জাতীয়
ঢাকার বাতাস আজ অস্বাস্থ্যকর
জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। দীর্ঘদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকার বাতাসও দূষিত। সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে ঢাকার বায়ুমান কিছুটা উন্নতির দিকে থাকলেও আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এ তথ্য জানা যায়।
২১৯ স্কোর নিয়ে আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে ভারতের শহর ‘দিল্লি’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। একই সময় ১৮৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মিশরের শহর ‘কায়রো’।
এদিকে ১৮০ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের শহর ‘কলকাতা’। আর ১৫৩ স্কোর নিয়ে এই তালিকায় ১২তম অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ‘ঢাকা’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’।
ঢাকার ৭ স্থানে ভয়াবহ বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ ঢাকায় এখন নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে এক দিনও নির্মল বায়ুর দেখা মেলেনি রাজধানীতে। চলতি বছরের শুরু থেকেই ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে।
আজ সকালে ঢাকার সাতটি স্থানে বায়ুর মান ‘খুব খারাপ’ পর্যায়ে রয়েছে। এলাকাগুলো হলো- গোড়ান (১৬৩), শান্তা ফোরাম (১৬২), পল্লবী (১৫৭), বেচারাম দেউড়ী (১৫৭), মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং (১৫৩), কল্যাণপুর (১৫৩) ও গুলশানের বে’জ এইজ ওয়াটার (১৫২)।
বায়ুদূষণ মোকাবিলায় দেশে বিভিন্ন সময়ে একাধিক প্রকল্প নেওয়া হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। বরং দিন দিন দূষণ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এ সমস্যা শুধু ঢাকায় সীমাবদ্ধ নয়; দেশের অন্যান্য শহরেও বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। কোনো কোনো দিন ঢাকাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে অন্য শহরগুলোর দূষণের মাত্রা।
শুকনা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষের দিকে অবস্থান করছে ঢাকা। প্রায় প্রতিদিনই রাজধানীর বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় থাকছে।
সুরক্ষায় নগরবাসীর করণীয়
আইকিউএয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী, আজ ঢাকায় বায়ুর মান বিবেচনায় বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া খোলা জায়গায় ব্যায়াম এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। বায়ুদূষণের প্রভাব কমাতে ঘরের জানালা যতটা সম্ভব বন্ধ রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এমকে
জাতীয়
নির্বাচন ও গণভোট দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট—দুটিই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের (ইইএএস) এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও বাংলাদেশের মধ্যে সমন্বিত অংশীদারিত্ব চুক্তি (কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট) নিয়ে আলোচনা শিগগিরই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন ইইউ।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামো চুক্তি (পিসিএ) নিয়ে চলমান আলোচনা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট, অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
পাওলা পাম্পালোনি বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর সাধারণ অংশীদারিত্ব চুক্তির আওতায় সম্পর্ক পরিচালনার পর ২০২৪ সালের নভেম্বরে সমন্বিত অংশীদারিত্ব চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অধ্যাপক ইউনূস যে ‘অসাধারণ ও ব্যাপক’ সংস্কারমূলক কাজ করেছেন, তার জন্য তাকে অভিনন্দন জানান পাওলা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে এসব সংস্কারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন তিনি।
ইইউ কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংস্কারের যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখা গেছে, তা ইউরোপীয় ইউনিয়ন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে এবং প্রশংসা করেছে। তিনি পিসিএ চুক্তিতে অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই চুক্তি দুই পক্ষের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বড় সুযোগ তৈরি করবে।
জবাবে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত ১৭ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারকে ইইউর ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, পিসিএ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চুক্তি, যা বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।
পাওলা পাম্পালোনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইইউ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এরই প্রতিফলন হিসেবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ একটি উচ্চপর্যায়ের বড় নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি জানান, ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান চলতি সপ্তাহেই বাংলাদেশে আসবেন এবং রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, স্বৈরশাসনের কারণে গত ১৬ বছর মানুষ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। এবার মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে।
পাওলা পাম্পালোনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সফল গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পর বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে, যা ঢাকা ও বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোটের মধ্যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে সমর্থন দিয়েছে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে তারা প্রচার চালাবে বলে তার বিশ্বাস। আমি মনে করি না কোনো দল ‘না’ ভোটের পক্ষে যাবে।
সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।
এমকে
জাতীয়
তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন, ইইউ পর্যবেক্ষক দল পাঠানোসহ দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে এ সময় আলোচনা হয়েছে।
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকের পর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের জানান, এবার অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে বলেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে। এর মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থনই ব্যক্ত হয়েছে। এই বিষয়গুলো নিয়েই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে তারা কথা বলতে এসেছিলেন। খুব ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার আসবে, তাদের অধিকতর সহযোগিতা দেবে ইইউ। গত কয়েকটি নির্বাচনে তারা কোনো পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। ইইউ বাংলাদেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। নির্বাচন কেমন হতে যাচ্ছে, বিএনপির ভূমিকা কেমন থাকবে এবং নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের উন্নয়নের ব্যাপারে কী ভাবনা-চিন্তা, তা জানতে চেয়েছেন তারা। এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্পষ্টভাবে বলেছেন, এই নির্বাচন দ্রুত করার দাবিটি মূলত বিএপির ছিল। নির্ধারিত তারিখেই শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিএনপির যে প্রতিশ্রুতি, এটা তিনি পুর্নব্যক্ত করেছেন।
সাক্ষাতের সময় নজরুল ইসলাম খান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
এমকে
জাতীয়
মাইলস্টোনে নিহতদের পরিবার ২০ লাখ, আহতরা পাবেন ৫ লাখ
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে বিশেষ আর্থিক অনুদান দেবে সরকার৷ যেখানে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ লাখ এবং আহতদের প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সই করা এক চিঠিতে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর এ সুপারিশ করা হয়৷
চিঠিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ কর্তৃক বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্তের ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে আহত ও নিহতদের পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ বাবদ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ, অর্থসহায়তা ও চিকিৎসা প্রদান বিষয়ে পরিবেশ উপদেষ্টার সভাপতিত্বে গত ২ ডিসেম্বর এক সভা হয়। সভায় আহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ৫ লাখ এবং নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সে হিসাবে ৫ লাখ টাকা করে আহতদের ৬৪ জন ৩ কোটি ২০ লাখ এবং ২০ লাখ টাকা করে নিহতদের ৩৫ পরিবার পাবে ৭ কোটি টাকা।
গত বছরের ২১ জুলাই মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষক, একজন আয়া ও তিনজন অভিভাবকসহ মোট ৩৫ জন মারা যান। আহত ও মুমূর্ষু অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ৫৮ জনেরও বেশি। চিঠিতে আহতের তালিকায় ৬৪ জন ও ৩৫ জনকে নিহত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমকে
জাতীয়
ভারতে খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে আমরা অনড়: আসিফ নজরুল
বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে না যাওয়ার অবস্থানে বাংলাদেশ অনড় রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বোঝানো সম্ভব হবে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান উপদেষ্টা। বৈঠকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলসহ বোর্ডের পরিচালকরা এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, বাংলাদেশের নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশের মর্যাদার প্রশ্নে আমরা কোনো আপোষ করবো না। আমরা ক্রিকেট খেলতে চাই, বিশ্বকাপ খেলতে চাই। আরেকটি আয়োজক দেশ শ্রীলংকা আমরা সেখানে খেলতে প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, ভারতে খেলতে না যাওয়ার এই অবস্থানে আমরা অনড়। কেন আমরা অনড়, সেটি আইসিসিকে যুক্তিসহ বোঝাতে পারবো বলে আশা করি। আইসিসি যদি নিরপেক্ষ ও সহৃদয়ভাবে আমাদের যুক্তিগুলো বিবেচনা করে, তাহলে আমরা যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছি, সেখানে আমাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
উল্লেখ্য, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচই ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কে অবনতি এবং নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে এই ম্যাচগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের ভেন্যু থেকে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য আইসিসিকে অনুরোধ জানিয়েছে বিসিবি।
এমকে
জাতীয়
ঊর্ধ্বতন ১৪ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
বদলি কর্মকর্তাদের মধ্যে সিআইডির ডিআইজি এস এম ফজলুর রহমানকে পুলিশ টেলিকম ইউনিটে, সিআইডির ডিআইজি মো. সাজ্জাদুর রহমানকে এপিবিএনে, সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানকে ডিএমপিতে, ডিআইজি মোহাম্মদ ওসমান গণিকে ডিএমপিতে, ডিআইজি সানা শামীনুর রহমানকে ডিএমপিতে ও ডিআইজি মোহাম্মদ ফয়েজুর কবিরকে এসবিতে বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার খন্দকার খালিদ বিন নুরকে ডিএমপিতে, নোয়াখালী পিটিসির পুলিশ সুপার আসমা বেগম রিটাকে এপিবিএন হেডকোয়ার্টারে, খুলনা পিটিসির পুলিশ সুপার সোমা হাপাংকে ময়মনসিংহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে, নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার আ ফ ম নিজাম উদ্দিনকে পুলিশ সদর দপ্তরে, এসবির পুলিশ সুপার মাহফুজা লিজাকে পুলিশ সদর দপ্তরে, এসবির সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার মো. যায়েদ শাহরীয়ারকে পুলিশ সদর দপ্তরে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে ডিএমপিতে এবং রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল হককে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়েছে।
এমকে




