অর্থনীতি
দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৪২০ কোটি টাকার এলএনজি কিনবে সরকার
দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৪২০ কোটি ৯ লাখ ৬৯ হাজার ২২৫ টাকা ৬০ পয়সা।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই এনএনজি আমদানির অনুমোন দেওয়া হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫ এর বিধি-১০৫(৩) (ক)-অনুসরণে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় স্পট মার্কেট থেকে এক কার্গো (৯-১০ জানুয়ারি ২০২৬ সময়ের জন্য ২য়) এলএনজি কেনার প্রস্তাব নিয়ে আসে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার এম/এস পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে এই এলএনজি কেনা হবে। এতে ব্যয় হবে ৪২০ কোটি ৯ লাখ ৬৯ হাজার ২২৫ টাকা ৬০ পয়সা। প্রতি এমএমবিটিইউ’র মূল্য ধরা হয়েছে ৯.৯৯ মার্কিন ডলার।
অর্থনীতি
ঈদ বোনাস দিয়েছে ৯৭.৭৯ শতাংশ পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ
ঢাকা ও চট্টগ্রামে ২ হাজার ১২৭টি চালু পোশাক কারখানার মধ্যে ২ হাজার ৮০টি কারখানা শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএমইএ।
এতে বলা হয়, ঢাকা ও চট্টগ্রামে চালু রয়েছে মোট ২ হাজার ১২৭টি কারখানা। যার মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৭৮৫টি ও চট্টগ্রামে ৩৪২টি।
ফেব্রুয়ারির বেতন পরিশোধ করেছে ২ হাজার ১০৪টি কারখানা, যা শতকরা ৯৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। এরমধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭৬৭টি ও চট্টগ্রামের ৩৩৭টি কারখানা।
ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে মোট ২ হাজার ৮০টি কারখানা, যা শতকরা ৯৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এরমধ্যে রয়েছে ঢাকার ১ হাজার ৭৫৩ টি ও চট্টগ্রামের ৩২৭টি কারখানা।
এছাড়া মার্চ মাসের অগ্রিম বেতন পরিশোধ করবে মোট ৮৭০টি কারখানা, যা শতকরা ৪০ দশমিক ৯০ শতাংশ। এরমধ্যে রয়েছে ঢাকার ৮৪০টি ও চট্টগ্রামের ৩০টি কারখানা।
অর্থনীতি
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে: গভর্নর
ব্যাংক খাতের সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পাঁচটি শরীয়াহ-ভিত্তিক দুর্বল ব্যাংক মিলে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করার বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) গভর্নর কার্যালয়ে পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসকদের নিয়ে বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে ব্যাংকগুলোর আইটি সিস্টেম ইন্টিগ্রেশনসহ একীভূতকরণ কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সূত্রমতে, বৈঠকে পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসক ও তাদের চারজন করে সহযোগীর সঙ্গে এ বৈঠক করেন গভর্নর।
বৈঠকে তিনি ব্যাংকগুলোর আইটি ইন্টিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় কেন দেরি হচ্ছে, সে বিষয়ে জানতে চান। কর্মকর্তারা ব্যাংকগুলোর আলাদা আলাদা ডেটা একত্রিত করতে এ সময় দরকার হচ্ছে বলে জানান।
বৈঠকে উপস্থিত একজন কর্মকর্তা গভর্নরের কাছে জানতে চান একীভূতকরণ চলমান থাকবে কি না। জবাবে গভর্নর বলেন, সরকার এরইমধ্যে নতুন এই ব্যাংকে ২০ হাজার কোটি টাকার মূলধন জোগান দিয়েছে। আমানত বিমা তহবিল থেকে এসব ব্যাংকের গ্রাহকদের ১২ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। ফলে যত দ্রুত সম্ভব পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। একীভূতকরণ থেকে পেছনে ফেরার কোনো সুযোগ নেই।
এর আগে গত ৩ মার্চ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসকদের নিয়ে বৈঠক করেন গভর্নর। বৈঠকে শিগগিরই এই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। আর প্রশাসকদের যথানিয়মে কাজ চালিয়ে যেতে বলেন।
এছাড়া যেকোনো উপায়ে এসব ব্যাংকের ঋণ আদায় জোরদার করতেও বলেন গভর্নর। একইসঙ্গে পাঁচ ব্যাংকের বিনিয়োগ নিয়ে পরিচালিত যেসব কারখানার অস্তিত্ব রয়েছে, তা বন্ধ হয়ে থাকলে চালুর উদ্যোগ নিতে বলেন।
যে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়েছে, সেগুলো হলো: এক্সিম ব্যাংক পিএলসি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ও ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি।
গত বছরের নভেম্বরে এসব ব্যাংকের আইটি সিস্টেমসহ সবকিছু একীভূত করতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশাসক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিটি ব্যাংকে একজন প্রশাসক ও তাকে সহযোগিতার জন্য আরও চারজন করে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা সবাই বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা।
এমএন
অর্থনীতি
আরও কমলো স্বর্ণ-রুপার দাম, কত দামে বিক্রি হচ্ছে আজ
সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে সবশেষ নির্ধারিত দামে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে মূল্যবান এই ধাতু দুটির দাম যথাক্রমে ২ হাজার ৬৮৩ ও ২৯২ টাকা কমানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে, সবশেষ গত ১৩ মার্চ সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে এবার কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ২৯২ টাকা কমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৬৫ টাকায়।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৭৩২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এদিকে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২৬ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ১৭ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
অন্যদিকে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১৬ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে বাকি ১১ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
এমএন
অর্থনীতি
ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন প্রায় ৪১ লাখ করদাতা: এনবিআর
চলতি ২০২৫–২৬ করবর্ষে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪১ লাখ করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
সোমবার (১৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআর।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০২৫–২০২৬ করবর্ষের জন্য কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে। এরই মধ্যে এনবিআরের ই-রিটার্ন সিস্টেমে প্রায় ৫০ লাখ ব্যক্তি করদাতা নিবন্ধন করেছেন এবং প্রায় ৪১ লাখ করদাতা ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করেছেন।
চলতি বছর ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে, ব্যক্তি করদাতারা ৩১ মার্চের আগে লিখিত আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার রিটার্ন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত ৯০ দিন পর্যন্ত সময় বাড়াতে পারেন।
রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় বাড়ানোর আবেদন এবং অতিরিক্ত সময়ের অনুমোদনের কাজটি সহজ, দ্রুত, স্বচ্ছ এবং স্বস্তিদায়ক করার লক্ষ্যে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য অনলাইন সিস্টেম চালু করা হয়েছে। করদাতারা এখন সহজেই ই-রিটার্ন সিস্টেমে লগইন করে ‘Time Extension’ মেন্যু ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় বাড়ানোর আবেদন করতে পারবেন।
অনলাইনে দাখিল করা করদাতার আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের কর কমিশনার অনলাইনেই আবেদন অনুমোদন অথবা নামঞ্জুর করবেন। করদাতার সময় বাড়ানোর আবেদন মঞ্জুর হলে বর্ধিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো জরিমানা বা অতিরিক্ত কর দেয়া ছাড়াই অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে করদাতাদের ই-রিটার্ন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন থাকা এবং ৩১ মার্চের আগে আবেদন করা বাধ্যতামূলক। যে সব করদাতার জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক নয় তারা অনলাইনে অথবা সরাসরি সংশ্লিষ্ট সার্কেলে লিখিতভাবে উভয় পদ্ধতিতেই সময় বাড়ানোর আবেদন করতে পারবেন।
সব ব্যক্তি করদাতাদের ই-রিটার্ন সিস্টেম ব্যবহার করে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে অথবা কর কমিশনার অনুমোদিত অতিরিক্ত সময়সীমার মধ্যে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এমএন
অর্থনীতি
ঈদের ছুটিতে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক, লেনদেন চলবে কত ঘণ্টা?
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটির মধ্যেও (ঈদের দিন ছাড়া) সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (১৬ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশে কার্যরত তফসিলি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠিয়েছে।
এসডিএডি সূত্রে জানা গেছে, আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সচল রাখতে ঈদের দিন ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও) সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিত পরিসরে খোলা রাখতে বলা হয়েছে।
আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ শিল্প এলাকায় বিশেষ শাখায় ব্যাংক খোলা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এরমধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি। আর গ্রাহকদের সঙ্গে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
সাভার, গাজীপুর, টঙ্গি, আশুলিয়া, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের পোশাক শিল্পঘন এলাকা বিশেষ এই সুবিধার আওতায় থাকবে। তবে আগামী ১৭ এবং ২০-২৩ মার্চ গ্রাহকদের সঙ্গে লেনদেনের সময় ঠিক করবে ব্যাংকগুলো। এরমধ্যে ২১ মার্চ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) ঈদ হলে সেদিন সব ব্যাংকই বন্ধ থাকবে।
এমএন




