ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
৭ ব্যাংকে অফিসার পদে ৮৫২ নিয়োগ
ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির তত্ত্বাবধানে ৭টি ব্যাংকে অফিসার (ক্যাশ) পদে নিয়োগে আবেদন চলছে। আবেদনের শেষ সময় আগমীকাল রোববার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫। মোট পদসংখ্যা ৮৫২টি। সমন্বিতভাবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করা হবে। ৭টি ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেওয়া হবে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসিতে। পদ ৩০০টি।
চাকরির বিবরণ—
পদের নাম: অফিসার (ক্যাশ)
পদসংখ্যা: ৮৫২। এদের সোনালী ব্যাংক পিএসসিতে ১৪টি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসিতে ৩০০টি, রূপালী ব্যাংক পিএলসিতে ২০০টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে ৪১টি, বেসিক ব্যাংক লিমিটেডে ৪৮টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ১৬২টি এবং প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক ১৭টি পদ।
আবেদন শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদি স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/সমমান এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের পরীক্ষাসমূহে ন্যূনতম ১টিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে। কোনো পর্যায়েই তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।
বেতন স্কেল: ১৬০০০-১৬৮০০-১৭৬৮০-৩৮৬৬০ টাকা
বয়সসীমা: ১ জুলাই ২০২৫ তারিখে সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
আবেদনের নিয়ম
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে নির্ধারিত ছক পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
৭টি ব্যাংকে অফিসার (ক্যাশ) পদে কেউ নিয়োগ পেলে বেতন স্কেল হবে ১৬০০০-১৬৮০০-১৭৬৮০-৩৮৬৬০ টাকা
৭টি ব্যাংকে অফিসার (ক্যাশ) পদে কেউ নিয়োগ পেলে বেতন স্কেল হবে ১৬০০০-১৬৮০০-১৭৬৮০-৩৮৬৬০ টাকাপ্রথম আলো ফাইল ছবি
আবেদন ফি
২০০ টাকা
আবেদনের শেষ তারিখ
৭ ডিসেম্বর ২০২৫, রাত ১১.৫৯টা।
বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
স্কুলে ভর্তিতে লটারি বাতিল, ভর্তি হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি জানান, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাই করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সাল থেকে স্কুলে ভর্তির বিদ্যমান লটারি প্রথা থাকবে না। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সমন্বিত ভর্তি পদ্ধতি পুনঃসক্রিয় করা হচ্ছে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, অন্য দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, বরাদ্দ ও সুযোগ-সুবিধা ভিন্ন।
তিনি আরও বলেন, সমন্বিত ভর্তি পদ্ধতি আমরা ২০০১ সালে চালু করেছিলাম। অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে, তাদের শিক্ষাব্যবস্থায় বরাদ্দ ও সুযোগ-সুবিধা ভিন্ন। আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালুর ব্যবস্থা করেছি এবং শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে আরও কাজ করছি।
ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে কোচিং বাণিজ্য বাড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সেটার লাগাম আমরা টেনে ধরব। খুব সহজভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এমন কোনো প্রতিযোগিতা তৈরি করা হবে না, যা প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী নয়। প্রাথমিক ধাপে কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না। পরে পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, প্রথমে শুধু প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির পদ্ধতি চালু করা হয়। ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে (যেসব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি রয়েছে) ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি তখনও পরীক্ষার মাধ্যমেই হতো।
পরবর্তীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত একই পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইউজিসির চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে অধ্যাপক ফায়েজের আবেদন
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে অব্যাহতি চেয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অব্যাহতিপত্র পাঠান। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অধ্যাপক ফায়েজ চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতির আবেদনে উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করি। শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে আমি কমিশনের চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, এ অবস্থায় আমার বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনাপূর্বক বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক ভিসি অধ্যাপক ফায়েজ প্রতিষ্ঠানটির মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক। এস এম এ ফায়েজ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনেরও সাবেক চেয়ারম্যান। বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬তম উপাচার্য পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ঢাবি-রাবি-চবিসহ যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ (ঢাবি) একযোগে দেশের ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
সোমবার (১৬ মার্চ) এই নিয়োগ দেয়া হয়।
নতুন উপাচার্য পাওয়া উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজধানীর তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রইস উদ্দিন ও ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি হলেন অধ্যাপক আল ফোরকান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. মাসুদ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি হলেন অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান খান।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে অধ্যাপক মামুন আহমেদকে।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. ওবায়দুল ইসলাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।
বর্তমানে ওবায়দুল ইসলাম বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। তিনি শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় কঠোর নির্দেশনা
৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন ও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
রোববার (১৫ মার্চ) পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫০তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ এপ্রিল শুরু হয়ে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। এরপর কারিগরি ও পেশাগত বা পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা ২৭ এপ্রিল শুরু হয়ে ৭ মে শেষ হবে। এসব পরীক্ষা ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।
পিএসসি জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে উপস্থিত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মোট ১২ হাজার ৩৮৫ জন পরীক্ষার্থী এই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক যোগাযোগযন্ত্র, মোবাইল ফোন, ডিজিটাল বা অ্যানালগ ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, বই-পুস্তক বা ব্যাগ বহন করা যাবে না। এছাড়া চাবি, মানিব্যাগ, গয়না, ব্রেসলেট এবং ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইসও সঙ্গে রাখা নিষিদ্ধ। এসব সামগ্রী সঙ্গে থাকলে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
পরীক্ষার দিন কেন্দ্রের প্রবেশপথে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের বিশেষ টিম দায়িত্ব পালন করবে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইতোমধ্যে পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে খুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জানানো শুরু করেছে পিএসসি।
এছাড়া পরীক্ষার সময় কানের ওপর কোনো ধরনের আবরণ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কানের ওপর আবরণ থাকলে পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তবে চিকিৎসাজনিত কারণে শ্রবণ সহায়িকা (হিয়ারিং এইড) ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের লিখিত অনুমোদন নিতে হবে।
পিএসসি জানিয়েছে, পরীক্ষা শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জালিয়াতি প্রতিরোধ করতেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এমএন




