আন্তর্জাতিক
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, এমন অভিযোগ করে একে ‘সরাসরি সামরিক আগ্রাসন’ বলে আখ্যা দিয়েছে দেশটির সরকার। সরকারি এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ জানানো হয়। শনিবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে বিবৃতিটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার সরকারের দাবি, রাজধানী কারাকাসসহ মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা অঙ্গরাজ্যের একাধিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলাকে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত সামরিক অভিযান হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানায় কারাকাস।
সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদের দখল নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই প্রচেষ্টা সফল হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মাদুরো প্রশাসন।
পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ভেনেজুয়েলার ভেতরে একাধিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। সিবিএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সামরিক স্থাপনাও ছিল।
তবে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সব প্রশ্ন হোয়াইট হাউসের কাছে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিএস।
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এখনো পর্যন্ত হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের নির্দিষ্ট তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
এমকে
আন্তর্জাতিক
ভেনেজুয়েলার পাশে থাকার ঘোষণা রাশিয়ার
ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় । শনিবার রাষ্ট্রীয় বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। এছাড়া বলিভারিয়ান নেতৃত্বের অনুসরণ করে ভেনেজুয়েলার পাশে থাকার ঘোষণা দেয় রাশিয়া। ভোরে রাজধানী কারাকাসে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পর পরিস্থিতি আরও তীব্র হওয়ার যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে রাশিয়া।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে বলছে, ভেনেজুয়েলায় হামলাকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য যে অজুহাত দেখানো হয়েছে তা অগ্রহণযোগ্য।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘এখানে আদর্শগতভাবে পরিচালিত শত্রুতার বাস্তববাদীতা এবং বিশ্বাস ও ভবিষ্যদ্বাণীর উপর ভিত্তি করে সম্পর্ক গড়ে তোলার ইচ্ছার বিপরীতে সবকিছু প্রাধান্য পেয়েছে।
মন্ত্রণালয় বিরোধ সমাধানের একমাত্র উপায় হিসেবে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে যে তারা কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন করতে প্রস্তুত।
বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আমরা ভেনেজুয়েলার জনগণের সাথে আমাদের সংহতি এবং দেশের জাতীয় স্বার্থ এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য বলিভারিয়ান নেতৃত্বের অনুসরণ করা পথের প্রতি আমাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি।
কারাকাসে রাশিয়ার দূতাবাস জানিয়েছে যে তারা স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে এবং ভেনেজুয়েলার কর্তৃপক্ষ এবং দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে অবস্থিত রাশিয়ান নাগরিকদের সাথে তাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। হামলায় কোনো রুশ নাগরিক আহত হয়েছেন বলে তারা জানায়নি।
উল্লেখ্য, বলিভারিয়ান নেতৃত্ব হলো সিমোন বলিভারের প্যান-আমেরিকান, মুক্তিকামী চেতনাকে কাজে লাগিয়ে, সমাজতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের মিশেলে ভেনেজুয়েলায় একটি শক্তিশালী, সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও দর্শন।
আন্তর্জাতিক
ভেনেজুয়েলা-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব স্পেনের
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সৃষ্ট সংকটে ওয়াশিংটন ও কারাকাসের মধ্যে শনিবার মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে স্পেন।
এক বিবৃতিতে স্প্যানিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘স্পেন উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানায়।’
মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৪ সালের ২৮ জুলাইয়ের নির্বাচনকে স্পেন স্বীকৃতি দেয়নি—যে নির্বাচনে মাদুরোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু বিরোধী প্রার্থী এদমুন্দো গনসালেস উরুতিয়া ফল নিয়ে আপত্তি জানান এবং পরে মাদ্রিদে আশ্রয় নেন।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, স্পেন ‘রাজনৈতিক কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়া কয়েক লাখ ভেনেজুয়েলানকে আশ্রয় দিয়েছে এবং দিতে থাকবে’ এবং দেশটির জন্য ‘একটি গণতান্ত্রিক, আলোচনাভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে পেতে সহায়তা করতে প্রস্তুত।’
২০২৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচন পরিষদ মাদুরোকে বিজয়ী ঘোষণা করেছিল, যদিও সাইবার হামলার কথা বলে ভোটকেন্দ্রভিত্তিক সুনির্দিষ্ট ফল প্রকাশ করা হয়নি।
বিরোধীরা ওই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলে। তাদের প্রার্থী গনসালেস উরুতিয়া শেষ মুহূর্তে মারিয়া কোরিনা মাচাদোর স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন—যিনি আগে প্রার্থিতা থেকে অযোগ্য ঘোষিত হন।
কিছুদিন পর গনসালেস উরুতিয়া একটি স্প্যানিশ সামরিক বিমানে ভেনেজুয়েলা ত্যাগ করে আশ্রয় পান।
নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত মাচাদো পরে নাটকীয়ভাবে স্টকহোমে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে পারলেও ভোটের পর থেকেই দেশে লুকিয়ে আছেন।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ ওই নির্বাচনের ফল মানতে রাজি নয়, যা মাদুরোকে টানা তৃতীয় মেয়াদে ছয় বছরের জন্য ক্ষমতায় থাকার পথ করে দেয়।
আন্তর্জাতিক
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে সস্ত্রীক আটক করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, আমেরিকা ভেনেজুয়েলায় একটি ‘বৃহৎ আকারের হামলা’ চালিয়েছে এবং এর মাধ্যমেই মাদুরোকে বন্দী করা সম্ভব হয়েছে।
শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তিনি জানান, মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে আটক করে ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলার বাইরে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছে। তবে এই হামলার প্রকৃতি বা ঠিক কোন স্থানে এই অভিযান চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
ভেনেজুয়েলা সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র কারাকাস, মিরান্ডা, আরাগুয়া এবং লা গুয়াইরায় হামলা করেছে। এটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামরিক আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে মাদুরো সরকার।
আজ স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে কারাকাসে কমপক্ষে সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যার সঙ্গে উড়ন্ত যুদ্ধবিমানের শব্দও শোনা গেছে।
এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিশ্ব রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। লাতিন আমেরিকার এই দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি দীর্ঘকাল ধরেই টালমাটাল ছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মাদুরো সরকারের সম্পর্ক ছিল চরম বৈরী। যদি ট্রাম্পের এই দাবি সত্য হয়, তবে এটি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সামরিক ও রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই মাদুরো সরকারের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্র এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আসছে ওয়াশিংটন।
এমকে
আন্তর্জাতিক
মেক্সিকোয় শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২
মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটি ও প্রশান্ত মহাসাগর উপকূলের একটি পর্যটন এলাকায় ৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত দুইজন নিহত এবং ভূমিকম্পের কেন্দ্রের কাছের একটি ছোট শহরে মাঝারি মাত্রার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ৮টার কিছু আগে আকাপুলকোর কাছে এই ভূমিকম্পটি ঘটে। আকাপুলকো একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত এলাকা।
ভূমিকম্পের কম্পন প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে উত্তরের মেক্সিকো সিটিতেও অনুভূত হয়। সেখানে সতর্কতামূলক অ্যালার্ম বেজে ওঠায় ছুটির সপ্তাহান্তে আতঙ্কে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য রাস্তায় নেমে আসে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, রাজধানীতে দ্বিতীয় তলার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বের হওয়ার সময় পড়ে গিয়ে ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি মারা যান।
মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লারা ব্রুগাদা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, আরও ১২ জন আহত হয়েছেন। তবে দেশের সবচেয়ে বড় শহরটিতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের সময় প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাম তার নিয়মিত সকালবেলার সংবাদ সম্মেলন চলাকালে প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
মেক্সিকোর জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল গুয়েরেরো অঙ্গরাজ্যের সান মার্কোস শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে।
প্রেসিডেন্ট শেইনবাম বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে বড় ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সান মার্কোস শহরে ভূমিকম্পের প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
গুয়েরেরোর গভর্নর এভেলিন সালগাদো জানান, পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী এক নারী তার বাড়ি ধসে পড়ায় প্রাণ হারান।
সান মার্কোসের মেয়র মিসায়েল লোরেনসো কাস্তিয়ো বলেন, প্রায় ৫০টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং “প্রায় সব বাড়িতেই ফাটল দেখা দিয়েছে”।
স্থানীয় বাসিন্দারা এক এএফপি সাংবাদিককে তাদের বাড়ির দেয়ালে ফাটল ও ধসে পড়া অংশ দেখান।
নিজের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে স্থানীয় বাসিন্দা রোগেলিও মোরেনো বলেন, “সান মার্কোস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পুরোপুরি বিপর্যস্ত।
এমকে
আন্তর্জাতিক
গাজা সংকট নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ এরদোয়ানের
আগামী ৫ জানুয়ারি ইউক্রেন যুদ্ধ ও গাজা সংকট নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ইস্তাম্বুলে জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তুরস্কভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম হুরিয়েত ডেইলি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এরদোয়ান জানান, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আগামী সপ্তাহে ফ্রান্সে কিয়েভের মিত্রদের নিয়ে গঠিত ‘ইচ্ছুকদের জোট’-এর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। এর আগে ৩ জানুয়ারি ইউক্রেনে মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। এসব আলোচনায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি ফিলিস্তিন পরিস্থিতিও গুরুত্ব পাবে।



