Connect with us

আন্তর্জাতিক

ভূমিকম্পে কাঁপলো পাকিস্তান

Published

on

বিনিয়োগকারী

চীন-তাজিকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় উৎপত্তি হওয়া একটি ভূমিকম্পের কম্পন শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী ইসলামাবাদ ও পার্শ্ববর্তী শহর রাওয়ালপিন্ডিও রয়েছে।

পাকিস্তান আবহাওয়া দপ্তরের অধীন জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনএসএমসি) জানায়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৮।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এনএসএমসি জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫৯ কিলোমিটার গভীরে এবং এর কেন্দ্রস্থল ছিল তাজিকিস্তান ও চীনের সীমান্তবর্তী অঞ্চল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডির পাশাপাশি খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায়ও কম্পন অনুভূত হয়। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে সোয়াত, শাংলা, বুনের ও আশপাশের জেলা। কম্পনের সময় ভবন কেঁপে ওঠে এবং সতর্কতামূলকভাবে অনেক মানুষ ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহতের বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

গত বছরের ২১ অক্টোবর রাতে ইসলামাবাদ, খাইবার পাখতুনখোয়া, আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর (আজেক) এবং আশপাশের এলাকায় ৫.৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।

সেই সময় এনএসএমসি জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলে এবং এর গভীরতা ছিল ২৩৪ কিলোমিটার।

এর চার দিন আগেই কেপি, ইসলামাবাদ ও আশপাশের এলাকায় ৫.৬ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ এই অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্প হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে ভূকম্পন বেশি দেখা যায়।

গত সেপ্টেম্বরে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলের দুর্গম এলাকায় ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে দুই হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন এবং আরও কয়েক হাজার মানুষ আহত হন।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

বিশ্ববাজারে সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে স্বর্ণ-রুপা

Published

on

বিনিয়োগকারী

অস্থির বাজারে এবার আরও এক বড় লাফ দিয়েছে সোনা; অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছে গেছে মূল্যবান হলুদ ধাতুটি। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইতিহাস গড়া দাম উঠেছে রুপারও।

যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকায় এবং ফেডারেল ব্যাংকের সুদ কমানোর জল্পনা জোরদার হওয়ায় সোনা–রুপার প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে মার্কিন স্পট মার্কেটে সোনার দাম এক শতাংশ বেড়ে আউন্স প্রতি দাম দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৩২ দশমিক ০৩ ডলার। এর আগে, লেনদেনের একপর্যায়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৩৯ দশমিক ৪২ ডলারে পৌঁছায় সোনার দাম। এছাড়া, ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহযোগ্য সোনার ফিউচার দাম ০ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৬৩৯ দশমিক ৫০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিন আরও বেশি উত্থান হয়েছে রুপার দামে। স্পট রুপার দাম ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৯০ দশমিক ১১ ডলারে পৌঁছেছে, যা ইতিহাসে প্রথমবার। এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম প্রায় ২৭ শতাংশ বেড়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচক বা সিপিআইয়ের সর্বশেষ তথ্য বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা বাড়িয়েছে। ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বার্ষিক ভিত্তিতে ছিল ২ দশমিক ৬ শতাংশ, যা প্রত্যাশার চেয়ে কম। মাসিক ভিত্তিতে মূল সিপিআই বেড়েছে মাত্র ০ দশমিক ২ শতাংশ, যেখানে বাজারের পূর্বাভাস ছিল ০ দশমিক ৩ শতাংশ।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, মূল্যস্ফীতির এই তুলনামূলক শান্ত চিত্র বিনিয়োগকারীদের আরও শিথিল মুদ্রানীতির প্রত্যাশা জিইয়ে রেখেছে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের প্রতি সুদহার ‘গুরুত্বপূর্ণভাবে’ কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও পাওয়েলের বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যাংকার ও সাবেক ফেড চেয়ারম্যানরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ডলারসহ যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদের ওপর আস্থার প্রশ্ন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা আরও বাড়িয়েছে। বাজারে ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরে দুই দফায় ০ দশমিক ২৫ শতাংশ করে সুদ কমানো হতে পারে, যার প্রথমটি হতে পারে জুনে।

এ অবস্থায় এএনজেড ব্যাংক বলছে, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধেই সোনার দাম প্রতি আউন্স পাঁচ হাজার ডলারের ওপর উঠতে পারে। রুপার ক্ষেত্রেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। গোল্ডসিলভার সেন্ট্রালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রায়ান ল্যানের মতে, প্রতি আউন্সে ১০০ ডলার হতে পারে রুপার দাম।

অন্যদিকে, বুধবার প্লাটিনামের দাম ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২ হাজার ৩৮৬ দশমিক ৬০ ডলারে উঠেছে। আর প্যালাডিয়ামের দামও ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮৫৪ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

কুয়ালালামপুরে অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ১৫০

Published

on

বিনিয়োগকারী

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশিসহ ১৫০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। ‘অপারেশন কুটিপ’ নামক অভিযানে স্থানীয় সেলায়াং এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক এবং জালান ক্লাং লামার একটি অবৈধ বসতিতে অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানের সময় অনেক প্রবাসী গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্নভাবে চরম আতঙ্কে পড়েন, কেউ ওপর তলা থেকে ছুরির মতো ধারালো অস্ত্র ছুঁড়ে মারেন, কেউ ছাদের ওপর উঠে পড়েন, আবার কেউ পানির ট্যাঙ্কের ভেতর লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, দুই সপ্তাহের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ৩২৬ জনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়, যার মধ্যে ৭৯ জনকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের নাগরিকরা রয়েছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আটককৃতরা মূলত নিরাপত্তা প্রহরী, খাবারের দোকানের সহকারী, লন্ড্রি কর্মী, মুদি দোকানের কর্মচারী ও নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তারা অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করছিলেন, যেখানে প্রায় ৬০০ রিঙ্গিতে তিন কক্ষের একটি ফ্ল্যাটে পাঁচ থেকে ছয়জন ঘনিষ্ঠভাবে বসবাস করত।

জালান ক্লাং লামার অবৈধ বসতিতে দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালিয়ে আরও ৭১ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে অধিকাংশই ইন্দোনেশিয়ান, পাশাপাশি মিয়ানমার, ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক রয়েছে। সেখানে বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় তারা অবৈধ উৎস থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে বসবাস করছিলেন।

লোকমান এফেন্দি জানিয়েছেন, এই অভিযান চলবে ব্যাপকভাবে এবং কোনো আপস হবে না। শুধু অবৈধ অভিবাসীদের নয়, তাদের নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযানে কুয়ালালামপুর ফেডারেল টেরিটরি অভিবাসন বিভাগের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সাউপি ওয়ান ইউসুফ উপস্থিত ছিলেন।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরানের অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে বাড়লো তেলের দাম

Published

on

বিনিয়োগকারী

ইরানের অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে বাড়লো তেলের দাম। বিশ্বের অন্যতম তেল রপ্তানিকারক দেশটিতে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সম্ভাব্য সরবরাহ বিঘ্ন আন্তর্জাতিক বাজারে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই উদ্বেগ এত বেশি যে, তা ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনাকেও ছাপিয়ে গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্টের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ০৬ ডলার বা ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৬৪ দশমিক ৯৩ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। এই দাম গত মধ্য নভেম্বরের পর থেকে সর্বোচ্চ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একইভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দামও ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ০২ ডলার বা ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৬০ দশমিক ৫২ ডলার হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান ওপেকের অন্যতম প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশ এবং সেখানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বাজারের ওপর সরবরাহ ঝুঁকি তৈরি করছে।

ব্রিটিশ ব্যাংক বারক্লেস জানিয়েছে, ইরানে অস্থিরতা এখন তেলের দামের ওপর প্রতি ব্যারেল ৩০৪ ডলার পরিমাণ ‘জিওপলিটিক্যাল রিস্ক প্রিমিয়াম’ যোগ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পরিস্থিতি নিয়েও কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। এমনকি, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করবে তাদের মার্কিন ব্যবসায় ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

ইরান তার তেলের বড় অংশ চীনসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে। ফলে ট্রাম্পের এ ধরনের হুমকি বাজারে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলা থেকে সরবরাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাজারে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাব ফেললেও তা সরবরাহ ঝুঁকিকে পুরোপুরি দূর করতে পারেনি। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলা থেকে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহ করা হবে।

তবে রাজনৈতিক ও কারিগরি জটিলতার কারণে এই সরবরাহ বাস্তবে কতটা আগাবে তা অনিশ্চিত।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

তেহরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

বিনিয়োগকারী

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রমাণ এবং যুদ্ধ করতে চায় তাহলে ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) আল জাজিরা আরবিকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ওয়াশিংটন যদি আবারও ইরানকে ‘পরীক্ষা’ করতে চায়, তবে তেহরান তার দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত। আরাঘচির দাবি অনুযায়ী, গত বছরের ১২ দিনের সংঘাতের অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমানে ইরানের সামরিক প্রস্তুতি আগের চেয়ে অনেক বেশি ‘বিশাল ও বিস্তৃত’।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর ইরানের পক্ষ থেকে এই কঠোর প্রতিক্রিয়া এল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ইরানেও ‘শক্তিশালী বিকল্প’ ব্যবহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে ঠিকই, তবে বৈঠকের আগে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।

ট্রাম্পের এই হুমকির জবাবে আরাঘচি বলেন যে, ওয়াশিংটন অতীতেও সামরিক পথ বেছে নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে এবং আবারও সেই ভুল করলে ইরান তা মোকাবিলায় সক্ষম। তবে একই সঙ্গে তিনি এটিও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান অস্থিরতার মধ্যেও আমেরিকার সাথে যোগাযোগের কূটনৈতিক পথগুলো ইরান খোলা রেখেছে।

ইরানে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এক ভয়াবহ স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছে। প্রথমে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হলেও দ্রুত তা সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভে রূপ নেয়। ইরান অভিযোগ করেছে যে, গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশে অস্থিরতা উসকে দেওয়ার পেছনে সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাত রয়েছে।

আরাঘচি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, কিছু পক্ষ নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এবং বিশেষ করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটনকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে আনার চেষ্টা করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আমেরিকা হঠকারিতা বাদ দিয়ে বুদ্ধিমানের মতো সংলাপের পথ বেছে নেবে।

বর্তমানে ইরান সরকার দাবি করছে যে তারা যেকোনো অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সংকট মোকাবিলায় আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই সংকটের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা এখন চরম ঝুঁকির মুখে। আরাঘচি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিদেশি হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হলে তার আগুন ‘পুরো অঞ্চলকে জ্বালিয়ে দেবে’।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভেনেজুয়েলার মতো ইরানেও কোনো ঝটিকা অভিযানের পরিকল্পনা করলে তা একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে পারে। এখন বিশ্ব রাজনীতির নজর ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তেহরানের প্রতিরক্ষা কৌশলের ওপর নিবদ্ধ।

এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে ইরানে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তথ্যপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। নেটব্লকস জানায়, সোমবার পর্যন্ত টানা ৯৬ ঘণ্টা দেশটি কার্যত অফলাইনে ছিল। আরাঘচি জানান, নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ইন্টারনেট সেবা পুনরায় চালু করা হবে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট দাবি করেছেন, প্রকাশ্যে ও গোপনে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ভিন্ন ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে সামরিক হামলার কথা ভাবছে, অন্যদিকে ইরানের সামরিক আলোচনার প্রস্তাবও বিবেচনা করছে।

গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে যুক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া

Published

on

বিনিয়োগকারী

আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের গণহত্যার অভিযোগে বিচার শুরু হয়েছে। গত সোমবার এই বিচার শুরু হয়। মামলার বাদী গাম্বিয়া বলেছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূলের লক্ষ্যে টার্গেট করা হয়েছে। তাদের জীবনকে মিয়ানমার এক বিভীষিকাময় দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।

গত এক দশকেরও বেশি সময় পর এই প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ গণহত্যা মামলা শুনানির পর্যায়ে এসেছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে)। মামলার রায় শুধু মিয়ানমারের ক্ষেত্রেই নয়, এর প্রভাব পড়বে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা গাজা যুদ্ধ-সংক্রান্ত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা মামলার ওপরও। মিয়ানমার শুরু থেকেই গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী দাওদা জালো আদালতে বলেন, ‘রোহিঙ্গারা ছিল শান্তি ও মর্যাদায় বাঁচার স্বপ্ন দেখা সাধারণ মানুষ; কিন্তু মিয়ানমার সেই স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে। বরং তাদের জীবনকে এমন এক দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে, যার ভয়াবহতা কল্পনারও বাইরে।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পশ্চিম আফ্রিকার ছোট মুসলিম দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালে আইসিজেতে এই মামলা করে। ৫৭ দেশের ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সমর্থনে রোহিঙ্গাদের পক্ষে এই মামলা করে তারা। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মিয়ানমার পশ্চিমাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালিয়েছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বড় পরিসরে অভিযান চালায়। এতে অন্তত ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। তারা হত্যাযজ্ঞ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের বিবরণ দেন। এর আগে ও পরে আরও তিন লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন বলেছে, সেনা অভিযানে ‘গণহত্যার লক্ষণ’ ছিল। হেগে আদালত প্রাঙ্গণে রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই মামলায় সুবিচার প্রত্যাশা করেন।

প্রায় ৫২ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শরণার্থী ইউসুফ আলী বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী তাকে নির্যাতন করেছে। তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা আশা করছি এমন একটি রায় হবে, যা বিশ্বকে জানাবে যে মিয়ানমার সত্যিই গণহত্যা চালিয়েছে এবং আমরা তার শিকার। আমরা ন্যায়ের দাবিদার।’

মিয়ানমার অবশ্য এসব অভিযোগকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী বৈধ সামরিক অভিযান বলে দাবি করে, যা মুসলিম জঙ্গিদের হামলার জবাবে চালানো হয়েছিল বলে জানায় তারা। ২০১৯ সালে মামলার প্রাথমিক শুনানিতে মিয়ানমারের তৎকালীন বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চি গাম্বিয়ার অভিযোগকে ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করেন।

এই মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে তিন সপ্তাহ ধরে। রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে গণমাধ্যম ও জনসাধারণের উপস্থিতি ছাড়া, যাতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়। জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ আদালত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।

২০২১ সালে মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে ওঠে। নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে এবং গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলনকারীদের কঠোরভাবে দমন করে। এরপর থেকে দেশজুড়ে চলছে সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ। বর্তমানে মিয়ানমারে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন চলছে। তবে জাতিসংঘ, পশ্চিমা কয়েকটি দেশ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নয় বলে অভিহিত করেছে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

বিনিয়োগকারী বিনিয়োগকারী
পুঁজিবাজার7 minutes ago

বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ পাঠিয়েছে দুই কোম্পানি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই প্রতিষ্ঠান গত ৩০ জুন,২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরে জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে। কোম্পানি দুটি হচ্ছে- ইনডেক্স এগ্রো...

বিনিয়োগকারী বিনিয়োগকারী
পুঁজিবাজার32 minutes ago

প্রাইম ফাইন্যান্সের পর্ষদ সভা ২০ জানুয়ারি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২০ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৩টায় কোম্পানিটির...

বিনিয়োগকারী বিনিয়োগকারী
পুঁজিবাজার35 minutes ago

জেএমআই সিরিঞ্জের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইস লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৭ জানুয়ারি বিকাল ২টা ৩৫...

বিনিয়োগকারী বিনিয়োগকারী
পুঁজিবাজার1 hour ago

বিআইএফসির সর্বোচ্চ দরপতন

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি...

বিনিয়োগকারী বিনিয়োগকারী
পুঁজিবাজার1 hour ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে বিডি থাই ফুড

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৫ কোম্পানির মধ্যে ১৭৪ টির শেয়ারদর বৃদ্ধি...

বিনিয়োগকারী বিনিয়োগকারী
পুঁজিবাজার2 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে এসিআই

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি...

বিনিয়োগকারী বিনিয়োগকারী
পুঁজিবাজার2 hours ago

সূচক বাড়লেও সামান্য কমেছে লেনদেন

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১