জাতীয়
সিঙ্গাপুর পৌঁছেছে হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরে অবতরণ করেছে। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের সেলেতার বিমানবন্দরে ল্যান্ড করে।
এর আগে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি।
এর আগে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় হাদিকে বহন করা অ্যাম্বুলেন্সটি। অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে দেড়টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।
এর আগে বেলা ১১টা ২২ মিনিটের দিকে সিঙ্গাপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় এসে পৌঁছায়। ওসমান হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন তার ভাই ওমর বিন হাদি ও ওসমান হাদির বন্ধু আমিনুল হাসান ফয়সাল। তিনি হাদির রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ছিলেন।
জানা গেছে, চার ঘণ্টা উড্ডয়নের পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখান থেকে ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হবে। ঢাকার এয়ারকেয়ার হাসপাতাল ও সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে তার দীর্ঘ এই সফরে সম্মত হয়েছেন।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওসমান হাদি।
গতকাল রোববার (১৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান, এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. জাফর, ওসমান হাদির ভাই ওমর বিন হাদির মধ্যে এক জরুরি কল কনফারেন্সে হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।
গত দুদিন ধরে ওসমান হাদির চিকিৎসার জন্য সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ার কয়েকটি হাসপাতালে যোগাযোগ করে। গতকাল এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের পরামর্শে ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার পর প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান প্রধান উপদেষ্টাকে জানান, বর্তমানে ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত।
ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা চেয়েছেন তিনি।
জাতীয়
সৌদি প্রবাসীদের জন্য সুসংবাদ, দেশে ফিরতে লাগবে ২০ হাজার টাকা
সৌদিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াত সহজ ও সাশ্রয়ী করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে মাত্র ২০ হাজার ৫০০ টাকায় দেশে ফেরার সুযোগ পাবেন তারা। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানান, এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় সৌদি আরব ও বাংলাদেশ মিলিয়ে মোট ৮০ হাজার টিকিট বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রবাসী কর্মীরা উপকৃত হবেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সও বড় ধরনের লাভের মুখ দেখবে।
তিনি বলেন, বিশেষ করে হজ ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে আগে একমুখী ফাঁকা ফ্লাইট পরিচালনার যে চর্চা ছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেটিকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। এর ফলে বিমানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকারও বেশি আয় করার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বিশেষ ব্যবস্থায় মদিনা-ঢাকা ও জেদ্দা-ঢাকা রুটে একমুখী সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা। আর মদিনা-ঢাকা-মদিনা এবং জেদ্দা-ঢাকা-জেদ্দা রুটে রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া ৪২ হাজার টাকা। বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে এই বিশেষ ভাড়া কার্যকর থাকবে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ২৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত। আর বাংলাদেশ থেকে ফেরার ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যাবে ৩০ মে ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।
এই উদ্যোগকে প্রবাসীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনযাত্রা আরও সহজ করবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।’ তবে অতীতের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ‘অতীতে দেখা গেছে প্রবাসীদের সুবিধায় অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হলেও সঠিক তদারকির অভাবে তা মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাই খেয়াল রাখতে হবে, এই উদ্যোগটি যেন শতভাগ কার্যকর থাকে।’
এমকে
জাতীয়
নির্বাচনে ৫৭ জন পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ১৬ দেশ
আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে এখন পর্যন্ত ১৬টি দেশ। এসব দেশগুলো থেকে ৫৭ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক আসছে। একই সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কমনওয়েলথ এবং গণতান্ত্রিক শাসন ও মানবাধিকার উন্নয়নে কাজ করা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কয়েক শত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নির্বাচনে অংশ নেবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সর্বোচ্চ ১৪ জন পর্যবেক্ষক পাঠাবে মালয়েশিয়া। এর পরেই রয়েছে তুরস্ক, যারা ১২ জন পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণে। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান দাতো শ্রী রামলান বিন দাতো হারুন। অন্যদিকে তুরস্কের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দেশটির সংসদ সদস্যরা। এতে নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশের সাবেক তুর্কি রাষ্ট্রদূত মেহমেত ভাকুর এরকুল।
এছাড়া যেসব দেশ নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, সেগুলো হলো—ইন্দোনেশিয়া (৫), জাপান (৪), পাকিস্তান (৩), ভুটান (২), মালদ্বীপ (২), শ্রীলঙ্কা (১), ফিলিপাইন (২), জর্ডান (২), ইরান (১), জর্জিয়া (২), রাশিয়া (২), কিরগিজস্তান (২), উজবেকিস্তান (১) এবং দক্ষিণ আফ্রিকা (২)।
উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ জালাল সিকান্দার সুলতান এবং ভুটানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডেকি পেমা।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সমন্বয় কার্যক্রমে সহায়তাকারী সিনিয়র সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। খুব শিগগিরই আরও কয়েকটি দেশ তাদের প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করবে বলে আমরা আশা করছি।
এদিকে ঘানার সাবেক রাষ্ট্রপতি নান্না আকুফো-আডো ১৪ সদস্যের কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্ব দেবেন। এই দলে রয়েছেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী জেফ্রি সালিম ওয়াহিদ, সিয়েরা লিওনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড জন ফ্রান্সিস এবং মালয়েশিয়ার সাবেক সিনেটর রাস আদিবা মোহাম্মদ রাদজি।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন (ইইউ ইওএম)-এর প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন লাতভিয়ার ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভার্স ইজাবস। এই মিশনে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আরও অন্তত সাতজন সদস্য থাকবেন। তারা হলেন- লুকাস মান্ডল (অস্ট্রিয়া), লোরান্ত ভিনচে (রোমানিয়া), তোমাশ জদেখোভস্কি (চেক প্রজাতন্ত্র), লেইরে পাইহিন (স্পেন), শেরবান দিমিত্রিয়ে স্টুর্দজা (রোমানিয়া), মাইকেল ম্যাকনামারা (আয়ারল্যান্ড) এবং ক্যাটারিনা ভিয়েরা (নেদারল্যান্ডস)।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। জুলাই সনদের ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একইদিন। এবারের নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ প্রায় ২ হাজারের মতো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কাফি
জাতীয়
সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সেনাসদরে রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তাদের সাক্ষাতের ছবি পোস্ট করে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ওই ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, সাক্ষাৎকালে তারা শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি দুদেশের বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেন।
নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে গত ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসেন ক্রিস্টেনসেন। চার বছর আগে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলরের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
জাতীয়
জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ
২০২৬ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পিবিসির পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ব্যুরো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কমিশনের ২০তম অধিবেশনের প্রথম সভায় মরক্কো সভাপতি এবং বাংলাদেশ, জার্মানি, ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়া সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়। শান্তি বিনির্মাণ কমিশন একটি আন্তঃসরকারি উপদেষ্টা সংস্থা, যা সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোতে শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করে থাকে।
সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ এবং জাতিসংঘে শীর্ষ সৈন্য ও অর্থ প্রদানকারী দেশগুলোর মধ্য থেকে নির্বাচিত ৩১টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে এই কমিশন গঠিত।
২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশ এই কমিশনের সদস্য। এর আগে ২০১২ ও ২০২২ সালে বাংলাদেশ কমিশনের সভাপতি এবং ২০১৩ ও ২০২৩ সালে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।
এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পিবিসির ২০তম অধিবেশনের প্রথম সভায় সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। এ উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি এবং মহাসচিবের পক্ষে তার চিফ অব স্টাফ উপস্থিত ছিলেন এবং পিসবিল্ডিং কমিশনের (পিবিসি) ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য দেন।
এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য বাংলাদেশের ওপর আস্থা রাখায় কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানায়। একইসঙ্গে জাতিসংঘের শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টা ও কার্যক্রমের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ।
এমকে
জাতীয়
কেউ একজন আমার মাকে অপমান করেছে,বড্ড কষ্ট হচ্ছে: আমির হামজা
ভোট চাইতে যাওয়ার পথে মাকে অপমান ও লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দুঃখ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াত প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১১টা ৩৮ মিনিটের সময় মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “সারাদিনের ব্যস্ততা শেষ করে বালিশে মাথা রাখা মাত্রই মনে পড়ে গেলো আজ রাস্তায় প্রকাশ্য দিবালোকে কেউ একজন আমার মাকে অপমান করেছে। সন্তান হিসেবে মেনে নিতে বড্ড কষ্ট হচ্ছে।”
তিনি আরও লিখেন, “যারা দিনের আলো’ই আমাদের মা বোন দের সাথে এত নোংড়া আচরণ করতে পারে। তাদের কাছে আমাদের মা, বোনেরা কতটুকু নিরাপদ?? একজন সন্তান হিসেবে সকলের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম।”
এরআগে, সকাল ১১টার সময় ভোট চাইতে যাওয়ার পথে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আইলচারা ইউনিয়ন বাক্স ব্রিজ এলাকায় আমির হামজার মা ও তার মহিলা কর্মীরদের ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া এবং লিফলেট কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতা নাসিরের বিরুদ্ধে। বিকেলে ফেসবুক পোস্ট দিয়ে বিষয়টি জানান মুফতি আমির হামজা।
এমকে



