Connect with us
৬৫২৬৫২৬৫২

আন্তর্জাতিক

‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

ডিএসই

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করার পর দেশটির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র। ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রি ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং তেল বিক্রির অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে সে সিদ্ধান্তও নেবে মার্কিন প্রশাসন। এক্ষেত্রে এসব তেল বিক্রির অর্থ দিয়ে কিনতে হবে মার্কিন পণ্য।

মার্কিন জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার তেল এরই মধ্যে বৈশ্বিক বাজারে বিপণন শুরু হয়েছে এবং এসব বিক্রি থেকে অর্জিত অর্থ প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। পরে এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার জনগণের ‘কল্যাণে’ ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও কীভাবে তা করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিভাগটি জানিয়েছে, ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বিক্রির মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এবং এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর পরপরই সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, এই নতুন তেল চুক্তি থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে ভেনেজুয়েলা এখন থেকে শুধু ‘মার্কিন তৈরি পণ্য’ কিনবে। এসব ক্রয়ের মধ্যে থাকবে কৃষিপণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ভেনেজুয়েলার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নের যন্ত্রপাতি।

গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) মাদুরোকে আটক করার পর আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, তারা ভেনেজুয়েলার বিস্তীর্ণ তেলসম্পদ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা করছে এবং কারাকাস ৩০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র তিন ধাপের পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রথম ধাপে তেল বিক্রির অর্থ যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করবে দ্বিতীয় ধাপে মার্কিন ও অন্যান্য কোম্পানি ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করবে এবং রাজনৈতিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়া এগোবে। আর তৃতীয় ধাপে রাজনৈতিক উত্তরণ ঘটবে।

মাদুরোর আটকের পর ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিলেও দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো অস্থিতিশীল।

আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষকেরা বলছেন, ভেনেজুয়েলার সামরিক বাহিনীর অবস্থান এখানে নির্ধারক হতে পারে কারণ তাদের হাতে উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা রয়েছে।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

ভূমিকম্পে কাঁপলো পাকিস্তান

Published

on

ডিএসই

চীন-তাজিকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় উৎপত্তি হওয়া একটি ভূমিকম্পের কম্পন শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী ইসলামাবাদ ও পার্শ্ববর্তী শহর রাওয়ালপিন্ডিও রয়েছে।

পাকিস্তান আবহাওয়া দপ্তরের অধীন জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনএসএমসি) জানায়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৮।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এনএসএমসি জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫৯ কিলোমিটার গভীরে এবং এর কেন্দ্রস্থল ছিল তাজিকিস্তান ও চীনের সীমান্তবর্তী অঞ্চল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডির পাশাপাশি খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায়ও কম্পন অনুভূত হয়। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে সোয়াত, শাংলা, বুনের ও আশপাশের জেলা। কম্পনের সময় ভবন কেঁপে ওঠে এবং সতর্কতামূলকভাবে অনেক মানুষ ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহতের বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

গত বছরের ২১ অক্টোবর রাতে ইসলামাবাদ, খাইবার পাখতুনখোয়া, আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর (আজেক) এবং আশপাশের এলাকায় ৫.৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।

সেই সময় এনএসএমসি জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলে এবং এর গভীরতা ছিল ২৩৪ কিলোমিটার।

এর চার দিন আগেই কেপি, ইসলামাবাদ ও আশপাশের এলাকায় ৫.৬ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ এই অঞ্চলে ঘন ঘন ভূমিকম্প হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে ভূকম্পন বেশি দেখা যায়।

গত সেপ্টেম্বরে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলের দুর্গম এলাকায় ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে দুই হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন এবং আরও কয়েক হাজার মানুষ আহত হন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরানকে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

Published

on

ডিএসই

ইরানে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে ইরানকে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেওয়া এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরানজুড়ে গত প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রক্ষণশীল রেডিও উপস্থাপক হিউ হিউইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমি তাদের জানিয়ে দিয়েছি— যদি তারা মানুষ হত্যা শুরু করে তাহলে আমরা তাদের ওপর খুব কঠোরভাবে আঘাত হানবো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রেডিও উপস্থাপক উল্লেখ করেন যে, বিক্ষোভে এরই মধ্যে বহু মানুষ নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ট্রাম্প বলেন, নিহতদের মধ্যে কিছু মৃত্যু পদদলিত হয়ে ঘটেছে, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কারণে নাও হতে পারে।

এর আগেও গত শুক্রবার ট্রাম্প একই ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, যদি ইরান শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ‘সহিংসভাবে হত্যা করে’, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘উদ্ধারে এগিয়ে আসবে’।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৫ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আটজন অপ্রাপ্তবয়স্ক।

হিউইটের রেডিও অনুষ্ঠানে ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থনের বার্তা দিতে বলা হলে ট্রাম্প বলেন, আপনাদের স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় থাকতে হবে… আপনারা সাহসী মানুষ। আপনার দেশের সঙ্গে যা হয়েছে, তা দুঃখজনক। একসময় আপনার দেশ ছিল একটি মহান দেশ।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বিশ্ব ব্যবস্থা ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্র বড় ভূমিকা রাখছে: জার্মান প্রেসিডেন্ট

Published

on

ডিএসই

জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভল্টার স্টাইনমাইয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশ নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব ব্যবস্থা ধ্বংসে বড় ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে অত্যাচারীরা যা খুশি তা ছিনিয়ে নিতে পারে-এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিশ্ব ব্যবস্থা ‘ডাকাতদের আস্তানায়’ পরিণত হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। এ অবস্থায় বিশ্বব্যবস্থা রক্ষায় বিশ্বের দেশগুলোর প্রতি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান স্টাইনমাইয়ার।

কয়েকদিন আগে ভেনেজুয়েলা থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণকাণ্ডে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিন্দা অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দিকেই ইঙ্গিত করে জার্মান প্রেসিডেন্ট এমন নজিরবিহীন কড়া মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টাইনমাইয়ার বলেন, ‘বৈশ্বিক গণতন্ত্র বর্তমানে যেভাবে আক্রমণের শিকার হচ্ছে, অতীতে এমন পরিস্থিতি কখনো দেখা যায়নি। যদিও জার্মান শাসনব্যবস্থায় প্রেসিডেন্টের ভূমিকা অনেকটাই অলঙ্কারিক, তবে তার বক্তব্যের গুরুত্ব রয়েছে। দেশটিতে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টরা রাজনীতিকদের চেয়েও বেশি স্বাধীনতা ভোগ করেন।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রাশিয়ার ক্রাইমিয়া দখল এবং ইউক্রেইনে পুরোদস্তুর সামরিক আগ্রাসনের ঘটনাকে ‘সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ করে স্টাইনমাইয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আচরণ দ্বিতীয় এক ঐতিহাসিক ধ্বসের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বুধবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধের পতন ঘটছে, যে দেশটি এই বিশ্ব ব্যবস্থা গড়তে সহায়তা করেছিল।”

এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে ভারত ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জার্মান প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “এটা এমন একটি বিশ্বকে ডাকাতদের আস্তানায় পরিণত হওয়া থেকে আটকানোর প্রশ্ন, যেখানে সবচেয়ে বড় অত্যাচারী তার ইচ্ছামতো যা খুশি তা নিয়ে নেয়, আর অঞ্চল বা দেশগুলো বিবেচিত হয় সামান্য কয়েকজন শক্তিধরের সম্পদ হিসেবে।”

হুমকিতে পরিপূর্ণ এই বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সক্রিয় হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মন্তব্য করেন স্টাইনমাইয়ার। তিনি বলেন, ‘এজন্য ভারত ও ব্রাজিলের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোকে বিশ্বব্যবস্থা রক্ষায় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে।’

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

এবার পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান কিনতে চায় সৌদি আরব

Published

on

ডিএসই

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তির পর এবার শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কিনতে চায় সৌদি আরব। তবে সৌদি আরব পকিস্তানকে যে ঋণ দিয়েছে তার আওতায় এ চুক্তি হতে পারে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রিয়াদ ও ইসলামাবাদের মধ্যে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের ঋণকে যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চুক্তিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে ইয়েমেনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে নিজেদের সামরিক আধিপত্য বজায় রাখতে সৌদি আরব এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করতে আগ্রহী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত বছর দেশ দুটির মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির ধারাবাহিকতায় এই আলোচনা সামনে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ও সৌদির এই ঘনিষ্ঠতা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী সম্ভাব্য এই চুক্তির মোট অর্থমূল্য চার বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। যেখানে ঋণের সমন্বয় ছাড়াও অতিরিক্ত দুই বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে পাকিস্তান ও সৌদি আরব ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কাজ করে আসছে। যেখানে তেল সমৃদ্ধ দেশটি বিভিন্ন সময়ে ইসলামাবাদের আর্থিক সংকট কাটাতে বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও জ্বালানি সহায়তা প্রদান করেছে। বিনিময়ে পাকিস্তানের সুদক্ষ সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা সৌদি আরবের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে আসছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান তাদের সামরিক সরঞ্জামের রপ্তানি বাড়াতে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগেই লিবিয়ার খলিফা হাফতারের বাহিনীর কাছে চার বিলিয়ন ডলার মূল্যের জেএফ-সেভেনটিন যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি সম্পন্ন করেছে দেশটি।

গত মে মাসে ভারতের সাথে আকাশপথের সংক্ষিপ্ত লড়াইয়ে এই বিমানের কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ার পর থেকেই আরব দেশগুলোর মধ্যে এই যুদ্ধবিমানের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ইয়েমেনের পূর্বাঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রক্সি গোষ্ঠী এসটিসির অগ্রযাত্রা রুখতে সৌদি বিমান বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তবে পাকিস্তানের এই চীনা প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান সংগ্রহের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছে। বর্তমানে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ আমেরিকার সর্বাধুনিক এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি অংশ মনে করছে যে সৌদি আরব যদি চীনের সহযোগিতায় নির্মিত পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এফ-থার্টিফাইভ বিক্রির প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বিশ্বজুড়ে নতুন ভাইরাস নিয়ে সতর্কতা, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

Published

on

ডিএসই

ইথিওপিয়ায় ইবোলা-সম্পর্কিত একটি নতুন ভাইরাসের সম্ভাব্য সংক্রমণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভাইরাসটির বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে এবং এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সক্ষমতা রাখে এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এখনো ব্যাপক সংক্রমণের কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতিকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে উচ্চ জ্বর, বমি, ডায়রিয়া, তীব্র শরীর ব্যথা এবং কিছু ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণের লক্ষণ দেখা গেছে, যা ইবোলা ভাইরাসের উপসর্গের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সন্দেহভাজন রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করেছে। পাশাপাশি আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে নিবিড় নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে দ্রুত আইসোলেশন ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইবোলা-সম্পর্কিত ভাইরাস সাধারণত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় এবং পরবর্তীতে মানুষের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। আফ্রিকার পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে অতীতেও এ ধরনের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করেছে।

এ অবস্থায় ইথিওপিয়ার সরকার দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, যাতে ভাইরাস অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। নিয়মিত হাত ধোয়া, অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়ানো এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত ও স্বচ্ছ তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক সমন্বিত উদ্যোগই এ ধরনের সংক্রমণ মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার13 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো দুই হাজার ৪০১ কোটি টাকা

বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে।...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

খালেদা জিয়ার সময়েই স্থাপিত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো: ডিএসই চেয়ারম্যান

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অৰ্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অনন্য ও অসামান্য।...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

ব্লকে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লকে মোট ২০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মোট ২৮ লাখ ১৪ হাজার...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

পিপলস লিজিংয়ের সর্বোচ্চ দরপতন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে ফাইন ফুডস

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯১ কোম্পানির মধ্যে ১২৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। ডিএসই...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

শেষ কার্যদিবসে লেনদেন আরও কমলো

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক ধারায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
ডিএসই
কর্পোরেট সংবাদ13 hours ago

দু’দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং কনফারেন্সের উদ্বোধন

ডিএসই
পুঁজিবাজার13 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো দুই হাজার ৪০১ কোটি টাকা

ডিএসই
রাজনীতি14 hours ago

জরুরি বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান

ডিএসই
অর্থনীতি14 hours ago

এলপিজি উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি

ডিএসই
জাতীয়14 hours ago

রাজধানীতে তীব্র গ্যাস সংকট, কারণ জানালো তিতাস

ডিএসই
সারাদেশ14 hours ago

বাস-অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ৪

ডিএসই
রাজধানী14 hours ago

সাড়ে ৫ হাজার কম্বল কেনার নির্দেশ উত্তর সিটি কর্পোরেশনের

ডিএসই
অর্থনীতি15 hours ago

গ্রিনহাউস গ্যাস ৮৪.৯৭ মিলিয়ন টন কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ

ডিএসই
জাতীয়15 hours ago

প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে চলছে শেষ দিনের আপিল

ডিএসই
অর্থনীতি15 hours ago

চালের দাম বাড়তি, সরবরাহ বাড়লেও সবজিতে অস্বস্তি

ডিএসই
কর্পোরেট সংবাদ13 hours ago

দু’দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং কনফারেন্সের উদ্বোধন

ডিএসই
পুঁজিবাজার13 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো দুই হাজার ৪০১ কোটি টাকা

ডিএসই
রাজনীতি14 hours ago

জরুরি বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান

ডিএসই
অর্থনীতি14 hours ago

এলপিজি উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি

ডিএসই
জাতীয়14 hours ago

রাজধানীতে তীব্র গ্যাস সংকট, কারণ জানালো তিতাস

ডিএসই
সারাদেশ14 hours ago

বাস-অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ৪

ডিএসই
রাজধানী14 hours ago

সাড়ে ৫ হাজার কম্বল কেনার নির্দেশ উত্তর সিটি কর্পোরেশনের

ডিএসই
অর্থনীতি15 hours ago

গ্রিনহাউস গ্যাস ৮৪.৯৭ মিলিয়ন টন কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ

ডিএসই
জাতীয়15 hours ago

প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে চলছে শেষ দিনের আপিল

ডিএসই
অর্থনীতি15 hours ago

চালের দাম বাড়তি, সরবরাহ বাড়লেও সবজিতে অস্বস্তি

ডিএসই
কর্পোরেট সংবাদ13 hours ago

দু’দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং কনফারেন্সের উদ্বোধন

ডিএসই
পুঁজিবাজার13 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো দুই হাজার ৪০১ কোটি টাকা

ডিএসই
রাজনীতি14 hours ago

জরুরি বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান

ডিএসই
অর্থনীতি14 hours ago

এলপিজি উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি

ডিএসই
জাতীয়14 hours ago

রাজধানীতে তীব্র গ্যাস সংকট, কারণ জানালো তিতাস

ডিএসই
সারাদেশ14 hours ago

বাস-অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ৪

ডিএসই
রাজধানী14 hours ago

সাড়ে ৫ হাজার কম্বল কেনার নির্দেশ উত্তর সিটি কর্পোরেশনের

ডিএসই
অর্থনীতি15 hours ago

গ্রিনহাউস গ্যাস ৮৪.৯৭ মিলিয়ন টন কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ

ডিএসই
জাতীয়15 hours ago

প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে চলছে শেষ দিনের আপিল

ডিএসই
অর্থনীতি15 hours ago

চালের দাম বাড়তি, সরবরাহ বাড়লেও সবজিতে অস্বস্তি