ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসুতে ভোট শেষ, ফলাফলের অপেক্ষা
প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের (জকসু) ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন বিভিন্ন বিভাগ থেকে ব্যালট বাক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র আবাসিক হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল সংসদ নির্বাচনও হয়।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯ টা থেকে শুরু এ নির্বাচন অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিকাল ৩ টায়। তখন থেকে নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের ব্যালট বাক্স নিয়ে যেতে দেখা গেছে।
এদিকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ভবনের ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তীব্র শীতের মধ্যেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ভোট দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শুরুতে কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীদের ভালো উপস্থিতি দেখা গেলেও বেলা ১১টার পর ভিড় অনেকটা কমে যায়। তবে সাড়ে ১২টার পর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আর উচ্ছ্বাসে সরগরম হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। দুপুরে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শিক্ষার্থীদের ভালো উপস্থিতি দেখা যায়। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের ভিড় দেখা যায়।
এদিকে সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হলেও মাঝে অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে। একজন নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ক্যাম্পাসের বাইরে একজনকে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে।
পরবর্তীতে ছাত্রশিবির সমর্থিতদের প্যানেল থেকে অভিযোগ করা হয়, ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী মাহিমা আক্তারকে হেনস্তা করা হয়। পরে তাকে পুলিশে দেওয়া হয়। অবশ্য পরে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় ছাত্রদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট প্যানেলের প্রতিনিধিরা ব্যালট নম্বরের টোকেন নিয়ে সরাসরি ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করছেন।
২০ বছরের অচলায়তন ভেঙে আজ মঙ্গলবার ১৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন ছাত্র সংসদ নির্বাচনে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণিল বর্ষবরণ, শোভাযাত্রার সঙ্গে বলীখেলা-পুতুলনাচ
নাচ-গান, আবৃত্তি, বলীখেলা, বউছি ও পুতুলনাচসহ নানা আয়োজনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্যাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে মুখর ছিল পুরো ক্যাম্পাস।
বর্ষবরণের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল-ফোরকান। শোভাযাত্রাটি জারুলতলায় গিয়ে শেষ হয়। সেখানে স্থাপিত বৈশাখী মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় মূল অনুষ্ঠান।
বলীখেলার আয়োজন হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে। উন্মুক্ত মঞ্চে চলে পুতুলনাচ। শহীদ আবদুর রব হলের মাঠে কাবাডি খেলা এবং চাকসু প্রাঙ্গণে বউছি খেলার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া নববর্ষ উপলক্ষে বুদ্ধিজীবী চত্বর ও শহীদ মিনার চত্বরে সকাল থেকে শুরু হয়েছে দুই দিনের উদ্যোক্তা মেলা।
নববর্ষ উপলক্ষে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারার প্রদর্শনীর আয়োজনও করা হয়। সেখানে স্থান পায় নাগরদোলা, পালকি, গরুর গাড়ি, ঘোড়ার গাড়ি, বায়োস্কোপসহ নানা কিছু।
মূল ক্যাম্পাসে ফেরার কারণে প্রায় দেড় দশক পর এবার বর্ষবরণের আয়োজনে চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের ছিল সক্রিয় অংশগ্রহণ। আলপনা আঁকা ও মোটিফ তৈরির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আরও বর্ণিল করে তোলেন তাঁরা।
দুপুরে ক্যাম্পাসে বর্ষবরণ প্রসঙ্গে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী রাফসান হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘অনেক দিন পর ক্যাম্পাসে খুবই বর্ণিল এক উৎসব উপভোগ করেছি। প্রতিবছরই এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন হোক।’
বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মূলমঞ্চে চলে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সমাপনী অনুষ্ঠানে সুন্দর আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান উপাচার্য।
নাইম
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত : ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী মতিঝিল আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পুনরায় বৃত্তি পরীক্ষা চালু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এবং পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়াতে সরকার এই কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে চায়।
তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে, যার মধ্যে বৃত্তির অর্থের পরিমাণ এবং কত সংখ্যক শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে তা নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীরা যাতে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিতে পারে তা নিশ্চিত করা। আমরা দেখেছি স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। আমি নিজে আজকে দুটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সারা দেশের খবরাখবর নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া সব রিপোর্টই ইতিবাচক বলে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, যদিও কিছু শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ভবিষ্যতে উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উৎসাহিত করতে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে যেগুলো রয়েছে সেগুলোও চালু থাকবে। অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছি তাদেরও কিছু চাহিদা রয়েছে যা সরকার আগামীতে আলোচনার মাধ্যমে পূরণের চেষ্টা করবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালায় পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে, যার মধ্যে বৃত্তির অর্থের পরিমাণ এবং কত সংখ্যক শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে তা নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন মানদণ্ড নির্ধারণ করা হতে পারে যাতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আরও বেশি উৎসাহিত হন।
শিক্ষার হার বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো শিক্ষার হারকে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৯৬ শতাংশে উন্নীত করা। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি
টানা ৩ দিনের ছুটিতে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আগামীকাল রবিবার (১২ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়ে যা চলবে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পর্যন্ত। বাৎসরিক ছুটির তালিকা পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
ছুটির তালিকা অনুযায়ী, রবিবার (১২ এপ্রিল) বৈসাবি উৎসব উপলক্ষে দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একদিনের ছুটি রয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে একদিনের ছুটি থাকছে।
এ ছাড়া মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে একদিনের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এতে টানা ৩ দিন বন্ধ থাকছে দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এর আগে শুক্র ও শনিবার (১০-১১ এপ্রিল) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি থাকছে।
সবমিলিয়ে সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৫ দিনের ছুটিতে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
এইচএসসির শিক্ষার্থীরা পাবেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাস্টের বৃত্তি, আবেদন যেভাবে
এইচএসসি-কারিগরি ও আলিমের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ আর্থিক সহায়তা পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) স্মৃতি কর্মকার স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এসব তথ্য জানানো হয়।
নোটিশে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা (১২ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১১.৫৯ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
এতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কর্তৃক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর, কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের অধীন দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচ্চ-মাধ্যমিক ও সমমান শ্রেণিতে (একাদশ ও আলিম ১ম বর্ষে) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা সহায়তা পাবেন।
আবেদনের লিংক -এ গিয়ে উচ্চ-মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে (একাদশ ও আলিম ১ম বর্ষে) ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে। ১২ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১১:৫৯টা পর্যন্ত অনলাইনে এ আবেদন করা যাবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা প্রদান নির্দেশিকা-২০২৬ অনুযায়ী শর্ত পালন করতে হবে।
যেসব শর্তে দেয়া হবে শিক্ষা সহায়তা
মেধাবী হিসেবে শিক্ষার্থীর পূর্বের শ্রেণিতে শতকরা ন্যূনতম ৬০ নম্বরপ্রাপ্ত অথবা জিপিএ ৫.০০-এর ক্ষেত্রে ৩.৫০ প্রাপ্তির কপি আপলোড করতে হবে; এতিম শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী/অভিভাবক, দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শিক্ষার্থী/অভিভাবক, অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, হতদরিদ্র শিক্ষার্থী (অভিভাবক নিম্ন আয়ের শ্রমিক) এবং ‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর সন্তান ভর্তি সহায়তার আবেদনের ক্ষেত্রে এর সমর্থনে প্রমাণকের কপি আবশ্যিকভাবে আপলোড করতে হবে।
পিতা/মাতা/অভিভাবকের বাৎসরিক আয় তিনলাখ টাকা বা তার কম হতে হবে; শিক্ষার্থী হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান মর্মে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান/পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত সনদের কপি আপলোড করতে হবে।
ট্রাস্ট কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রত্যয়ন, শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন কপি, পিতা ও মাতার এনআইডি কপি, শিক্ষার্থীর ১ কপি ছবি এবং শিক্ষার্থী অথবা পিতা বা মাতার অনলাইন ব্যাংক একাউন্টের তথ্যের স্পষ্ট কপি আবশ্যিকভাবে আপলোড করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় আবেদনের হার্ড কপি ট্রাস্টে প্রেরণের প্রয়োজন নেই। ভর্তি সহায়তা সংক্রান্ত হেল্পলাইন: ০২-৫৫০০০৪২৮, ০১৭৭৮৯৫৮৩৫৬ ও ০১৭৭৮৯৬৪১৫৬ (অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো)।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল-২০২৬’ বিল পাস
‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৬’ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। সংসদে উপস্থিত সংসদ সদস্যরা বিল পাসে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন।
শুক্রবার বিকেলে বিল পাস সংক্রান্ত প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এরপর জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি সংসদ সদস্যদের ভোটের জন্য দেন। এসময় সংসদ সদস্যরা ‘হ্যাঁ’ বলে বিলের পক্ষে সম্মতি দেন।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। পরে সরকার এই সাত কলেজ নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের ঘোষণা দেয় এবং অধ্যাদেশ জারি করে। আজ সেই অধ্যাদেশ সংসদে পাস হলো।



