেক্সটাইলের ৩২ শতাংশ, এমজেএল বিডির ৫২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিলো।
এমকে
পুঁজিবাজার
মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানি ছাড়া শক্তিশালী পুঁজিবাজার নয়: রাশেদ মাকসুদ
পুঁজিবাজারকে টেকসই ও শক্তিশালী করতে হলে ভালো এবং মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তিনি বলেন, নতুন আইপিও রুলসের মাধ্যমে এখন আরও প্রফেশনাল ও বিশ্বমানের পদ্ধতিতে শেয়ার মূল্য নির্ধারণ বা প্রাইস ডিসকভারির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনের কমিশন সভাকক্ষে বিএসইসি ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বিএসইসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সভার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এবং সিডিবিএলের পক্ষে নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী।
সভায় পুঁজিবাজারের অটোমেশন, কাঠামোগত আধুনিকায়ন, কেওয়াইসি সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট, সার্ভেইল্যান্স ব্যবস্থার যুগোপযোগীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতকরণসহ পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে সিডিবিএলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেওয়াইসি সিস্টেম উন্নয়ন ও সার্ভেইল্যান্স আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সিডিবিএলকে আরও সক্রিয় ও নেতৃত্বমূলক ভূমিকায় দেখতে চায় কমিশন। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সিডিবিএলের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের উন্নয়নে ভবিষ্যতে সিডিবিএলকে কাস্টডিয়ানসহ নতুন দায়িত্বে দেখতে চায় বিএসইসি।
সভায় সিডিবিএলের চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী বলেন, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে আসা উচিত। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সিডিবিএলের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
এ সভায় বিএসইসি কমিশনার মুঃ মোহসিন চৌধুরী, মোঃ আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মোঃ সাইফুদ্দিন, সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবদুল মোতালেব, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার ও কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামসহ বিএসইসি ও সিডিবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারের সমস্যা শুনে সমাধানের আশ্বাস তারেক রহমানের
পুঁজিবাজারের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাজারের বিভিন্ন অংশীজন। বৈঠকে তারা শেয়ারবাজারের কাঠামোগত দুর্বলতা, বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা ও উন্নয়নসংক্রান্ত নানা বিষয় তুলে ধরেন। এসব সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনেন তারেক রহমান এবং ভবিষ্যতে দেশ ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বুধবার (২০ জানুয়ারি) গুলশানে তারেক রহমানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)-এর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন ও রিচার্ড ডি’ রোজারিও, ডিবিএর সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং বিএমবিএর সেক্রেটারি সুমিত পোদ্দারসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, পুঁজিবাজারের অংশীজনরা বাজারের বর্তমান চ্যালেঞ্জ, নীতিগত সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় তারেক রহমান ধৈর্যসহকারে সব বক্তব্য শোনেন এবং বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ বিষয়ে ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের সমস্যাগুলো শুনেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে শেয়ারবাজারের কাঠামোগত সংস্কার, বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং বাজারকে আধুনিক ও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। দেশের আর্থিক খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে পুঁজিবাজারকে সুসংগঠিত করাই ছিল আলোচনার মূল লক্ষ্য।
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ২২ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৩টি কোম্পানির ২২ কোটি ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিগুলোর মোট ৫৩ লাখ ৬৯ হাজার ৩৫০টি শেয়ার ৭৩ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২২ কোটি ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৬ কোটি ৩১ লাখ ৭৮ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে যমুনা ব্যাংকের ২ কোটি ৭১ লাখ ৭০ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে সিটি ইন্স্যুরেন্সের ২ কোটি ২৭ লাখ ৮৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (২১ জানুয়ারি) কোম্পানিটির ২৭৬ কোটি ৬৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল স্কয়ার ফার্মা। কোম্পানিটির ১৬ কোটি ৩৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ১৩ কোটি ৬৫ লাখ ১৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো ফার্মা, খান ব্রাদার্স এবং সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড।
এমকে
পুঁজিবাজার
আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ডের সর্বোচ্চ দরপতন
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, বুধবার (২১ জানুয়ারি) কোম্পানিটির শেয়ার দর ৩০ পয়সা বা ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল তাল্লু স্পিনিং মিলস। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৪.৮৮ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা রিলায়েন্স ওয়ান দা ফার্স্ট স্কিম অব রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারদর ৪.৪০ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, খান ব্রাদার্স, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।



