পুঁজিবাজার
এসএমইতে বিনিয়োগ সীমা কমিয়ে ১০ লাখ টাকা করলো বিএসইসি
পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটাতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পভিত্তিক এসএমই বোর্ডে বড় নীতিগত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সেকেন্ডারি মার্কেটে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ রয়েছে—এমন যেকোনো বিনিয়োগকারী এসএমই প্ল্যাটফর্মে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ পাবেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত কমিশনের ৯৯০তম সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। এর আগে এসএমই বোর্ডে লেনদেনের জন্য বিনিয়োগের ন্যূনতম সীমা ছিল ৩০ লাখ টাকা, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় প্রতিবন্ধক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।
সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশি ও বিদেশি উভয় শ্রেণির বিনিয়োগকারীরা যদি ডিএসইর সেকেন্ডারি মার্কেটে অন্তত ১০ লাখ টাকার পোর্টফোলিও ধারণ করেন, তাহলে তারা এসএমই বোর্ডে ‘কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর’ হিসেবে গণ্য হবেন। এ লক্ষ্যে বিএসইসি ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জারি করা নির্দেশিকায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে।
বিএসইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আগের কমিশনের সময়ে আইনের মূল বিধিমালার সঙ্গে পৃথক নির্দেশনার মাধ্যমে যে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছিল, তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছিল। বর্তমান কমিশন সেই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং বিধিমালার সঙ্গে নির্দেশনার সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ব্রোকাররা ধারাবাহিকভাবে ৩০ লক্ষ টাকার প্রয়োজনীয়তার বিরোধিতা করে আসছে, কারণ এটি নিয়ন্ত্রক কর্তৃক অনুমোদিত যোগ্য বিনিয়োগকারী অফারের নিয়মের পরিপন্থী। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য এসএমই লেনদেনে অংশগ্রহণ করা সহজ করে তুলবে, যা এমন একটি প্ল্যাটফর্মে তারল্য উন্নত করতে সহায়তা করবে যা চালু হওয়ার পর থেকে মূলত নিষ্ক্রিয় রয়েছে।
তার মতে, বছরের পর বছর ধরে অতিরিক্ত এবং ঘন ঘন নিয়ন্ত্রক হস্তক্ষেপ বিনিয়োগকারীদের আস্থা হ্রাস করেছে এবং অনেক বাজার অংশগ্রহণকারীকে এসএমই সেগমেন্টের সাথে যুক্ত হতে দ্বিধাগ্রস্ত করেছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে, এসএমই বোর্ড আকর্ষণ অর্জনের জন্য লড়াই করেছে। ট্রেডিং কার্যকলাপ ক্ষীণ রয়ে গেছে এবং বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়েছে। ২০২৫ সালে, ডিএসএমইএক্স নামে পরিচিত এসএমই সূচক ২১ শতাংশেরও বেশি কমে প্রায় ৮৫৫ পয়েন্টে শেষ হয়। দৈনিক গড় টার্নওভার প্রায় ৫ কোটি টাকার কাছাকাছি ছিল, যা বাজারে গভীরতা এবং অংশগ্রহণের অভাবকে তুলে ধরে। বছরজুড়ে এসএমই প্ল্যাটফর্মে কোনও নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়নি, যা এর স্থবিরতাকে আরও প্রতিফলিত করে।
এসএমই প্ল্যাটফর্মটি চালু হওয়ার পর থেকে লেনদেনের জন্য বিনিয়োগের সীমা একাধিকবার সংশোধন করা হয়েছে, যা অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়েছে। প্রাথমিকভাবে, বিএসইসি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা ৫০ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করে, যখনিএসএমই বোর্ডে ট্রেডিং আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। পরে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই সীমা কমিয়ে ২০ লক্ষ টাকা করা হয় এবং ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে আবার ৩০ লক্ষ টাকা করা হয়। ঘন ঘন পরিবর্তন বিনিয়োগকারীদের পরিকল্পনা করা কঠিন করে তোলে এবং সুদের হ্রাসে অবদান রাখে।
এসএমই বোর্ডের নিজস্ব একটি তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত ইতিহাস রয়েছে। বিএসইসি ২০১৮ সালের নভেম্বরে এসএমই নিয়ম প্রণয়ন করে এবং স্টক এক্সচেঞ্জগুলো ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্ল্যাটফর্মটি চালু করে। প্রকৃত লেনদেন ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হয়েছিল। স্বল্প মূলধনী এই মার্কেটে বর্তমানে ২০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়।
এসএম
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে ২ শতাংশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ২ শতাংশ বেড়েছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ৯.৯৪ পয়েন্টে আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ১০.১ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.১৬ পয়েন্ট বা ২ শতাংশ বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে ফান্ডটির ইউনিট দর কমেছে ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। ফান্ডটির সমাপনী মূল্য ছিল ৩.০০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা এসজেআইবিএল মুদ্রাবাদ পার্পেচ্যুয়াল বন্ডের ইউনিট দর কমেছে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ফান্ডটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫,৪০৮.০০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা বিডি ওয়েল্ডিংয়ের শেয়ার দর কমেছে ৬ দশমিক ৬০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১৮.৪০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে– মেঘনা সিমেন্টের ৬.৩৫ শতাংশ, এবি ব্যাংক পার্পেচ্যুয়াল বন্ডের ৬.২৫ শতাংশ, এপিএসসিএল নন-কনভারট্যোবল অ্যান্ড কূপন বেয়ারিং বন্ডের ৬.২৩ শতাংশ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ৬.১৯ শতাংশ, ন্যাশনাল ব্যাংকের ৫.৬৬ শতাংশ, পূবালী ব্যাংক পার্পেচ্যুয়াল বন্ডের ৫.০০ শতাংশ ও আইসিবি ইমপ্লোয়েস মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান : স্কিম ওয়ানের ৪.০০ শতাংশ শেয়ার দর কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে বিআইএফসি
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) লিমিটেড ।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, গত সপ্তাহে কোম্পানির দর বেড়েছে ৫২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫.৫০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রাইম ফাইন্যান্সের শেয়ার দর বেড়েছে ৪৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৪.০০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ার দর বেড়েছে ৩৬ দশমিক ১১ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৪.৯০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে–ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ৩৪.১৫ শতাংশ, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ৩২.০০ শতাংশ, অ্যাপোলো ইস্পাতের ৩১.৮২ শতাংশ, ফাস ফাইন্যান্সের ৩০.৭৭ শতাংশ, পিপলস লিজিংয়ের ৩০.৭৭ শতাংশ, সোনারগাঁও টেক্সটাইলের ২৯.৩৬ শতাংশ ও বে-লিজিংয়ের ২৮.৮৯ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৪৫ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৬.২৬ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ৩১ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৪.৩০ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের ২৬ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার টাকার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.৬৮ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- রবি আজিয়াটার ২১ কোটি ৭৬ লাখ ২০ হাজার টাকা , খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগের ১৭ কোটি ৪২ লাখ ৭০ হাজার টাকা , ওরিয়ন ইনফিউশনের ১৭ কোটি ৪২ লাখ ১০ হাজার টাকা , সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের ১৪ কোটি ৭৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা , স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ১৩ কোটি ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা , ইস্টার্ন ব্যাংকের ১২ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং যমুনা ব্যাংকের ১১ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ৬১ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৬১ কোটি ৭৭ লাখ ৪৬ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিগুলোর মোট ৫৫ লাখ ৫৬ হাজার ০৯৮টি শেয়ার ১২৪ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৬১ কোটি ৭৭ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের ২৩ কোটি ৪৮ লক্ষ ২৮ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে গ্রামীনফোন লিমিটেডের ১৮ কোটি ৮২ লাখ ১৯ হাজার টাকার এবং তৃতীয় স্থানে রেনাটা পিএলসির ৪ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন




