জাতীয়
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা তুলে ধরতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেবেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
আজ রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান জানান, ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’সহ দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অগ্রগতি বিষয়ে এ প্রেস ব্রিফিং ডাকা হয়েছে।
জানা গেছে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ফ্যাসিস্টদের দমনের লক্ষ্যে গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে যৌথবাহিনীর নেতৃত্বে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২’ নামে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গত সাত দিনে এ অভিযানে পাঁচ হাজার ৯৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।
এর আগে শনিবার রাজধানীর শাহবাগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী, ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ সেখানে অংশ নেন। কর্মসূচিতে তারা হাদির স্মরণে শোক প্রকাশের পাশাপাশি তার হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে হাদির সংগ্রামী জীবনের নানা বার্তা তুলে ধরা হয়।
সমাবেশে বক্তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না হলে শিক্ষার্থী ও জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
জাতীয়
এনআইডি দিয়েই জানুন আপনার ভোটকেন্দ্রের নাম ও নম্বর
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটারদের জন্য ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ অ্যাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর ব্যবহার করে ভোটাররা সহজেই নিজেদের ভোট কেন্দ্রের অবস্থান জানতে পারবেন।
ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। এ অ্যাপের মাধ্যমে ভোট কেন্দ্রের অবস্থান (জিও লোকেশন), ছবি, দূরত্ব ও ম্যাপসহ বিস্তারিত তথ্য দেখা যাবে।
এছাড়া অ্যাপটি থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তথ্য, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা, নির্বাচন-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এবং ফলাফলও জানা যাবে। ফলে ভোটারদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও আগ্রহী ব্যক্তিরাও সহজে নির্বাচন-সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
অ্যাপটি একবার ইন্সটল করার পর জন্মতারিখ এবং ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর দিলে যাবতীয় তথ্য জানা যাবে। যার মধ্যে, বর্তমানে কততম পার্লামেন্ট নির্বাচন হচ্ছে, আপনার ভোটার আইডি নম্বর, আপনি কোন ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে পারবেন তার নাম, ভোট কেন্দ্রের ঠিকানা, আপনার ভোট দেওয়ার সিরিয়াল নম্বর বা ভোটিং সিরিয়াল নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য থাকে।
অ্যাপটি ইনস্টল করে ভোটাররা জন্ম তারিখ ও ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর দিয়ে ভোট কেন্দ্রের ঠিকানা, ভোট দেওয়ার সিরিয়াল নম্বর, প্রার্থীদের প্রতীকের মতো তথ্য জানতে পারবে।
জাতীয়
কাস্টমসের ৩৮ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কাস্টমসের বিভিন্ন পর্যায়ের ৩৮ জন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করেছে। কাস্টমসের ৩ কমিশনার, ৪ যুগ্ম কমিশনার, ৫ অতিরিক্ত কমিশনার, ৮ উপকমিশনার ও ১৮ জন সহকারী কমিশনারকে একযোগে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন কাস্টমস হাউজে এবং দেশের বিভিন্ন কাস্টমস হাউজ থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পাঁচটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই রদবদলের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এর মধ্যে একটি আদেশ ৩ ফেব্রুয়ারি এবং অপর ৪টি আদেশ ৫ ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।
বদলি হওয়া তিন কমিশনার হলেন- আবুল বাশার মো. শফিকুর রহমান, মো. মাহাফুজুর রহমান (চলতি দায়িত্ব) ও মো. জাকিন হোসেন (চলতি দায়িত্ব)।
চার যুগ্ম কমিশনার হলেন- মো. আল আমিন, সুমন দাস, মাজেদুল হক ও মহিবুর রহমান ভুঞা।
পাঁচ অতিরিক্ত কমিশনার হলেন- কামনাশীষ, মোহাম্মদ সেলিম শেখ, রাকিবুল হাসান, মিনহাজ উদ্দিন ও আব্দুল রশিদ মিয়া।
আট উপকমিশনার হলেন- মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, প্রভাত কুমার সিংহ, নুরুন নাহার লিলি, তানজিলা ইয়াসমিন, জোবায়দা খানম, রবীন্দ্র কুমার সিংহ, মো. মশউর রহমান ও আলী রেজা হায়দার।
সহকারী কমিশনাররা হলেন- শুভ্র দেব মণ্ডল, অপূর্ব সাহা, আবদুস সাত্তার, ফয়ছাল আহম্মদ, মো. শওকত হোসেন, দীপু রাম রায়, সামিয়া নিশাত, মো. আইয়ুব, ফিরোজ হোসেন বিশ্বাস, আসিবুল হক, রেবেকা সুলতানা রীমা, আবু সালেহ আব্দুন নূর, মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ সৌরভ, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. আবদুল্লাহ, একেএম জামিউল আলম, আব্দুস সালাম ও মোস্তফা কামাল।
এমএন
জাতীয়
রমজানে অফিসের সময় নির্ধারণ
পবিত্র রমজান মাসে সরকারি অফিসের নতুন সময় নির্ধারণ করেছে সরকার। অন্যান্য বছরের মতো এবারও রমজানে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া বাকি পাঁচ দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে।
বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
প্রেস সচিব বলেন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্তঅফিস চলবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ১৫ মিনিট জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে।
ৎতবে ব্যাংক, বিমা, সুপ্রিম কোর্ট, অন্যান্য স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী অফিসসূচি নির্ধারণ করবে।
এমএন
জাতীয়
ক্ষমতা হস্তান্তরের সম্ভাব্য সময় জানালেন প্রেস সচিব
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সর্বোচ্চ তিন দিন সময় লাগতে পারে এবং আগামী ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এরপর দ্রুততার সাথে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তিনি বলেন, সর্বোচ্চ দ্রুততার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে তিন দিনের মধ্যেও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। অর্থাৎ ১৫, ১৬ অথবা ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।
একই সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের বিষয়ে ছড়ানো গুঞ্জন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, সরকার ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই। সরকার শুরু থেকেই নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরে যাবে।
এমএন
জাতীয়
স্পিকার না থাকায় নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াবেন সিইসি
বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার সাক্ষী হতে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় সংবিধানের বিশেষ বিধান অনুযায়ী তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন। সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের বিভিন্ন উপ-ধারায় বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী, স্পিকার বা তার মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পাঠ করাতে ব্যর্থ হলে বা পদটি শূন্য থাকলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ওপর এই আইনি বাধ্যবাধকতা বর্তায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্পিকারের পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে এই সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
সংবিধানের ১৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণত বিদায়ী স্পিকার নতুন এমপিদের শপথ পাঠ করান। তবে ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে যদি স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তি শপথ না পড়ান, তবে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এছাড়া সংবিধানের ৩ নম্বর তফসিল অনুযায়ী, বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে সিইসি এই কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে যে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার আগেই সংসদ অধিবেশন কক্ষ ও শপথ কক্ষ সংস্কারের কাজ শেষ করে নতুন সংসদ সদস্যদের বরণের জন্য প্রস্তুত করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার আবদুল রহমানেল মাছউদ এই বিষয়ে জানিয়েছেন, সংবিধানে বর্ণিত নিয়মের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই এবং স্পিকার না থাকলে সিইসিই শপথ পাঠ করাবেন—এটি নিশ্চিত। ইসি সচিবালয় ও সংসদ সচিবালয়ের মধ্যে এ নিয়ে নিয়মিত যোগাযোগ চলছে এবং একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শাহদীন মালিকের মতে, স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে সিইসির মাধ্যমে শপথ নেওয়া পুরোপুরি বৈধ এবং এটি রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতা ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পড়ে। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, শপথ গ্রহণে বিলম্ব হলে সংসদের বৈধতা ও কার্যক্রম শুরু নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
আইন অনুযায়ী নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন করা সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ গঠিত হয়।
সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র লেজিসলেটিভ ড্রাফট এমএম ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, যদিও এখনও চূড়ান্ত কোনো নির্দেশনা আসেনি, তবে তারা সংবিধানের ১৪৮-এর ২ অনুচ্ছেদ এবং ২(ক) অনুচ্ছেদের বাধ্যবাধকতা মাথায় রেখেই যাবতীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। এর ফলে কোনো ধরনের সাংবিধানিক সংকট ছাড়াই নতুন সংসদ যাত্রা শুরু করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।



