পুঁজিবাজার
সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দুই ঘণ্টায় লেনদেন ২০৩ কোটি টাকা
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দুই ঘন্টায় টাকা অংকে লেনদেন হয়েছে ২০৩কোটি টাকা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (০৩ ডিসেম্বর) বেলা ১২টা ৪ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ সূচক ১৫ দশমিক ০৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৯৬৫ পয়েন্টে।
অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ‘ডিএসইএস’ সূচক ৩ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে এবং ‘ডিএস৩০’ সূচক ৩ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০৪২ ও ১৯০৯ পয়েন্টে।
এদিনে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩৮টি, কমেছে ৮১টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৯টি কোম্পানির শেয়ারের।
এমকে
পুঁজিবাজার
গোপনে গ্রামীণ ক্যাপিটালের সাবেক এমডির শাস্তি প্রত্যাহার করলো মাকসুদ কমিশন
ড. মুহম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে তাঁরই প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির এক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার করে নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে শাস্তি প্রত্যাহার করলেও তা গোপন রেখেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বিএসইসির মুখপাত্র মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, “সাধারণত রিভিউ বা রিভিশন গ্রহণের নজির কমিশনের ইতিহাসে খুব একটা নেই। হয়তো দু-একটা হতে পারে। এজন্য এটি প্রকাশ করা কিংবা ওয়েবসাইটে দেওয়ার রেওয়াজও ছিল না। তবে এখন থেকে রিভিউতে এরকম উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসে, তাহলে তা প্রকাশ করা হবে।”
বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল মুহম্মদ ইউনূসের কোম্পানি গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের এমডি চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহকে এক কোটি টাকা জরিমানা ও তিন বছরের জন্য পুঁজিবাজারে নিষিদ্ধ করেছিল বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের কমিশন। এরপরই গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট থেকে খালেদ সাইফুল্লাহকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যিনি একই সঙ্গে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের (এনসিআরএল) পরিচালক হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
বিভিন্ন অনিয়ম ও সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২৩ সালের ১ মার্চ মার্চেন্ট ব্যাংক গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট ও এর এমডি চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি। এরপর ১৬ এপ্রিল কমিটি একটি পরিদর্শন প্রতিবেদন দাখিল করে কমিশনে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে কমিশন। একই সঙ্গে গ্রামীণ ক্যাপিটালের পরিচালনা পর্ষদকেও সতর্ক করে বিএসইসি।
বিএসইসির ইতিহাসে বর্তমান কমিশন দেড় বছরেরও কম সময়ে সবচেয়ে বেশি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যাতে হাজার হাজার কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার চেয়ে অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রিভিউ বা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানালেও বর্তমান কমিশন তা গ্রহণ করেনি। এক্ষেত্রে গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের সাবেক এমডি চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহ একমাত্র উদাহরণ, যার রিভিউ আবেদন গ্রহণ করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে বর্তমান কমিশন।
চৌধুরী খালেদ সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে গুরুতর যেসব অভিযোগ কমিশনের প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, গ্রামীণ ক্যাপিটালের এমডি পদে অনুমোদন নেওয়ার সময় খালেদ সাইফুল্লাহ নিজের গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য কমিশনকে জানাননি। তিনি অনুমোদন গ্রহণের সময় ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের (এনসিআরএল) পরিচালক হিসেবে তার অবস্থান গোপন করেন। অথচ এনসিআরএলের পরিচালক হওয়া অবস্থায় তিনি কোনো মার্চেন্ট ব্যাংকের এমডি পদে দায়িত্ব পালন করলে তা সরাসরি স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি করে।
তথ্য গোপন করার বিষয়টি সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার) বিধিমালা, ১৯৯৬–এর ৩৫(১)(খ) বিধি এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ধারা ১৮–এর স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করে তৎকালীন কমিশন। সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী, মার্চেন্ট ব্যাংকের শীর্ষ পদে নিয়োগ পেতে হলে প্রার্থীকে তার সকল সম্পর্ক, সংযুক্তি এবং সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত স্পষ্টভাবে জানাতে হয়।
বিএসইসির পর্যবেক্ষণে আরও দেখা যায়, এনসিআরএল এইচ.আর. টেক্সটাইল লিমিটেডের বন্ড অনুমোদনের জন্য ক্রেডিট রেটিং প্রদান করেছে। এর কিছুদিন পর গ্রামীণ ক্যাপিটালের বোর্ডে ওই প্রতিষ্ঠানের বন্ডে বিনিয়োগের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। বিএসইসি মনে করছে, এনসিআরএলের পরিচালক হিসেবে খালেদ সাইফুল্লাহর ভূমিকা এবং গ্রামীণ ক্যাপিটালের এমডি হিসেবে প্রস্তাবিত বিনিয়োগের বিষয়টি ‘স্বার্থের সংঘাত’। একদিকে তিনি একটি কোম্পানির রেটিং অনুমোদনে জড়িত, অন্যদিকে সেই কোম্পানির বন্ডে গ্রামীণ ক্যাপিটালের বিনিয়োগ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন—এটি পেশাগত দায়িত্বহীনতা ও স্বার্থের সংঘাতের পরিষ্কার উদাহরণ। এটি মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার বিধিমালা, ১৯৯৬ এর ৩৫(১)(খ) বিধির আরও একটি লঙ্ঘন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।
গ্রামীণ ক্যাপিটাল কর্তৃক জমা দেওয়া নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে ৮২২ জন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে প্রাপ্ত নিট ৯৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার সঠিক ও ন্যায্য চিত্র প্রতিফলিত হয়নি। বড় সংখ্যক ক্লায়েন্টের বিনিয়োগ পোর্টফোলিও পরিচালনা করা সত্ত্বেও, কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠিত বিনিয়োগ নীতি/স্কিম/গাইডলাইন ছিল না।
মুনাফায় শ্রমিকদের অংশীদারিত্ব (ডব্লিউপিপিএফ) সংক্রান্ত বিএসইসির নিয়ামাবলি বিষয়ে পরিদর্শকদের কাছে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেছেন গ্রামীণ ক্যাপিটালের এমডি। এছাড়া তিনি ৮৭তম এবং ৮৮তম পর্ষদ সভার নির্দেশনার সঙ্গে সংগতি রেখে পোর্টফোলিও সংক্রান্ত সকল তথ্য ও সারসংক্ষেপসহ প্রতিবেদন উপস্থাপনে ব্যর্থ হন—বিএসইসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিএসইসির পরিদর্শন চলাকালীন, গ্রামীণ ক্যাপিটাল এবং এর এমডি খালেদ সাইফুল্লাহ পরিদর্শকদের প্রয়োজনীয় নথি, তথ্য, এবং ব্যাখ্যা প্রদানে বা সহযোগিতায় ব্যর্থ হন।
এ বিষয়ে বিএসইসির মুখপাত্র মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, “কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি তা কমিয়ে দেওয়া কিংবা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারেন। আবার কমিশন যদি মনে করে, আগের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঠিক হয়নি, সেক্ষেত্রে কমিশন নিজেও ‘অন মোশনে’ তা রিভিউ করতে পারে। এখন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির রিভিউয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমান কমিশন মনে করেছে যে, তার বিরুদ্ধে নেওয়া আগের কমিশনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঠিক হয়নি। তাই ওই শাস্তি প্রত্যাহার করা হয়েছে।” সূত্র: ঢাকা স্ট্রিট জার্নাল
পুঁজিবাজার
বিআইসিএম রিসার্চ সেমিনার অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম)-এর ৫১তম রিসার্চ সেমিনার আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ইন্সটিটিউটের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে ‘প্রক্সি কনটেস্ট, ইন্টারলকিং ডিরেক্টরস এবং ইনসাইডার ট্রেডিং’ সংক্রান্ত মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড-এর সিনিয়র প্রভাষক ড. দেওয়ান রহমান।
ইন্সটিটিউটের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট জনাব ওয়াজিদ হাসান শাহ-এর সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় আয়োজিত উক্ত সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)-এর সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাদিয়া নূর খান।
আলোচকগণ অনলাইনে যুক্ত থেকে রিসার্চ সেমিনারে উপস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খু আলোচনা করেন।
ইন্সটিটিউটের অভ্যন্তরীণ গবেষকদের গবেষণার উৎকর্ষতা সাধনের লক্ষ্যে বিআইসিএম নিয়মিতভাবে রিসার্চ সেমিনার আয়োজন করে থাকে। এরই অংশ হিসেবে রিসার্চ সেমিনার-৫১ তম আয়োজন করা হয়। উক্ত রিসার্চ সেমিনারে ইন্সটিটিউটের সকল অনুষদ সদস্য ও কর্মকর্তাসহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন।
পুঁজিবাজার
বিএসইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিএপিএলসি’র নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের (বিএপিএলসি) নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটি।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিএসইসি ভবনে সভা কক্ষে বিএসইসির চেয়ারম্যান ও সকল কমিশনারবৃন্দ এবং বাংলাদেশ বিএপিএলসির নির্বাহী কমিটির সদস্যের উপস্থিতিতে সভা শুরু হয়। বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।
সভায় বিএসইসি’র কমিশনার মু. মোহসিন চৌধুরী, বিএসইসির কমিশনার মো. আলী আকবর, বিএসইসির কমিশনার ফারজানা লালারুখ, বিএসইসির কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন, বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক, পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দসহ আরো অনেকে উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন। এসময় পুঁজিবাজারের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিএপিএলসির নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটিকে বিএসইসির পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং দেশের পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
এসময় বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ অন্যান্যের মধ্যে বলেন, “পুঁজিবাজারের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন হলো বিএপিএলসি। পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও সংস্কারের ক্ষেত্রে বিএপিএলসির ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিসমূহে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতকরণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং শেয়ারহোল্ডার তথা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
দেশ, দেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে যার যার অবস্থান থেকে সকলকে সঠিক কাজটি করতে হবে এবং যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পুঁজিবাজারের কল্যাণে ও উন্নয়নে বিএসইসি বরাবরই তৎপর রয়েছে এবং এক্ষেত্রে অংশীজনদের সবরকম সহায়তা করবে বিএসইসি বলে জানান তিনি।
এছাড়া সভায় বিএপিএলসির সভাপতি ও ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ মাহমুদ এবং বিএপিএলসির নির্বাহী কমিটির সদস্য- এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হুমায়ূন রশিদ, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. ইমাম শাহীন, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান তারেক, জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উজ্জ্বল কুমার সাহা, রবি আজিয়াটার পরিচালক শরীফ শাহ জামাল রাজ, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম, সামিট পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) ড. মনিরুল ইসলাম আখন্দ, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক মো. শরীফ হাসান, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক জিয়াদ রহমান এবং বিএপিএলসির সেক্রেটারি জেনারেল মো. আমজাদ হোসেন অংশগ্রহণ করেন।
কাফি
পুঁজিবাজার
প্রাইম ফাইন্যান্সের সর্বোচ্চ দরপতন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) কোম্পানিটির শেয়ার দর ৮ পয়সা বা ৭ দশমিক ০৯ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-ওয়ান। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৭.৫ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ারদর ৬.৬৬ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, জিলবাংলা সুগার, শ্যামপুর সুগার, বিডি ওয়েলডিং, বিডি ল্যাম্পস, জাহিন স্পিনিং এবং এপেক্স ফুডস লিমিটেড।
এমকে
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধির শীর্ষে খান ব্রাদার্স
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪ কোম্পানির মধ্যে ২৬৮ টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে খান ব্রাদার্স পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ডিএসইতে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৪ টাকা ৪০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স । কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের দর বেড়েছে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এসইএমএল আইবিবিএল শারিয়াহ ফান্ড, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, সিলভা ফার্মা, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি এমপ্লোয়ি প্রোভিডেন্ট মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান: স্ক্রিম ওয়ান, সি পার্ল বিচ এবং রিলায়েন্স ওয়ান দা ফার্স্ট স্কিম অব রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স মিউচুয়াল ফান্ড।
এমকে



